কবির হোসেন, আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:০৫ পি.এম
পরিবারের সকল সদস্যের রোগমুক্তি, সুস্থতা, শান্তিময় জীবন এবং সন্তানদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনায় মরিশাসপ্রবাসী সমাজসেবক ও ঈশান কামিনী কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালক আকাশ মিয়ার নিজ বাসভবনে মিলাদ ও বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ সংলগ্ন নিজ বাসভবনে এ মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে ধলাইরচর দরবার শরীফের পীর মুহাদ্দিস মুফতী রাকীবুল হাসান রাকীব, আলফাডাঙ্গা ৩ নং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আশিকুর রহমান ওরফে হৃদয় আশিকসহ বিভিন্ন মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী, এতিম ও কোমলমতি শিক্ষার্থী, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি, মুরব্বি এবং সর্বস্তরের মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
মিলাদ শেষে আকাশ মিয়া ও তাঁর পরিবারের সকল সদস্যের রোগমুক্তি, সুস্থতা, নেক হায়াত, শান্তি ও বরকত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। একই সঙ্গে তাঁর সন্তানদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ অর্জন এবং আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার জন্য দোয়া করা হয়।
অনুষ্ঠানে আকাশ মিয়া বলেন, পরিবারের সকল সদস্যের সুস্থতা, শান্তি ও কল্যাণই আমার সবচেয়ে বড় চাওয়া। সন্তানরা যেন সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠে এবং ভবিষ্যতে দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করতে পারে,এটাই আমার প্রত্যাশা। মহান আল্লাহ যেন আমার পরিবারকে সুস্থতা, নেক হায়াত, শান্তি ও বরকত দান করেন এবং আমাদের সবার দোয়া কবুল করেন।
দোয়া মাহফিলে উপস্থিত মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী আকাশ মিয়া ও তাঁর পরিবারের জন্য মহান আল্লাহর রহমত, সুস্থতা, শান্তি ও কল্যাণ কামনা করেন।
উল্লেখ্য, মরিশাসে কর্মরত থাকলেও আকাশ মিয়া দীর্ঘদিন ধরে নিজ এলাকার এতিম, অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে বিভিন্ন মানবিক ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছেন। এতিম শিক্ষার্থীদের খাদ্য সহায়তা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোসহ বিভিন্ন মানবিক উদ্যোগে তিনি সহযোগিতা করে আসছেন।
মিলাদ ও দোয়া মাহফিল শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি এবং সকলের কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বামী আসলামের জামিন মঞ্জুর, স্ত্রী নিপার জামিন নামঞ্জুর; ভাঙচুর ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগেও মামলা
বরিশাল নগরীর রুপাতলী এলাকায় ২৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকা মূল্যের সাড়ে ৫ শতাংশ জমি বিক্রির বায়না চুক্তি করে টাকা গ্রহণের পর নির্ধারিত সময়ে জমি রেজিস্ট্রি করে না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মোঃ আসলাম হাওলাদার ও তার স্ত্রী রহিমা আফরোজা নিপার বিরুদ্ধে। একই মামলায় বায়না করা জমিতে নির্মিত বাউন্ডারি ওয়াল ভাঙচুর, টিনের ঘরের ক্ষতিসাধন, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও জীবননাশের হুমকির অভিযোগও আনা হয়েছে।
এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বরিশালের বিজ্ঞ অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে আসামিদের জামিন শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে বিচারক এস এম শরীয়াতুল্লাহ মোঃ আসলাম হাওলাদারের জামিন মঞ্জুর করেন। তবে তার স্ত্রী রহিমা আফরোজা নিপার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, বরিশাল নগরীর দক্ষিণ রুপাতলী এলাকার বাসিন্দা মোঃ রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে কোতোয়ালী থানার সিআর মামলা নং-১৪৬৬/২০২৬ দায়ের করেন। মামলায় আসলাম হাওলাদার ও তার স্ত্রী রহিমা আফরোজা নিপাকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, পূর্বপরিচয়ের সূত্র ধরে আসলাম হাওলাদারের মালিকানাধীন রুপাতলী মৌজার ৫ দশমিক ৫০ শতাংশ জমি কেনার বিষয়ে বাদীর সঙ্গে আলোচনা হয়। জমিটির মূল্য ২৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে বায়না চুক্তি সম্পাদন করা হয়।
চুক্তির সময় বাদী ৩ লাখ টাকা প্রদান করেন। অবশিষ্ট ২১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা পরিশোধের পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে সাব-কবলা দলিল সম্পাদনের মাধ্যমে জমি রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার কথা ছিল বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাদীর দাবি, আসামিদের অনুরোধে পরবর্তীতে বায়না চুক্তির মেয়াদ তিন মাস থেকে বাড়িয়ে ছয় মাস করা হয়। কিন্তু বর্ধিত সময় শেষ হওয়ার পরও জমিটি রেজিস্ট্রি করে দেওয়া হয়নি।
এ অবস্থায় বাদী গত ১৭ জুলাই কোতোয়ালী থানায় অভিযোগ করেন এবং পরবর্তীতে গত ২ আগস্ট আসামিদের লিগ্যাল নোটিশ প্রদান করেন বলে মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে।
মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, গত ৩ আগস্ট আসামিরা ১০ থেকে ১২ জন লোকসহ ওই জমিতে যান। সেখানে বাদীর বায়না করা জমিতে নির্মিত বাউন্ডারি ওয়াল ভাঙচুর এবং টিনের ঘরের ক্ষতিসাধন করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ সময় জমি রেজিস্ট্রি করে দেওয়া হবে না বলে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং জীবননাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।
এ ঘটনায় বাদী দণ্ডবিধির ১৪৩, ৩২৩, ৪০৬, ৪২০, ৪৪৮ ও ৫০৬(২) ধারায় আদালতে মামলা দায়ের করেন।
মামলার নথিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বাদীকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে আসলাম হাওলাদার বরিশালের বিজ্ঞ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে সিআর মামলা নং-১৩৬৭/২০২৬ ও ১৪৫৬/২০২৬ নম্বরে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছেন—এমন অভিযোগ করেছেন বাদী।
তবে ওই পৃথক মামলাগুলোর বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এবং আসলাম হাওলাদারের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
এদিকে মামলায় উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে আসামিপক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে।
আইনগতভাবে মামলার অভিযোগ এখনো বিচারাধীন। ফলে আদালতের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগকে প্রমাণিত সত্য হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না। অভিযোগগুলোর সত্যতা ও দায়-দায়িত্ব নির্ধারণ করবেন আদালত।
মামলার সূত্র: সিআর মামলা নং-১৪৬৬/২০২৬ (কোতোয়ালী), বরিশাল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে একাধিক ছিনতাইকারী, ভবঘুরে ও কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য এবং ২৬ মামলার আসামিসহ ২৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ১৮ জনকে মাদক সেবন, বিক্রি ও বহনের অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টা থেকে মঙ্গলবার ভোর পর্যন্ত ভৈরব শহরের বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভৈরব সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আবু মুছা শেখ।
থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এর আগে গত ১৫ জুন ও ১৩ আগস্ট পৃথক সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে ছিনতাইকারী, ভবঘুরে ও কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যসহ ৯২ জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে ২৫ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়। বাকিদের মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।
এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার মধ্যরাতে ভৈরব শহরের বিভিন্ন এলাকায় আবারও সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। অভিযানে ২৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যালয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হয়। এ সময় গ্রেপ্তারকৃত ১৮ জনকে আদালতে হাজির করা হলে তারা মাদক সেবন, বিক্রি ও বহনের অভিযোগে নিজেদের দোষ স্বীকার করেন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন।
পুলিশ জানিয়েছে, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত পৌনে ৮টার দিকে নোয়াখালী পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের আশ্রম পাড়ার ভট্র কুঠিরের নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ইমন ভট্র একই এলাকার দুঃখ হরণ ভট্রের ছেলে। তিনি ২০২২ সাল থেকে নোয়াখালী জেলা যুবলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি এবং পরে জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে ইমন ভট্র আত্মগোপনে চলে যান। মঙ্গলবার সকালে প্রায় দুই বছর পর ঢাকা থেকে অসুস্থ ৯ মাস বয়সী মেয়ে ইচ্ছেকে দেখতে তিনি নিজ বাসায় আসেন। পরে রাতে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ জানায়, সোমবার সকালে নোয়াখালী পৌরসভার হোয়াইট হল এলাকায় দণ্ডপ্রাপ্ত ও পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিতে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন যুবলীগের নেতাকর্মীরা ঝটিকা মিছিল করেন। ওই মিছিলে জেলা যুবলীগের সভাপতি ইমন ভট্র অর্থায়ন করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এর এক দিন পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তার বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন যুবলীগের নেতাকর্মীদের মিছিলে অর্থায়নের অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে আরও কোনো মামলা আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুরের কচুয়ায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের রাজস্ব খাতের আওতায় অভ্যন্তরীণ জলাভূমি, বর্ষাপ্লাবিত ধানক্ষেত, প্লাবনভূমি ও প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে দেশীয় প্রজাতির পোনা মাছ অবমুক্ত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় সিনিয়র উপজেলা মৎস্য দপ্তরের উদ্যোগে এ পোনা মাছ অবমুক্তকরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
কর্মসূচির শুরুতে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি সচেতনতামূলক র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। পরে উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন পুকুরে বিভিন্ন প্রজাতির পোনা মাছ অবমুক্ত করা হয়।
পোনা মাছ অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমিত রায়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আবু নাসির, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম, কচুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি আতাউল করিম, উপজেলা মৎস্য সমন্বয়ক প্রতিনিধি উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফখরুল ইসলাম মিন্টুসহ উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য দপ্তর ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।
মৎস্য দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জলাশয়ে দেশীয় মাছের প্রাপ্যতা বৃদ্ধি, প্রাকৃতিক জলাভূমির জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং মৎস্য উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে এ ধরনের পোনা মাছ অবমুক্তকরণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে জলাশয়ে মাছের প্রজনন ও বংশবিস্তারের অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে সংশ্লিষ্টদের সচেতন করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ