০৫:৩০ এম
বরিশালে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মহানগর সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ দলটির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ২৪৮ জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে আদালতে একটি নালিশী মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) বরিশালের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা পরিচয়দানকারী মো. মারজুক আব্দুল্লাহ।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এস এম শরিয়ত উল্লাহ মামলার অভিযোগ তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (প্রসিকিউশন) পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছেন।
আরও পড়ুন: ইনানীতে ৪২ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে আগুন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি
মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইন, বিস্ফোরক দ্রব্য আইন, সন্ত্রাসবিরোধী আইন এবং হত্যার হুমকিসহ বিভিন্ন অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মহানগর সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে। এছাড়া বরিশাল জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ কে এম জাহাঙ্গীর, সাবেক সংসদ সদস্য ও প্রয়াত মেয়র শওকত হোসেন হিরনের স্ত্রী জেবুন্নেছা আফরোজ, সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টুসহ মোট ২৪৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার বাদী মো. মারজুক আব্দুল্লাহ দাবি করেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকার পরও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন সময়ে আগ্নেয়াস্ত্র, ধারালো অস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ে সড়কে মিছিল ও অবরোধ করেছেন। এতে জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। এছাড়া তাদের প্রতিহত করতে গেলে ককটেল ও পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করা হয় এবং জুলাই আন্দোলনের কর্মীদের হত্যার হুমকিও দেওয়া হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন।
তিনি আরও জানান, এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই আদালতে নালিশী মামলা দায়ের করা হয়েছে। আদালত অভিযোগের প্রাথমিক বিবেচনায় পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৯ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা প্রত্যাহার, নতুন কর্মকর্তাদের নিয়োগ
এ বিষয়ে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাজিব মজুমদার বলেন, “আদালতে একটি নালিশী মামলা দায়ের হয়েছে। আদালত বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (প্রসিকিউশন)-কে অভিযোগ তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।”
উল্লেখ্য, মামলার অভিযোগগুলো এ পর্যন্ত আদালতে উপস্থাপিত অভিযোগের ভিত্তিতে। অভিযোগগুলোর সত্যতা এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি। তদন্ত শেষে আদালতের নির্দেশনা ও তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম নির্ধারিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন