বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০১:৩৮ পি.এম
আগামী ডিসেম্বরে চট্টগ্রাম নগরীতে তিনটি মেগা প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উদ্বোধন করা হবে বঙ্গোপসাগরের উপকূলে নির্মিত পতেঙ্গা-ফৌজদারহাট আউটার রিং রোড, কর্ণফুলী নদীর তীরঘেঁষে নির্মিত কালুরঘাট-চাক্তাই রিং রোড এবং ১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ শহীদ ওয়াসিম আকরাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নয়টি র্যাম্প। এই তিনটি প্রকল্প চালু হলে যানজট ও মানুষের ভোগান্তি কমবে। বন্দরের সড়কগুলোতে যানবাহনের চাপ কমবে এবং যাতায়াতে সময় সাশ্রয় হবে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এতে নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে।
যানজট নিরসন এবং বন্দরের ওপর চাপ কমানোর উদ্দেশ্যে নগরীর লালখান বাজার থেকে পতেঙ্গা পর্যন্ত নির্মাণ করা হয়েছে ১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ শহীদ ওয়াসিম আকরাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে। প্রায় সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই উড়ালসড়ক চালু হলেও ওঠানামার র্যাম্পগুলো চালু না হওয়ায় নগরবাসী পুরোপুরি সুফল পাচ্ছেন না।
তবে আগামী ডিসেম্বরে এক্সপ্রেসওয়েটির নয়টি র্যাম্পই চালু হওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে আটটির কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। আগ্রাবাদে অবস্থিত বাকি র্যাম্পটির নির্মাণকাজ আগামী নভেম্বরেই শেষ হবে।
শহীদ ওয়াসিম আকরাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মোহাম্মদ শিমুল জানিয়েছেন, কাজ শেষ করার জন্য নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী দিনরাত কাজ চলছে। আগ্রাবাদের র্যাম্পটির নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে এবং দ্রুতই কাজ শেষ হবে।
যদি সব র্যাম্প একসঙ্গে চালু হয়, তবে যানজট কমার পাশাপাশি নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থায় পরিবর্তন আসবে। বন্দর সড়কের ওপর যানবাহনের চাপও কমবে। প্রকল্প পরিচালক মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, নয়টি র্যাম্পের মধ্যে আটটির কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। বাকি একটির কাজ চলছে।
বন্দর ও নগরীর ওপর চাপ কমাতে শহরের পশ্চিম পাশে বঙ্গোপসাগরের উপকূল ঘেঁষে নির্মাণ করা হয়েছে পতেঙ্গা থেকে ফৌজদারহাট পর্যন্ত আউটার রিং রোড। ১৫ দশমিক ২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকা।
অন্যদিকে, নগরীর পূর্ব প্রান্তে জলাবদ্ধতা ও যানজট নিরসনের লক্ষ্যে কর্ণফুলী নদীর তীরঘেঁষে নির্মাণ করা হয়েছে কালুরঘাট-চাক্তাই রিং রোড। প্রায় দুই হাজার ৭০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সাড়ে ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কটি নতুন পর্যটনের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। সড়কটি চালু হলে যাতায়াতে সময় কমবে এবং নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থায় সুবিধা বাড়বে।
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন জানিয়েছেন, আগামী ডিসেম্বরেই প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে আসবেন। এই সময় তিনি শহীদ ওয়াসিম আকরাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, চাক্তাই-কালুরঘাট রিং রোড এবং ফৌজদারহাট-পতেঙ্গা রিং রোড উদ্বোধন করবেন। ডিসেম্বরের প্রথম অথবা দ্বিতীয় সপ্তাহে উদ্বোধন হতে পারে।
এদিকে, নগরবাসীর সুবিধার জন্য এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের বিদ্যমান নয়টি র্যাম্পের পাশাপাশি নতুন করে আরও তিনটি র্যাম্প নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঠাকুরগাঁও -১ আসনে উপনির্বাচন সরকারি দলকে সমর্থন, গভীর রাতে প্রত্যাহার হলেন যে ৯ জন ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা।
ঠাকুরগাঁও পৌরসভার সবুজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রের সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা মাসুদ রানা, ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজ ভোটকেন্দ্রের সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীন, ঠাকুরগাঁও রোড বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রের সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা জুলফিকার আলী, গোপালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রের সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ফরিদা ইয়াসমিন, সালন্দর পাঁচপীর ডাঙ্গা স্বতন্ত্র এবতেদ্বায়ী মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্রের সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা সাদেকুল ইসলাম, সিংগিয়া মুন্সিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রের সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, দৌলতপুর সলেমান খান বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রের সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ওবাইদুর রহমান, বালাপাড়া দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রের সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা শাহাদুল ইসলাম, বড়গ্রাম আলিম মাদ্রাসার সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা আব্দুল জব্বার কে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
তাদের বিরুদ্ধে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সরকারি দলের পক্ষে সমর্থন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের প্রত্যাহার করে নতুন কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন অফিসার কামরুল ইসলাম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাজ্য ১৬টি দেশ ও সংশ্লিষ্ট এলাকার জন্য ভ্রমণ সতর্কতা হালনাগাদ করেছে। ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস (এফসিডিও) বিমান চলাচলসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সম্ভাব্য বিঘ্ন ঘটনার বিষয়ে সতর্ক করেছে এবং পরিস্থিতির আকস্মিক অবনতির ঝুঁকির কথা উল্লেখ করেছে।
এই হালনাগাদ নির্দেশনার আওতায় থাকা দেশগুলো হলো—তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিসর, ওমান, কাতার, বাহরাইন, জর্ডান, সৌদি আরব, কুয়েত ও পাকিস্তান; এছাড়াও রয়েছে ইসরাইল, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড, ইরান, ইরাক, সিরিয়া ও ইয়েমেন।
এফসিডিওর ভ্রমণ নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, ‘মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এখনো অত্যন্ত অনিশ্চিত এবং আকস্মিকভাবে উত্তেজনা বৃদ্ধির ঝুঁকি অনেক বেশি।’
দপ্তরটি জানায়, ২০২৬ সালের শুরুর দিকে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্থাপনা, প্রতিষ্ঠান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করার ইচ্ছার কথা জানিয়েছে ইরান।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, অঞ্চলজুড়ে বেসামরিক অবকাঠামো ও মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরান এবং অন্যান্য পক্ষের হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটেছে।
এ পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত কিংবা অঞ্চলটি হয়ে যাতায়াতের পরিকল্পনা করছেন—এমন ব্রিটিশ নাগরিকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে যুক্তরাজ্য সরকার। সম্ভাব্য ফ্লাইট বাতিল, আকাশসীমা বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং অন্যান্য পরিবহন বিঘ্নের জন্য আগাম প্রস্তুতি রাখারও আহ্বান জানানো হয়েছে।
সূত্র: জিও নিউজ
আরএ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
একই বিসিএস ব্যাচের অন্যান্য ক্যাডারের কর্মকর্তারা পদোন্নতি পেলেও, শিক্ষা ক্যাডারের অনেক কর্মকর্তা বছরের পর বছর ধরে প্রভাষক পদে আটকে আছেন, এমন অভিযোগ করেছেন পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তারা। দীর্ঘদিনের পদোন্নতি জট এবং আন্তঃক্যাডার বৈষম্য নিরসনের দাবিতে গত ২৫ অক্টোবর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) প্রাঙ্গণে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন ৩৬তম, ৩৭তম ও ৩৮তম বিসিএসের শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তারা।
কর্মসূচির মাধ্যমে তারা সরকারের কাছে দ্রুত পদোন্নতির আদেশ জারি, বকেয়া আর্থিক সুবিধা প্রদান এবং পদস্বল্পতা নিরসনে অতিরিক্ত পদ সৃষ্টির দাবি জানান। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের মতে, অন্য ক্যাডারের ৩৭তম বিসিএসের কর্মকর্তারা ২০২৪ সালে এবং ৩৮তম বিসিএসের কর্মকর্তারা ২০২৬ সালে ষষ্ঠ গ্রেডে পদোন্নতি পেয়েছেন। কিন্তু শিক্ষা ক্যাডারের ৩৭তম বিসিএসের অনেক কর্মকর্তা এখনো নবম গ্রেডের প্রভাষক পদে কর্মরত রয়েছেন। ফলে একই বিসিএস ব্যাচের কর্মকর্তাদের মধ্যে পদমর্যাদা, আর্থিক সুবিধা ও পেশাগত অগ্রগতিতে বৈষম্য সৃষ্টি হয়েছে বলে তারা মনে করছেন।
তাদের অভিযোগ, শিক্ষা ক্যাডারে প্রভাষক থেকে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির সংকট দীর্ঘদিনের। ২০২৫ সালে এক দফায় ১ হাজার ৮৭০ জন কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেওয়া হলেও পরবর্তী সময়ে যোগ্য অনেক কর্মকর্তার পদোন্নতি নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ৩৭তম বিসিএসের পদোন্নতি নিয়ে গত ১৬, ১৭ ও ২১ সেপ্টেম্বর বিভাগীয় পদোন্নতি কমিটির (ডিপিসি) সভা অনুষ্ঠিত হয়। তবে সভার কার্যক্রম শেষ হওয়ার পরও পদোন্নতির সরকারি আদেশ বা জিও জারি হয়নি বলে তাদের দাবি।
ডিপিসির সুপারিশের ভিত্তিতে যোগ্য কর্মকর্তাদের দ্রুত পদোন্নতি এবং প্রযোজ্য বিধিমালা অনুযায়ী জ্যেষ্ঠতা ও আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের ভাষ্য, শিক্ষা ক্যাডারে অনুমোদিত পদের তুলনায় উচ্চতর পদের সংখ্যা কম থাকায় পদোন্নতির ক্ষেত্রে জট তৈরি হচ্ছে। মাউশির তথ্য অনুযায়ী, প্রভাষক পদ রয়েছে ৯ হাজার ৭৮২টি, কিন্তু সহকারী অধ্যাপক পদ মাত্র ৪ হাজার ৪৫১টি।
এই সংকটের সমাধানে সহকারী অধ্যাপক পর্যায়ে ২ হাজার ৮২৩টি সুপারনিউমারারি বা অতিরিক্ত পদ সৃষ্টির প্রস্তাব রয়েছে বলেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। তাদের তথ্য অনুযায়ী, গত ৪ জানুয়ারি এ-সংক্রান্ত কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। তবে প্রস্তাবটির অনুমোদন ও বাস্তবায়নের বিষয়ে চূড়ান্ত অগ্রগতি সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
চার দফা দাবি
অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া কর্মকর্তাদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে— ডিপিসির সুপারিশের আলোকে ৩৭তম বিসিএসসহ যোগ্য কর্মকর্তাদের দ্রুত পদোন্নতির আদেশ জারি, বকেয়া আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত করা, সুপারনিউমারারি (অতিরিক্ত) পদ সৃষ্টি ও বাস্তবায়ন এবং নিয়মিত পদোন্নতির সুনির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ।
কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, পদোন্নতি জট দীর্ঘায়িত হলে শিক্ষা ক্যাডারে পেশাগত হতাশা ও বৈষম্য আরও বাড়বে। তাদের মতে, পদস্বল্পতা নিরসন এবং নিয়মিত পদোন্নতির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে এ সংকটের দীর্ঘমেয়াদি সমাধান সম্ভব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : ফ্রান্স ও জার্মানির যৌথ যুদ্ধবিমান প্রকল্পের ব্যর্থতার পর, ব্রিটেন, জাপান ও ইতালির নেতৃত্বাধীন জোটে যুক্ত হয়ে পরবর্তী প্রজন্মের যুদ্ধবিমান তৈরিতে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস। এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা গিয়োম ফোরি বুধবার সাংবাদিকদের জানান।
এয়ারবাসের প্রতিনিধিত্বকারী জার্মানি ও স্পেন ফ্রান্স ও জার্মানির যৌথ প্রকল্পে যুক্ত ছিল। যুদ্ধবিমানের নকশা নিয়ে মতবিরোধের কারণে প্রকল্পটি সফল হয়নি। ফোরি বলেন, জার্মান সরকার বর্তমানে সম্ভাব্য ‘অংশীদারত্ব’ নিয়ে অন্যান্য দেশের সঙ্গে আলোচনা করছে।
প্যারিস থেকে এএফপি জানাচ্ছে, সাংবাদিকদের সঙ্গে এক অনলাইন আলোচনায় এয়ারবাসের প্রধান নির্বাহী জানান, ব্রিটেন, জাপান ও ইতালির সঙ্গে গ্লোবাল কমব্যাট এয়ার প্রোগ্রামে (জিসিএপি) যোগ দেওয়া একটি ‘সম্ভাব্য’ সমাধান হতে পারে। তবে তিনি উল্লেখ করেন যে, এ ছাড়া আরও বিকল্প রয়েছে।
২০৩৫ সালের মধ্যে যুদ্ধবিমানটি সামরিক বাহিনীতে যুক্ত করার লক্ষ্যে তিন দেশ ইতোমধ্যে এ প্রকল্পে ৫৫০ কোটি ডলারের বেশি বরাদ্দ করেছে। কানাডা এই কর্মসূচিতে পর্যবেক্ষক হিসেবে যোগ দিয়েছে।
ফোরি বলেন, ‘পরবর্তী প্রজন্মের যুদ্ধবিমানের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে আমরা জার্মান ও স্পেনের সরকারের সঙ্গে কাজ করছি এবং ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখছি। এই যুদ্ধবিমান অবশ্যই ইউরোপে এবং ইউরোপের জন্য তৈরি হতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘মূলত, এয়ারবাস এখনো বিশ্বাস করে যে ইউরোপে যৌথ সহযোগিতার ভিত্তিতে ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান তৈরি করা প্রয়োজন। আমরা ইউরোপের জন্য সেই সমাধানের অংশ হতে চাই।’
ফোরি এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব সরকারগুলোর উপর বর্তায়। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ‘খুব বেশি দেরি না করেই’ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ফ্রান্স ও জার্মানির যৌথ যুদ্ধবিমান তৈরির উদ্যোগ গত জুনে ভেস্তে যায়। প্রকল্পে ফ্রান্সের প্রতিনিধিত্বকারী দাসো অ্যাভিয়েশন যুদ্ধবিমানের নকশা নিয়ে এয়ারবাস ও জার্মান সামরিক বাহিনীর সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়।
এরপর দাসো ফরাসি রাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথভাবে একক উদ্যোগে যুদ্ধবিমান তৈরির কাজ এগিয়ে নিচ্ছে। নতুন বিমানটি ফ্রান্সের বর্তমান রাফাল যুদ্ধবিমানের স্থলাভিষিক্ত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ