ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

রাজধানীতে বিশেষ কর্মশালার আয়োজন, জুলাই যোদ্ধাদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায়


রাজধানীতে বিশেষ কর্মশালার আয়োজন, জুলাই যোদ্ধাদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায়

জুলাই ২০২৪-এর ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আহত ও ক্ষতিগ্রস্ত যোদ্ধাদের মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে বিশেষ একটি কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে ‘অপরাজিত ২৪ ফাউন্ডেশন’-এর পক্ষ থেকে।

রোববার (৭ জুন) বিকেলে রাজধানীর বনানী ডিওএইচএসে এই মানসিক স্বাস্থ্যসেবা কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়। বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলছিল এই আয়োজন, যেখানে দেশ-বিদেশের বিশেষজ্ঞরা অংশগ্রহণকারীদের ট্রমা ও মানসিক চাপ মোকাবেলার বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা করেন।

আহতদের সেবায় এটি ছিল ফাউন্ডেশনের দশম মানসিক স্বাস্থ্যসেবা আয়োজন। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি ল্যাঙ্গোন হেলথ-এর চিকিৎসক ডা. আবদুল্লাহ হাসান কর্মশালাটি পরিচালনা করেন এবং এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন অপরাজিত ২৪ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী কমিটির ট্রেজারার বীর প্রতীক কর্নেল (অব.) আব্দুস সালাম।

আরও পড়ুন: ৭ নভেম্বর জাতীয় ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়: ববি হাজ্জাজ

কর্মশালায় মূলত যেসব বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়: কর্মশালাটি আহত যোদ্ধাদের জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করে, যেখানে তারা নিজেদের মানসিক চ্যালেঞ্জগুলো মন খুলে আলোচনার সুযোগ পান।

সিলেটের বাবনা পয়েন্টে আন্দোলনে অংশ নিয়ে একটি চোখ হারানো ১৯ বছর বয়সি মিজান আহমেদ নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, 'জুলাই আন্দোলনে আহত হওয়ার পর শারীরিক কষ্টের পাশাপাশি মানসিকভাবেও অনেক কঠিন সময় পার করেছি। অপরাজিত ফাউন্ডেশন-এর কর্মশালায় এসে নিজের অনুভূতি প্রকাশের সুযোগ পেয়েছি। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ ও সহযোদ্ধাদের অভিজ্ঞতা আমাকে নতুন করে আত্মবিশ্বাস ও মানসিক শক্তি জুগিয়েছে।'

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক ড. এম মুস্তাজিব হায়দার। এ ছাড়া নিজেদের দুঃসহ অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন হবিগঞ্জের শাইনুর মিয়া, মিরপুরের নূর হোসেন, মগবাজারের সাব্বির আহমেদসহ আন্দোলনে চোখ বা পা হারানো বেশ কয়েকজন অকুতোভয় যোদ্ধা।

অনুষ্ঠানে অনলাইনে যুক্ত হয়ে অপরাজিত ২৪ ফাউন্ডেশনের সভাপতি ড. পারভীন রহমান বলেন, 'পুনর্বাসন শুধু চিকিৎসা বা আর্থিক সহায়তার বিষয় নয়। এটি মর্যাদা, আত্মবিশ্বাস, আশা এবং সমাজে পুনঃঅন্তর্ভুক্তির সুযোগ ফিরিয়ে দেওয়ার একটি প্রক্রিয়া। আমাদের লক্ষ্য হলো ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা যেন অনুভব করেন তারা একা নন।'

আরও পড়ুন: বিএনপির শোভাযাত্রা উপলক্ষে নয়াপল্টনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার

২০২৫ সালের জানুয়ারিতে প্রতিষ্ঠিত এই অলাভজনক মানবিক সংগঠনটি চিকিৎসা, জীবিকা, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা ও অস্থায়ী আবাসনের মাধ্যমে একটি সমন্বিত পুনর্বাসন মডেল বাস্তবায়ন করছে। এ পর্যন্ত দেশের আটটি বিভাগের ৫০ জন আহত ব্যক্তি এবং তাদের পরিবারের ১৬৪ জন সদস্যকে সরাসরি সহায়তা করেছে সংগঠনটি।

এর ধারাবাহিকতায় গত শনিবার (৬ জুন) দেশব্যাপী ছড়িয়ে থাকা আহত ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গাজীপুরে দিনব্যাপী একটি পারিবারিক মিলনমেলার আয়োজন করা হয় ফাউন্ডেশনটির পক্ষ থেকে।

দৈনন্দিন সংগ্রাম থেকে সাময়িক বিরতি দিয়ে খেলাধুলা, বিনোদন ও পারস্পরিক মতবিনিময়ের মাধ্যমে তাদের মানসিক স্বস্তি দেওয়াই ছিল ওই আয়োজনের মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতে এ ধরনের সমন্বিত পুনর্বাসন কাঠামো অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সংগঠনটি।

আরও পড়ুন: রাশেদ খান: ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সিপাহী-জনতার প্রতিরোধই আসল বিপ্লব

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের উদ্যোগে ৬০ বাংলাদেশি তরুণের দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩৪ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের উদ্যোগে ৬০ বাংলাদেশি তরুণের দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ

ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক এবং নেতৃত্ব ভিত্তিক সম্পর্ককে আরও জোরদার করার উদ্দেশ্যে চার দিন ব্যাপী এক কর্মসূচির মাধ্যমে ৬০ জন বাংলাদেশি তরুণ ও তরুণীদের যোগাযোগ, নেতৃত্ব এবং দর-কষাকষি (নেগোশিয়েশন) দক্ষতার প্রশিক্ষণ প্রদান করেছে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস।

আজ গুলশানের একটি হোটেলে আয়োজন করা ‘দ্য আর্ট অফ দ্য ডিল: আমেরিকান এক্সেলেন্স ইন নেগোশিয়েশন স্কিলস’ শীর্ষক কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন উপস্থিত ছিলেন। তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের একটি নতুন প্রজন্মের বাংলাদেশি নেতা হিসেবে অভিহিত করেন, যারা গুরুত্বপূর্ণ দর-কষাকষি ও নেতৃত্বের ক্ষেত্রে কৌশলী হয়ে উঠছে।

মার্কিন ইংরেজি ভাষা বিশেষজ্ঞ জোয়ান মুনিস্টেরির সহযোগিতায় আয়োজিত এ কর্মসূচিতে ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং সিলেটের ‘অ্যাকসেস ইংলিশ’ কর্মসূচির ৬০ জন সাবেক শিক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করেন।

প্রশিক্ষণের পাঠ্যক্রমের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বই ‘দ্য আর্ট অফ দ্য ডিল’-এর নীতিমালা ছাড়াও দর-কষাকষি, যোগাযোগ এবং নেতৃত্ব উন্নয়ন বিষয়ে প্রচলিত মার্কিন পদ্ধতিগুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন মন্তব্য করেন যে, তারা বিশ্বের অন্যতম সফল চুক্তি-সম্পাদনকারীর অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে ‘দর-কষাকষির ওপর একটি মাস্টারক্লাস’ গ্রহণ করেছেন।

তিনি ২০১৬ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময়কার একটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করে বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্ব ও দর-কষাকষির ধরণ বুঝতে তিনি এক বিদেশি কূটনীতিককে ‘দ্য আর্ট অফ দ্য ডিল’ বইটি পড়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন।

ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘আমি দেখেছি তিনি বইটিতে বর্ণিত নীতিগুলোই অনুসরণ করছিলেন।’ তিনি এ মন্তব্য করেন যে, ওই দেশের নেতাদের সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের যোগাযোগের প্রসঙ্গ টেনে।

রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, প্রশিক্ষণে শেখানো কৌশলগুলো দর-কষাকষির ক্ষেত্রে মার্কিন পদ্ধতির গুরুত্বপূর্ণ উপাদানকে তুলে ধরে। এর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে প্রস্তুতি, স্পষ্ট যোগাযোগ, কৌশলগত চিন্তা, পারস্পরিক লাভজনক অংশীদারিত্ব এবং বাস্তবধর্মী দৃষ্টিভঙ্গি।

তিনি জানিয়ে দেন, ‘সফল দর-কষাকষি কেবল চুক্তি সম্পাদনের বিষয় নয়, যদিও সেটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। এটি আস্থা ভিত্তিক সম্পর্ক গড়ে তোলা, সমস্যার সমাধান করা এবং নতুন সুযোগ সৃষ্টি করার সঙ্গেও সম্পর্কিত।’

ক্রিস্টেনসেন মন্তব্য করেন যে, বিদেশে কার্যক্রম পরিচালিত মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলো এমন আত্মবিশ্বাসী নেতাদের মূল্যায়ন করে, যারা আমেরিকানদের যোগাযোগ ও দর-কষাকষির ধরন সম্পর্কে সঠিক ধারণা রাখেন।

তিনি বলেন, ‘যারা বুঝতে পারেন আমেরিকানরা কীভাবে দর-কষাকষি করে, তাদের সঙ্গে কাজ করা কিংবা দর-কষাকষি করা সত্যিই সহায়ক।’

রাষ্ট্রদূত আশা প্রকাশ করেন যে, এ কর্মসূচি বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ব্যবসায়িক সম্পর্ককে আরও শক্তশালী করবে এবং দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে।

তিনি প্রশিক্ষক ও অংশগ্রহণকারীদের ধন্যবাদ জানান এবং কোর্সে অর্জিত দক্ষতাগুলো নিজেদের কর্মক্ষেত্র, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজে প্রয়োগ ও ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান করেন।

তিনি জানান, ‘সফল দর-কষাকষি সম্পর্কে যে উত্তম চর্চাগুলো আপনারা শিখেছেন, সেগুলো অন্যদের মধ্যেও ছড়িয়ে দেবেন বলে আমি আশা করি।’

মার্কিন দূতাবাস জানায়, এ উদ্যোগ বাংলাদেশের তরুণদের নেতৃত্ব, যোগাযোগ ও পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের মধ্যে সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্ব এলপিজি দিবস ২০২৬ উদ্‌যাপন করল ফ্রেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩৪ পি.এম


বিশ্ব এলপিজি দিবস ২০২৬ উদ্‌যাপন করল ফ্রেশ

নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানি দেশের মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে ফ্রেশ এলপি গ্যাস বিশ্ব এলপিজি দিবস ২০২৬ উদ্‌যাপন করেছে।

দিবসটির উপলে, মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের (এমজিআই) প্রধান কার্যালয়ে একটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। কর্মসূচির উদ্বোধন করেন এমজিআইয়ের পরিচালক তানভীর মোস্তফা। এটি প্রতিষ্ঠানটির সাসটেইনেবল পরিবেশের প্রতি অঙ্গীকার এবং পরিচ্ছন্ন জ্বালানি ও সবুজ পরিবেশের মধ্যকার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে তুলে ধরছে।

ফ্রেশ এলপি গ্যাস, যা ওয়ার্ল্ড লিকুইড গ্যাস অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য এবং এমজিআইয়ের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান, দেশে প্রায় ৫০ লাখ সিলিন্ডারের মাধ্যমে লাখ লাখ গ্রাহককে সেবা প্রদান করে আসছে।

অনুষ্ঠানে তানভীর মোস্তফা উল্লেখ করেন, বিশ্ব এলপিজি দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয় কতটা গুরুত্বপূর্ণ পরিচ্ছন্ন জ্বালানি মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং পরিবেশ সুরক্ষায়। একজন দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান হিসেবে, ফ্রেশ এলপি গ্যাস নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য এলপিজির ব্যবহারের সম্প্রসারণের পাশাপাশি সবুজ ও টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে যাচ্ছে।

এ বছর, বিশ্বজুড়ে ‘এলপিজির সুফল ছড়িয়ে দিন’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দিবসটি পালন করা হচ্ছে। পরিচ্ছন্ন জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি, উন্নত স্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণ এবং আগামী প্রজন্মের জন্য আরও টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ার ক্ষেত্রে এলপিজির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরতে এ প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়াও দিবসটি উপলক্ষে, ফ্রেশ এলপি গ্যাস দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু করেছে। এর আওতায়, প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয়, চারটি এলপিজি কারখানা এবং ২৫০টিরও বেশি পরিবেশকের মাধ্যমে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এসব পরিবেশকেরা তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের আশপাশে গাছ লাগাচ্ছেন এবং সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে একটি অনলাইন প্রচারণা চালানো হচ্ছে।

এছাড়া, বাসার বারান্দা, ছাদ কিংবা উপযুক্ত যেকোনো স্থানে গাছ লাগিয়ে তার ছবি বা ভিডিও ফ্রেশ এলপি গ্যাসের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। নির্বাচিত অংশগ্রহণকারীদের জন্য থাকছে বিশেষ উপহার।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ফ্রেশ এলপিজির চিফ মার্কেটিং অফিসার আবু সাঈদ রাজা, এমজিআইর চিফ হিউম্যান রিসোর্সেস অফিসার আতীক উজ জামান খান, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর (অ্যাডমিন) সৈয়দ তৌফিক উদ্দিন আহমেদ (পিপিএম, এনডিসি), সিনিয়র জিএম (অডিট) সাজ্জাদ হোসেন (এফসিএমএ) এবং সিনিয়র ডেপুটি জিএম (এইচআর) মো. হোসেন মাহমুদ।

মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ (এমজিআই) বাংলাদেশের একটি শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী। ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে, শিল্পগ্রুপটি এফএমসিজি, জ্বালানি, উৎপাদন ও অবকাঠামোসহ নানা খাতে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এমজিআই বর্তমানে ৫৭টিরও বেশি শিল্প ইউনিট পরিচালনা করছে। এসব প্রতিষ্ঠানে ৬৫ হাজারেরও বেশি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। ‘ফ্রেশ’সহ বিভিন্ন জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের মাধ্যমে, এমজিআই দেশ ও বিদেশের লাখো ভোক্তাকে পণ্য ও সেবা প্রদান করে দেশের অর্থনীতি ও শিল্প উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে আরো ‘নির্দিষ্ট’ হামলার আহ্বান ট্রাম্পের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩৫ পি.এম


হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে আরো ‘নির্দিষ্ট’ হামলার আহ্বান ট্রাম্পের

লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আরো ‘সার্জিক্যাল বা নির্দিষ্ট’ লক্ষ্যভিত্তিক হামলা চালানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

যুদ্ধবিরতির পক্ষে অবস্থান নেওয়ার পর তার এই মন্তব্য লেবাননে চলমান সংঘাতের তীব্রতা বাড়ার সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে, এমনটাই জানাচ্ছে আলজাজিরা।

এনবিসিতে প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি চাই লেবাননের মানুষ আরো ভালো জীবন যাপন করুক। আমি হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে আরো সার্জিক্যাল বা নির্দিষ্ট হামলা দেখতে চাই। আমার মনে হয় হামলাগুলো আরো নির্দিষ্ট ও লক্ষ্যভিত্তিক হওয়া উচিত।’

তিনি তার এই অবস্থানকে লেবাননের জনগণের কল্যাণের সাথে যুক্ত করেছেন।

কিন্তু সমালোচকদের বক্তব্য হলো, হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে আরো হামলার আহ্বান বাস্তবে দেশে সংঘাত ও সহিংসতা বৃদ্ধি করতে পারে।

প্রসঙ্গত, গত ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েল-লেবানন সংঘাতে এখন পর্যন্ত অন্তত ৩ হাজার ৬১৩ জন নিহত হয়েছেন। বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, নিহতদের মধ্যে বেসামরিক নাগরিকের সংখ্যাও বেশ উল্লেখযোগ্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুতবা থামিয়ে যে সতর্কবার্তা দিলেন মসজিদে নববীর খতিব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩৭ পি.এম


খুতবা থামিয়ে যে সতর্কবার্তা দিলেন মসজিদে নববীর খতিব

পবিত্র মদিনার মসজিদে নববিতে জুমার খুতবা চলাকালীন একটি নজিরবিহীন ঘটনা ঘটল। খুতবার মাঝখানে হঠাৎ করে বক্তব্য থামিয়ে উপস্থিত ফটোগ্রাফার ও ভিডিওগ্রাফারদের উদ্দেশ্যে কঠোর সতর্কবার্তা প্রদান করেন ইমাম ড. সালাহ আল-বুদাইর। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, ছবি ও ভিডিও ধারণ এমনভাবে করতে হবে যেন মুসল্লিদের কোনো কষ্ট না হয় এবং ইবাদতের পরিবেশও ব্যাহত না হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ঘটনার ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে বিশ্বজুড়ে মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ভিডিও সূত্রে জানা যায়, জুমার নামাজে মুসল্লিদের উপচে পড়া ভিড়ের মধ্যে প্রথাগতভাবে খুতবা দিচ্ছিলেন ড. সালাহ আল-বুদাইর। খুতবার এক পর্যায়ে তিনি আকস্মিকভাবে সংক্ষিপ্ত বিরতি নেন। এরপর সরাসরি চিত্রগ্রহণকারীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, পবিত্র এই স্থানে দায়িত্বশীল আচরণ করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি নির্দেশ দেন, ছবি বা ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে যেন কারো মনোযোগ নষ্ট না হয় এবং ইবাদতের পরিবেশ ক্ষুণ্ন না হয়, সেদিকে কঠোর নজর রাখতে হবে।

খুতবার এই বিশেষ মুহূর্তটির ভিডিও ক্লিপটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হয়। নেটিজেনদের একটি বড় অংশ ইমামের এই পদক্ষেপটিকে অত্যন্ত সময়োপযোগী ও সাহসী বার্তা হিসেবে দেখছেন। অনেকে মন্তব্য করছেন, পবিত্র স্থানগুলোতে প্রযুক্তির অতিরিক্ত ব্যবহার নিয়ে নতুন করে ভাবার সময় এসেছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মক্কার মসজিদুল হারাম ও মদিনার মসজিদে নববির মত বিভিন্ন পবিত্র ধর্মীয় স্থানে মোবাইল ফোন ও ক্যামেরার ব্যবহার বহু গুণ বেড়েছে। ওমরাহ পালনকারী ও জিয়ারতকারীরা স্মৃতি ধরে রাখতে বা স্বজনদের দেখাতে ছবি ও ভিডিও ধারণ করে থাকেন। ডিজিটাল যুগে এটি এখন একটি সাধারণ অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।

তবে সমালোচক ও ইসলামিক বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত চিত্রগ্রহণের প্রবণতা ইবাদতের গভীরতা ও একাগ্রতা কমিয়ে দিচ্ছে। নামাজ, দোয়া কিংবা তাওয়াফের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতের সময়ও ক্যামেরার সামনে নিজেকে উপস্থাপন (রিয়া বা লোকদেখানোর ভাব) করার প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, সংযত ও শালীনভাবে স্মৃতি ধরে রাখার জন্য ছবি তোলা এক বিষয়, কিন্তু অন্যের মনোযোগ বিঘ্নিত করে বা পবিত্র পরিবেশের মর্যাদা নষ্ট করে চিত্রগ্রহণ করা মোটেই গ্রহণযোগ্য নয়। পবিত্র স্থানগুলোর আধ্যাত্মিক আবহ রক্ষা করা প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব।

পর্যবেক্ষকদের মতে, ড. সালাহ আল-বুদাইরের এই সতর্কবার্তা শুধুমাত্র সেদিনের উপস্থিত কয়েকজনের জন্য ছিল না; বরং বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর যুগে ইবাদত এবং আত্মপ্রদর্শনের (শো-অফ) সূক্ষ্ম সীমারেখা সম্পর্কে সমগ্র মুসলিম সমাজের জন্য এটি একটি সময়োপযোগী ও শক্তিশালী স্মারক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%