ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পাঁজরের হাড়ে চিড় নিয়েও শ্বাসকষ্টের মধ্যে বিশ্বকাপে খেলেছেন পারেদেস


পাঁজরের হাড়ে চিড় নিয়েও শ্বাসকষ্টের মধ্যে বিশ্বকাপে খেলেছেন পারেদেস

বিশ্বকাপ ফাইনালের পর নানান বিতর্কে আলোচনায় থাকা আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে নিয়ে এবার সামনে এসেছে নতুন তথ্য।

জানা গেছে, পাঁজরের হাড়ে চিড় এবং শ্বাসকষ্ট নিয়েই তিনি বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের ম্যাচগুলো খেলেছেন।

ইএসপিএনের আর্জেন্টাইন ক্রীড়া সাংবাদিক মার্তিন আরেভালো প্রথম এ তথ্য প্রকাশ করেন। পরে একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমও বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

আরও পড়ুন: চোরাচালানের অভিযোগে দিলীপ আগরওয়ালার ৩ দিনের রিমান্ড চায় সিআইডি

প্রতিবেদন অনুযায়ী, শেষ ষোলো থেকে ফাইনাল পর্যন্ত পারেদেস গুরুতর চোট নিয়েই মাঠে নামেন। পাঁজরের হাড়ে চিড় থাকার পাশাপাশি মাঝে মাঝে তার শ্বাস নিতেও কষ্ট হচ্ছিল। তবে প্রতিপক্ষ যাতে তার শারীরিক দুর্বলতার সুযোগ নিতে না পারে, সে কারণে পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে বিষয়টি গোপন রাখা হয়েছিল।

চোট সত্ত্বেও আর্জেন্টিনার মাঝমাঠে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন পারেদেস। বিশ্বকাপের শুরুতে তিনি নিয়মিত একাদশে না থাকলেও, দলকে ভারসাম্য দিতে কোচ লিওনেল স্কালোনি তাকে শুরুর একাদশে জায়গা দেন। সুযোগ পেয়ে নিজের পারফরম্যান্স দিয়ে কোচের আস্থার প্রতিদানও দেন তিনি।

বিশ্বকাপে পারেদেস ৮ ম্যাচে মোট ৪৭৫ মিনিট খেলেছেন। এ সময়ে তার ৫০৯টি পাসের মধ্যে ৪৭৭টি সফল ছিল, যা প্রায় ৯৩ শতাংশ সাফল্যের হার। এছাড়া তিনি চারটি গোলের সুযোগ তৈরি করেন। রক্ষণে ৯টি ট্যাকলের মধ্যে ৮টিতে সফল হওয়ার পাশাপাশি ৮টি ইন্টারসেপশন এবং ১৩টি ক্লিয়ারেন্স করেন।

চোটের কারণে শ্বাসকষ্ট থাকলেও তার পারফরম্যান্সে এর দৃশ্যমান কোনো প্রভাব পড়েনি।

আরও পড়ুন: লিটনকে নিয়ে সুখবর পেল বাংলাদেশ

চিকিৎসাবিজ্ঞানের তথ্য অনুযায়ী, পাঁজরের হাড়ে চিড় পুরোপুরি সেরে উঠতে সাধারণত ৩ থেকে ৬ সপ্তাহ সময় লাগে। এ ধরনের চোটে প্লাস্টার করা যায় না; ব্যথা ও প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে রেখে স্বাভাবিকভাবে হাড় জোড়া লাগার অপেক্ষা করতে হয়।

এ কারণে বিশ্বকাপ শেষে নিজের ক্লাব বোকা জুনিয়র্সের হয়ে পারেদেসকে কয়েকটি ম্যাচে মাঠের বাইরে থাকতে হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএনপি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের পর্যালোচনা সভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৩৫ পি.এম


বিএনপি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের পর্যালোচনা সভা

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল (ডিআই)-এর একটি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দশ বৈঠকের স্থান ঢাকায় বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বসেছিল।

সভায় মূলত দলের সাংগঠনিক সক্ষমতা বৃদ্ধি ও অভ্যন্তরীণ গণতান্ত্রিক চর্চা শক্তিশালীকরণ সংক্রান্ত কার্যক্রমের অগ্রগতি বিষয় পর্যালোচনা করা হয় এবং ভবিষ্যৎ কার্যক্রমের উপর বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

সভার সূচনাতে ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের পক্ষ থেকে ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে প্রণীত কেন্দ্রীয় কৌশলগত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি এবং স্থানীয় পর্যায়ে ২০টি ইউনিটে বাস্তবায়িত কৌশলগত পরিকল্পনার ফলাফল তুলে ধরা হয়।

প্রশিক্ষণ কার্যক্রম প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ, কমিটিসমূহে নারীর অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধি, অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব নিরসন এবং জনসম্পৃক্তিমূলক কার্যক্রমে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে জানানো হয়। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে খোলামেলা আলোচনা অনুষ্ঠিত হয় এবং ভবিষ্যৎ করণীয় বিষয়ে ধারণাগত ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়, যার মধ্যে রয়েছে চাহিদা নিরূপণ, বিদ্যমান কৌশলগত কর্মপরিকল্পনা হালনাগাদকরণ এবং তার কার্যকর বাস্তবায়ন।

সভায় বিএনপি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) জনাব মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ। পাশাপাশির প্রতিনিধি হিসেবে ছিলেন ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স এবং দলের প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক ও সংসদ সদস্য (এমপি) এবিএম মোশাররফ হোসেন।

ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের পক্ষে সভায় উপস্থিত ছিলেন সংস্থাটির চিফ অব পার্টি আমিনুল এহসান, সিনিয়র ডিরেক্টর লিপিকা বিশ্বাস এবং সিনিয়র ম্যানেজার মো. রবিউল ইসলাম।

প্রসঙ্গত, ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র, কমনওয়েলথ ও উন্নয়ন দপ্তর (এফসিডিও)-এর সহায়তায় বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক চর্চা এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সাংগঠনিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কারিগরি সহায়তা প্রদান করে আসছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লোহিত সাগরে জাহাজে হামলায় হুতিদের ‘ফাঁদে ফেলেছে’ ইরান : মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৩৯ পি.এম


লোহিত সাগরে জাহাজে হামলায় হুতিদের ‘ফাঁদে ফেলেছে’ ইরান : মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালাতে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের ইরান ‘ফাঁদে ফেলেছে’ বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। বৃহস্পতিবার, মার্কো রুবিও ইরান-সমর্থিত এই গোষ্ঠীকে দ্রুত উত্তেজনা কমানোর আহ্বান জানান।

ফিলিপিন্সের ম্যানিলায় সাংবাদিকদের সামনে মার্কো রুবিও বলেন, সংঘাতের শুরু থেকেই হুতিরা বেশ বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে নিজেদের দূরে সরিয়ে রেখেছিল। কিন্তু বর্তমানে মনে হচ্ছে তারা ফাঁদে পা দিয়ে সৌদি আরব ও তাদের জাহাজে হামলা চালাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আমি আশা করি তারা এই উত্তেজনা কমাবে। কারণ, স্পষ্টতই ইরান তাদের বোকা বানিয়েছে।

ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার এই সংঘাতে আঞ্চলিক শক্তিগুলোও জড়িয়ে পড়ছে। চলতি সপ্তাহের শুরুতে হুতিরা সৌদি আরবের সকল ধরনের জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়। এর পূর্বে লোহিত সাগরের দক্ষিণাংশের গুরুত্বপূর্ণ রুট ‘বাব আল-মান্দেব প্রণালি’ আটকে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিল তারা।

বৃহস্পতিবার, লোহিত সাগরে দুটি সৌদি তেলের ট্যাংকারে হামলার দাবি করেছে গোষ্ঠীটি; এবং এই কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম হু হু করে বাড়ছে।

বর্তমান এই উত্তেজনার সূত্রপাত হয় মূলত একটি পাল্টাপাল্টি অভিযোগকে কেন্দ্র করে। সম্প্রতি ইয়েমেনের সানা বিমানবন্দরে হামলার জন্য রিয়াদকে দায়ী করে হুতিরা। এর মাধ্যমে ২০২২ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতিটি কার্যত ভেঙে যায়। এর আগে, সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেন সরকার দাবি করেছিল, তেহরান থেকে সামরিক ও নিরাপত্তা কর্মীদের একটি ফ্লাইট হুতিদের কাছে এসেছে।

মার্কো রুবিও বৃহস্পতিবার এই অভিযোগটিই নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, তেহরান থেকে সরাসরি ফ্লাইটে আইআরজিসি সদস্যদের ইয়েমেনে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল হুতিরা। এর জবাবেই সৌদি আরব ব্যবস্থা নেয়, যা বর্তমান এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতির জন্ম দিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমলকী যেভাবে খেলে বেশি উপকার পাওয়া যায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৪৫ পি.এম


আমলকী যেভাবে খেলে বেশি উপকার পাওয়া যায়

আমলকী শুধুমাত্র কাঁচা খাওয়া হয় না, বরং এটি দিয়ে তৈরি মোরব্বা ও চাটনিও বেশ জনপ্রিয়। অনেকে আবার আমলকীর রস খেতে বেশি পছন্দ করেন। এই ছোট সবুজ ফলটি সুপারফুড হিসাবে সমাদৃত এবং পুষ্টিগুণে এটি ভরপুর। নিয়মিত আমলকী খেলে ত্বকের উন্নতি, চুল মজবুত করা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো এবং হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখার মতো আরও অনেক উপকার পাওয়া যায়।

কেন আমলকীকে এত স্বাস্থ্যকর বলা হয়?

ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অন্যান্য উপকারী যৌগের সমৃদ্ধ হওয়ায় আমলকী আমাদের দেশে সহজলভ্য সবচেয়ে পুষ্টিকর ফলগুলোর মধ্যে একটি। নিয়মিত এই ফল খেলে শরীরে অনেক পুষ্টির ঘাটতি সহজেই পূরণ করা যায়।

আমলকীর রস: উপকারী কিন্তু ফাইবারের অভাব

আমলকী খাওয়ার অন্যতম জনপ্রিয় একটি উপায় হচ্ছে এর রস। সরাসরি ফলটি খেতে চাইলে এভাবে খেতে পারেন। তবে রস করে খাওয়া হলে এতে থাকা বেশিরভাগ ফাইবার নষ্ট হয়ে যায়। যদিও রসে থাকা অনেক ভিটামিন ও খনিজ পাওয়া যায়, কিন্তু ফাইবারের অভাবে শরীর একটি গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান থেকে বঞ্চিত হবে, যা হজম ও অন্ত্রের স্বাস্থ্য রক্ষায় সহায়তা করে।

আস্ত কাঁচা আমলকী: পুষ্টিগুণে ভরপুর কিন্তু সবার জন্য নয়

আস্ত কাঁচা আমলকী খেলে আপনি ফাইবারসহ এর সম্পূর্ণ পুষ্টিগুণ পেতে পারেন। কিন্তু কাঁচা আমলকীর তীব্র টক এবং কষটে স্বাদ সবার কাছে আকর্ষণীয় নাও লাগতে পারে। কিছু মানুষের জন্য এটি হজম করাও কঠিন হতে পারে, বিশেষ করে বেশি পরিমাণে খেলে।

ফার্মেন্টেড আমলকী: বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ

ফার্মেন্টেড আমলকী এই ফলটি খাওয়ার সেরা উপায় হতে পারে। এটি ফাইবারের সঙ্গে পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ করে এবং অসাধারণ প্রোবায়োটিক হিসেবেও কাজ করে। গাঁজন প্রক্রিয়া উপকারী ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিকে উৎসাহিত করে, যা অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। একইসাথে, ফলটিতে প্রাকৃতিকভাবে উপস্থিত ভিটামিন, খনিজ এবং ফাইবার ধরে রাখতে সহায়তা করে।

দিনে কতগুলো আমলকী খাওয়া যাবে?

আমলকী খাওয়ার কোনো নির্দিষ্ট সময় নেই। এটি দিনের যেকোনো সময় উপভোগ করা যেতে পারে। বিশেষজ্ঞরা প্রতিদিন তিন থেকে পাঁচটি আমলকী খাওয়ার পরামর্শ দেন। ভালোভাবে চিবিয়ে খেলে এর ফাইবার এবং পুষ্টিগুণ সবচেয়ে ভালোভাবে পাওয়া যায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অতিরিক্ত চিনি কি শরীরের ক্ষত নিরাময়ের গতি কমায়?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৪৭ পি.এম


অতিরিক্ত চিনি কি শরীরের ক্ষত নিরাময়ের গতি কমায়?

আপনি হয়তো অনেককে বলতে শুনেছেন, "চিনি খাওয়া কমিয়ে দিন, এতে আপনার ক্ষত দ্রুত সেরে উঠবে"। কিন্তু এর মধ্যে কি কোনো সত্যতা আছে? বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এর মধ্যে বেশ খানিকটা সত্যতা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ক্ষত নিরাময়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ানোর মতো একমাত্র বিষয় চিনি নয়, কিন্তু যেহেতু রক্তে শর্করার মাত্রা ক্রমাগত বেড়ে গেলে তা ক্ষত নিরাময়কে বিলম্বিত করতে পারে, তাই এটি একটি কারণ হতে পারে। অতিরিক্ত চিনি গ্রহণ ক্ষত নিরাময়কে ধীর করে দিতে পারে, বিশেষ করে যদি তা বেশি পরিমাণে খাওয়া হয় কিংবা রক্তে শর্করার মাত্রা সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা না হয়।

ক্ষত নিরাময় কীভাবে কাজ করে?

ক্ষত নিরাময় হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যা সহজ নয়। এটি কয়েকটি বিষয়ে নির্ভর করে, যার মধ্যে রয়েছে কার্যকরী রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা, ভালো রক্ত সরবরাহ এবং টিস্যু পুনর্গঠনের জন্য পর্যাপ্ত পুষ্টির প্রয়োজন। যখন এই বিষয়গুলোর মধ্যে কিছু একটিতে ব্যাঘাত ঘটে, তখন নিরাময় প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়। অতিরিক্ত চিনি গ্রহণ এমন একটি বিষয় যা এই ভারসাম্য নষ্ট করে দিতে পারে।

শরীরের নিরাময় ক্ষমতার ওপর চিনির প্রভাব

অতিরিক্ত চিনি খেলে শরীরে দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে। এই ধরনের প্রদাহ যখন দীর্ঘস্থায়ী হতে থাকে, তখন এটি সক্রিয়ভাবে টিস্যু মেরামতের কর্মকাণ্ডে বাধা জন্ম দেয়। এটি একটি চক্র তৈরি করে যা থেকে শরীরের পক্ষে নিজে থেকে বেরিয়ে আসা কঠিন হয়ে পড়ে।

যখন রক্তে শর্করার মাত্রা দীর্ঘ সময় ধরে বৃদ্ধি পেতে থাকে, যেমনটা ডায়াবেটিস বা প্রি-ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে দেখা যায়, তখন এটি ধীরে ধীরে রক্তনালীগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এটি শরীরের যেসব অংশ মেরামত করা হচ্ছে, সেখানকার পর্যাপ্ত অক্সিজেন এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি বহন করার জন্য রক্তনালীগুলোর ক্ষমতা কমিয়ে দেয়, ফলে ক্ষত নিরাময় প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়। কিন্তু এখানে শেষ নয়। রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে গেলে শ্বেত রক্তকণিকাগুলোও দুর্বল হয়ে পড়ে, যে কোষগুলোর ওপর শরীর সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য নির্ভর করে। এর ফলস্বরূপ, ক্ষত শুকাতে বেশি সময় লাগে, সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে এবং জটিলতা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

বার্নস অ্যান্ড ট্রমা (Burns & Trauma) জার্নালে প্রকাশিত একটি 2025 সালের পর্যালোচনা বিষয়ক গবেষণায় দেখা গেছে যে, ক্ষত নিরাময়ের প্রতিটি পর্যায়ে গ্লুকোজ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। শরীর রোগ প্রতিরোধক কোষগুলোকে শক্তি দিতে, নতুন টিস্যু তৈরিতে এবং ক্ষতিগ্রস্ত ত্বক মেরামতের কাজে গ্লুকোজ ব্যবহার করে। কিন্তু যখন গ্লুকোজের বিপাকে সমস্যা ঘটে, যেমন ডায়াবেটিসে দেখা যায়, তখন এটি দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ এবং অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের সৃষ্টি করে। ফলে এটি নিরাময় প্রক্রিয়াকে ধীর করে দেয় এবং সংক্রমণ অথবা অঙ্গহানির মতো গুরুতর জটিলতার ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে।

এখানে প্রেক্ষাপটটি গুরুত্বপূর্ণ। ফল, শাক-সবজি এবং দুগ্ধজাত পণ্যে থাকা চিনি এবং ক্যান্ডি ও সফট ড্রিংকসে থাকা চিনি এক সমান নয়। প্রাকৃতিক চিনির উৎসগুলো সর্বোত্তম স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সরবরাহ করা হয়।

ক্ষত দ্রুত নিরাময়ে আপনার যা খাওয়া উচিত

যদি আপনার কোনো দীর্ঘস্থায়ী ক্ষত, আঘাত বা অস্ত্রোপচার হয়ে থাকে, তবে সঠিক টিস্যু মেরামতের জন্য প্রোটিন, গোটা শস্যের ভিটামিন ও খনিজ নিয়মিত আপনার খাবারের তালিকায় রাখতে হবে। এছাড়া শস্যদানা, ফল ও শাক-সবজি খাওয়াও জরুরি। প্রচুর তরল গ্রহণ করতে হবে। সুষম খাদ্য গ্রহণের মাধ্যমে রক্তে শর্করার স্বাস্থ্যকর মাত্রা বজায় রাখতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%