বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
১২:০৬ এম
দেশের বিভিন্ন জায়গায় যখন তীব্র গরম এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য নানা উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে, ঠিক সেই সময়ে সাতক্ষীরা শহরের একটি বহুতল ভবনে অসংখ্য শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) স্থাপনের একটি অভিনব দৃশ্য প্রকাশ্যে এসেছে। শহরের শহীদ কাজল সরণী, যা জজ কোর্টের দক্ষিণ পাশে অবস্থিত, সেখানে 'এসডি হাসপাতাল' এবং 'ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার' ভবনটির দেয়ালে দেয়ালে মৌমাছির চাকের মতো সারি সারি এসি ঝুলছে। একটিমাত্র প্রতিষ্ঠানে এত বিপুল পরিমাণ এসির ব্যবহার করার ফলে স্থানীয় বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থা মারাত্মক চাপের সম্মুখীন হচ্ছে এবং এলাকাটিতে বিদ্যুৎ ঘাটতির আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, পুরো সাতক্ষীরা শহরের এসি যেন এখন একত্রিত হয়ে পড়ে রয়েছে। ভবনের বাইরের দেয়ালে তাকালে মনে হবে, কোনো নিয়মের তোয়াক্কা না করেই একের পর এক এসি বসানো হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পাশের এক ব্যবসায়ী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "যদি একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার বা হাসপাতালেই সব বিদ্যুৎ চলে যায়, তবে সাধারণ মানুষ বিদ্যুৎ পাবে কোথায়? গরমের দিনে এমনিতেই লোডশেডিং হয়, এর ওপর এই ভবনের অতিরিক্ত লোডের কারণে আমাদের এলাকার বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রায়ই বিঘ্নিত হচ্ছে।" পরিবেশবিদ ও বিদ্যুৎ বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো একটি নির্দিষ্ট ভবনে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত এসি বা ভারী বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হলে সুনির্দিষ্ট লোড পারমিশন এবং শক্তিশালী নিজস্ব সাব-স্টেশন থাকা বাধ্যতামূলক। অন্যথায়, স্থানীয় ট্রান্সফরমার বিকল হওয়ার পাশাপাশি বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহলের প্রশ্ন হলো- সাতক্ষীরায় এই পরিস্থিতি দেখার মতো কেউ নেই? বিদ্যুৎ বিভাগ বা স্থানীয় প্রশাসন কীভাবে একটি ভবনে এত বিপুল পরিমাণ উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন এসি ব্যবহারের অনুমতি দেয়, তা নিয়ে ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে। গ্রাহক ও এলাকাবাসীর দাবি, বিদ্যুৎ ঘাটতি মোকাবিলা এবং যেকোনো বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে জেলা প্রশাসন এবং বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) উচিত অবিলম্বে এই ভবনের বিদ্যুৎ সংযোগের বৈধতা ও অনুমোদিত লোড খতিয়ে দেখা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যশোরের ঝিকরগাছা মহিলা কলেজে এইচ এস সি ২০২৬ সালের পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ছাত্রীর বিদায় ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হলো। বুধবার (২৪ জুন) সকাল ১১ টায় ঝিকরগাছা মহিলা কলেজের শিক্ষক-ছাত্রী মিলনায়তনে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ ইলিয়াস উদ্দীন অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন। বিদায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সহকারী অধ্যাপক (সাবেক) আব্দুল হাকিম, আমিনুল ইসলাম, আমিনুর রহমান পিন্টু, মতিয়ার রহমান প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত সুন্দরভাবে পরিচালনা করেন ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জাহাঙ্গীর কবীর। নির্বাচনী পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের জন্য ৬ জন ছাত্রীকে বই উপহার দেয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য মেধা বৃত্তি, প্রতিরক্ষা বৃত্তি এবং অবৈতনিক অধ্যয়নের সুযোগ প্রদানের লক্ষ্যে গঠিত একটি কমিটির সভায় আবেদন যাচাই-বাছাই করে মোট ১ হাজার ৭৮৯ জন শিক্ষার্থীকে মনোনয়ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
আজ বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এ সংক্রান্ত একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, মনোনীত শিক্ষার্থীদের আগামী ২৮ জুনের মধ্যে তাদের নিজ নিজ ইনস্টিটিউট ও বিভাগে ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাবের তথ্য, সংশ্লিষ্ট শাখার নাম এবং রাউটিং নম্বর জমা দিতে হবে।
এছাড়া আরও জানানো হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ইনস্টিটিউট, বিভাগ এবং ইউনিট থেকে প্রাপ্ত মোট ১ হাজার ৭৬০টি আবেদন যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। যাচাই শেষে মেধা বৃত্তি ও অবৈতনিক অধ্যয়নের জন্য ১,৫২৮ জন শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৫৩৩ জন মেধা বৃত্তি এবং ৯৯৫ জন অবৈতনিক অধ্যয়নের সুযোগ পাবেন।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রতিরক্ষা বৃত্তির আওতায় মোট ২৬১ জন শিক্ষার্থীকে মনোনীত করা হয়েছে। এখানে ২৫০ জন বৃত্তি এবং ১১ জন অবৈতনিক অধ্যয়নের সুযোগ পাচ্ছেন।
গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুসারে, মেধা বৃত্তি ও প্রতিরক্ষা বৃত্তির জন্য মনোনীত শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ ব্যাংক হিসাবে বৃত্তির অর্থ পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তরের বৃত্তি শাখা থেকে ইতোমধ্যে বিভিন্ন ইনস্টিটিউট ও বিভাগে প্রয়োজনীয় তথ্যছক পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘চাকরি মেলা-২০২৬’ ফরিদপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে, এটি রিকভারি অ্যান্ড অ্যাডভান্সমেন্ট অব ইনফরমাল সেক্টর এমপ্লয়মেন্ট (রেইজ) প্রকল্পের আওতায় আয়োজন করা হয়।
কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার লক্ষ্যে আয়োজিত এই মেলায় বিপুলসংখ্যক চাকরিপ্রার্থী যুবক ও যুবতী অংশ নেন।
আজ বুধবার সকাল ১১টা থেকে ফরিদপুরের জসীমউদ্দীন হলে দিনব্যাপী এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে। বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান তাদের জনবল নিয়োগ কার্যক্রম নিয়ে মেলায় অংশগ্রহণ করে।
এভাবে চাকরিপ্রার্থীরা সরাসরি নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ পেয়ে নিজেদের যোগ্যতা, দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।
মেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মো. মাজহারুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়া, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ফরিদপুরের উপ-পরিচালক এ এস এম মইনুল আহসান, এবং এসডিসি’র নির্বাহী পরিচালক কাজী আশরাফুল হাসান।
এছাড়াও, বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, এবং বিপুলসংখ্যক চাকরিপ্রত্যাশী মেলায় উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা উল্লেখ করেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে দক্ষ মানবসম্পদের গুরুত্ব অপরিসীম। যুবসমাজকে কর্মমুখী ও আত্মনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে তুলতে এ ধরনের চাকরি মেলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
তারা আরও বলেন, সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি খাতের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের নতুন ক্ষেত্র সৃষ্টি হচ্ছে, যা দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে ইতিবাচক অবদান রাখতে সক্ষম হবে।
আয়োজকরা জানান, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং যুবসমাজকে কর্মবাজারের সঙ্গে সংযুক্ত করার লক্ষ্যে ভবিষ্যতের জন্য এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।
সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, ‘চাকরি মেলা-২০২৬’ স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচনে ভূমিকা রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, ভেনামি চিংড়ি আগামী দিনে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এছাড়া তিনি আরও বলেন, দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধিত করার জন্য এর উল্লেখযোগ্য অবদান থাকবে।
আজ রাতে কক্সবাজারের কলাতলীতে পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘আমরা ভেনামি চিংড়ির উৎপাদন প্রক্রিয়া কীভাবে পরিচালিত হচ্ছে, তার পুরো কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেছি। আমি বিশ্বাস করি, এ খাত দেশের রপ্তানি আয় বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।’
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, এ শিল্প বাংলাদেশের উন্নয়নের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সম্ভাবনাময়। প্রধানমন্ত্রীর সরকার এ খাতের বিকাশে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দিচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী নিজেই বিষয়টি সম্পূর্ণ অবগত রয়েছেন। তাঁর সার্বিক দিকনির্দেশনায় দেশের ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের জন্য ভেনামি চিংড়ি চাষে উন্মুক্ত করা হয়েছে।
মৎস্য খাতের উদ্যোক্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যারা নতুন করে ভেনামি চিংড়ি চাষ ও উৎপাদনে এগিয়ে আসবেন, সরকার তাদের সব ধরনের নীতিগত ও কারিগরি সহায়তা দেবে।
তিনি জানান, দেশের মৎস্য খাতের আধুনিকায়ন ও বৈচিত্র্য আনার জন্য সরকার বদ্ধপরিকর।
এ সময় কক্সবাজার সদর আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. খালেদ কনক, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, যুগ্মসচিব মো. হাসানুজ্জামান, মৎস্য অধিদপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন, কক্সবাজার জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাজমুল হুদাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ