বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৮:৫৪ এম
রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানাধীন মোহাম্মদিয়া হাউজিং সোসাইটির এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আলোচিত নবোদয় হাউজিং ইউনিট বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার বাদশা হত্যা মামলার অন্যতম অভিযুক্ত মনোয়ার হাসান, যিনি ওরফে লেদু হাসান হিসেবে পরিচিত, তাকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
র্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের জবানবন্দিতে উঠে এসেছে যে, লেদু 'মূল হামলাকারী পারভেজের' কাছে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র সরবরাহ করেছিলেন। গতকাল বুধবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র্যাবের মিডিয়া সেন্টারে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেছেন র্যাব-২-এর অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হাসান। তিনি বলেছেন, মঙ্গলবার রাতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানের মাধ্যমে লেদুকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, মাদক, চাঁদাবাজিসহ রাজধানীর বিভিন্ন থানায় মোট ৩২টি মামলা রয়েছে।
অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল আরও জানান, ১ জুলাই রাজধানীর আদাবর থানার নবোদয় হাউজিং এলাকায় জাপান ও ব্রাজিলের মধ্যে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখা নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় ছুরিকাঘাতে মারা যান নবোদয় হাউজিং ইউনিট বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার বাদশা। এই হত্যায় লেদু অন্যতম অভিযুক্ত। মামলা সংক্রান্ত গ্রেপ্তার হওয়া কয়েকজন আসামির ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে উঠে এসেছে যে, লেদুই মূল হামলাকারী পারভেজের কাছে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র সরবরাহ করেছিলেন।
নয়মুল জানিয়েছেন, পিসিপিআর যাচাইয়ে দেখা গেছে, লেদুর বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর, আদাবর ও দারুস সালাম থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইন, বিস্ফোরকদ্রব্য আইন, হত্যা, হত্যাচেষ্টা, অস্ত্র ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একাধিক মামলা রয়েছে। এছাড়া ২০১০ সালের আলোচিত ওহিদুজ্জামান হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি হিসেবে তিনি গ্রেপ্তার হয়েছিলেন এবং ২০১২ সাল পর্যন্ত কারাগারে ছিলেন।
২০২১ সালে লেদুকে বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন, গুলি সহ র্যাব-৪ গ্রেপ্তার করে। একটি অস্ত্র মামলায় তাঁর ১০ বছরের কারাদণ্ডও হয়েছে বলে জানান এই র্যাব কর্মকর্তা। তিনি আরো উল্লেখ করেছেন যে, স্থানীয় বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে লেদুর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং কিশোর গ্যাং পৃষ্ঠপোষকতা করার অভিযোগ করে আসছিলেন। বর্তমানে তাঁর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্র আবারও ইরানের ভেতরে বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার শুরু হওয়া এই হামলার মধ্য দিয়ে কয়েক দিনের সামরিক বিরতির অবসান হয়েছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস একটি জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানায়, চলতি সপ্তাহের শুরুতে ইরান জর্দানে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে একসঙ্গে কয়েকটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়ে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, সব ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই ধ্বংস করা হয়। ফলে ওই হামলায় কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি এবং হামলার চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।
সেন্টকম জানায়, মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন থাকা মার্কিন বাহিনীর ওপর এটি ছিল আকস্মিক হামলার চেষ্টা। তাদের দাবি, ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ইরানের ভেতর থেকেই ছোড়া হয়েছিল। নিরাপত্তার কারণে তারা লক্ষ্যবস্তু হওয়া ঘাঁটির নাম প্রকাশ করেনি। তবে অ্যাক্সিওসসহ একাধিক মার্কিন সংবাদমাধ্যম সঠিকভাবে জানিয়েছে, হামলার লক্ষ্য ছিল জর্দানে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি। যুক্তরাষ্ট্র এর আগে কূটনৈতিক আলোচনার সুযোগ তৈরি করতে ইরানের বিরুদ্ধে বিমান হামলা সাময়িকভাবে বন্ধ রেখেছিল। সেই বিরতির পর এবারই প্রথম কোনো মার্কিন সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে সরাসরি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে ইরানের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনার পর তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সেনাদের লক্ষ্য করে যেকোনো হামলার কঠোর জবাব দেওয়া হবে। ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সদস্যদের ওপর হামলা হলে ওয়াশিংটন শক্ত অবস্থান নেবে।
ফক্স নিউজের এক প্রতিবেদকের তথ্য অনুযায়ী, ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা তাদের খুব খারাপভাবে হারাব। আমরা তাদের ওপর জোরালো হামলা চালাব। তারা কঠিন শাস্তি পাবে।’ এদিকে ইরানে হামলার পাশাপাশি মঙ্গলবার গভীর রাতে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের বাহিনী যৌথভাবে ইরান-সমর্থিত ইরাকি মিলিশিয়া গোষ্ঠীগুলোর ওপরও বিমান হামলা চালায়। ইরাকের পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস (পিএমএফ) জানিয়েছে, ওই হামলায় অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন।
সেন্টকমের দাবি, পূর্ব ইরাকে থাকা রসদ গুদাম ও অস্ত্র সংরক্ষণাগারে এই যৌথ হামলা চালানো হয়েছে। তাদের ভাষ্য, গত তিন দিনে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) যুক্তরাষ্ট্রের সেনা এবং সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে ৩০টির বেশি ড্রোন হামলা চালিয়েছিল। তারই জবাবে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এর আগে সৌদি আরব জানায়, দেশটির পূর্বাঞ্চলের তেল স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে ছোড়া একাধিক ড্রোন তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভূপাতিত করেছে। সৌদি কর্তৃপক্ষ এই হামলার জন্য ইরাকভিত্তিক ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে দায়ী করেছে। সব মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন দফার এই হামলার পর ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা আরো বেড়েছে। তবে সামরিক উত্তেজনার মধ্যেও আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে পরোক্ষ কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।
গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে বিমান অভিযান সাময়িকভাবে স্থগিত করেছিল। তখন মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছিলেন, কৌশলগত পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং কূটনৈতিক সম্ভাবনা যাচাই করতে কিছু সময়ের জন্য হামলা বন্ধ রাখা হয়েছে। চলতি সপ্তাহের শুরুতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ভালো আলোচনা চলছে এবং ইতিবাচক অগ্রগতির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, আলোচনা ব্যর্থ হলে আবারও সামরিক অভিযান শুরু করা হবে। সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘আমাদের ভালো আলোচনা হচ্ছে। আমার মনে হয়, ভালো কিছু হওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে। যদি তা না হয়, তাহলে আমরা দুই দিন আগে যা করছিলাম, সেটাই আবার শুরু করব।’ নতুন করে বিমান হামলা শুরুর ঠিক আগে হোয়াইট হাউসে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। বৈঠকে ইরানকে ঘিরে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা বৈঠকটিকে ইতিবাচক ও ফলপ্রসূ বলে বর্ণনা করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অবসরের জন্য আগামী পহেরা আগস্ট যাওয়া কথা ছিল পুলিশ কর্মকর্তা মনোজ কান্তি দাসের (৫৫)। তবে তিনদিন আগে তিনি চিরঅবসরে চলে গেছেন।
গত মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাতে সিলেটের বাগবাড়ির নরসিংটিলা এলাকার একটি বাসার দ্বিতীয় তলার কক্ষে তার মরদেহ উদ্ধার করে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মোহাম্মদ মাঈনুল জাকির জানান, মনোজ কান্তি দাস সুনামগঞ্জ জেলার শাল্লা উপজেলার নারকিলা গ্রামের মৃত মহিম চন্দ্র দাসের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি) ও জেলা পুলিশে কর্মরত ছিলেন। ১ আগস্ট থেকে তার অবসরোত্তর ছুটিতে (পিআরএল) যাওয়ার কথা ছিল।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত বছর একটি সড়ক দুর্ঘটনায় মনোজ কান্তি দাসের স্ত্রী মারা গেছেন। এরপর, তিনি বাগবাড়ি নরসিংটিলা এলাকার বাসায় শ্বশুর-শাশুড়ি ও সন্তানদের সাথে বসবাস করতেন। বাসাটির নিচতলায় শ্বশুর-শাশুড়ি ও সন্তানরা থাকলেও, দ্বিতীয় তলায় একাই থাকতেন মনোজ কান্তি দাস।
সোমবার (২৭ জুলাই) রাতে, প্রতিদিনের মতো দায়িত্ব পালন শেষে রাতে তিনি বাসায় ফেরেন। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে রাতের খাবার খেয়ে নিজ কক্ষে চলে যান। পরবর্তীতে, মঙ্গলবার সারাদিন তার কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে, স্থানীয়রা কোতোয়ালী থানা পুলিশকে খবর দেন।
খবর পাওয়ার পর, রাত আনুমানিক ১২টার দিকে কোতোয়ালি থানার পুলিশ ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে কক্ষের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে ঘরের মেঝেতে মনোজ কান্তি দাসের মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখা যায়। সেখান থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
ওসি খান মোহাম্মদ মাঈনুল জাকির বলেন, বাগবাড়ি এলাকার একটি বাসার দ্বিতীয় তলার ঘর থেকে এক এসআইয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘরটি ভেতর থেকে বন্ধ থাকায় ফায়ার সার্ভিস দরজা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করেছে। উদ্ধারকালে তার নাক ও মুখ দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল।
মরদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, স্ট্রোকের কারণে মৃত্যু হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনকে ‘ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার এবং ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা। তারা সংশ্লিষ্ট সংবাদটির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে সঠিক তথ্য উপস্থাপনের আহ্বান জানিয়েছেন।
বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে নাগেশ্বরী সাংবাদিক ইউনিয়নের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ঘটনার সাক্ষী আতাউর রহমান।
লিখিত বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, একটি পক্ষ পরিকল্পিতভাবে চলমান মামলার তদন্তকে প্রভাবিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতায়, একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ঘটনাটি সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্য উত্থাপন করা হয়েছে, যা বাস্তবতার সঙ্গে কোনো সামঞ্জস্য নেই।
তিনি এই দাবি করেন যে, সংবাদে বিবাদীপক্ষ ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না বলে উল্লেখ থাকা সত্ত্বেও, প্রকৃতপক্ষে তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে জমি দখলের ঘটনায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য, ঘটনাস্থলের তথ্য এবং তদন্তে পাওয়া উপাত্তের ভিত্তিতে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শিমুল সরকার আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ওই তদন্ত প্রতিবেদনের আলোকে গত ১৮ জুন চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।
বক্তাগণ আরও বলেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও তথ্যবিকৃত সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে তদন্ত কর্মকর্তা এবং ভুক্তভোগী পরিবারকে সামাজিকভাবে হেয় করার চেষ্টা চালানো হয়েছে। তারা এ ধরনের বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের নিন্দা জানান এবং গণমাধ্যমে তথ্য যাচাই করে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কুড়িগ্রাম জেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। মধ্যে, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানের স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই ঘোষিত কমিটিতে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলা থেকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে স্থান পেয়েছেন ১১ জন ছাত্রনেতা। এর মধ্যে ছয়জনকে সহসভাপতি পদে এবং অন্যদের বিভিন্ন সম্পাদকীয় ও সহ-সম্পাদকীয় পদে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। কমিটির সহসভাপতি পদে রয়েছেন ফরহাদ হোসেন হেলাল, আরিফুল ইসলাম আপেল, বেলালে প্রধান, আনিসুর রহমান আনিস, রেজওয়ানুর রহমান হাসিব এবং আরিফুল ইসলাম মুন্না। এছাড়া উপ-মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক পদে মো. রুবেল আহমেদ, সহ-সম্পাদক পদে আরাফাত হোসেন রাসু ও বিদ্যুৎ সেন, উপ-গ্রন্থনা ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক পদে রিফাত সরকার এবং অটিজম বিষয়ক সম্পাদক পদে তৌফিক জামান পৃথিবী স্থান পেয়েছেন। নাগেশ্বরী থেকে এসব নেতার জেলা কমিটিতে অন্তর্ভুক্তির খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় পর্যায়ে নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে আলোচনা এবং প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে সরকার ২০২৪ সালের ২৩ অক্টোবর নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। তবে কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণার বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ