শনিবার, ১২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৫৭ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান কর্মসূচির ঘোষণা করেছে। এই কর্মসূচি রোববার ও সোমবার (১৩ ও ১৪ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত হবে।
ছাত্রদলের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন স্থানে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার লক্ষ্যে আজ থেকে শুরু হয়েছে তিন মাসব্যাপী ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬’。
এই অভিযানের অংশ হিসেবে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা, সার্বিক পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর শিক্ষাঙ্গন গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল দুই দিনব্যাপী বিশেষ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।
কর্মসূচির আওতায় আগামী ১৩ ও ১৪ সেপ্টেম্বর (রোববার ও সোমবার) সারাদেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টি ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হবে। ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীকে কেন্দ্র করে আবারও বিয়ের আলোচনা শুরু হয়েছে। ৩৭ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী নাকি আগামী ডিসেম্বরে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বিয়ের জন্য পাহাড়ঘেরা কালিম্পংকে বেছে নেওয়া হয়েছে।
হিন্দুস্তান টাইমসের তথ্য অনুযায়ী, মিমির বিয়ের প্রস্তুতি ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। তার ঘনিষ্ঠজনদের মধ্যে আমন্ত্রণপত্র বিতরণের কাজও চলছে। তবে, মিমি চক্রবর্তী কিংবা তার হবু বর এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ের খবরটি নিশ্চিত করেননি। প্রশ্ন উঠেছে, কে সেই পাত্র?
মিমির হবু জীবনসঙ্গী বিনোদন জগতের কেউ নন। তিনি ভারতীয় নৌবাহিনীর একজন কর্মকর্তা। তার নাম সিদ্ধার্থ। অভিনয়জগতের বাইরের এই ব্যক্তির সঙ্গেই নাকি নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছেন মিমি।
মিমির বিয়ে নিয়ে এর আগে বিভিন্ন সময় গুঞ্জন শোনা গেছে। তবে, সম্প্রতি অভিনেত্রীর কিছু মন্তব্যের কারণে সেই আলোচনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তদের প্রশ্নের জবাবে তার কিছু ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য নতুন করে বিয়ের জল্পনা সৃষ্টি করেছে।
যদিও মিমির ঘনিষ্ঠ সহকারী জানিয়েছেন, বিয়ের বিষয়ে তার কাছে আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য নেই। ফলে ডিসেম্বর মাসে মিমির বিয়ে হচ্ছে কি না, সেটি এখনো নিশ্চিত নয়। অভিনয়ের পাশাপাশি বর্তমানে মিমি বেশ ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।
সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের ‘এম্পারার ভার্সেস শরৎচন্দ্র’ সহ একাধিক নতুন কাজের শুটিং চলছে তার। পেশাগত ব্যস্ততার মধ্যেই ব্যক্তিজীবনের নতুন অধ্যায় শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছেন কি না, সেটিই এখন টালিউডে কৌতূহলের বিষয়।
মিমি নিজে মুখ না খোলা পর্যন্ত তাই বিয়ের খবরটিকে আপাতত গুঞ্জন হিসেবেই দেখছেন তার অনুরাগীরা। তবে, যদি সত্যিই ডিসেম্বরের বিয়ের খবরটি সঠিক হয়, তাহলে বছর শেষে টালিউডের অন্যতম আলোচিত তারকা-বিয়ের সাক্ষী হতে যাচ্ছে দর্শকেরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফেনীর পুলিশ বিশেষ অভিযানে সেপ্টেম্বরের শুরু থেকে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত ১৯৫ জন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে, যারা বিভিন্ন অপরাধে জড়িত। এ পর্যন্ত থানায় ২৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে বিভিন্ন ঘটনায়।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে মলম পার্টির সদস্য, মাদক ব্যবসায়ী, মাদকসেবী, ডাকাত চক্রের সক্রিয় সদস্য এবং ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি রয়েছেন, এমনটি জানিয়েছেন ফেনী মডেল থানা পুলিশ।
পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, ফেনী মডেল থানা এলাকায় মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। ১ সেপ্টেম্বর থেকে ১১ সেপ্টেম্বর সকাল পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ১৯৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে আইনগত ব্যবস্থা শেষে আদালতের মাধ্যমে গ্রেপ্তারকৃতদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
সর্বশেষ বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত বিশেষ অভিযানে আরও ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর আগে বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত ফেনী মডেল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোট ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অভিযানে শহরের স্টারলাইন বাস কাউন্টার ও আশপাশের এলাকা থেকে মলম পার্টির সদস্য লিটন মিয়া প্রকাশ সুমনকে (৩৭) গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার দক্ষিণ এলাইচ ডোমবাড়িয়া এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ জানায়, মলম পার্টির সদস্যরা স্টারলাইন বাসে বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের কৌশলে চেতনানাশক দ্রব্য ব্যবহার করে সর্বস্ব নিয়ে গাড়ি থেকে নেমে যায়। গ্রেপ্তার লিটন মিয়ার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় অন্তত ১৫টি মামলা রয়েছে। এছাড়া মহিপাল থেকে লেমুয়া যাওয়ার পথে সিএনজিচালিত রিকশায় (অটোরিকশা) নকল সোনার বার দেখিয়ে চেতনানাশক দ্রব্য ব্যবহার করে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। এসব ঘটনায় ফেনী মডেল থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সদস্যদের গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টা থেকে বুধবার ভোর পর্যন্ত অভিযানে ফেনী রেলস্টেশন ব্রাহ্মণপুকুর পাড় ও সরকারি কলেজের পেছনের এলাকার সড়কে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-কুমিল্লার লাকসামের মো. শুকুর প্রকাশ কানা শুক্কুর (২৬), ফেনী পৌরসভার বিরিঞ্চি এলাকার মো. আব্দুল মমিন (৪৬) এবং নোয়াখালীর সোনাইমুড়ির কাউছার হোসেন আশিক (২৩)। তাদের বিরুদ্ধে ফেনী মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তার তিনজনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন জেলায় চুরি ও ডাকাতির একাধিক মামলা রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম থেকে গাজীপুরগামী একটি কাভার্ডভ্যান থেকে এক প্যাকেট অ্যালুমিনিয়াম ওয়্যার চুরির ঘটনায় করা মামলার তদন্তে জাহাঙ্গীর আলম (৪১) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার কাছ থেকে চোরাই মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে।
ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, চলতি মাসের ১১ তারিখ পর্যন্ত বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি, মাদকসেবী ও মাদক ব্যবসায়ী এবং চোর-ডাকাত চক্রের সদস্যসহ মোট ১৯৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মাদক, চুরি-ডাকাতিসহ আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে। শিগগিরই মাদক ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে অন্যান্য বাহিনীর সমন্বয়ে টাস্কফোর্স কাজ করবে বলে জানান তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ