ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কচুয়ায় দেশীয় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির নতুন উদ্যোগ


কচুয়ায় দেশীয় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির নতুন উদ্যোগ

চাঁদপুরের কচুয়ায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের রাজস্ব খাতের আওতায় অভ্যন্তরীণ জলাভূমি, বর্ষাপ্লাবিত ধানক্ষেত, প্লাবনভূমি ও প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে দেশীয় প্রজাতির পোনা মাছ অবমুক্ত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় সিনিয়র উপজেলা মৎস্য দপ্তরের উদ্যোগে এ পোনা মাছ অবমুক্তকরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

কর্মসূচির শুরুতে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি সচেতনতামূলক র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। পরে উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন পুকুরে বিভিন্ন প্রজাতির পোনা মাছ অবমুক্ত করা হয়।

আরও পড়ুন: পাবনায় অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে ডিবির অভিযান, গ্রেপ্তার ৪

পোনা মাছ অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমিত রায়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আবু নাসির, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম, কচুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি আতাউল করিম, উপজেলা মৎস্য সমন্বয়ক প্রতিনিধি উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফখরুল ইসলাম মিন্টুসহ উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য দপ্তর ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।

মৎস্য দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জলাশয়ে দেশীয় মাছের প্রাপ্যতা বৃদ্ধি, প্রাকৃতিক জলাভূমির জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং মৎস্য উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে এ ধরনের পোনা মাছ অবমুক্তকরণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে জলাশয়ে মাছের প্রজনন ও বংশবিস্তারের অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে সংশ্লিষ্টদের সচেতন করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: নিয়ত বিশুদ্ধ না হলে ইবাদতের প্রকৃত শিক্ষা অর্জন ব্যাহত হয় -ছারছীনা পীর ছাহেব

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তুরস্ক-সৌদি ও পাকিস্তান যৌথ পদক্ষেপ নিচ্ছে: এরদোগান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:২৫ পি.এম


তুরস্ক-সৌদি ও পাকিস্তান যৌথ পদক্ষেপ নিচ্ছে: এরদোগান

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান উল্লেখ করেছেন যে, তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ ইসলামি বিশ্বের সংহতির একটি শক্তিশালী বার্তা প্রদান করছে।

তিনি জানিয়েছেন, তিন দেশের এই উদ্যোগ ইতোমধ্যে ‘ইতিবাচক অগ্রগতি’ সৃষ্টি করেছে।

উত্তর তুরস্কের সামসুন শহরে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ বৈঠকে তরুণদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেওয়ার সময় এরদোগান এসব মন্তব্য করেন। তিনি ‘সামসুন সিটি হাসপাতালের’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নিতে সেখানে গিয়েছিলেন। তার বক্তব্যটি সোমবার প্রকাশিত হয়।

সামসুন মেট্রোপলিটন মিউনিসিপ্যালিটির ‘ইয়ালি ক্যাফে লাইব্রেরিতে’ একে পার্টির যুব শাখা আয়োজিত ‘তরুণদের সঙ্গে বৈঠক’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এরদোগান বলেন, তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তান যৌথভাবে পদক্ষেপ নেওয়ার লক্ষ্যে একত্রিত হয়েছে। এর মাধ্যমে ইসলামি বিশ্বের কাছে একটি বার্তা পৌঁছানোর লক্ষ্য রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক একত্রিত হয়ে যে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, তার মাধ্যমে ইসলামি বিশ্বের কাছে একটি বার্তা পৌঁছাতে চান।

গত মাসে স্বাক্ষরিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’কে তিন দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি নতুন কাঠামো হিসেবে দেখা হচ্ছে। এরদোগান চুক্তিটিকে মুসলিম দেশগুলোর সামনে থাকা বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা এবং ইসলামি বিশ্বে বৃহত্তর সংহতি তৈরির প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে বিবেচনা করছেন।

আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা নিয়ে এরদোগানের দীর্ঘদিনের সমালোচনার প্রসঙ্গে তিনি ‘বিশ্ব পাঁচের চেয়েও বড়’-এ আহ্বানের কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন। এর মাধ্যমে তিনি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য-যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যকে বোঝাতে চান।

এরদোগান নিরাপত্তা পরিষদের বর্তমান কাঠামোকে প্রতিনিধিত্বহীন ও অন্যায্য বলে সমালোচনা করে আসছেন। তিনি আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, আরও ন্যায়সঙ্গত বিশ্ব ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার পক্ষে তুরস্কের সমর্থন ও প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা নিয়ে উদ্বেগ

হরমুজ প্রণালি ও উপসাগরীয় অঞ্চলের পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, ইসলামি বিশ্ব বর্তমানে গুরুতর চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি রয়েছে।

এরদোগান বলেন, হরমুজ প্রণালিতে যা ঘটছে, আমরা তার ওপর নজর রাখছি। বিষয়টি শুধু হরমুজ প্রণালির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; উপসাগরীয় অঞ্চলের অনেক অংশেও গুরুতর সমস্যা বিদ্যমান।

এসব অঞ্চলের সংকট দ্রুত কাটিয়ে ওঠার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তুরস্ক এসব অঞ্চলের পাশে ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।

আঞ্চলিক বিভিন্ন সংকট মোকাবেলায় তুরস্কের সক্রিয় ভূমিকা অব্যাহত রাখার কথাও জানান এরদোয়ান। মুসলিম দেশগুলোর বিভিন্ন সমস্যা ও সংকট কাটিয়ে ওঠার প্রচেষ্টায় আঙ্কারা সহযোগিতা করে যাবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি আরও দাবি করেন, আঞ্চলিক সংঘাত ও সংকটের মধ্যেও তুরস্ককে এসব বিপদ থেকে দূরে রাখতে সক্ষম হয়েছে।

পারস্য উপসাগর ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যে এরদোয়ানের এসব মন্তব্য সামনে এলো। একই সময়ে তুরস্ক, সৌদি আরবও পাকিস্তানের নতুন প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আঞ্চলিক রাজনীতিতে গুরুত্ব পাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মহাসড়কের পাশে বালু রাখায় তিনজনকে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:২৬ পি.এম


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মহাসড়কের পাশে বালু রাখায় তিনজনকে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার কুটির কালামুড়িয়া এলাকায় কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের পাশে দীর্ঘ সময় ধরে বালু রাখার কারণে বায়ুদূষণ সৃষ্টি ও মহাসড়কে চলাচলকারীদের ভোগান্তির অভিযোগে তিনজনের বিরুদ্ধে মোট আড়াই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে কালামুড়িয়া এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে মো. আনোয়ার, মো. জসীমউদ্দিন ও মো. হানিফের বিরুদ্ধে তিনটি মামলায় মোট ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানার অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়েছে।

জরিমানাপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন লেশিয়ারা এলাকার মো. আনোয়ার (৪০), একই এলাকার মো. জসীমউদ্দিন (৪২) এবং কালামুড়িয়া এলাকার মো. হানিফ (৩৮)।

অভিযান সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের পাশে বালু রেখে আসছিলেন। এর ফলে বায়ুদূষণ ঘটার পাশাপাশি মহাসড়কে চলাচলকারী মানুষ ভোগান্তিতে পড়ছিলেন।

অভিযানের পর নতুন করে সেখানে বালুর স্তূপ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বর্তমানে স্তূপ করে রাখা বালু আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সরিয়ে কৃষিজমি উন্মুক্ত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এই অভিযানটি পরিচালনা করেন কসবা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. তানজিল কবির। পরিবেশ দূষণ রোধে উপজেলা প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুনামগঞ্জের সুনামধন্য মরমি কবি হাসন রাজা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

হামিদুর ইসলাম বিশেষ প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:২৬ পি.এম


সুনামগঞ্জের সুনামধন্য মরমি কবি হাসন রাজা

 

ভাটি বাংলার মাটি ও মানুষের জীবন-সংস্কৃতির সঙ্গে মিশে আছে অসংখ্য মরমি গান ও সাধকের স্মৃতি। সেই ধারার অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্র সুনামগঞ্জের মরমি কবি হাসন রাজা। তাঁর গান, দর্শন ও জীবনদর্শন আজও সুনামগঞ্জসহ পুরো ভাটি অঞ্চলের মানুষের হৃদয়ে গভীরভাবে প্রভাব বিস্তার করে।
হাসন রাজার পুরো নাম দেওয়ান হাসন রাজা চৌধুরী। ১৮৫৪ সালের ২১ ডিসেম্বর সুনামগঞ্জের লক্ষ্মণশ্রী গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত জমিদার পরিবারে তাঁর জন্ম। জমিদার পরিবারের সন্তান হওয়ায় ছোটবেলা থেকেই তিনি ঐশ্বর্য ও প্রাচুর্যের মধ্যে বেড়ে ওঠেন। পরবর্তীতে জমিদারির দায়িত্বও তাঁর ওপর আসে।
জীবনের প্রথমদিকে তিনি জমিদারি, ঘোড়দৌড়, শিকার ও বিলাসী জীবনযাপনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে তাঁর চিন্তা ও জীবনদর্শনে বড় পরিবর্তন আসে। পার্থিব সম্পদ ও ক্ষমতার মোহ থেকে ধীরে ধীরে তিনি নিজেকে সরিয়ে নিয়ে মানুষের জীবন, মৃত্যু, আত্মা ও স্রষ্টাকে নিয়ে গভীরভাবে ভাবতে শুরু করেন।
এই আত্মঅনুসন্ধান থেকেই জন্ম নেয় তাঁর অসংখ্য মরমি গান। তাঁর গানে ফুটে উঠেছে মানুষের মনের আকুলতা, প্রেম-বিরহ, দেহতত্ত্ব, আত্মপরিচয়, মৃত্যুচিন্তা এবং স্রষ্টার প্রতি গভীর ভালোবাসা। তাঁর বিখ্যাত গান “লোকে বলে বলেরে, ঘরবাড়ি ভালা নাই আমার” আজও বাংলা লোকসংগীতের অন্যতম জনপ্রিয় সৃষ্টি।
হাসন রাজার গান শুধু গান নয়—এর প্রতিটি কথার মধ্যে রয়েছে জীবন সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি। তিনি বুঝেছিলেন, পৃথিবীর ধন-সম্পদ ও ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়। মানুষ একদিন সবকিছু ছেড়ে চলে যাবে। তাই তাঁর সৃষ্টিতে বারবার ফিরে এসেছে আত্মজ্ঞান ও মানবিকতার আহ্বান।
সুনামগঞ্জের মরমি সংগীতের ঐতিহ্যে হাসন রাজা একটি অমর নাম। তাঁর পাশাপাশি রাধারমণ দত্ত, শাহ আবদুল করিমসহ ভাটি বাংলার অন্যান্য মরমি সাধক ও কবিরাও এই অঞ্চলের লোকসংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছেন। তাঁদের সৃষ্টির কারণে সুনামগঞ্জ আজও মরমি গান ও লোকসংস্কৃতির এক সমৃদ্ধ জনপদ হিসেবে পরিচিত।
১৯২২ সালের ৬ ডিসেম্বর হাসন রাজা মৃত্যুবরণ করেন। কিন্তু তাঁর মৃত্যু তাঁর সৃষ্টিকে থামাতে পারেনি। সময়ের স্রোত পেরিয়ে তাঁর গান আজও মানুষের মুখে মুখে ফেরে। সুনামগঞ্জের মাটি, মানুষ ও লোকসংস্কৃতির ইতিহাসে তাই হাসন রাজা চিরস্মরণীয় এক নাম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সুখবর দিল মুডিস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:২৬ পি.এম


বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সুখবর দিল মুডিস

রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসার ফলে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি এবং রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স আসার কারণে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতি ঘটেছে। এই উন্নতির ফলে আন্তর্জাতিক ঋণমান নির্ধারণকারী সংস্থা মুডিস রেটিংস বাংলাদেশের ঋণমানের পূর্বাভাসকে ‘নেতিবাচক’ থেকে পরিবর্তন করে ‘স্থিতিশীল’ করেছে।

তবে, ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা এবং খেলাপি ঋণের উচ্চ হার অব্যাহত থাকার কারণে দেশের বর্তমান রেটিং ‘বি২’-তেই অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত মুডিসের নতুন মূল্যায়নে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্বাচন-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিবর্তন এবং নতুন সরকারের প্রতি ব্যাপক জনসমর্থন থাকার ফলে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এখন সংস্কার কাজে বড় কোনো বাধা সৃষ্টি করছে না।

এছাড়া, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ধারাবাহিক সহযোগিতা দেশের অর্থায়ন ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে সহায়ক হচ্ছে। এর আগে ২০২৫ সালের মার্চে অর্থনৈতিক সংকটের কারণে বাংলাদেশের ঋণমান কমিয়ে ‘নেতিবাচক’ করেছিল এই সংস্থাটি।

খাত সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, মুডিসের এই ইতিবাচক মূল্যায়নের ফলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে বিদেশি ব্যাংকগুলো দেশের ব্যাংকগুলোর জন্য ডলার বা বৈদেশিক ঋণের সীমা বাড়িয়ে দেবে, যা সহজ শর্তে আমদানি বা এলসি খোলার ক্ষেত্রে বড় ধরনের সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় হার বাজারভিত্তিক করা এবং ব্যাংকিং চ্যানেলে হুন্ডিমুক্ত রেকর্ড রেমিট্যান্স আসার ফলে ২০২৬ সালের মাঝামাঝি সময়ে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে প্রায় ৩২ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। এই রিজার্ভ দিয়ে চার মাসের বেশি সময়ের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। যেখানে ২০২৪ সালে রিজার্ভ নেমে এসেছিল ২১ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারে।

পাশাপাশি, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিও ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বলে জানিয়েছে মুডিস। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৪ দশমিক ১ শতাংশ হয়েছে এবং আগামী অর্থবছরগুলোতে তা আরও বাড়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। তবে, ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের হার প্রায় ৩২ দশমিক ৮ শতাংশে পৌঁছেছে এবং তা সামাল দিতে বড় অংকের মূলধন প্রয়োজন হওয়ায় সরকারের ওপর চাপ রয়েছে বলে সতর্ক করেছে সংস্থাটি। এছাড়া, দেশের সর্বনিম্ন রাজস্ব আদায় ব্যবস্থা, মোট রাজস্বের বড় অংশ ঋণের সুদ পরিশোধে চলে যাওয়া এবং বিদ্যুৎ খাতের কিছু দুর্বলতার বিষয়টিকেও সামনে এনেছে মুডিস।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%