০৩:৪৫ পি.এম
বিদেশি প্রতিষ্ঠানে পণ্য রফতানির আড়ালে প্রায় সাড়ে ২৮ লাখ মার্কিন ডলার পাচারের অভিযোগে করা মামলায় বেক্সিমকো গ্রুপের কর্ণধার সালমান এফ রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন সম্পর্কে শুনানির জন্য আগামী ২৩ জুলাই আদালত ধার্য করেছেন।
এদিনের তারিখ নির্ধারণ করেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুন।
মামলার অভিযোগ গঠন বিষয়ে শুনানির জন্য তারিখ নির্ধারণ ছিল। কিন্তু শুনানি পেছানোর জন্য আদালতে সময়ের আবেদন করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. সজিবুল ইসলাম।
আরও পড়ুন: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী: ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের পরাজিতরাই ৭ নভেম্বরের পরাজিত শক্তি
আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নতুন এই তারিখ নির্ধারণ করেন বিচারক।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. আরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
অপর আসামিদের মধ্যে রয়েছেন বেক্সিমকো গ্রুপের চেয়ারম্যান এ এস এফ রহমান, অটাম লুপ ও পিয়ারলেস গার্মেন্টেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়াসিউর রহমান, পরিচালক রেজিয়া আক্তার, আরআর গ্লোবাল ট্রেডিংয়ের স্বত্বাধিকারী আহমেদ শায়ান ফজলুর রহমান এবং আহমেদ শাহরিয়ার রহমান।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) অনুসন্ধানে জানতে পারে যে, বেক্সিমকো গ্রুপের অটাম লুপ অ্যাপারেলস লিমিটেড এবং পিয়ারলেস গার্মেন্টস লিমিটেডের মাধ্যমে এই অর্থ পাচার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরে বাংলাদেশ-মালদ্বীপ কূটনৈতিক সম্পর্কের সূচনা
অটাম লুপ অ্যাপারেলসের ক্ষেত্রে জনতা ব্যাংকের লোকাল অফিস শাখা থেকে তিনটি এলসির বিপরীতে পণ্য রফতানি করা হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ২৮ লাখ ৩২ হাজার ৪২৮ মার্কিন ডলার দেশে আনা হয়নি।
তদন্তে আরও জানা যায়, সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘আরআর গ্লোবাল ট্রেডিং এফজেডই’-এর ঠিকানায় এসব পণ্য পাঠানো হয়।
প্রতিষ্ঠানটির মালিকানায় রয়েছেন সালমান এফ রহমানের ছেলে আহমেদ শায়ান ফজলুর রহমান (এ এস এফ রহমান) এবং এ এস এফ রহমানের ছেলে আহমেদ শাহরিয়ার রহমান।
অর্থাৎ, একই পরিবারের সদস্যদের নিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠানে পণ্য রফতানির মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে অর্থ বিদেশে স্থানান্তর করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: পোশাক শিল্পের অস্থিরতা বিনিয়োগে প্রভাব ফেলবে না: বাণিজ্যমন্ত্রী
ওই ঘটনায় ২০২৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর মামলা দায়ের করেন সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইমের উপ-পরিদর্শক গোলাম মোস্তফা।
পরে ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বর সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইমের পুলিশ পরিদর্শক মো. ছায়েদুর রহমান তদন্ত শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন