১১:১০ পি.এম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়ায় তাঁর প্রথম বিদেশ সফরের জন্য যে উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়েছেন, সে জন্য তিনি সে দেশের সরকার ও জনগণের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি এই সৌজন্যকে দুই দেশের দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বের প্রতিফলন হিসেবে অবহিত করেছেন।
আজ প্রধানমন্ত্রী তাঁর কুয়ালালামপুর সফর শেষে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লেখেন, "মালয়েশিয়ার সরকার ও বন্ধুপ্রতীম জনগণের পক্ষ থেকে প্রদত্ত বন্ধুত্ব, আন্তরিকতা ও সৌজন্যে আমরা গভীরভাবে অভিভূত।"
তিনি উল্লেখ করেন, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে আলোচনায় বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার দীর্ঘস্থায়ী সুসম্পর্ক পুনর্ব্যক্ত হয়েছে এবং বৃহত্তর সহযোগিতা, সমৃদ্ধি ও আঞ্চলিক অগ্রগতির প্রতি উভয়ের অঙ্গীকার সুদৃঢ় হয়েছে।
আরও পড়ুন: দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে শিল্প প্রসারের প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রীর
তারেক রহমান আরো লিখেছেন, "আমার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং আমি মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ও তার মহীয়সী সহধর্মিণী দাতুক সেরি ড. ওয়ান আজিজাহ ওয়ান ইসমাইলের উষ্ণ অভ্যর্থনা ও আতিথেয়তার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।"
তিনি বলেন, "এটি এক অমূল্য সম্পর্ক, যার সূচনা হয়েছিল কয়েক দশক আগে, যখন আমার বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি এবং আমার মা বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।"
মালয়েশিয়ার সঙ্গে সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেছেন, "বিভিন্ন ক্ষেত্রে এবং জীবনের সর্বস্তরে আমাদের দুই দেশের জনগণকে যে যুক্ত করে রেখেছে, তার জন্য আমরা গর্বিত।"
প্রধানমন্ত্রী তাঁদের বৈঠকের সময় প্রদর্শিত উষ্ণতা ও সৌজন্যের জন্য মালয়েশিয়ার রাজা সুলতান ইব্রাহিম ইবনি সুলতান ইস্কান্দারকেও আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন: অভ্যর্থনার অপেক্ষা না করেই জনতার ভিড়ে মিশে গেলেন প্রধানমন্ত্রী
তিনি লেখেন, "প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমার প্রথম বিদেশ সফর শেষে আমি প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যাশা করছি, যাতে মালয়েশিয়ার সঙ্গে আমাদের বহুমুখী অংশীদারিত্ব আরও সুদৃঢ় হয়।"
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গতকাল কুয়ালালামপুর থেকে চীনের দালিয়ানের উদ্দেশে যাত্রা করেন। এটি ছিল দায়িত্ব গ্রহণের পর তার প্রথম বিদেশ সফরের প্রথম ধাপ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন