মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:২৬ পি.এম
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী মন্তব্য করেছেন যে, ডিজিটাল লেনদেন বৃদ্ধি পেলে দুর্নীতির সুযোগ কমে যাবে।
তিনি মঙ্গলবার রাজধানীর বনানীর একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী উল্লেখ করেন, অর্থনীতিকে আরও স্বচ্ছ ও গতিশীল করার জন্য ডিজিটালাইজেশন এবং ক্যাশলেস লেনদেনের গুরুত্ব অপরিসীম। বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে ডিজিটালাইজেশনের গুরুত্ব অনেক বেশি। বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারেও ডিজিটাল অর্থনীতির বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। নগদ লেনদেন কমিয়ে ডিজিটাল লেনদেন বাড়ানো গেলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে এবং দুর্নীতির সুযোগ কমবে।
তিনি আরও বলেন, বাংলা কিউআরকে কার্যকর ও গতিশীল প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তোলার জন্য আন্তঃসংযোগ বা ইন্টারঅপারেবিলিটি নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন ব্যাংক ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মধ্যে আন্তঃসংযোগ না থাকলে বাংলা কিউআরের পূর্ণাঙ্গ ব্যবহার সম্ভব হবে না।
অর্থমন্ত্রী জানান, ডিজিটাল লেনদেনের মাধ্যমে প্রতিটি লেনদেনের একটি তথ্যভিত্তিক রেকর্ড তৈরি হবে। এর ফলে কর আদায় এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ট্র্যাক করা সহজ হবে। একই সঙ্গে বিভিন্ন খাতের তথ্য সংগ্রহ করে নীতিনির্ধারণেও তা কাজে লাগানো যাবে।
তিনি বলেন, ডিজিটাল সেবা বিস্তৃত হলে মানুষকে বারবার শারীরিকভাবে বিভিন্ন দপ্তরে যেতে হবে না। বাসায় বসেই অনেক ধরনের সরকারি ও আর্থিক সেবা পাওয়া সম্ভব হবে। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে যত বেশি সম্ভব ফিজিক্যাল কন্টাক্টের বাইরে নিয়ে আসতে হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, অটোমেশন বৃদ্ধি পেলে ব্যবসা পরিচালনার খরচ বা কস্ট অব ডুয়িং বিজনেস কমবে। বন্দর থেকে বিমানবন্দর—অর্থনীতির প্রতিটি পর্যায়ে ডিজিটাল প্রযুক্তি ও অটোমেশন নিয়ে আসতে হবে। এর মাধ্যমে দেশের ব্যবসা ও সেবাকে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, ক্যাশলেস অর্থনীতি প্রতিষ্ঠা হলে লেনদেনের স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে এবং কর আদায়ের সক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব হবে। একই সঙ্গে অটোমেশন ও ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে ব্যবসার খরচ কমিয়ে অর্থনীতিকে আরও দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক করা যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংসদ ভবন, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : দেশের অসহায়, দরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির অর্থ বণ্টনে শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সরকার ধারাবাহিক কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন।
আজ জাতীয় সংসদে নেত্রকোনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম হিলালীর এক তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এ সব তথ্য উপস্থাপন করেন।
মন্ত্রী জানান, প্রকৃত দুস্থদের নির্বাচনে চরম স্বচ্ছতা আনতে জাতীয় পরিচয়পত্রের কেন্দ্রীয় ডাটাবেজের সঙ্গে উপকারভোগীদের সার্বিক তথ্য যাচাই-বাছাই বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এতে করে কোনো অযোগ্য ব্যক্তি রাজনৈতিক বা ব্যক্তিস্বার্থে সামাজিক নিরাপত্তা ভাতার আওতায় আসার সুযোগ বন্ধ হয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, প্রথাগত ম্যানুয়াল পদ্ধতির অবসান ঘটিয়ে এখন অনলাইনে সরাসরি আবেদন গ্রহণ এবং ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে উন্মুক্ত যাচাই-বাছাই কমিটির মাধ্যমে প্রকৃত দরিদ্র ও অসহায় মানুষের তালিকা প্রস্তুত ও হালনাগাদ করা হচ্ছে।
সরকারি অনুদান মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়া সরাসরি প্রকৃত উপকারভোগীর হাতে পৌঁছে দিতে ‘জিটুপি’ (জিটুপি-গভমেন্ট টু পারসন) পদ্ধতি সফলভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘এর মাধ্যমে সরকারি অনুদান সরাসরি সুফলভোগীর নিজ ব্যাংক হিসাব কিংবা পছন্দসই মোবাইল ব্যাংকিং (এমএফএস) অ্যাকাউন্টে জমা হচ্ছে। ফলে ডিজিটাল বাংলাদেশ ব্যবস্থার সুবাদে মধ্যস্বত্বভোগীদের অবৈধ দৌরাত্ম্য ও কমিশন বাণিজ্য পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।’
সংসদে মন্ত্রী জানান, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বাজেট, ভাতার পরিমাণ এবং উপকারভোগী—তিনটিরই পরিধি উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানো হয়েছে।
এ অর্থবছরে বয়স্ক ভাতার মাসিক হার ৬৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭০০ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে এবং উপকারভোগীর সংখ্যা ৬১ লাখ থেকে বাড়িয়ে ৬২ লাখ করা হয়েছে।
একইভাবে বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা ভাতার মাসিক হার ৬৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭০০ টাকা এবং উপকারভোগীর সংখ্যা ২৯ লাখ থেকে ৩০ লাখে উন্নীত করা হয়েছে। প্রতিবন্ধী ভাতার হারও বৃদ্ধি পেয়ে মাসিক ৯০০ টাকা থেকে ১ হাজার টাকায় দাঁড়িয়েছে; যেখানে উপকারভোগীর সংখ্যা ৩৪ লাখ ৫০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৩৮ লাখে উন্নীত করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তির হার ও পরিসর উভয়ই বাড়ানো হয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রাথমিক স্তরে মাসিক ১ হাজার টাকা, মাধ্যমিক স্তরে ১ হাজার ১০০ টাকা, উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে ১ হাজার ২০০ টাকা এবং উচ্চতর বা বিশ্ববিদ্যালয় স্তরে ১ হাজার ৪০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ উপবৃত্তির সুফলভোগী শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৮১ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১ লাখে উন্নীত করা হয়েছে।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আরও জানান, ক্যান্সার, কিডনি রোগ, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইসিস, জটিল হৃদরোগ, লিউকেমিয়া ও থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত সংকটাপন্ন রোগীদের আর্থিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় সুবিধাভোগীর সংখ্যা ৬০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৬৫ হাজার করা হয়েছে। একই সঙ্গে এ কর্মসূচির আওতায় এককালীন জরুরি চিকিৎসা সহায়তার পরিমাণ রোগীপ্রতি ৫০ হাজার টাকা থেকে দ্বিগুণ বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা করা হয়েছে।
ডিজিটাল প্রযুক্তির সর্বাত্মক প্রয়োগ, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুষম সম্প্রসারণ এবং উপকারভোগী নির্বাচনে নিবিড় তদারকির মাধ্যমে রাষ্ট্রের সকল সুবিধা সরাসরি প্রকৃত দুস্থ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার এই ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে চোরাই মোবাইল ফোন চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের কাছ থেকে ৫৪টি চোরাই মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার রাত সাড়ে ১২ টার দিকে রূপগঞ্জ থানাধীন মিলের সামনে পাকা সড়কে একটি চেকপোস্ট বসিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন—ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ থানার খাড়াসার এলাকার মৃত ইদন মিয়ার ছেলে আরমান হোসেন (৩২) এবং ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু থানার গোবরাপাড়া এলাকার মৃত নূর ইসলামের ছেলে হৃদয় ইসলাম (৩১)।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই এলাকায় চেকপোস্ট পরিচালনা করা হচ্ছিল। এ সময় সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তিকে আটক করে তাদের তল্লাশি চালানো হলে ৫৪টি মোবাইল ফোন উদ্ধার হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা চোরাই মোবাইল ফোন সংগ্রহ ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত থাকার তথ্য প্রকাশ করেছে বলে পুলিশের দাবি। পুলিশের আরও তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃত দুজনের বিষয়ে সিডিএমে (ক্রিমিনাল ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট) অনুসন্ধান করে পূর্বের মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। পুলিশ বলছে, তারা পেশাদার অপরাধী চক্রের সদস্য।
এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আইন প্রক্রিয়া শেষে গ্রেপ্তারকৃত দুজনকে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএইচএম সালাউদ্দিন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অনুযায়ী নির্ধারিত ২০৩০ সালের সময়সীমার অনেক আগেই মাতৃমৃত্যুর হার কমানোর লক্ষ্যমাত্রা সফলভাবে অর্জন করায় বাংলাদেশ সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
পূর্ব তিমুরের দিলিতে ৭ থেকে ১০ সেপ্টেম্বর চলমান বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া আঞ্চলিক কমিটির ৭৯তম অধিবেশনে আজ মঙ্গলবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের হাতে এ অভিনন্দনপত্র তুলে দেন ডব্লিউএইচও’র মহাপরিচালক ড. টেড্রোস আধানম ঘেব্রেয়েসাস।
অভিনন্দনপত্রে বলা হয়, বাংলাদেশের এই অর্জন জনস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। সরকারের দৃঢ় নেতৃত্ব, কার্যকর স্বাস্থ্যনীতি, সুসংগঠিত প্রজনন ও মাতৃস্বাস্থ্য কর্মসূচি এবং মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির ফলেই এই সাফল্য এসেছে। পাশাপাশি দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মীদের মাধ্যমে প্রসব ও মিডওয়াইফারি সেবা নিশ্চিত করা, জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং বিভিন্ন অংশীদারের সহযোগিতা এতে বড় ভূমিকা রেখেছে।
ডব্লিউএইচও’র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া আঞ্চলিক কার্যালয় আরও জানায়, গত ১০ বছর ধরে মাতৃ ও নবজাতক টিটেনাস নির্মূলের ধারা বজায় রাখার জন্যও বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানানো হচ্ছে। জোরালো জাতীয় অঙ্গীকার, উচ্চমানের টিকাদান কর্মসূচি এবং দেশজুড়ে নিরাপদ প্রসবের চর্চা এই অর্জনে মূল অবদান রেখেছে।
অভিনন্দনপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, গত এক দশক ধরে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় মাতৃ ও নবজাতক টিটেনাস নির্মূলের সমন্বিত আঞ্চলিক প্রচেষ্টা ধরে রাখতে বাংলাদেশের এই সাফল্য বড় ভূমিকা রাখছে। বাংলাদেশ সরকার- বিশেষ করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এই অবদানকে স্বীকৃতি দিতে পেরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অত্যন্ত সম্মানিত বোধ করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্প্যানিশদের আধিপত্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে বর্ষসেরা কোচের মনোনয়নে, যেখানে বিভিন্ন ক্লাবের নাম উঠে এসেছে।
ফুটবল জগতের সবচেয়ে সম্মানজনক পুরস্কার ব্যালন ডি’অর ২০২৬-এর চূড়ান্ত তারিখ এবং ভেন্যু প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী ২৬ অক্টোবর, একটি উজ্জ্বল অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ফুটবল ইতিহাসের ৭০তম ব্যালন ডি’অর ট্রফিটি বছরের সেরা ফুটবলারের হাতে তুলে দেওয়া হবে।
প্রতিবছর ফ্রান্সের প্যারিসে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়, তবে এবার ফুটবলের ইতিহাসে একটি বিশেষ মাইলফলক স্পর্শ করতে চলেছে আয়োজক সংস্থা ‘ফ্রান্স ফুটবল’।
ব্যালন ডি'অর-এর প্রথম বিজয়ী কিংবদন্তি স্যার স্ট্যানলি ম্যাথিউসকে বিশেষ সম্মান জানাতে এবারের অনুষ্ঠানটি যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
মঙ্গলবার ৮ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হবে চূড়ান্ত ট্রফি প্রত্যাশীদের ৩০ জনের সংক্ষিপ্ত মনোনয়ন তালিকা। স্থানীয় সময় রাত ৮টায় লন্ডনের ঐতিহ্যবাহী মিলনায়তনে মূল অনুষ্ঠান শুরু হবে।
ক্রীড়া সংবাদমাধ্যম
অনুযায়ী, ২০২৬ ব্যালন ডি’অরের জন্য প্রাথমিকভাবে মনোনীত ক্লাব এবং কোচের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। বর্ষসেরা পুরুষ কোচের পুরস্কারের জন্য মনোনীত পাঁচজন কোচ হলেন মিকেল আরতেতা, লুইস দে লা ফুয়েন্তে, উনাই এমেরি, ভিনসেন্ট কোম্পানি এবং লুইস এনরিকে।
নারী দলের কোচের পুরস্কারের জন্য মনোনীত পাঁচজন কোচ হলেন জোনাথান গিরালদেজ, আন্দ্রে জেগলার্টজ, নিলস নিলসেন, পেরে রোমিউ এবং এলেনা সাদিকু।
সেরা ক্লাবের মনোনয়ন পেল কারা
পুরুষ ও নারী বিভাগের জন্য পাঁচটি করে ক্লাবের নামও ঘোষণা করা হয়েছে।
পুরুষ ক্লাব
আর্সেনাল, বায়ার্ন মিউনিখ, বোডো/গ্লিমট, ফ্ল্যামেঙ্গো ও পিএসজি
নারী ক্লাব
বার্সেলোনা, বায়ার্ন মিউনিখ, ক্লাব আমেরিকা, ম্যানচেস্টার সিটি ও অলিম্পিক লিওঁ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ