মোঃ শরীফ উদ্দিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
১২:৪০ এম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী খান্দুরা দরবার শরীফের পীর মাওলানা হাফেজ সৈয়দ জিয়াউল কামাল (জাকারিয়া) আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা‘আত (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)-এর ২০২৫–২০২৮ মেয়াদের প্রেসিডিয়াম সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় বিভিন্ন মহলে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনের জোয়ার বইছে।
এ উপলক্ষে বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনার নেতা মোঃ রাকি মিয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক শুভেচ্ছা বার্তায় লিখেন—
"আলহামদুলিল্লাহ! আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা‘আত (বি.বাড়িয়া)-এর ২০২৫–২০২৮ সেশনের প্রেসিডিয়াম সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় জনাব মাওলানা হাফেজ সৈয়দ জিয়াউল কামাল (জাকারিয়া) সাহেবকে প্রাণঢালা অভিনন্দন ও মুবারকবাদ। আপনার এই পথচলা দ্বীন ও মিল্লাতের খেদমতে আরও সাফল্যমণ্ডিত হোক—এই দোয়া করি।"
স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও অনুসারীরাও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে তিনি ইসলামের সুমহান আদর্শ, আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের আকিদা এবং দ্বীনি খেদমতে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।
শুভাকাঙ্ক্ষীরা মহান আল্লাহ তাআলার নিকট দোয়া করেছেন, যেন তিনি সুস্থতা, দীর্ঘায়ু ও তাওফিক দান করেন এবং দ্বীন ও মিল্লাতের কল্যাণে তাঁর কার্যক্রম আরও বেগবান হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় পুকুরের পানিতে ডুবে লামিয়া (২) নামে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুরে উপজেলার একটি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত লামিয়া হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলার মুড়াকুড়ি গ্রামের জুয়েল মিয়ার মেয়ে। পরিবারের সঙ্গে নাসিরনগরে বসবাস করত সে।
পরিবার ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুরে বাড়ির পাশে খেলছিল লামিয়া। একপর্যায়ে সবার অগোচরে সে পাশের পুকুরে পড়ে যায়। কিছুক্ষণ পর তাকে খুঁজে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা আশপাশে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে বাড়ির পাশের পুকুরে শিশুটিকে ভাসতে দেখে দ্রুত উদ্ধার করে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।
হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।
মেয়ের মৃত্যুতে শোকে ভেঙে পড়েছেন বাবা জুয়েল মিয়া। তিনি বলেন, "সবার চোখের আড়ালে খেলতে গিয়ে অসাবধানতাবশত আমার মেয়েটি পুকুরে পড়ে যায়। শত চেষ্টা করেও তাকে আর বাঁচাতে পারলাম না।"
এ মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা শিশুদের নিরাপত্তায় পরিবারের সদস্যদের আরও সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে বাড়ির আশপাশের পুকুর, ডোবা ও জলাশয়ের পাশে ছোট শিশুদের একা খেলতে না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সোমবার, মধ্য দিল্লিতে ভারতের রাজধানীর কেন্দ্রস্থলে সারাদিন ধরে অস্থিরতা ছেয়ে ছিল। প্রতিটি জায়গায়, হাজার হাজার তরুণ-তরুণীর ভিড় ও জমায়েত দৃশ্যমান ছিল।
একাধিক জায়গায় মেট্রোস্টেশন ও রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার পরও, তারা সোমবার সকাল থেকে সকল বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে যন্তর মন্তরে পৌঁছানোর চেষ্টা করছিলেন।
পুলিশের লাঠিচার্জ ও কাঁদানের গ্যাস ব্যবহারের পরেও তাদের সরানো যায়নি। এই তরুণ-তরুণীরা সকাল থেকে গভীর সন্ধ্যা পর্যন্ত যন্তর মন্তরে অবস্থান করছেন পুলিশের তরফ থেকে প্রবল প্রতিরোধ সত্ত্বেও।
প্রায় এক মাস ধরে, শিক্ষা সংস্কারের দাবি এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের জন্য ককরোচ জনতা পার্টি বা সিজেপির নেতৃত্বে দিল্লির যন্তর মন্তরে একটি বিক্ষোভ চলছে।
তবে যে প্রশ্নটি বার বার আলোচনা হচ্ছে, সেটা হলো, যে দলের ফলোয়ার্স সংখ্যা দুই দিনে ভারতের শাসকদল বিজেপিকে টেক্কা দিচ্ছিল, সেই দলের বাস্তবতা কতটা সফল হবে?
যখন ককরোচ জনতা পার্টিকে দল হিসেবে অভিহিত করা হচ্ছে, তখন মনে রাখার বিষয় হলো এটি একটি রাজনৈতিক দল নয়। বরং এটি একটি নাগরিক সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। তবে সোমবার (২০ জুলাই) এই দলের কার্যক্ষমতা নিয়ে যে প্রশ্ন ছিল, তার উত্তর পাওয়া গেছে।
কলেজ ও পরীক্ষার প্রস্তুতিতে থাকা শিক্ষার্থীরা যখন দলবদ্ধ হয়ে রাস্তায় নেমেছে, তখন তারা বুঝিয়ে দিয়েছেন যে, সরকারের নীরবতা বজায় রাখা আর সম্ভব নয়।
স্বাধীন সাংবাদিক স্মিতা শর্মা, যিনি গত এক মাস ধরে এই যুব আন্দোলনটির খবর সংগ্রহ করছেন, তিনি মনে করেন যে এই শিক্ষার্থীরা কেন্দ্রীয় সরকারকে বার্তা দিয়েছে যে, সমস্যা কেবল শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং মুদ্রাস্ফীতি ও বেকারত্বের মতো অন্যান্য বিষয়গুলোকেও সরকারকে উপেক্ষা করতে পারে না।
‘শুধু নিজের স্বার্থের লড়াই লড়ছে না যুবসমাজ’
ককরোচ জনতা পার্টির তরফ থেকে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করে সংসদ ভবনে অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছিল আগেই। এই ডাকে সাড়া দিয়ে বহু তরুণ-তরুণী দিল্লির রাস্তায় নেমেছেন।
সংসদ অভিযানের সূচনাতে, যখন প্রথমে হাঙ্গামা বাঁধতে শুরু করে, তখন ককরোচ জনতা পার্টি দাবি করে যে সরকার তাদের আলোচনা করতে ডেকেছিল।
এদিকে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা বলেন যে বিক্ষোভকারীরাই আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তিনি ইনস্টাগ্রামে বৈঠকের একটি ছবি পোস্ট করে জানান, সকালে প্রথমবারের মতো বিক্ষোভকারীরা সরকারের সঙ্গে আলোচনা করার জন্য প্রস্তাব দিয়েছেন এবং সকাল ১১টা ৫০ মিনিট থেকে আলোচনা চলছে।
বৈঠকটি সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। প্রথমে তাদের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বিস্তারিত মৌখিক আলোচনা হয় এবং পরে তারা বিকাল ৪টার দিকে একটি লিখিত স্মারকলিপি জমা প্রদান করেন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা জানান, তিনি সমস্ত বিক্ষোভকারীকে তাদের অবস্থান ধর্মঘট শেষ করে প্রশাসনকে সহায়তা করার জন্য অনুরোধ করেছেন।
এত বড় যুব বিক্ষোভ সত্ত্বেও, কেন্দ্রীয় সরকার এখনও সিজেপির মূল দাবি মেনে নেয়নি। সিজেপিও আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে। ফলে প্রশ্ন থেকে যায়, যুবদের রাস্তায় নামার ফলস্বরূপ কি হলো?
এই আন্দোলনের সমর্থক সমাজকর্মী যোগেন্দ্র যাদব বলেন, যন্তর মন্তরে আমি যে নতুন প্রজন্মকে দেখছি, তা আমার বিশ্বাসকে আরও দৃঢ় করেছে। এই তরুণেরা শুধু নিজেদের জন্য লড়ছে না।
যোগেন্দ্র যাদব মনে করেন, যুবসমাজ একটি সুষ্ঠু শিক্ষা ব্যবস্থা, কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী অর্থনীতি এবং পৌঁছানোর রাজনৈতিক ব্যবস্থার জন্য লড়ছে যা জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে দায়বদ্ধ।
সাংবাদিক স্মিতা শর্মা মন্তব্য করেন যে, সোমবারের বিক্ষোভের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল যে, এত বিপুল সংখ্যক তরুণ-তরুণী রাস্তায় নেমে আসবে, তা কেউই আশা করেনি।
স্মিতা শর্মা বলেন, আন্দোলনের সরকারে চ্যালেঞ্জ উন্নয়ন কতটা বাড়বে, এটা বলা দরকার। সরকার যদি এই বিক্ষোভ থেকে কোনো শিক্ষা না নেয়, তবে সেটি সরকারের জন্য একটি বড় ভুল হবে। কারণ তরুণরা খুব স্পষ্টভাবে দেখিয়ে দিয়েছে যে তারা সংসদ পর্যন্ত মিছিল করার জন্য মুখিয়ে ছিল।
সিজেপি যদি তাদের সংসদ পর্যন্ত মিছিল করতে বাধা দেয়, তবুও হাজার হাজার মানুষ যন্তর মন্তর থেকে সংসদ পর্যন্ত যেত। তারা লাঠি দিয়ে পেটানো সত্ত্বেও, তারা ফিরে আসে এবং প্রশাসনের মোকাবিলা করে। এটি সরকারের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বার্তা। মানুষের মধ্যে এত ক্ষোভ জমা হয়েছে, যে তা যেন কোনো বেলুনের মতো ফেটে গেছে।
প্রবীণ সাংবাদিক হেমন্ত অত্রি স্মিতা শর্মার সত্য কথা বলেন যে এই যুব-বিক্ষোভ আগামী দিনে মোদি সরকারের জন্য একটি সমস্যা হতে চলেছে। তিনি বলেন, এই বিক্ষোভের সফলতা হলো, এতদিন দেশের মানুষকে তুচ্ছ জ্ঞান করা মোদি সরকারের ভুল বুঝতে হয়েছে।
এমন নয় যে মানুষ চুপচাপ চলে গেছে। তারা দেখিয়ে দিয়েছে যে এই দেশে গণতন্ত্র শক্তিশালী ও এর শিকড় মজবুত। সরকার একটি দুর্বল ভিত্তির বিরুদ্ধে চলতে পারে না।
যেকোনো দেশের জন্য, শুধু বর্তমান নয়, ভবিষ্যতের জন্য যুবসমাজের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেটা সরকার নির্বাচন হোক বা পরিবর্তন।
হেমন্ত আত্রি মনে করেন, এটি সরকারের জন্য একটি সতর্কবার্তা। তারা দীর্ঘদিন জনসাধারণকে উপেক্ষা করতে পারবে না। সরকারকে জনগণের কাছে উত্তরদায়ী হতে হবে, নইলে জনগণ রাস্তায় নামতে ভুলবে না। সমাজের দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব অনুভব হবে। আমাদের গণতন্ত্র কখনোই দান হিসেবে আসেনি, আমরা তা অর্জন করেছি। আর দিল্লির রাস্তায় যা দেখা গেছে, তা আমাদের গণতন্ত্রের শক্তি।
হেমন্ত আত্রি বলেন, সরকার মনে করে তারা হিন্দু এবং মুসলিম নামে রাজনীতি চালাতে পারবে, কিন্তু তা হবে না। জনগণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর দিকে ফিরে আসছে এবং যুবদের এইভাবে এগিয়ে আসা সরকারের জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা। সরকারকে তাদের কাজে মনোযোগী হতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হঠাৎ গোড়ালি মচকে যাওয়া, খেলাধুলার সময় আঘাত পাওয়া, পিঠ বা ঘাড়ে ব্যথা কিংবা শরীরচর্চার পর পেশিতে টান— এ ধরনের সমস্যায় অনেকেই বুঝতে পারেন না, তাদের বরফের সেঁক দেবেন, নাকি গরম সেঁক? অথচ ব্যথা কমাতে সঠিক সময়ে সঠিক থেরাপি ব্যবহার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভুল পদ্ধতি প্রয়োগ করলে ব্যথা ও ফোলাভাব কমানোর পরিবর্তে আরও বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই কোন ধরনের ব্যথায় কোল্ড থেরাপি (Cold Therapy) এবং কোন ক্ষেত্রে হিট থেরাপি (Heat Therapy) সবচেয়ে কার্যকর সেটি জানা দরকার।
কোল্ড থেরাপি কী?
কোল্ড থেরাপি বা ক্রায়োথেরাপি (Cryotherapy) হলো এই পদ্ধতিতে আঘাতপ্রাপ্ত স্থানে আইস প্যাক, ঠান্ডা কম্প্রেস অথবা ঠান্ডা পানির সেঁক দেওয়া হয়। ঠান্ডার প্রভাবে রক্তনালি সাময়িকভাবে সংকুচিত হয়ে যায়, ফলে আক্রান্ত স্থানে রক্তপ্রবাহ কমে এবং ফোলাভাব, প্রদাহ ও ব্যথা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
যেসব ক্ষেত্রে বরফের সেঁক সবচেয়ে কার্যকর
• সদ্য আঘাত পাওয়া স্থানে
• গোড়ালি মচকে গেলে
• পেশিতে টান বা লিগামেন্টে আঘাত লাগলে
• খেলাধুলার কারণে আঘাতজনিত স্থানে
• ফোলাভাব ও প্রদাহ কমাতে
বরফের সেঁক দেওয়ার নিয়ম
• বরফ কখনোই সরাসরি ত্বকে লাগাবেন না।
• একটি পাতলা তোয়ালে বা কাপড়ে বরফ মুড়িয়ে ব্যবহার করুন।
• একটানা ১০–১৫ মিনিটের বেশি বরফের সেঁক দেবেন না।
• প্রয়োজন হলে প্রতি ১–২ ঘণ্টা পরপর পুনরায় সেঁক দিতে পারেন।
হিট থেরাপি কী?
হিট থেরাপিতে ব্যথার জায়গায় হিটিং প্যাড, গরম পানির ব্যাগ, উষ্ণ তোয়ালে বা গরম পানির সেঁক ব্যবহার করা হয়ে থাকে। অনেক সময় গরম পানিতে গোসল করা উপকারী হতে পারে। তাপ রক্তসঞ্চালন বাড়িয়ে পেশিকে শিথিল করে এবং আড়ষ্টতা কমাতে সাহায্য করে। তাই এটি মূলত দীর্ঘদিনের ব্যথা বা পেশির শক্তভাব দূর করার জন্য বেশি কার্যকর।
যেসব ক্ষেত্রে গরম সেঁক ব্যবহার করবেন
• দীর্ঘদিনের পিঠ, কোমর বা ঘাড়ের ব্যথা
• পেশির আড়ষ্টতা ও শক্তভাব দূর করতে
• কাঁধ বা কোমরের দীর্ঘস্থায়ী ব্যথায়
• আর্থ্রাইটিস বা বাতজনিত জড়তা কমাতে
হিট থেরাপির ক্ষেত্রে সতর্কতা
• সদ্য আঘাত পাওয়া বা ফুলে থাকা স্থানে গরম সেঁক দেবেন না।
• অতিরিক্ত গরম হিটিং প্যাড বা গরম পানির ব্যাগ ব্যবহার করলে ত্বক পুড়ে যেতে পারে।
• ডায়াবেটিসজনিত অনুভূতিশক্তি কম থাকলে বা রক্তসঞ্চালনের সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া গরম সেঁক ব্যবহার না করাই ভালো।
কোনটি বেছে নেবেন?
সহজ করে মনে রাখতে পারেন—
✔ নতুন আঘাত, ফোলাভাব বা প্রদাহ = বরফের সেঁক
✔ পুরোনো ব্যথা, পেশির আড়ষ্টতা বা জড়তা = গরম সেঁক
অনেক ক্ষেত্রে চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে ঠান্ডা এবং গরম— দুটো থেরাপি ব্যবহার করা হতে পারে।
কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন?
শুধু সেঁকের ওপর নির্ভর না করে দ্রুত একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নিন যদি—
• ব্যথা অত্যন্ত তীব্র হয়ে থাকে।
• আঘাতের পর হাত বা পা নড়াতে না পারেন।
• ফোলাভাব দ্রুত বাড়তে থাকে।
• বেশ কয়েকদিন সেঁক দেওয়ার পরেও ব্যথা না কমে।
• আঘাতের ধরন সম্পর্কে নিশ্চিত না হন।
ব্যথা কমাতে বরফের সেঁক এবং গরম সেঁক— উভয়ই কার্যকর, তবে সঠিক সময়ে সঠিকটি ব্যবহার করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণ নিয়ম হলো— নতুন আঘাত ও ফোলাভাবের জন্য ঠান্ডা সেঁক, আর দীর্ঘদিনের ব্যথা ও পেশির আড়ষ্টতার জন্য গরম সেঁক। তবে যদি ব্যথা অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে থাকে বা স্বাভাবিক না হয়, তাহলে ঘরোয়া চিকিৎসার ওপর নির্ভর না করে দ্রুত একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সম্ভবত সবচেয়ে নিরাপদ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার ভলাকুট ক্ষেত্রনাথ বিশ্বাস উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, স্কুলের শিক্ষক এবং অভিভাবকদের নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার সকালে ভলাকুট ক্ষেত্রনাথ বিশ্বাস উচ্চ বিদ্যালয় অডিটরিয়ামে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ নাসিরনগর আসনের নব নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি এমএ হান্নান প্রধান অতিথি ছিলেন।
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, "প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে এখন আর গতানুগতিক শিক্ষা কোন কাজেই আসবে না। আমাদের প্রয়োজন মানসম্মত শিক্ষা বা যুগোপযোগী শিক্ষা। এই যুগোপযোগী শিক্ষা নিশ্চিত করতে শুধু শিক্ষকরা একা কাজ করলে হবে না। এটা একটি সম্মেলিত কার্যক্রম। শিক্ষক, শিক্ষার্থী আর অভিভাবক সকলের সম্মিলিত প্রয়াসের মাধ্যমেই মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। অর্থাৎ, মান সম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে।"
বিশেষ অতিথি হিসাবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীনা নাছরীন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
সহকারী শিক্ষক খান মো: জহিরুল ইসলামের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রধান শিক্ষক কাজী মো: আতাউর রহমান গিলমান।
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কেএম বশির উদ্দিন তুহিন, সাবেক সদস্য সচিব আজিজুর রহমান চৌধুরী, ভলাকুট ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান হাজী মো: বরকত উল্লাহ, চাতলপার ডিগ্রী কলেজের সহকারী অধ্যাপক আমিনুল হক তালুকদার, প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও সাংবাদিক সোহরাব শান্ত, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট আলী আজম চৌধুরী, নাসিরনগর সদর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সৈয়দ আবু সারুয়ার এবং ৮ম শ্রেণির ছাত্রী সাউদা ইসলাম।
সভায় বক্তারা শিক্ষার মান উন্নয়ন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ প্রদানসহ অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোকপাত করেন। মতবিনিময় সভায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, স্কুলের শিক্ষক, অভিভাবক ও স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং বিএনপির দলীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ