সন্দ্বীপ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
০৪:১৫ পি.এম
বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে বের হয়ে নিখোঁজ হওয়ার তিন দিন পর স্কুলছাত্র সাইয়েদ মুনিপ আহমেদ শানের (১৪) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার রাতে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত শান চট্টগ্রাম মডেল স্কুলের নবম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। সে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার মগধরা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মাহবুবুর রহমানের ছেলে।
মঙ্গলবার সকালে শানের জেঠা ফোরকান (যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী) মুঠোফোনে মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। বর্তমানে মরদেহটি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। স্বজনরা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের অপেক্ষায় রয়েছেন।
শানের নিকটাত্মীয় ও চট্টগ্রাম মডেল স্কুলের হিসাবরক্ষক মো. ওমর হায়দার শাহেদ জানান, গত ১৫ আগস্ট শনিবার বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে বের হওয়ার পর থেকে শানের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পর সোমবার রাতে পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
তবে কীভাবে শানের মৃত্যু হয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উত্তরাঞ্চলে উচ্চশিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, গবেষণা এবং কর্মসংস্থানের নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রতিষ্ঠা হতে যাচ্ছে ইকো ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (ইউএসটি)। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইকো সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (ইএসডিও) উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিতব্য বিশ্ববিদ্যালয়টি সরকারি অনুমোদন পেয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়টির অনুমোদনের বিষয়টি সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকেলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানায় ইএসডিও। সংস্থাটি জানিয়েছে, ‘শিক্ষা থেকে দক্ষতা, দক্ষতা থেকে উদ্ভাবন, আর উদ্ভাবন থেকে কর্মসংস্থান’—এই দর্শনকে সামনে রেখে বিশ্ববিদ্যালয়টি গড়ে তোলা হবে। শিক্ষার্থীদের শুধু ডিগ্রিধারী নয়, জ্ঞান, প্রযুক্তিগত দক্ষতা, উদ্ভাবনী চিন্তা ও কর্মজীবনের উপযোগী সক্ষমতা নিয়ে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনায় বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল, কৃষি, পরিবেশ ও জলবায়ু প্রযুক্তির পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, তথ্যপ্রযুক্তি, তথ্য বিশ্লেষণ ও ডিজিটাল প্রযুক্তির মতো ভবিষ্যৎ কর্মবাজারের চাহিদাসম্পন্ন বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হবে। আধুনিক গবেষণাগার, উদ্ভাবন গবেষণাগার এবং সমস্যা সমাধানভিত্তিক গবেষণার সুযোগ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।
শ্রেণিকক্ষের শিক্ষার পাশাপাশি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযোগ, ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ, শিক্ষানবিশ কার্যক্রম, কর্মজীবন সহায়তা ও চাকরির সুযোগ তৈরিতে গুরুত্ব দেওয়া হবে। তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে স্টার্টআপ ও নতুন উদ্যোগ বিকাশে বিশেষ কার্যক্রম চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
ইকো ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির প্রতিষ্ঠাতা ও ইএসডিওর নির্বাহী পরিচালক ড. মো. শহীদ উজ জামান বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ে উচ্চমানের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন তারা দীর্ঘদিন ধরে লালন করে আসছেন। রাষ্ট্রীয় অনুমোদন পাওয়ায় তারা আনন্দিত ও কৃতজ্ঞ।
তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য এমন একটি বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা, যেখানে একজন শিক্ষার্থী শুধুমাত্র একটি সনদ নিয়ে বের হবে না। সে বের হবে জ্ঞান, প্রযুক্তিগত দক্ষতা, মানবিক মূল্যবোধ, উদ্ভাবনী চিন্তা এবং কর্মজীবনে সফল হওয়ার সক্ষমতা নিয়ে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ডিগ্রি নয়, সক্ষম মানুষ তৈরি করাই হবে ইউএসটির সাফল্যের মাপকাঠি।’
শিক্ষাবিদ মনোতোষ কুমার দে বলেন, উত্তরাঞ্চলের অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার জন্য রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাড়ি জমান। নিজ এলাকায় মানসম্মত উচ্চশিক্ষার সুযোগ তৈরি হলে শিক্ষার্থীদের সময় ও অর্থ সাশ্রয়ের পাশাপাশি স্থানীয় মেধাকে স্থানীয় উন্নয়নে কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি হবে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, কৃষি, জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ, পানি, ডিজিটাল রূপান্তর, প্রকৌশল ও স্বাস্থ্য প্রযুক্তির মতো স্থানীয় সমস্যা নিয়ে গবেষণার সুযোগ তৈরি হলে এর সুফল ঠাকুরগাঁওসহ পুরো উত্তরাঞ্চল পেতে পারে।
ইএসডিও জানিয়েছে, মেধাবী, নারী, প্রান্তিক ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণেও গুরুত্ব দেওয়া হবে। পাশাপাশি দেশ-বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একাডেমিক ও গবেষণা সহযোগিতা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ে শুধুমাত্র উচ্চশিক্ষার সুযোগই বাড়বে না; গবেষণা, প্রযুক্তি উদ্ভাবন, দক্ষ মানবসম্পদ, উদ্যোক্তা তৈরি ও স্থানীয় কর্মসংস্থানেও নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ওয়াশিংটনের ভয়াবহ দাবানলে পুড়ে যাওয়া বাড়িঘর। নতুন বাড়িতে ওঠার মাত্র সাত ঘণ্টার মধ্যেই সাত সদস্যের এই পরিবার সব হারায়। ছবি: সংগৃহীত। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যে নতুন জীবনের স্বপ্ন নিয়ে নতুন বাড়িতে উঠছিল সাত সদস্যের একটি পরিবার। কিন্তু তাদের সেই স্বপ্ন পূরণের আগেই ভয়াবহ দাবানলে নতুন বাড়ি পুড়ে যায়। বাড়িতে ওঠার মাত্র সাত ঘণ্টার মধ্যেই প্রাণ বাঁচানোর জন্য তাদের সবাইকে ঘর ছাড়তে হয়েছিল। ঘটনাটি ঘটে গত ১ আগস্ট ওয়াশিংটনের স্পোকেন কাউন্টিতে। ওইদিনই পরিবারটি নতুন বাড়িতে জিনিসপত্র নিয়ে উঠেছিল। ঘরের ভেতরে তখনো স্থানান্তরের বাক্স ছিল এবং অনেক কিছুই ঠিকমতো গোছানো হয়নি। এর মধ্যেই দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে ভয়াবহ ওল্ড ট্রেইলস দাবানল। প্রথমে পরিবারটি ধারণা করেছিল, আগুন হয়তো তাদের বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছাবে না। কিন্তু ধোঁয়ায় আকাশ ঢেকে গেলে এবং পরিস্থিতি দ্রুত ভয়াবহ হয়ে উঠলে তারা আর অপেক্ষা করতে পারল না। প্রয়োজনীয় কিছু নগদ জিনিস নিয়ে দ্রুত বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান পরিবারের সাত সদস্য। শেষ পর্যন্ত সবাই নিরাপদে বের হতে পারলেও আগুন থেকে বাড়িটি রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হলো, নতুন বাড়িটিতে পরিবারটি একটি রাতও কাটাতে পারেনি। যে বাক্সগুলো খুলে নতুন করে সংসার সাজানোর কথা ছিল, সেগুলোর অনেক কিছুই আগুনে পুড়ে যায়। কয়েক ঘণ্টা আগেও যে বাড়িতে ছিল নতুন শুরুর আনন্দ, দাবানল সেটিকে পরিণত করে ধ্বংসস্তূপে। এই পরিবারটির ক্ষতি ছিল ভয়াবহ দাবানলের একটি অংশ মাত্র। ১ আগস্ট প্রচণ্ড গরম ও শক্তিশালী বাতাসের মধ্যে স্পোকেন এলাকায় একাধিক দাবানল দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, আগুনের কারণে প্রায় ৬০ হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে হয়। ধ্বংস হয় ৬০০টির বেশি বাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য স্থাপনা। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনায় স্পোকেন কাউন্টিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়। জরুরি কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও সহায়তা দ্রুত পৌঁছে দিতে কাউন্টি কমিশনাররা জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেন। স্পোকেনের মেয়র লিসা ব্রাউন দাবানলটিকে এলাকার অন্যতম ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে বর্ণনা করেন। এদিকে ওল্ড ট্রেইলস দাবানল কীভাবে শুরু হয়েছিল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়। পরে স্পোকেন কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় ও ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের প্রাকৃতিক সম্পদবিষয়ক কর্মকর্তারা অগ্নিসংযোগের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেন। কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ৩৭ বছর বয়সী ফারিনাচ্চির বিরুদ্ধে ওল্ড ট্রেইলস দাবানল শুরু করার অভিযোগ রয়েছে। আদালতের নথিতে বলা হয়েছে, তিনি কয়েক সপ্তাহ ধরে আগুন লাগানোর পরিকল্পনা করেছিলেন বলে তদন্তকারীদের জানিয়েছেন। তবে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি। দাবানল নিয়ন্ত্রণে আসার পর পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়। ১১ আগস্ট ওল্ড ট্রেইলস রোড ও অটাম লেন এলাকার বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা তুলে নেওয়া হয়। তবে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় অগ্নিনির্বাপণ, বিদ্যুৎ পুনরুদ্ধার ও অন্যান্য কাজ চলতে থাকে। আগুন থামলেও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সামনে এখন নতুন করে জীবন গড়ার কঠিন লড়াই। কেউ পুড়ে যাওয়া বাড়িতে ফিরে খুঁজছেন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, কেউ খুঁজছেন আগুন থেকে বেঁচে যাওয়া সামান্য কিছু স্মৃতি। স্থানীয় বাসিন্দা ও স্বেচ্ছাসেবকেরাও ক্ষতিগ্রস্তদের খাবার, পানি ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী দিয়ে সহায়তা করছেন। সাত সদস্যের এই পরিবারের নতুন শুরুটা শুরু হওয়ার আগেই শেষ হয়ে গেছে। মাত্র সাত ঘণ্টা আগে যে বাড়িতে তারা নতুন জীবনের স্বপ্ন নিয়ে উঠেছিলেন, কয়েক ঘণ্টা পর সেই বাড়ি ছেড়ে তাদের পালাতে হয়েছে প্রাণ বাঁচাতে। বাড়ি ও বহু জিনিসপত্র হারালেও পরিবারের সাত সদস্যই বেঁচে আছেন। ভয়াবহ সেই রাতের পর এটিই এখন তাদের সবচেয়ে বড় পাওয়া।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরকে দুই দেশের সম্পর্কের জন্য অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখছেন সাবেক প্রবীণ ভারতীয় কূটনীতিক, বিদ্যাভূষণ সোনি। তিনি বলেছেন, যদি তারেক রহমান ভারত সফর না করেন, তাহলে এই যোগাযোগের পথ দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
ভারতীয় বার্তাসংস্থা এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিদ্যাভূষণ সোনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে তাঁর কাছে তুলনামূলকভাবে ‘অনেক বেশি খোলামেলা’ মনে হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ‘তারেক রহমান ভারতবিরোধী নন এবং তিনি ভারতের বিরুদ্ধে কোনো বক্তব্যও দেননি।’
বিদ্যাভূষণ সোনির মতে, এই সফরের মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের গতি বাড়ানোর পাশাপাশি তিস্তা নদীর পানি বণ্টন এবং রোহিঙ্গা সংকটের মতো দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা অমীমাংসিত সমস্যাগুলো সমাধানের পথ সুগম হতে পারে। বিশেষ করে, মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের ওপর ভারতের প্রভাব কাজে লাগিয়ে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে অগ্রগতি সম্ভব বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ফেব্রুয়ারি মাসে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য এই দিল্লি সফর নিয়ে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দুই দেশের কূটনৈতিক পর্যায়ে আলোচনা চলছে। তবে সফরের নির্দিষ্ট তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
গত ৫ আগস্ট দিল্লিতে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার পর দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক অঙ্গনে অস্বস্তি তৈরি হয়। বাংলাদেশ শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ভারতকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠিয়েছিল, তবে ভারত সরকার ওই অনুষ্ঠানটির বিষয়ে নিজেদের দূরত্ব বজায় রাখার কথা জানিয়েছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল স্পষ্ট করেছেন, একটি বেসরকারি সংবাদমাধ্যমের আয়োজিত সেই অনুষ্ঠানের বক্তব্যের সঙ্গে মোদি সরকারের কোনো সম্পর্ক নেই।
বিদ্যাভূষণ সোনি বলেন, কূটনৈতিক বিশৃঙ্খলা এড়িয়ে দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে আলোচনা করার সুযোগ হাতছাড়া করা উচিত নয়। দুই পক্ষই এখন সতর্কভাবে পথ চলছে। সফরটি অনুষ্ঠিত হলে তা উভয় দেশের জন্য উভয় পক্ষের জন্যই ইতিবাচক বার্তা নিয়ে আসবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ বলেছেন, দেশে সারের কোনো ঘাটতি নেই। বরং উদ্বৃত্ত আছে। যে সংকটের কথা বলা হচ্ছে তা আসলে একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।
মঙ্গলবার দুপুরে, সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথাগুলো জানান।
কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, যারা সার সংকট সৃষ্টি করার ষড়যন্ত্র করছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বর্তমান পর্যন্ত দেশে কোনো পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়নি। উৎপাদিত পেঁয়াজকে স্টোরেজ করার জন্য সরকারের উদ্যোগ রয়েছে। এর ফলে তিন লাখ টন পেঁয়াজ স্টোরেজ করা সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, সরকারের কার্যকর পদক্ষেপের জন্য কাঁচা মরিচের দাম নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়েছে। আগামী বছর থেকে কাঁচা মরিচের জন্য যাতে আমদানি করতে না হয়, সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। টমেটো ও আদার বিষয়েও কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ