ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ন্যাটোভুক্ত দেশে সত্যিই কি হামলার পরিকল্পনা করছে রাশিয়া?


ন্যাটোভুক্ত দেশে সত্যিই কি হামলার পরিকল্পনা করছে রাশিয়া?

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আগামী কয়েক বছরের মধ্যে ন্যাটোর ঐক্য ও প্রতিরোধক্ষমতা পরীক্ষা করার জন্য জোটটির একটি সদস্যদেশে সীমিত পরিসরে হামলা চালানোর চেষ্টা করার সম্ভাবনা নিয়ে চিন্তা করছেন বলে ধারণা করছে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।

সম্প্রতি মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়নের সূত্রে বিষয়টি সম্পর্কে এ তথ্য জানিয়েছে সিএনএন।

অবগত তিনটি সূত্র জানাচ্ছে যে, রাশিয়া কীভাবে ন্যাটোর বিরুদ্ধে উত্তেজনা বাড়াতে পারে, এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র একাধিক সম্ভাব্য পরিস্থিতির মূল্যায়ন করেছে।

আরও পড়ুন: আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট গঠনকে লজ্জাজনক বললেন নেতানিয়াহু

গোয়েন্দা বিশ্লেষণের সম্ভাব্য পরিস্থিতির মধ্যে সাইবার হামলা থেকে শুরু করে সীমিত সামরিক অনুপ্রবেশের বিষয়গুলি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই পদক্ষেপগুলো ন্যাটোর ঐক্য এবং জোটের আর্টিকেল ৫-এ সদস্যদেশগুলোর প্রতিশ্রুতি পরীক্ষা করার উদ্দেশ্যে করা হতে পারে।

ন্যাটোর আর্টিকেল ৫ অনুযায়ী, জোটের যে কোনো সদস্যের ওপর সশস্ত্র হামলাকে পুরো জোটের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং আক্রান্ত দেশকে সহায়তায় অন্য সদস্যরা প্রতিশ্রুতি দেয়।

তবে গোয়েন্দা মূল্যায়ন অনুসারে, পুতিন এমন পদক্ষেপ নিতে পারেন, যা ন্যাটোর প্রতিক্রিয়া কতটা কঠোর হবে তা যাচাই করবে, কিন্তু তা এমন পর্যায়ে যাবে না যাতে জোটের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক সম্পূর্ণ সামরিক প্রতিক্রিয়া অনিবার্য হয়ে পড়ে।

পুতিন কখন বা কীভাবে এমন পদক্ষেপ নিতে পারেন, তা এখনো নিশ্চিত নয়। তবে একটি সূত্র জানাচ্ছে, রুশ প্রেসিডেন্ট যদি ন্যাটোর বিরুদ্ধে উত্তেজনা বাড়ান, তাহলে সম্ভাব্য লক্ষ্য হতে পারে বাল্টিক দেশ বা পোল্যান্ড।

আরও পড়ুন: নায়ক মান্নার গাড়িতে আগুন, গ্রেফতার দুজন কারাগারে

সাম্প্রতিক গোয়েন্দা মূল্যায়নের খবর প্রথম প্রকাশ করে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।

মার্কিন ও ন্যাটো কর্মকর্তাদের ধারণা, ইউক্রেনের যুদ্ধ থেকে সম্মানজনকভাবে নির্গমন করার মতো কোনো সমাধান বা ‘ফেস-সেভিং অফ-র‌্যাম্প’ যদি পুতিন না পান, তাহলে তিনি ন্যাটোর বিরুদ্ধে নতুন করে উত্তেজনা বাড়ানোর পথ বেছে নিতে পারেন।

সূত্রগুলো জানিয়েছে, পুতিনের সামনে পরবর্তী পদক্ষেপ বেছে নেওয়ার সম্ভাব্য সময়সীমা আজ থেকেই শুরু করে আগামী কয়েক বছর পর্যন্ত বিস্তৃত।

ন্যাটো তাদের সম্ভাব্য সব পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।

আরও পড়ুন: লুলার বিজয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য বড় ধাক্কা, ভূরাজনীতির নতুন সমীকরণ

ন্যাটোর জ্যেষ্ঠ সামরিক মুখপাত্র মার্টিন ও’ডনেল গোপন গোয়েন্দা মূল্যায়ন নিয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি।

যাহোক, তিনি বলেন, ন্যাটো সর্বদা সম্ভাব্য বিভিন্ন পরিস্থিতি নিয়ে পরিকল্পনা এবং প্রস্তুতি গ্রহণ করে।

তিনি জানান, “ন্যাটো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী প্রতিরোধ ও প্রতিরক্ষার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।”

এ বক্তব্য এমন এক সময়ে এল, যখন রাশিয়ার পক্ষ থেকে ন্যাটোর ভূখণ্ডে অনুপ্রবেশ এবং জোটের সদস্যদের বিরুদ্ধে হাইব্রিড কর্মকাণ্ড নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

আরও পড়ুন: রূপপুরের প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৭ সেন্ট হতে পারে

ন্যাটোর ভূখণ্ডে রুশ ড্রোনের অনুপ্রবেশের ঘটনা গত বছর থেকে ঘটে আসছে।

গত মে মাসে, রুশ বাহিনী ইউক্রেনের একটি বন্দর এলাকায় হামলার সময় বিস্ফোরক বহনকারী একটি ড্রোন রোমানিয়ার একটি আবাসিক ভবনে আঘাত করেছে, যার ফলে অন্তত দু'জন আহত হন।

এর আগে, গত বছরের সেপ্টেম্বরে ইউক্রেনে রুশ হামলার সময় একাধিক রুশ ড্রোন পোল্যান্ডের আকাশসীমার মধ্যে ঢুকে পড়ে, পরে ন্যাটোর যুদ্ধবিমান সেগুলো ভূপাতিত করে।

এসব ঘটনার কারণে রাশিয়া-ন্যটো সীমান্তে অনিচ্ছাকৃত সংঘর্ষ বা পরিকল্পিতভাবে সীমিত উসকানি দেওয়ার ঝুঁকি নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর উদ্বেগ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

আরও পড়ুন: ছাত্রদল নেতার জানাজার পরপরই গুরুদাসপুরে প্রবাসীর শপিংমলে হামলা-লুটপাট

বর্তমানে, রাশিয়ার সম্ভাব্য কর্মকাণ্ড নিয়ে নতুন মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়নের মধ্যে, জার্মানিতে একটি বিমানবন্দরে বিস্ফোরক বোঝাই ড্রোন পাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের এক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা সিএনএন-কে জানিয়েছেন, বুধবার রাতে জার্মানির একটি বিমানবন্দরে পাওয়া ড্রোনটির সঙ্গে রুশ গোয়েন্দা সংস্থার যোগসূত্র রয়েছে বলে মূল্যায়ন করা হচ্ছে।

ওই কর্মকর্তা এও জানান, ড্রোনটিতে সামরিক মানের বিস্ফোরক ছিল এবং নিরাপত্তাবেষ্টিত কার্গো ফ্লাইট পরিচালনা এলাকার একজন কর্মী ড্রোনটি দেখতে পান।

সিএনএন এ বিষয়ে রুশ প্রেসিডেন্টের কার্যালয় ক্রেমলিনের কাছে মন্তব্য চেয়েছে।

আরও পড়ুন: দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে গ্রিড বিপর্যয়ের তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন

জার্মানির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলেক্সান্ডার ডোব্রিন্ট বুধবার সাংবাদিকদের বলেন, ড্রোন দেখা বা ড্রোনের মাধ্যমে হুমকি তৈরি- বিশেষ করে হাইব্রিড যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে- আগেও দেখা গেছে। তবে বিস্ফোরক বহনকারী একটি ড্রোন বিমানবন্দরে পাওয়াকে তিনি নতুন ধরনের হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেন।

পরদিন বৃহস্পতিবার ডোব্রিন্ট ইঙ্গিত দেন, ড্রোনটির সঙ্গে ‘বিদেশি শক্তির’ যোগসূত্র থাকতে পারে। তবে তিনি নির্দিষ্ট কোনো দেশ বা সংস্থার নাম বলেননি।

ঘটনাটি নিয়ে জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ মের্জের নেতৃত্বাধীন জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ শুক্রবার বৈঠক করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভাণ্ডার নিয়েও ন্যাটোর উদ্বেগ বাড়ছে।

এমন পরিস্থিতিতে যখন রাশিয়ার সম্ভাব্য ন্যাটো হামলার মূল্যায়ন সামনে এসেছে, তখন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অস্ত্র এবং ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত নিয়েও উদ্বেগ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

সিএনএন-এর আগের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধক ব্যবস্থার প্রায় ৮০ শতাংশ ইন্টারসেপ্টর ব্যবহার হয়ে গেছে। একই সময়ে, প্যাট্রিয়ট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রায় অর্ধেক ইন্টারসেপ্টরও ব্যবহৃত হয়েছে।

সামরিক বিশ্লেষকদের কাছে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ যুক্তরাষ্ট্রকে একই সাথে ইউরোপে রাশিয়ার বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সংঘাত এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীনের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধের প্রস্তুতিও জোরদার রাখতে হচ্ছে।

ইউক্রেনে রুশ হামলায় বেসামরিক প্রাণহানি বাড়ছে।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত রাশিয়ার দূরপাল্লার অস্ত্রের হামলায় বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৬০ শতাংশ বেড়ে গেছে।

চলতি সপ্তাহে এক রাতের রুশ হামলায় ব্যালিস্টিক ও অ্যান্টি-শিপ ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে অন্তত ১৭ জন নিহত হন এবং আরও কয়েক ডজন মানুষ আহত হন।

সিএনএন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই হামলায় ব্যবহৃত কোনো ক্ষেপণাস্ত্রই ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রতিহত করতে সক্ষম হয়নি।

ভবিষ্যৎ যুদ্ধের পরিকল্পনায় প্রভাব ফেলছে অস্ত্রের ঘাটতি।

মার্কিন সামরিক বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র ও ইন্টারসেপ্টরের মজুত কমে যাওয়ার বিষয়টি ভবিষ্যতে সংঘাতের পরিকল্পনাতেও প্রভাব ফেলছে।

সামরিক কমান্ডারদের এখন সম্ভাব্য একাধিক পরিস্থিতি বিবেচনা করতে হচ্ছে- এর মধ্যে রাশিয়ার পক্ষ থেকে ন্যাটোর কোনো সদস্যদেশের বিরুদ্ধে সীমিত হামলা এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীনের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধও রয়েছে।

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের কারণে মার্কিন অস্ত্রের মজুত কম হওয়ায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ব্যক্তিগতভাবে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বলে আগের এক প্রতিবেদনে সিএনএন জানিয়েছিল।

বিষয়টি নিয়ে গত সপ্তাহে ক্যাম্প ডেভিডে মন্ত্রিসভার বৈঠকেও ট্রাম্প উদ্বেগ প্রকাশ করেন বলে বৈঠক সম্পর্কে অবগত ছয়টি সূত্র জানিয়েছিল।

তবে বৃহস্পতিবার রাতে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মে ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ রয়েছে এবং নতুন করে বিপুল অস্ত্রও উৎপাদন ও সরবরাহ করা হচ্ছে।

তিনি জানান, “বিশেষ করে কিছু ধরনের গোলাবারুদের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বিপুল মজুত রয়েছে।”

একই সাথে তিনি দাবি করেন, দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় পরিসরে প্রতিরক্ষা কারখানা ও উৎপাদন কেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে।

ইউক্রেন যুদ্ধ থামানোর কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় স্থবিরতা দেখা দিয়েছে।

পুতিনের সম্ভাব্য পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়ন এমন এক সময়ে সামনে এসেছে, যখন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের নেতৃত্বে চলমান কূটনৈতিক উদ্যোগ কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে।

মস্কোর ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের অব্যাহত নিষেধাজ্ঞা রাশিয়ার অর্থনীতিতে চাপ তৈরি করেছে। তবে এসব নিষেধাজ্ঞা এখনও পর্যন্ত পুতিনকে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান বন্ধ করতে বাধ্য করতে পারেনি।

ফলে, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার পাশাপাশি সংঘাতের পরিধি আরও বিস্তৃত হওয়ার ঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে।

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সাম্প্রতিক মূল্যায়নের সবচেয়ে বড় উদ্বেগ হলো- ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার কোনো গ্রহণযোগ্য পথ না পেলে পুতিন হয়তো ন্যাটোর প্রতিক্রিয়া ও ঐক্য পরীক্ষা করতে সীমিত কোনো পদক্ষেপ নিতে পারেন।

এ ধরনের পদক্ষেপ সাইবার হামলা বা হাইব্রিড যুদ্ধের মতো পরোক্ষ আক্রমণ থেকে শুরু করে ন্যাটোর কোনো সদস্যদেশের ভূখণ্ডে সীমিত সামরিক অনুপ্রবেশ পর্যন্ত হতে পারে।

তবে শেষ পর্যন্ত পুতিন এমন কোনো পদক্ষেপ নেবেন কি না, নিলে কখন এবং কী মাত্রায় নেবেন- তা এখনও অনিশ্চিত।

কিন্তু বাল্টিক অঞ্চল ও পোল্যান্ডের সম্ভাব্য ঝুঁকি বাড়ছে বলে মনে করছে মার্কিন গোয়েন্দা ও সামরিক মহল।

তাহলে ইউক্রেন যুদ্ধের ভবিষ্যৎ কেবল কিয়েভ ও মস্কোর সংঘাতের মধ্যে সীমাবদ্ধ নাও থাকতে পারে, বরং ন্যাটো-রাশিয়া সরাসরি সংঘাতের ঝুঁকি কতটা বাড়তে তা ওয়াশিংটন ও ইউরোপের জন্য বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পতিত সরকার পরিকল্পিতভাবে তরুণদের মাদকের দিকে ঠেলে দিয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:২৪ পি.এম


পতিত সরকার পরিকল্পিতভাবে তরুণদের মাদকের দিকে ঠেলে দিয়েছে

 

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর মন্তব্য করেছেন যে, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং যুবসমাজকে দুর্বল করতে পতিত সরকার পরিকল্পিতভাবে তরুণদের মাদকের দিকে ঠেলে দিয়ে গেছে।

শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে শিক্ষা ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এই মন্তব্য করেন।

অর্থ উপদেষ্টা আরও বলেন, একটি দেশের উন্নয়নের জন্য শিক্ষিত, সুস্থ এবং কর্মক্ষম যুবসমাজ থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বিগত সময়ে শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য খাতকে দুর্বল করার পাশাপাশি তরুণ সমাজকে মাদকের দিকে ঠেলে দেওয়ার ফলে সমাজে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে শিক্ষার মান-উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ এবং তরুণদের খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে গুরুত্ব দিতে হবে।

এছাড়া, রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, শিক্ষার্থীদের কেবল পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা উচিত হবে না।

তাদের জ্ঞান, বিজ্ঞান, সৃজনশীলতা এবং শারীরিক-মানসিক বিকাশের জন্য খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ তৈরি করতে হবে।

অনুষ্ঠানে রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. হারুন-অর-রশিদ, রাজবাড়ী জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম মিয়া এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ।

এছাড়া, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের এডিপি (বিশেষ) বরাদ্দের আওতায় পাংশা উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্কুুল বেঞ্চ, লাইট, ফ্যান, ক্রীড়া সামগ্রী, বাদ্যযন্ত্র এবং স্যানেটারি ন্যাপকিন বিতরণ করা হয়।

উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাটোরে গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রীসহ তিনজন গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:২৫ পি.এম


নাটোরে গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রীসহ তিনজন গ্রেপ্তার

নाटোরের লালপুরে পুলিশের চেকপোস্টে ২ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রীসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এ সময় গাঁজা পরিবহনে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল এবং যোগাযোগের কাজে ব্যবহৃত তিনটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার ইসবপুর গ্রামের মো. আহসান হাবীব (৪৫), উত্তর ফরিদপুর গ্রামের মোছা. আরফিনা বেগম (৩৪) এবং নাটোরের লালপুর উপজেলার মনিহারপুর গ্রামের মো. রাজিব শেখ (৩৫)। উল্লেখযোগ্যভাবে, আহসান হাবীব ও আরফিনা বেগম স্বামী-স্ত্রী।

শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ২টার দিকে লালপুর থানায় প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম পলাশ। পরে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলা থেকে গাঁজার চালান নিয়ে লালপুরে সরবরাহ করতে আসার পথে চক্রটির দুই সদস্য পুলিশের হাতে ধরা পড়েন। শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে, লালপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আল মাসুম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে গোপালপুর বেলগেট এলাকায় হযরত শাহ সুফি বোরহান উদ্দিন বাগদাদী (রহ.) ওরফে বুড়া পীর সাহেবের মাজারসংলগ্ন এলাকায় চেকপোস্ট বসান।

এ সময় বনপাড়া থেকে আসা একটি ১০০ সিসির ডিসকভার মোটরসাইকেল থামিয়ে তল্লাশি করার সময়, মোটরসাইকেলের চালক ও পেছনে বসা নারী আরোহীর মাঝখানে থাকা নেভি ব্লু রঙের জিনসের ব্যাগ থেকে পলিথিন ও স্বচ্ছ টেপে মোড়ানো পাঁচটি পোটলায় ২ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা পাওয়া যায়।

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আহসান হাবীব ও আরফিনা বেগমকে আটক করে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে রাজিব শেখের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়। পরে অভিযান চালিয়ে লালপুর উপজেলার মনিহারপুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে রাজিব শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ গাঁজা, মোটরসাইকেল, তিনটি মোবাইল ফোন এবং ব্যাগটি জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়। এ ঘটনায় এসআই মো. আল মাসুম বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) সারণি-১৯(ক), ৩৮ ও ৪১ ধারায় মামলা করেছেন।

মামলাটি ৮ আগস্ট ২০২৬ তারিখে লালপুর থানায় ৬ নম্বর হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার আহসান হাবীবের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন, ডাকাতি ও অস্ত্র আইনে একাধিক মামলা রয়েছে। রাজিব শেখের বিরুদ্ধেও আগে মাদক আইনে মামলা রয়েছে।

লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম পলাশ বলেন, ‘মাদকবিরোধী অভিযানে আমরা জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছি। জেলা ছাড়া থেকে মাদক এনে লালপুরে সরবরাহের যে চেষ্টা করা হচ্ছিল, তা আমরা ভেস্তে দিয়েছি। মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৫৪ রানে অলআউট, প্রস্তুতি ম্যাচে বাংলাদেশের পরাজয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:২৬ পি.এম


৫৪ রানে অলআউট, প্রস্তুতি ম্যাচে বাংলাদেশের পরাজয়

ঢাকা, ৮ আগস্ট ২০২৬ : অস্ট্রেলিয়া সফরে একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচে বাংলাদেশ মাত্র ৫৪ রানে অলআউট হয়ে পরাজিত হয়েছে। এই তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের কাছে ইনিংস ও ৩৮ রানের ব্যবধানে হারতে হয়েছে টাইগারদের।

প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ২৬৩ রানের জবাবে, ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশ ৩৫৫ রানে অলআউট হয়। প্রথম ইনিংসে ৯২ রানে পিছিয়ে থাকার পর দ্বিতীয় ইনিংসে দ্বিতীয় দিন শেষে, বাংলাদেশ ২ উইকেট হারিয়ে ১৯ রান সংগ্রহ করেছিল। ৮ উইকেট হাতে থাকাকালীন টাইগাররা আরও ৭৩ রানে পিছিয়ে ছিল।

ডারউইনের মারার ওভালে তৃতীয় ও শেষ দিনে খেলতে নেমে, ক্যাম্পবেল থমসনের দুর্দান্ত বোলিংয়ের শিকার হয় বাংলাদেশ। ২২ ওভারের মধ্যে টাইগারদের ব্যাটিং ৫৪ রানে শেষ হয়ে যায়। বাংলাদেশ তাদের শেষ ৮ উইকেট ৩৫ রানে হারায়।

আগের দিন সাদমান ইসলাম ও মোমিনুল হক ৬ রানে আউট হলেও, ওপেনার তানজিদ হাসান ৭ রানে অপরাজিত ছিলেন। তৃতীয় দিনে তিনি বড় ইনিংস খেলার চেষ্টা করেন কিন্তু ২২ রানে বিদায় নেন, যা দলের হয়ে ওই ইনিংসে সর্বোচ্চ রান।

তানজিদ ছাড়া আরও কোন ব্যাটার দুই অংক স্পর্শ করতে পারেনি। সৌম্য সরকার ৫, মুশফিকুর রহিম ২, উইকেটরক্ষক অমিত হাসান ৪, অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত শূন্য, মেহেদি হাসান মিরাজ ৬, তাসকিন আহমেদ ও এবাদত হোসেন শূন্য রানে আউট হন। হাসান মাহমুদ ২ রানে অপরাজিত ছিলেন।

থমসন ১১ ওভার বল করে ২৫ রানে ৮ উইকেট শিকার করেন। এছাড়া, স্পিনার কোরি রকিচ্চলি ২ উইকেট নেন। প্রথম ইনিংসে রকিচ্চলি ৮৩ রানে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন।

১৩ আগস্ট থেকে ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্ট খেলতে নামবে বাংলাদেশ। ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলবে টাইগাররা। ২২ আগস্ট ম্যাকাইয়ে শুরু হবে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুড়িগ্রামে নদীভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:২৮ পি.এম


কুড়িগ্রামে নদীভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

কুড়িগ্রাম, ৮ আগস্ট, ২০২৬ : তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এরই মধ্যে টেকনিক্যাল কমিটি কার্যক্রম শুরু করেছে। পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে। পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ জানিয়েছেন, অল্প দিন পরেই এই মহাপরিকল্পনার পাইলট প্রকল্পের কাজ শুরু করা হবে।

আজ শনিবার দুপুরে কুড়িগ্রামের চিলমারী বন্দর এলাকায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব তথ্য জানান। এর আগে তিনি চিলমারী, উলিপুর, রৌমারী ও রাজীবপুর উপজেলার নদ-নদীর ভাঙনকবলিত বিভিন্ন এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।

তিস্তা প্রকল্প সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘তিস্তা একটি বড় প্রকল্প। এত বড় একটি প্রকল্প একদিনে বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। সরকারের বয়স মাত্র পাঁচ মাস। আমাদের কিছুদিন সময় দিন। অল্প কিছু দিনের মধ্যেই আমরা তিস্তা মহাপরিকল্পনার পাইলট প্রকল্প হিসেবে কাজ শুরু করব।’

কুড়িগ্রামের সার্বিক নদীভাঙন পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী জানান, চিলমারী বন্দরসহ জেলার বিভিন্ন এলাকার ভাঙন পরিস্থিতি তিনি নিজে দেখেছেন। জেলায় স্থায়ীভাবে বাঁধ নির্মাণ ও নদীভাঙন রোধে এরই মধ্যে দুটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এসব প্রকল্পের অগ্রগতির পর্যালোচনা করে দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

নদীভাঙন রোধে কোনো ধরনের দলীয় বিবেচনা করা হবে না—এমনটি জানিয়েছেন ফরহাদ হোসেন আজাদ। তিনি বলেন, ভাঙনকবলিত মানুষের পাশে সরকার রয়েছে। কোনো মানুষের ঘরবাড়ি, হাটবাজার, মসজিদ, মন্দির কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যেন নদীতে বিলীন হয়ে না যায়, সেজন্য সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘প্রকল্পগুলো কত দ্রুত বাস্তবায়ন করা যায়, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী স্থানীয় সংসদ সদস্য ও প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে আমরা মাঠপর্যায়ে পরিদর্শন করছি।’

বর্তমানে কুড়িগ্রামের প্রায় ১০০টি ভাঙনকবলিত এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে কাজ চলছে বলে প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন। যেখানে আরও কাজের প্রয়োজন রয়েছে, সেখানেও দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হবে।

কুড়িগ্রামের কর্মসূচি শেষে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী গাইবান্ধায় বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে চলমান দুটি প্রকল্প পরিদর্শনে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন সাংবাদিকদের।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজার রহমান, কুড়িগ্রাম-৩ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মাহবুব সালেহী, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সুরাইয়া জেরিন রনি, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক (ডিজি) মো. রুহুল আমিন, কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ এবং কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান।

এ ছাড়াও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান, সদস্যসচিব সোহেল হোসনাইন কাইকোবাদ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম বেবু, যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক হাসিবুর রহমান হাসিব, চিলমারী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বারী, সদস্য সচিব সহকারী অধ্যাপক আবু হানিফা, যুগ্ম আহ্বায়ক সহকারী অধ্যাপক ফজলুল হক, জেলা বিএনপির সদস্য সাইয়েদ আহমেদ বাবু, যুবনেতা ওয়াজেদ আলী ঝিনুক এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%