ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

স্পেনের ভয়াবহ দাবানলে নিহত ১৩, তাঁদের মধ্যে ১২ জনই বিদেশি নাগরিক


স্পেনের ভয়াবহ দাবানলে নিহত ১৩, তাঁদের মধ্যে ১২ জনই বিদেশি নাগরিক

স্পেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় আন্দালুসিয়া অঞ্চলে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ দাবানলে নিহত ১৩ জনের মধ্যে ১২ জনই বিদেশি নাগরিক বলে জানা গেছে। ময়নাতদন্ত শেষে মঙ্গলবার দেশটির কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানায়, নিহতদের মধ্যে সাতজন যুক্তরাজ্যের, তিনজন বেলজিয়ামের, একজন ফ্রান্সের এবং একজন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক রয়েছেন। বাকী একজন ছিলেন স্পেনের নাগরিক।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

আরও পড়ুন: ১২৪ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ মামলা ট্রাম্পের বিরুদ্ধে

নিহত ১৩ জনের মধ্যে আটজন নারী এবং পাঁচজন পুরুষ। তাদের সবাই প্রাপ্তবয়স্ক ছিলেন বলে নিহতদের পরিচয় শনাক্তের দায়িত্বে থাকা সরকারি সংস্থা জানিয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার ভূমধ্যসাগরের উপকূলসংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় আলমেরিয়া প্রদেশে এই দাবানলের সূত্রপাত ঘটে। মনোরম এই অঞ্চলে বহু বিদেশি নাগরিকের বসবাস আছে।

প্রচণ্ড বাতাসে আগুন দ্রুত বনাঞ্চল ও তীব্র তাপপ্রবাহে শুকিয়ে যাওয়া ঝোপঝাড়ে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে একসময় মনোরম গ্রামীণ জনপদগুলো জনশূন্য এলাকায় পরিণত হয়।

প্রথম দিকে উদ্ধারকর্মীরা ১২টি মরদেহ উদ্ধার করেন। সেগুলো এতটাই পুড়ে গিয়েছিল যে পরিচয় শনাক্ত করতে ডিএনএ পরীক্ষা করতে হয়েছে।

আরও পড়ুন: সরকারকে সেলিম উদ্দিনের আহ্বান, গণরায়ের বিরুদ্ধে না গিয়ে জনগণের পক্ষে দাঁড়ান

সাম্প্রতিক বছরগুলিতে স্পেনের সবচেয়ে প্রাণঘাতী দাবানলগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত এই ঘটনায় প্রায় ৭ হাজার হেক্টর (১৭ হাজার একরেরও বেশি) জমি পুড়ে গেছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, একটি বৈদ্যুতিক তার সড়কের ওপর ছিঁড়ে পড়ার ফলে আগুনের সূত্রপাত হয়েছিল।

বর্তমানে আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। গত রোববার থেকে বাসিন্দারা নিজ নিজ বাড়িতে ফিরতে শুরু করেছেন।

সাম্প্রতিক বছরে স্পেনে তাপপ্রবাহের মাত্রা ও স্থায়িত্ব বেড়েছে। প্রায়ই তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যাচ্ছে, যা দাবানল ছড়িয়ে পড়ার অনুকূল পরিবেশ তৈরি করছে।

ইউরোপীয় বন অগ্নিকাণ্ড তথ্য ব্যবস্থার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে স্পেনে দাবানলে ৩ লাখ ৯৩ হাজার হেক্টরের বেশি এলাকা পুড়ে ধ্বংস হয়েছে, যা দেশটির সাম্প্রতিক ইতিহাসের সর্বোচ্চ।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য খাত ধ্বংস করেছে ফ্যাসিস্ট সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৮ মাসের মহাকাশ মিশনে ভারতীয় বংশোদ্ভূত নাসার মহাকাশচারী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:০৯ এম


৮ মাসের মহাকাশ মিশনে ভারতীয় বংশোদ্ভূত নাসার মহাকাশচারী

আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (আইএসএস) বৈজ্ঞানিক গবেষণার উদ্দেশ্যে আট মাসের মিশনে মহাকাশে গেছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত নাসার মহাকাশচারী অনিল মেনন। এই মিশনে তিনি মহাকাশে দীর্ঘ সময় অবস্থানের কারণে মানবদেহের শারীরিক পরিবর্তনের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা করবেন।

নাসার এই অভিযানের অন্যতম লক্ষ্য হলো ভবিষ্যতে চাঁদ ও মঙ্গলগ্রহে দীর্ঘমেয়াদি মানব অভিযানগুলিকে আরও নিরাপদ ও কার্যকর করে তোলা। মহাকাশে দীর্ঘ সময় থাকার কারণে পেশিশক্তি, হৃদ্‌যন্ত্র, হাড়ের ঘনত্ব, রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা এবং মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর কী ধরনের প্রভাব পড়ে, তা নিয়ে গবেষণা করবেন অনিল মেনন ও তার সহকর্মীরা।

অনিল মেননের বাবা শঙ্করন মেনন ভারতের কেরালার পালাক্কড় জেলার ওট্টাপালামের বাসিন্দা ছিলেন। পরে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন এবং ইউক্রেনীয় নাগরিক এলিজাবেথ স্যাময়লেঙ্কোকে বিয়ে করেন। তাদের সন্তান অনিল মহাদেবন স্যাময়লেঙ্কো মেননের জন্ম হতে থাকে যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যে।

মহাকাশে বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী অনিল মেনন পেশায় একজন চিকিৎসক। সেখানেই তিনি মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার, ইউএস স্পেস ফোর্সের ফ্লাইট সার্জন এবং দক্ষ পাইলট হিসেবে কাজ করছেন। পরবর্তীতে তিনি নাসার মহাকাশচারী হওয়ার জন্য নির্বাচিত হন।

এই অভিযানে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে তার সঙ্গে একটি রুশ মহাকাশচারী রয়েছেন। আট মাসব্যাপী এই মিশনের মাধ্যমে ভবিষ্যতে দীর্ঘমেয়াদি মহাকাশ অভিযানগুলি সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও অভিজ্ঞতা অর্জনের আশা করছে নাসা।

অনিল মেননের সাফল্যে গর্বিত কেরালার পালাক্কড় জেলা। এই জেলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরও অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তির নাম রয়েছে। কিংবদন্তি অভিনেতা ও তামিলনাড়ুর সাবেক মুখ্যমন্ত্রী এম. জি. রামচন্দ্রন, কূটনীতিক ও রাজনীতিবিদ শশী থারুরের পারিবারিক শিকড়ও এই জেলায় পাওয়া যায়। এছাড়া প্রখ্যাত কথাকলি শিল্পী রামনকুট্টি নায়ার এবং ভারতের গগনযান কর্মসূচির জন্য নির্বাচিত মহাকাশচারী প্রশান্ত বালাকৃষ্ণণ নায়ারও পালাক্কড়ের বাসিন্দা।

অনিল মেননের এই মহাকাশ মিশন শুধু ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের জন্য নয়, বরং বিশ্বজুড়ে মহাকাশ গবেষণার নতুন দিগন্ত উন্মোচনের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাড্ডায় সাবেক স্বামীর হামলায় নিহত নারী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:১১ এম


বাড্ডায় সাবেক স্বামীর হামলায় নিহত নারী

রাজধানীর মধ্য বাড্ডায় সাবেক স্বামীর দ্বারা ছুরিকাঘাতের ঘটনায় ঝুমুর আক্তার (৩৮) নামের এক নারী প্রাণ হারিয়েছেন। এই ঘটনার সাথে অভিযুক্ত সাবেক স্বামী রেজাউলকে স্থানীয়রা ধরে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মধ্য বাড্ডার ডিআইটি প্রজেক্টের ১৪ নম্বর সড়কের একটি বাড়ির সামনে এই ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় ঝুমুরকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানকার চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১০টার সময় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এবং জানিয়েছেন, ঝুমুরের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

নিহত ঝুমুর আক্তারের বাড়ি বরিশাল জেলায়। তার বাবার নাম জাফর হাওলাদার। স্বজনদের তথ্য মতে, ঝুমুরের প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর তিনি হোটেলকর্মী রেজাউলকে বিয়ে করেন। এই সংসার দুই থেকে তিন বছর স্থায়ী ছিল, কিন্তু পরবর্তীতে দাম্পত্য কলহের কারণে ঝুমুর প্রায় এক বছর আগে রেজাউলকে তালাক দেন এবং বরিশালে চলে যান। সেখানে কিছুদিন পর তিনি এক বিদেশি নাগরিককে বিয়ে করেন।

ঝুমুরের দূর সম্পর্কের আত্মীয় মনিকা আক্তার জানিয়েছেন, কয়েকদিন আগে ঝুমুর বরিশাল থেকে ঢাকায় তার বর্তমান স্বামীর মিরপুরের বাসায় আসেন। তার স্বামী তখন দেশের বাইরে ছিলেন। মঙ্গলবার সকালে, ঝুমুর মনিকার বাড়িতে বেড়াতে আসেন। পরে বিকেলে মনিকা ও তার মা আজিফা বেগমকে নিয়ে এলাকায় ঘুরতে বের হন। এ সময় রেজাউল তাদের দেখে অনুসরণ করতে থাকেন, কিন্তু বিষয়টি তারা বুঝতে পারেননি।

সন্ধ্যা ৭টার দিকে মনিকার বাড়ির গেট দিয়ে প্রবেশের সময় রেজাউল পিছন থেকে এসে ধারালো অস্ত্র দিয়ে ঝুমুরকে আক্রমণ করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় ঝুমুরকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে। ঘটনাটির পর স্থানীয় জনতা রেজাউলকে হাতে নাতে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। এই ঘটনার কারণ ও বিস্তারিত জানার জন্য পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যায় বান্দরবানের ৭০ শতাংশ এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:১২ এম


বন্যায় বান্দরবানের ৭০ শতাংশ এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত

বান্দরবানে বন্যার কারণে ৭০ শতাংশ এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল, ভূমিধস এবং জলাবদ্ধতার ফলে বান্দরবান জেলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জেলার ৩৪টি ইউনিয়নের মধ্যে ২৯টি ইউনিয়ন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

প্রতিবেদক বান্দরবান থেকে জানান, মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল সাড়ে এগারোটায় জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে চলমান বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য সাংবাদিকদের জানালেন জেলা প্রশাসক সানিউল ফেরদৌস।

প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, গত ৬ থেকে ১৩ জুলাই মধ্যবর্তী সময়ে জেলাজুড়ে মোট ৫৮১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এ বৃষ্টিপাতের কারণে সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বিপদসীমার অনেক ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, এ পর্যন্ত জেলায় ৪৯টি ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে বড় আকারের ১১টি ভূমিধসে বিভিন্ন সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ভূমিধসে লামা উপজেলায় ৬ জন এবং পানিতে ডুবে আরও ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনার ফলে জেলার প্রায় ১২ হাজার ৫০০ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বান্দরবান পৌরসভা, লামা পৌর এলাকা ও সদর উপজেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জেলার মোট ৩৪টি ইউনিয়ন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং প্রায় ৭০ শতাংশ এলাকা জলাবদ্ধতায় আক্রান্ত হয়েছে।

এছাড়াও, সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের ৬৫ কিলোমিটার এবং এলজিইডির প্রায় ৯০ কিলোমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কৃষি খাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। প্রাথমিক হিসেবে ২ হাজার ১০৪ হেক্টর কৃষিজমি ও বাগান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৩৬৮ হেক্টর জমির ফসল সম্পূর্ণ নষ্ট হয়েছে। এতে প্রায় ৫ হাজার ২০ জন কৃষক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

জেলা প্রশাসক সানিউল ফেরদৌস বলেন, এবারের বন্যায় রাস্তাঘাট, কৃষিঘাটসহ সবকিছু মিলে প্রায় ৭০ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এখনো তথ্য সংগ্রহের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ এখনো নিরূপণ করা হয়নি। পরে সব তথ্য সংগ্রহের পর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে বলেও জানান তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

একাধিক মামলার আসামির দেশত্যাগের প্রস্তুতি প্রশাসনের নজর কোথায়?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

দিনাজপুর প্রতিনিধি

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:১৪ এম


একাধিক মামলার আসামির দেশত্যাগের প্রস্তুতি প্রশাসনের নজর কোথায়?

দিনাজপুরের হাকিমপুর হিলির জিলাপি পট্টি এলাকার একাধিক ফেনসিডিল মামলার আসামি আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী একাধিক মাদক মামলা দায়ের করেছে। বর্তমানে তিনি পলাতক অবস্থায় রয়েছেন এবং দেশত্যাগের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে র‍্যাব (RAB) ও পুলিশের দায়ের করা একাধিক ফেনসিডিল-সংক্রান্ত মামলা বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছে। এসব মামলার প্রেক্ষিতে তাকে গ্রেপ্তারের জন্য আদালত থেকে পরোয়ানা জারি হয়েছে। হাকিমপুর থানার সূত্রে জানা যায়, আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে জারি হওয়া গ্রেপ্তারি পরোয়ানা এখনও কার্যকর হয়নি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান শুরুর পর থেকেই তিনি আত্মগোপন করেছেন এবং দীর্ঘদিন ধরে পলাতক হিসেবে তালিকাভুক্ত রয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের খবর। অন্যদিকে, একটি গোপন সূত্র জানায়, আলমগীর হোসেন বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন। সেখান থেকেই তিনি দেশ ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে। স্থানীয়দের দাবি, তার বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তি এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বাস্তবায়নের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন। তারা মনে করেন, যদি সত্যিই তিনি দেশত্যাগের চেষ্টা করেন, তাহলে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নিয়ে তাকে দ্রুত গ্রেপ্তার করা উচিত। তবে এ বিষয়ে আলমগীর হোসেনের সাথে কথা বলার চেষ্টা করলে তিনি জানান, "আমার কিছু করতে পারলে করেন আমি জাবোই আমাকে কেউ ঠেকাতে পারবে না।" এমন ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে, আইনের কাজ কি শুধু মামলা দেওয়া নাকি উপযুক্ত সাজা প্রদান?

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%