প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
স্পেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় আন্দালুসিয়া অঞ্চলে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ দাবানলে নিহত ১৩ জনের মধ্যে ১২ জনই বিদেশি নাগরিক বলে জানা গেছে। ময়নাতদন্ত শেষে মঙ্গলবার দেশটির কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানায়, নিহতদের মধ্যে সাতজন যুক্তরাজ্যের, তিনজন বেলজিয়ামের, একজন ফ্রান্সের এবং একজন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক রয়েছেন। বাকী একজন ছিলেন স্পেনের নাগরিক।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
নিহত ১৩ জনের মধ্যে আটজন নারী এবং পাঁচজন পুরুষ। তাদের সবাই প্রাপ্তবয়স্ক ছিলেন বলে নিহতদের পরিচয় শনাক্তের দায়িত্বে থাকা সরকারি সংস্থা জানিয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার ভূমধ্যসাগরের উপকূলসংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় আলমেরিয়া প্রদেশে এই দাবানলের সূত্রপাত ঘটে। মনোরম এই অঞ্চলে বহু বিদেশি নাগরিকের বসবাস আছে।
প্রচণ্ড বাতাসে আগুন দ্রুত বনাঞ্চল ও তীব্র তাপপ্রবাহে শুকিয়ে যাওয়া ঝোপঝাড়ে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে একসময় মনোরম গ্রামীণ জনপদগুলো জনশূন্য এলাকায় পরিণত হয়।
প্রথম দিকে উদ্ধারকর্মীরা ১২টি মরদেহ উদ্ধার করেন। সেগুলো এতটাই পুড়ে গিয়েছিল যে পরিচয় শনাক্ত করতে ডিএনএ পরীক্ষা করতে হয়েছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলিতে স্পেনের সবচেয়ে প্রাণঘাতী দাবানলগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত এই ঘটনায় প্রায় ৭ হাজার হেক্টর (১৭ হাজার একরেরও বেশি) জমি পুড়ে গেছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, একটি বৈদ্যুতিক তার সড়কের ওপর ছিঁড়ে পড়ার ফলে আগুনের সূত্রপাত হয়েছিল।
বর্তমানে আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। গত রোববার থেকে বাসিন্দারা নিজ নিজ বাড়িতে ফিরতে শুরু করেছেন।
সাম্প্রতিক বছরে স্পেনে তাপপ্রবাহের মাত্রা ও স্থায়িত্ব বেড়েছে। প্রায়ই তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যাচ্ছে, যা দাবানল ছড়িয়ে পড়ার অনুকূল পরিবেশ তৈরি করছে।
ইউরোপীয় বন অগ্নিকাণ্ড তথ্য ব্যবস্থার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে স্পেনে দাবানলে ৩ লাখ ৯৩ হাজার হেক্টরের বেশি এলাকা পুড়ে ধ্বংস হয়েছে, যা দেশটির সাম্প্রতিক ইতিহাসের সর্বোচ্চ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন