ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

তিস্তাসহ দেশের চার নদীর পানি সতর্কসীমায় প্রবাহিত হচ্ছে


তিস্তাসহ দেশের চার নদীর পানি সতর্কসীমায় প্রবাহিত হচ্ছে

তিস্তাসহ দেশের চারটি নদীর পানি বর্তমানে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হচ্ছে। রংপুর অঞ্চলে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায়, এই অঞ্চলের নদ-নদীর পানির স্তর আরও বাড়তে সক্ষম হতে পারে। রবিবার পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এই তথ্যটি প্রকাশ করেছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, বর্তমানে তিস্তা নদী ডালিয়া, কাউনিয়া ও তারাপুর স্টেশনে সতর্কসীমায় অবস্থান করছে। তাছাড়া, সুরমা নদী ছাতক এবং সুনামগঞ্জ স্টেশনে, কুশিয়ারা নদী ফেঞ্চুগঞ্জ ও মারকুলি স্টেশনে এবং সোমেশ্বরী নদী কলমাকান্দা স্টেশনে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, গঙ্গা এবং পদ্মা নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় বৃদ্ধি পেয়েছে। আগামী পাঁচদিন ধরে এ নদীগুলোর পানির স্তর আরও বৃদ্ধি হতে পারে। তবে, পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়েই প্রবাহিত হওয়ার সম্ভাবনা উপলব্ধি করা যাচ্ছে।

আরও পড়ুন: নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য স্বজনদের দীর্ঘ অপেক্ষা

উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে। তবে, আগামী তিন দিনে এই অববাহিকার পানির স্তর বৃদ্ধি পেতে পারে। এর ফলে, সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলায় নদীগুলোর পানি বিপৎসীমার উপরে প্রবাহিত হয়ে সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে একটি স্বল্পমেয়াদী বন্যাবাহিত পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে। সিলেট বিভাগের সারিগোয়াইন, মনু ও যাদুকাটা নদীর পানি হ্রাস পেলেও ধলাই এবং খোয়াই নদীর পানির স্তর বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আগামী তিনদিন ধরে বৃদ্ধি পেয়ে চলতে পারে।

গত ২৪ ঘণ্টায়, রংপুর বিভাগের উত্তরাঞ্চলের ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে এবং তিস্তা নদীর পানির স্তর কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। আগামী দুই দিন এই অঞ্চলের নদীগুলোর পানি বৃদ্ধি পেয়ে তৃতীয় দিনে স্থিতিশীল হতে পারে। তবে আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও রংপুর জেলায় নদীগুলোর পানি বিপৎসীমার ওপরে প্রবাহিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে, নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদী বন্যার পরিস্থিতি দেখা দিতে পারে।

ময়মনসিংহ বিভাগের সোমেশ্বরী, জিঞ্জিরাম, ভুলাই এবং কংস নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আগামী তিনদিন ধরে অব্যাহত থাকতে পারে। এই সময়ের মধ্যে নদীগুলো নেত্রকোণা, ময়মনসিংহ এবং শেরপুর জেলায় সতর্কসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে। এর ফলস্বরূপ, নদীসংলগ্ন কিছু নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম বিভাগের সাঙ্গু নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও গোমতী, মুহুরী, সেলোনিয়া, ফেনী, হালদা ও মাতামুহুরী নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় হ্রাস পেয়েছে। তবে আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী তিনদিনের মধ্যে এই অঞ্চলের নদীগুলোর পানি অত্যন্ত দ্রুতভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে।

আরও পড়ুন: ধর্মীয় উৎসব শিশুদের নৈতিকতা ও আদর্শের শিক্ষা দেয়: ডেপুটি স্পিকার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আসামে ভয়াবহ বন্যা, ক্ষতিগ্রস্ত ২২ হাজারেরও বেশি মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩৫ এম


আসামে ভয়াবহ বন্যা, ক্ষতিগ্রস্ত ২২ হাজারেরও বেশি মানুষ

ভারত ও পার্শ্ববর্তী অরুণাচল প্রদেশে টানা ভারী বৃষ্টিপাতের প্রভাবে আসামে তীব্র বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

বন্যার প্রথম ঢেউতেই রাজ্যের অন্তত ছয়টি জেলায় ২২ হাজারের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। গতকাল রবিবার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছে।

খবরে বলা হয়, অবিরাম বর্ষণে ব্রহ্মপুত্র নদসহ এর সব উপনদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলছে।

আসাম রাজ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ধেমাজি, নলবাড়ি, ডিব্রুগড়, চিরাং, লখিমপুর ও কোকড়াঝাড় জেলায় মোট ২২,১২৪ জন মানুষ বন্যায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ধেমাজি জেলার পরিস্থিতি সবচেয়ে ভয়াবহ, যেখানে ১৫,৪৮৩ জন মানুষ বর্তমানে ক্রমবর্ধমান পানির কারণে চরম দুর্দশায় দিন কাটাচ্ছেন।

সরকারি প্রতিবেদন অনুযায়ী, বন্যার পানিতে ইতোমধ্যে ৯৬টি গ্রাম তলিয়ে গেছে এবং প্রায় ১,৬৯০ হেক্টর ফসলি জমি পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে। এ ছাড়া মানুষের পাশাপাশি প্রায় ৪৮,১৯৯টি গবাদি পশু ও প্রাণী এই বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শিবসাগর জেলার নাঙ্গলামুরাঘাটে দিসাং নদীর পানি বর্তমানে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

ভারী বর্ষণ ও বন্যার কারণে ধেমাজি জেলায় শিমেন নদীর ওপর একটি রেলসেতু আংশিক ধসে পড়েছে বলে নিশ্চিত করেছে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে। নর্থইস্ট ফ্রন্টিয়ার রেলওয়ের সিপিআরও জানান, ধেমাজি ও তার আশেপাশে ১১০ মিলিমিটারের বেশি রেকর্ড বৃষ্টিপাত হয়েছে। এর ফলে সৃষ্ট বন্যা ও তীব্র নদী ভাঙনের কারণে আর্চিপাথার এবং সিমন চাপারি স্টেশনের মধ্যবর্তী অংশে ট্রেন চলাচল স্থগিত করা হয়েছে।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ১৯৬৫ সালে নির্মিত এই সেতুটি ভালো ও নিরাপদ অবস্থায় ছিল। কিন্তু ভারী বর্ষায় নদী তীরের একটি বড় অংশ ধসে যাওয়ায় সেতুর একটি পিলার বা স্তম্ভ ভারসাম্য হারিয়ে অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে। তবে এটি একটি কম যান চলাচলকারী শাখা লাইন ছিল এবং নদীতে প্রবল বন্যার কারণে আগেই সমস্ত ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। ফলে কোনো ট্রেনের ক্ষতি হয়নি বা কোনো ব্যক্তি আহত হননি।

তিনসুকিয়া বিভাগের অন্তর্গত মুরকংসেলেক ও সিলাপাধারের মধ্যে ট্রেন চলাচল পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকবে। আপাতত এই রুটের ট্রেনগুলো সিলাপাথারে যাত্রা শেষ করবে এবং সেখান থেকেই আবার ফিরতি যাত্রা শুরু করবে।

যেসব যাত্রী মুরকংসেলেক থেকে সিলাপাধারে যেতে চান, তাদের সুবিধার্থে রেলওয়ের পক্ষ থেকে বিশেষ বাসের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। যাত্রীদের সব ধরনের প্রয়োজনীয় তথ্য ও জরুরি সহায়তা প্রদানের জন্য ধেমাজি, সিলাপাথার ও মুরকংসেলেক স্টেশনে ইতোমধ্যে বিশেষ হেল্প ডেস্ক খোলা হয়েছে।

বর্তমানে জেলা ও রাজ্য সরকারি কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় এনএফ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুধকুমার নদের পানি বিপৎসীমার ১৬ সেন্টিমিটার ওপরে, সৃষ্টি হতে বন্যা পরিস্থিতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩৬ এম


দুধকুমার নদের পানি বিপৎসীমার ১৬ সেন্টিমিটার ওপরে, সৃষ্টি হতে বন্যা পরিস্থিতি

উজানের ভারী বৃষ্টিপাতের ফলস্বরূপ কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর মধ্যে দুধকুমার নদের পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে গিয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) সকাল ৬ টার তথ্য অনুযায়ী, দুধকুমার নদের পানি বিপৎসীমার ১৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানির মাত্রা বাড়তে থাকা অবস্থায় জেলার নদী তীরবর্তী ও নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, জেলার অন্যান্য নদ-নদীর পানিও বৃদ্ধি পাচ্ছে। যদিও সেগুলো এখনো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানিয়েছেন, উজানে ভারী বৃষ্টির কারণে কুড়িগ্রামের সব নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। উল্লেখযোগ্যভাবে দুধকুমার নদের পানি ইতিমধ্যে বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। পানি বৃদ্ধির কারণে জেলার নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। আগামী ৩ থেকে ৪ দিন পানি আরও বৃদ্ধির আশঙ্কাও রয়েছে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হজ শেষে ফিরেছেন ৭৩০৭৬ বাংলাদেশি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩৭ এম


হজ শেষে ফিরেছেন ৭৩০৭৬  বাংলাদেশি

হজ পালন শেষে রবিবার পর্যন্ত সৌদি আরব থেকে মোট ২০৪টি ফিরতি ফ্লাইটে ৭৩ হাজার ৭৬ জন বাংলাদেশি হাজি দেশে ফিরেছেন। তাদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৪৫৯ জন এবং বেসরকারি ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে ৬৮ হাজার ৬১৭ জন হাজি দেশে ফিরেছেন।

এ বছর হজ করতে গিয়ে মোট ৫৫ জন বাংলাদেশি মারা গেছেন। তাদের মধ্যে মক্কায় ৩৭ জন, মদিনায় ১৭ জন এবং জেদ্দায় একজন মৃত্যুবরণ করেন। তবে মিনা বা মুজদালিফায় কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

সোমবার (২৯ জুন) হজ বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ১০৮টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনস ৬৯টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ২৭টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।

এয়ারলাইনস ভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১০৮টি ফ্লাইটে ৩৩ হাজার ৪৮৮ জন, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ৬৯টি ফ্লাইটে ২৫ হাজার ১২৮ জন, ফ্লাইনাসের ২৭টি ফ্লাইটে ১০ হাজার ২৬০ জন এবং অন্যান্য এয়ারলাইনসের মাধ্যমে ৪ হাজার ২০০ জন হাজি দেশে ফিরেছেন।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বাকি হাজিরা নির্ধারিত এয়ারলাইনসের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে দেশে ফিরবেন।

হজ বুলেটিন অনুযায়ী, ৪১৫ জন বাংলাদেশি হাজি সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন এবং ৭ জন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সৌদি মেডিক্যাল সেন্টারগুলো ৬৭ হাজার ১৩৯ জন হাজিকে স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছে এবং মক্কা ও মদিনার আইটি হেল্প ডেস্ক ২৮ হাজার ৪৪৩ জন হাজিকে বিভিন্ন তথ্য ও সেবা দিয়ে সহায়তা করেছে।

গত ১৮ এপ্রিল প্রথম বহির্গামী ফ্লাইটের মাধ্যমে চলতি বছরের হজ পরিবহন কার্যক্রম শুরু হয় এবং ২১ মে প্রাক হজ ফ্লাইট সম্পন্ন হয়। চলতি বছরের ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয়। হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ৩০ মে থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয় এবং তা আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত চলবে।

হজ অফিসের তথ্যমতে, এবার বাংলাদেশের জন্য সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জনসহ মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজযাত্রীর কোটা বরাদ্দ ছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপ ব্যর্থতায় তদন্তের নির্দেশ দক্ষিণ কোরিয়া প্রেসিডেন্টের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৫০ এম


বিশ্বকাপ ব্যর্থতায় তদন্তের নির্দেশ দক্ষিণ কোরিয়া প্রেসিডেন্টের

২০২৬ বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেওয়ার পর দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে-মিউং জাতীয় দলের ব্যর্থতা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি দলের হতাশাজনক পারফরম্যান্সের জন্য ভুল জনবল নির্বাচন ও নেতৃত্বকে দায়ী করে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

বিশ্বকাপে দক্ষিণ কোরিয়ার ব্যর্থতার পর প্রেসিডেন্ট সংস্কৃতি, ক্রীড়া ও পর্যটন মন্ত্রণালয়কে বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য নির্দেশ দেন। তিনি মানেন, সঠিক যোগ্যতার পরিবর্তে ব্যক্তিগত সম্পর্কের উপর ভিত্তি করে দায়িত্ব দেওয়ার ফলেই এ ধরনের ব্যর্থতা এসেছে।

এক বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট লি বলেছেন, ‘আমি শুধু হতবাক নই, এই ফলাফলে সম্পূর্ণ বিস্মিত। এটি আবারও প্রমাণ করেছে যে জনবল নির্বাচনই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। পেশাদার দক্ষতার বদলে ব্যক্তিগত সম্পর্ককে অগ্রাধিকার দিয়ে অযোগ্য ব্যক্তিদের নেতৃত্বে বসালে এমন ফলই আসবে।’

প্রেসিডেন্টের সমালোচনার মূল লক্ষ্য ছিলেন জাতীয় দলের প্রধান কোচ হং মিয়ং-বো। বিশ্বকাপের ব্যর্থতার পর তিনি ২৮ জুন পদত্যাগ করেন।

গ্রুপ ‘এ’-তে দক্ষিণ কোরিয়া প্রথম ম্যাচে চেক প্রজাতন্ত্রকে ২-১ গোলে হারালেও, পরের দুই ম্যাচে মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ১-০ ব্যবধানে হেরে যায়।

এই তিন ম্যাচে তিন পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপে তৃতীয় স্থানে থেকে নকআউট পর্বে উঠতে ব্যর্থ হয় এশিয়ার এই দলটি।

বিশ্বকাপ থেকে অকাল বিদায়ের পর দক্ষিণ কোরিয়ার ফুটবলে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে ফুটবল প্রশাসন ও জাতীয় দলের কাঠামোয় পরিবর্তন আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%