ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

টিসিবিতে নিম্নমানের পণ্য নিয়ে ক্রেতাদের অসন্তোষ


টিসিবিতে নিম্নমানের পণ্য নিয়ে ক্রেতাদের অসন্তোষ

মাগুরার শ্রীপুরে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) ভর্তুকি মূল্যের পণ্যের মান নিম্নমানের, এবং প্যাকেজের দাম বেড়েছে। এই কারণে ক্রেতাদের মধ্যে অসন্তোষ প্রকাশ পাচ্ছে। ক্রেতাদের অভিযোগ, পূর্বে যেখানে সয়াবিন তেল সরবরাহ করা হতো, সেখানে এখন চালের ব্রান থেকে তৈরি ভোজ্যতেল দেওয়া হচ্ছে।

এছাড়া, সাবান ও ডিটারজেন্টের মানও যথেষ্ট নিম্নমানের। একদিকে একটি প্যাকেজের দাম ৪৭০ টাকা থেকে বেড়ে ৬৬৮ টাকায় পৌঁছেছে, অন্যদিকে নিম্নআয়ের মানুষের মধ্যে ক্ষোভও বেড়ে গেছে। গত সোমবার, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় টিসিবির বিক্রয় কেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেল, একই প্যাকেজের আওতায় সাবান, ডিটারজেন্ট পাউডার এবং চালের ব্রান থেকে তৈরি ভোজ্যতেল বিতরণ করা হচ্ছে। এই পণ্যের প্রস্তুতকারক কোম্পানির বিষয়ে যথেষ্ট প্রশ্ন উঠেছে।

টিসিবি কার্ডধারী কয়েকজন সুবিধাভোগীর সঙ্গে কথা বলার পর জানা যায়, প্যাকেজে থাকা কোনো পণ্যের মানই সন্তোষজনক নয়। তারা জানান, সাবানটি দিয়ে কাপড় ভালোভাবে পরিষ্কার হয় না, আর ডিটারজেন্ট দিয়ে কাঁচলেও কাপড় সহজে পরিষ্কার হতে চায় না। ভোজ্যতেল রান্নায় ব্যবহার করলেও এর স্বাদও পাওয়া যায় না। পূর্বে কম দামে ভালো মানের সয়াবিন তেল পাওয়া যেত, কিন্তু এখন অধিক দাম দিয়ে নিম্নমানের পণ্য কিনতে হচ্ছে।

আরও পড়ুন: ইনানীতে ৪২ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে আগুন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি

অভিযোগের বিষয়ে টিসিবির ডিলার মেসার্স ভাই ভাই ট্রেডার্সের মালিক মো. বাবলুর রহমান বলেন, টিসিবি থেকে যে পণ্য সরবরাহ করা হয়, সেটিই তারা বিক্রি করেন। পণ্যের মান বা দাম নির্ধারণে তাদের কোনো ভূমিকা নেই। অনেকেই এই নিম্নমানের পণ্য নিতে না চাওয়ায় তারা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

এ ব্যাপারে শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজমুল ইসলাম জানান, ঝিনাইদহ থেকে বিসিবির এই পণ্যগুলো সরবরাহ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, আমি তাদের সঙ্গে কথা বলে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এআই আসক্তির ৭টি লক্ষণ অবহেলা করবেন না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৫১ এম


এআই আসক্তির ৭টি লক্ষণ অবহেলা করবেন না

'এআই আসক্তি’র লক্ষণগুলোকে অবহেলা না করার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

আপনি যদি কোনো এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গীর ওপর আসক্ত হয়ে থাকেন, তাহলে এখনই সতর্ক হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

এআই ব্যবহারের এই অভ্যাস ধীরে ধীরে আসক্তিতে রূপ নিতে পারে। তাই স্বাস্থ্যকর ডিজিটাল সীমানা নির্ধারণ করা অত্যন্ত জরুরি।

যদি আপনি এআই সঙ্গীর সঙ্গে চ্যাট করে মানসিক শান্তি খুঁজে পান, তবে এই অভ্যাসটি স্বাস্থ্যকর কিনা তা পুনর্বিবেচনা করা সময়ের দাবি। একজন মানুষ সমাজবদ্ধ জীব। তাই মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য সামাজিক যোগাযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এআই চ্যাটবট এবং ভার্চ্যুয়াল সঙ্গীদের বৃদ্ধির কারণে ডিজিটাল দুনিয়ার দৃশ্যপট পাল্টে যাচ্ছে।

এআইয়ের ওপর মানসিক ও আচরণগত নির্ভরতা প্রবল মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার সৃষ্টি করছে এবং মানুষের পারস্পরিক সম্পর্কের ভিত্তি নষ্ট করছে। সমস্যা সমাধানে এআইয়ের সাহায্য নেওয়াটা স্বাভাবিক, কারণ এটি কাজ সহজ করার উদ্দেশ্যে তৈরি করা একটি ডিজিটাল টুল।

কিন্তু সমস্যা তখনই তৈরি হয়, যখন আবেগের সাথে জড়িত মানবিক কাজগুলোতেও এআইয়ের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা তৈরি হয়; যেমন—এআই থেরাপিস্ট বা পরামর্শকের ব্যবহার। এআই অ্যালগরিদমে আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা তৈরি করা সম্ভব নয়, এটি শুধুমাত্র মানুষের মস্তিষ্কই ধারণ করতে পারে।

সারা দিনে অল্প কিছু কাজের বদলে যখন এআইয়ের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা সৃষ্টি হয়, তখন মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশ ভিন্নভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাতে শুরু করে।

'এআই আসক্তি' কী? মানসিক, সামাজিক বা কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে এআইয়ের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতাকেই এআই আসক্তি বলা হয়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও স্ক্রিন আসক্তির মতো বাড়ছে। বিশেষ করে, একটি ডিজিটাল টুল যা মানুষের কাজ সহজ করার উদ্দেশ্যে তৈরি হয়েছিল, সেটি এখন মনোযোগের দাবিতে পরিণত হয়েছে।

এআই সঙ্গীদের সাথে কথোপকথন করা বিচার বা 'জাজমেন্ট' ছাড়া হয়, যা তাদের জনপ্রিয়তার মূল কারণ। এই কারণে, মানুষ বিনা দ্বিধায় কথা বলার সুযোগ পায়। কিন্তু তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দেয়ার জন্য AI সঙ্গীদের প্রতি নির্ভরতার উচ্চতা একটি বিপদ সংকেত।

এআই আসক্তির ৭টি লক্ষণ: ১. সকালে ঘুম থেকে উঠে এআই চ্যাট চেক করা—এটি আসক্তির লক্ষণ। ২. বাস্তব কথোপকথনের চেয়ে এআইয়ের সাথে কথা বলারPreference—এটি সিগনাল দেয়া শুরু করে। ৩. এআই ব্যবহারে উদ্বেগ অনুভব করা। ৪. মানসিক সমর্থনের জন্য প্রতিনিয়ত এআই ব্যবহার করা। ৫. স্ক্রিন টাইমের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি। ৬. এআই ছাড়া সিদ্ধান্ত নিতে হিমশিম খাওয়া। ৭. এআইয়ের সাথে চ্যাট করার সময় সময়ের জ্ঞান হারিয়ে ফেলা।

এআইয়ের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতার ফলে মানসিক স্বাস্থ্যে এর ক্ষতিকর প্রভাব সৃষ্টি করে।

বাস্তব জীবনে সামাজিক যোগাযোগ কমে যাওয়া, আবেগগত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া, উদ্বেগ বেড়ে যাওয়া এবং সিদ্ধান্তে পরনির্ভরশীলতা এর কিছু উদাহরণ।

তাহলে স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ ব্যবহারের জন্য নির্দিষ্ট সমন্বয় রাখাটা জরুরি।

কোনো পরিস্থিতিতে আপনি উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত? দৈনন্দিন জীবনে অধিক নির্ভরতা হলে, বাস্তব জীবনের সামাজিক যোগাযোগ এড়িয়ে চললে, এবং আবেগগতভাবে নির্ভরশীল হলে সতর্ক হওয়া উচিত।

এআই প্রযুক্তির ব্যবহার নিরাপদ থাকার জন্য সচেতনভাবে হতে হবে। এআই আসলেই একটি কার্যকর প্রযুক্তি, তবে ভারসাম্য বজায় রাখাটাই মূল বিষয়। সঠিক পরিষেবা পেতে সতর্ক ও সচেতন হতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুই হাত না থাকলেও পা দিয়ে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন কলি রানী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৫৭ এম


দুই হাত না থাকলেও পা দিয়ে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন কলি রানী

কলি রানী, যে কাউনিয়ার, পা দিয়ে লিখে এইচএসসি পরীক্ষা দিতে আসেন। ছবিতে দেখা যায় যে, তিনি অদম্য মনোবল ও ইচ্ছাশক্তি নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছেন। জন্মগতভাবে দুই হাতের আঙুল নেই এবং হাতও ছোট ও বাঁকা। তবে এই শারীরিক প্রতিবন্ধকতা তার স্বপ্নের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। কাউনিয়া কলেজের শিক্ষার্থী কলি রানী ডান পা দিয়ে লিখে এইচএসসি পরীক্ষায় যোগদান করছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার গদাই গ্রামের রুপালী রানীর কন্যা কলি রানী। শারীরিক প্রতিবন্ধী হলেও তিনি ছোটবেলা থেকেই লেখাপড়া চালিয়ে যাচ্ছেন। তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ার সময় তার বাবা মনোরঞ্জন রায় মারা যান। তিন ভাই ও তিন বোনের মধ্যে সে ছিল সবচেয়ে ছোট। পরিবার লেখা পড়ায় সহযোগিতা করে তাকে প্রতিকূলতা অতিক্রম করতে সাহায্য করেছে।

কলি রানী শুধু পড়াশোনার জন্যই নয়, গানে তার বিশেষ গুণ রয়েছে। তিনি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গান গেয়ে একাধিক সম্মাননা অর্জন করেছেন। সেইসাথে, পা দিয়ে কম্পিউটার ও মোবাইল ফোন চালাতেও তার দক্ষতা রয়েছে। ভবিষ্যতে বিসিএস ক্যাডার হিসেবে মানুষের সেবা করা তার স্বপ্ন।

পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষায় পা দিয়ে লিখে তিনি ‘এ’ গ্রেড পেয়েছিলেন। পরবর্তীতে এসএসসিতেও কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছেন। বর্তমানে তিনি এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছেন।

কলি রানীর ভাই মন্টু রাম রায় জানিয়ে বলেন, জন্ম থেকেই তার বোনের হাতে কলম ধরার নেই। তবে ইচ্ছাশক্তির জোরে তিনি ডান পা দিয়ে লেখা শিখেছেন। নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে এখন তিনি দ্রুত লিখতে পারেন। তিনি সমাজের বিত্তবান ও দয়ালু মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন যাতে তার বোন উচ্চশিক্ষা অর্জন করতে পারে।

কাউনিয়া মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও কেন্দ্র সচিব রফিকুল ইসলাম জানান, অন্যান্য পরীক্ষার্থীদের মতো কলি রানী পা দিয়ে উত্তরপত্র লিখছেন। শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ায় তাকে ৩০ মিনিট অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়েছে। তিনি কলির উচ্চশিক্ষা ও ভবিষ্যতের সফলতা কামনা করেন।

কাউনিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পাপিয়া সুলতানা বলেন, শারীরিক প্রতিবন্ধকতা কলি রানীর অগ্রযাত্রাকে থামাতে পারেনি। উপজেলা প্রশাসন সব সময় তার পাশে থাকবে। তারা চান যে সে উচ্চশিক্ষা অর্জন করে নিজের স্বপ্ন পূরণ করুক এবং সমাজের জন্য একটি দৃষ্টান্ত হয়ে উঠুক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শরীর সতেজ ও সুস্থ রাখতে নিয়মিত শসা খাওয়ার উপকারিতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০৫ এম


শরীর সতেজ ও সুস্থ রাখতে নিয়মিত শসা খাওয়ার উপকারিতা

 

তীব্র গরমের ফলে শরীরকে সুস্থ রাখতে এবং পানিশূন্যতা রোধের জন্য পুষ্টিবিদরা নিয়মিত শসা খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তারা বলেন, গ্রীষ্মকালীন ফল ও সবজির মধ্যে শসা অন্যতম সেরা খাদ্য। গরমের নানা শারীরিক অসুবিধা থেকে মুক্ত থাকতে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় শসা যুক্ত করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

পুষ্টিবিদদের মতে, শসার প্রায় ৯৫ শতাংশই পানি। এই কারণে এটি গ্রীষ্মকালে শরীরে পানির ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পর্যাপ্ত পানি এবং গুরুত্বপূর্ণ ইলেক্ট্রোলাইট সমৃদ্ধ এই সবজি হজম প্রক্রিয়া ভালো করার পাশাপাশি কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

শসায় উপস্থিত ফ্ল্যাভোনয়েড, ট্যানিন এবং পলিফেনলের মতো বহু জৈবিকভাবে সক্রিয় উপাদান রয়েছে, যেগুলোতে উচ্চ মাত্রার অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি গুণাবলী বিদ্যমান। এই উপাদানগুলো শরীরের ভেতরের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস এবং প্রদাহের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়ক, যা বিভিন্ন দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি কমায়।

শুধুমাত্র অভ্যন্তরীণ স্বাস্থ্য নয়, গরমের দিনে ত্বকের সুরক্ষায়ও শসা অপর্যাপ্ত। এতে থাকা পটাশিয়াম শরীরকে সতেজ রাখার পাশাপাশি ত্বকের স্বাস্থ্য উন্নত করতে সাহায্য করে। পুষ্টিবিদরা জানান, শসার শীতলকারী উপাদান ত্বকের রোদে পোড়া ভাব (সানবার্ন) এবং ফোলাভাব কমাতে সহায়ক। এর প্রদাহরোধী গুণ ত্বকের প্রচুর জ্বালাপোড়ার বিরুদ্ধে কাজ করে।

ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য শসাকে আদর্শ খাবার হিসাবে গণ্য করা হয়। কারণ এতে ক্যালোরির পরিমাণ খুবই কম। প্রতি ১০০ গ্রাম শসায় মাত্র ১৬ ক্যালরি বিদ্যমান। একই সাথে এতে থাকা আঁশ বা ফাইবার দীর্ঘ সময় পেট ভর্তি রাখার অনুভূতি সৃষ্টি করে এবং হজমে সহায়তা করে।

প্রাকৃতিক মূত্রবর্ধক গুণের জন্য শসা শরীর থেকে ক্ষতিকর বর্জ্য পদার্থ বের করতে সহায়তা করে, যা কিডনির কার্যকারিতাকে সক্রিয় রাখে। এছাড়াও শসায় বিদ্যমান ভিটামিন বি (বি১, বি৫ এবং বি৭), পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেশিয়াম সারাদিন শরীরকে ক্লান্তিমুক্ত রাখে এবং শক্তির জোগান দেয়।

মুখের স্বাস্থ্যের জন্যও শসা অত্যন্ত উপকারী। শসার টুকরো চিবিয়ে খেলে মুখে লালা উৎপাদন বাড়ে, যা দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া এবং খাদ্যকণা পরিষ্কার করতে সহায়তা করে।

সূত্র: সামা টিভি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোনালদোর নেতৃত্বে পর্তুগালের একাদশ ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০৯ এম


রোনালদোর নেতৃত্বে পর্তুগালের একাদশ ঘোষণা

পর্তুগালের একাদশ ঘোষণা করা হলো ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর নেতৃত্বে। আজ ভোরে কানাডার টরন্টোর বিএমও স্টেডিয়ামে ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে শেষ ষোলোর লড়াইয়ে মাঠে নামবে পর্তুগাল।

এই হাইভোল্টেজ ম্যাচে দল সাজানোর দায়িত্ব পালন করেছেন পর্তুগিজ কোচ রবার্তো মার্টিনেজ। মিডফিল্ডের দায়িত্ব সামলানোর জন্য রয়েছে ভিতিনিয়া-নেভেস জুটি।

পর্তুগালের একাদশের সদস্য হিসেবে আছেন: দিয়োগো কস্তা (গোলরক্ষক), জোয়াও কানসেলো, রুবেন দিয়াস, রেনাতো ভেইগা, নুনো মেন্দেস, জোয়াও নেভেস, ভিতিনিয়া, ব্রুনো ফার্নান্দেস, রাফায়েল লিয়াও, পেদ্রো নেতো, এবং ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%