মোঃ লোকমান হোসেন, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি,
০৪:১৪ পি.এম
মাদকের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টি ও সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার লক্ষ্যে খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় মাদকবিরোধী র্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (১৬ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় দীঘিনালা থানা পুলিশের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণ থেকে র্যালিটি বের হয়। পরে র্যালিটি দীঘিনালা বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদে ফিরে এসে সমাবেশে মিলিত হয়।
সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানজিল পারভেজ। এতে সভাপতিত্ব করেন দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার চৌধুরী। এছাড়া এসআই রাজিব শেখ, দীঘিনালা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদিন, থানা পুলিশের সদস্য, বিএনপি নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, মাদক শুধু একজন ব্যক্তির জীবনকেই ধ্বংস করে না; এর প্রভাব পরিবার ও সমাজেও পড়ে। তাই মাদক প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনগুলোকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।
দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিল পারভেজ বলেন, মাদক একটি সামাজিক ব্যাধি। এর বিরুদ্ধে শুধু প্রশাসন বা পুলিশের একার পক্ষে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব নয়। পরিবার, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে দীঘিনালা থানা পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। মাদক সরবরাহ ও সেবনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি জনসচেতনতা তৈরিতেও পুলিশ কাজ করছে। মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে সবাইকে পুলিশের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাই।
র্যালি ও সমাবেশে মাদকবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান তুলে ধরা হয়। আয়োজকরা জানান, মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গলাচিপায় বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরি করার সময় গ্রামবাসী দুই চোরকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে। রবিবার (১৬ আগস্ট) সকাল ৬টার দিকে গজালিয়া ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ট্রান্সফরমার চুরি করার অভিযোগে মো. হৃদয় ও আব্দুস সালাম নামের দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে গলাচিপা থানায় নিয়ে আসে।
আটক মো. হৃদয় গলাচিপা উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের মো. হাসানের ছেলে, অন্যদিকে আব্দুস সালাম বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার মো. স্বপন হোসেনের ছেলে। পুলিশ এসে অভিযুক্ত উভয়কে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে, এই তথ্য জানিয়ে গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, "অভিযুক্ত দুজনকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
পুলিশ ও স্থানীয় এলাকার সূত্রে জানা গেছে, রবিবার সকালে গজালিয়া ইউনিয়নের গজালিয়া গ্রামে বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরি করে নিয়ে যাওয়ার সময় এলাকাবাসী ওই দুজনকে ধরতে সক্ষম হয়। গলাচিপা থানার ওসি মো. ইমতিয়াজ আহমেদ জানিয়েছেন, "অভিযুক্ত দুজনকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সড়কের উপর চলাচলকারী ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা আটক করে ডাম্পিং ইয়ার্ডে পাঠানোর মাধ্যমে চাঁদাবাজি করা হচ্ছে, এমন অভিযোগ করেছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক।
এটি জানিয়ে তিনি বলেন, শনিবার (১৬ আগস্ট) রাজধানীর পুরান পল্টন মোড়ে বিপ্লবী রিকশা শ্রমিক সংহতির আয়োজনে অনুষ্ঠিতব্য ব্যাটারিচালিত রিকশা শ্রমিক সমাবেশে তিনি এই অভিযোগ করেছেন।
সমাবেশে সাইফুল হক যোগ করেন, আটক রিকশাগুলো ডাম্পিংয়ের কারণে দ্রুত ছেড়ে দেয়ার জন্য দাবি জানানো হয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি ফ্যামিলি কার্ড দেয়া হলে রিকশা চালকদের অগ্রাধিকার দেয়ার আহ্বান জানান।
এছাড়াও, দাবি না মানা হলে আগামীতে বৃহত্তর আকারে রাজপথে আন্দোলনে নামার ঘোষণা সমাবেশ থেকে করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্যবসায়ীদের জন্য ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন প্রক্রিয়া ঢাকার দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) দ্বারা আরও সহজ, দ্রুত ও ডিজিটাল করা হবে। এতে ট্রেড লাইসেন্স পাঁচ বছর মেয়াদে নবায়নের ব্যবস্থা চালুরও ঘোষণা দিয়েছেন ডিএসসিসির প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম।
শনিবার, রাজধানীর ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত ‘স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য, আইন-শৃঙ্খলা, মানবাধিকার উন্নয়ন ও ট্রেড লাইসেন্স সেবা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এই ঘোষণা দেন।
প্রশাসক উল্লেখ করেন, ট্রেড লাইসেন্স সেবায় জোর-জবরদস্তির পরিবর্তে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করতে চায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। তিনি আরও বলেন, ঘরে বসেই ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন, হোল্ডিং ট্যাক্স ও অন্যান্য কর পরিশোধের সুযোগ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হতে চলেছে।
তিনি জানান, ট্রেড লাইসেন্স পাঁচ বছর মেয়াদে নবায়নের দাবিকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করা হয়েছে এবং শিগগিরই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
সাইনবোর্ড কর বিষয়ে তিনি বলেন, বড় বড় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের অনেক সাইনবোর্ডের প্রকৃত আয়তন অনুযায়ী কর নির্ধারণ করা হয় না। তবে এ বিষয়ে কাউকে হয়রানি করা হবে না, বরং ন্যায়সংগত ও স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে চেষ্টা করা হবে।
সভায় রাজধানীর যানজট, ফুটপাত দখল ও অবৈধ হকার সমস্যাকে ঢাকার প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে আব্দুস সালাম আরও বলেন, হকার ও ব্যাটারিচালিত রিকশাকে নিবন্ধনের আওতায় এনে নির্ধারিত সংখ্যার ভিত্তিতে লাইসেন্স দেওয়া হবে। এতে তাদের পরিচয় ও কার্যক্রম একটি ডিজিটাল ডাটাবেজে সংরক্ষণ করা হবে।
তিনি আরও জানান, ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর সহযোগিতায় দীর্ঘদিনের বকেয়া ট্রেড লাইসেন্স ও সিটি করপোরেশনের মার্কেটগুলোর ভাড়া আদায়ের সমস্যারও সমাধান করা হবে। এ জন্য বাজারভিত্তিক সমন্বয় উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
প্রশাসক 또한 বলেন, পুরান ঢাকার ঐতিহ্য সংরক্ষণে ৪১৬ বছর পূর্তি উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। রাজধানীকে এমনভাবে গড়ে তোলা হবে যাতে নাগরিকরা ঢাকাকে নিজেদের শহর হিসেবে গর্বের সঙ্গে ধারণ করতে পারেন।
তিনি ব্যবসায়ী নেতাদের উদ্দেশ্যে বলেন, যানজট, ফুটপাত দখল, চাঁদাবাজি ও নগর ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে প্রশাসনের পাশাপাশি ব্যবসায়ী সমাজকেও নেতৃত্ব দিতে হবে। তাদের সক্রিয় সহযোগিতা ছাড়া টেকসই সমাধান সম্ভব নয়।
সভায় ডিসিসিআইর সভাপতি তাসকিন আহমেদ সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. মাসুদ করিম।
এছাড়া, দুই সিটি করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ডিসিসিআইর পরিচালক ও ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তিরা আগের দিনেই সতর্কতা জানিয়েছেন। রোববার (১৬ আগস্ট) ডারউইনের মারারা ওভালে সিরিজের প্রথম টেস্টে বাংলাদেশ একদিন হাতে রেখেই ৯ উইকেটের বিশাল জয় নিশ্চিত করেছে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে।
তৃতীয় দিনের খেলা শেষে অস্ট্রেলিয়া চার উইকেট হারিয়ে বিপদে ছিল। তখন মহার্ঘ্য অনুভব করার মত একমাত্র ভরসা ছিলেন ক্যামেরন গ্রিন। পরদিন সকালে তিনি খুব বেশি সহযোগিতা পাননি। দ্বিতীয় সেশনে গ্রিন তার ক্যারিয়ারের তৃতীয় টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে নেন, কিন্তু তাতেও অস্ট্রেলিয়ার পরাজয় ঠেকানো সম্ভব হয়নি। বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য মাত্র ৫৭ রানের লক্ষ্য ছিল, যা তারা ১৪.২ ওভারে মাত্র এক উইকেট হারিয়ে পূর্ণ করে।
এই জয়কে কেন্দ্র করে অধিনায়ক শান্ত মন্তব্য করেছেন, 'এটি এখন পর্যন্ত যেকোনো ফরম্যাটে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জয়।' তাঁর কথাটি যথার্থ বলে ধরা হচ্ছে। শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে পুরো ম্যাচজুড়ে আধিপত্য দেখিয়েছে অপেক্ষাকৃত কম আলোচিত বাংলাদেশ দল। এই বিশাল জয়ের ব্যবধান ক্রিকেট বিশ্বে সৃষ্টিকর্তা বড় ধরনের আলোড়ন তৈরি করেছে।
অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ক্রিকেটার মার্ক ওয়াহ এবং রিকি পন্টিং প্যাট কামিন্সের দলের এই হারকে 'লজ্জাজনক' উল্লেখ করেছেন।
ফক্স ক্রিকেটে সাক্ষাৎকারের সময় মার্ক ওয়াহ বলছেন, এটি দেশের মাটিতে অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম বড় অঘটন, এমনকি এটি তাঁর স্মৃতিতে থাকা সবচেয়ে বড় অঘটন হিসেবে চিহ্নিত করছেন। তিনি ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে গাব্বায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে অস্ট্রেলিয়ার পরাজয়ের চেয়ে এটিকে বড় অঘটন বলে মনে করছেন।
ওয়াহ বলেন, 'অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে আমার মনে পড়া সবচেয়ে বড় অঘটন সম্ভবত এটি। কয়েক বছর আগে গাব্বায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছিল; সেটিও ছিল একটি অঘটন। কিন্তু এবার বিষয়টি আরও বড়। বাংলাদেশের সেরা দুই বোলার নাহিদ রানা ও শরিফুল ইসলাম খেলছে না এবং র্যাঙ্কিংয়ের দিক দিয়েও পার্থক্য আছে; আর অস্ট্রেলিয়ার দলও পূর্ণ শক্তির ছিল। তাই এই হারটা সত্যিই বড়।'
রিকি পন্টিংও চ্যানেল সেভেনে মন্তব্য করেন, এটিকে 'খুবই লজ্জাজনক পরাজয়' বলে অভিহিত করেছেন। তাঁর মতে, এবার অস্ট্রেলিয়ার নির্বাচকদের জন্য দলের পুনর্গঠনের দিকে মনোযোগ দেওয়ার সময় এসেছে।
সাবেক অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক বলছেন, 'দলে পরিবর্তন আনার কথা বলতে আমিই সবার শেষে আসি। অধিনায়ক বা খেলোয়াড় হিসেবে আমি সবসময় একই দলকে ধরে রাখতে চেয়েছি। কিন্তু পরিস্থিতি এতটা খারাপ পর্যায়ে পৌঁছেছে যে আমি বলতে শুরু করেছি যে কাউকে বাদ দেওয়া উচিত। এখানে আসার আগেই যথেষ্ট প্রমাণ ছিল যে দলে নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড়দের সুযোগ দিলে অস্ট্রেলিয়া খুব বেশি কিছু হারাবে না।'
পন্টিং যোগ করছেন, 'হয়তো নতুন কোনো ওপেনারকে খেলানো যেতে পারে, কিংবা তিন নম্বরে নতুন কাউকে সুযোগ দেওয়া যেতে পারে। আর এখানে যদি তারা হেরে যায়, তাহলে আমার মনে হয় সেটি করতেই হবে।'
অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ওপেনার ম্যাথিউ হেইডেনও দলে পরিবর্তনের পক্ষে মত দিয়েছেন। তিনি মনে করেন, স্যাম কনস্টাস ও ম্যাট রেনশকে আবার দলে ফেরানোর সময় এসেছে। একই সঙ্গে ট্রাভিস হেডকে ব্যাটিং অর্ডারে তিন নম্বরে নামানোর পরামর্শও দিয়েছেন তিনি।
হেইডেন বলেন, 'ওপেনিং (হেডের) সেরা পজিশন নয়। আমার মনে হয়, তার জন্য পাঁচ নম্বরই এখনো সবচেয়ে ভালো। অ্যালেক্স ক্যারিকে পাঁচ নম্বরে ব্যাট করতে পাঠানো উচিত নয়।'
তিনি আরও বলেছেন, 'সবকিছুই একটু অস্থির ও অনিশ্চিত মনে হচ্ছে। কিন্তু আমরা কেন এমন অবস্থায় আছি? অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট এত শক্তিশালী যে, আমার মতে, এমন পরিস্থিতিতে থাকার কথা নয়। তবে কাকে বেছে নেওয়া হবে, সেটিই বড় প্রশ্ন। আপনি কি ম্যাচ খেলার ছন্দে থাকা খেলোয়াড়দের বেছে নেবেন, নাকি প্রতিভার ভিত্তিতে দল সাজাবেন? যেমন, স্যামি কনস্টাসের মতো একজনকে?'
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ