ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পবিত্র হজ পালন শেষে ফিরলেন আরও ১,১০৯ হাজি


পবিত্র হজ পালন শেষে ফিরলেন আরও ১,১০৯ হাজি

হজ পালন সম্পন্ন হওয়ার পরে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছেন আরো ১১০৯ জন বাংলাদেশি। এ নিয়ে মোট ৬১ হাজার ৬৯৭ জন বাংলাদেশি হাজি ১৫৬টি ফ্লাইটে দেশে ফিরেছেন।

প্রত্যাবর্তনকারী হাজিদের মধ্যে ৪ হাজার ৩১৯ জন সরকারি ব্যবস্থাপনায় এবং ৫৭ হাজার ৩৭৮ জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন।

এদিকে, হজ পালনের সময় সৌদি আরবে পাড়ি দিয়ে হজ সম্পন্ন হওয়ার আগে এবং পরে ৫৪ জন বাংলাদেশি মারা গেছেন। তাদের মধ্যে ৩৬ জন পুরুষ এবং ১৮ জন নারী। মৃতদের মধ্যে মক্কায় ৩৭ জন, মদিনায় ১৬ জন এবং জেদ্দায় একজন মারা গেছেন।

আরও পড়ুন: এনসিপির কমিটিতে ৩০ বছরের নিচে কাউকে রাখা হবে না

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সর্বশেষ তথ্যে জানা গেছে যে, ২০ জুন (সৌদি সময়) পর্যন্ত দেশে ফিরতি হজযাত্রী পরিবহনে শীর্ষ স্থানে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।

এখন পর্যন্ত সংস্থাটি ২৭ হাজার ৩৬৩ জন হাজিকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে। এছাড়া, সৌদি এয়ারলাইনস ২১ হাজার ৬৫২ জন, ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ৮ হাজার ৬৭২ জন এবং অন্যান্য এয়ারলাইনসের মাধ্যমে ফিরেছেন ৪ হাজার ১০ জন হাজি।

এখন পর্যন্ত মোট ১৫৬ ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ৭৮টি, সৌদি এয়ারলাইনস ৫৬টি এবং ফ্লাইনাস ২২টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।

স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের আওতায় সৌদি আরবে বাংলাদেশি চিকিৎসাকেন্দ্রগুলো থেকে ৬৬ হাজার ২৪৯টি স্বয়ংক্রিয় চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া, আইটি হেল্পডেস্কের মাধ্যমে ২৮ হাজার ১৯৮টি সেবা দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: নাহিদ ইসলাম: দেশ মাফিয়া রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে

চলতি বছরে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয় ২৬ মে। বাংলাদেশ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজযাত্রী সৌদি আরব যান। ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয় ৩০ মে, এবং শেষ ফিরতি ফ্লাইট ৩০ জুনের মধ্যে সম্পন্ন হবে।

হজযাত্রীদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে ছেলের হত্যাকারীকে নিঃশর্ত ক্ষমা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩১ এম


মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে ছেলের হত্যাকারীকে নিঃশর্ত ক্ষমা

সন্তান হারানোর অসহনীয় বেদনা সত্ত্বেও সৌদি আরবের এক পিতা একটি বিরল নজির তৈরি করেছেন। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে, তিনি তার সন্তানের হত্যাকারীকে নিঃশর্তভাবে ক্ষমা করে দেন। এ ঘটনা মানবিকতার এক অনন্য উদাহরণ হিসেবে ব্যাপক প্রশংসা পাচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, নিহত যুবকের নাম বন্দর এবং অভিযুক্তের নাম ইয়াসের। আদালতের রায়ে ইয়াসেরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রস্তুতি চলছিল। তবে, রায় কার্যকর হওয়ার ১৫ ঘণ্টা আগে বন্দরের বাবা শেখ ইয়াহিয়া বিন কানস আল-বুশরি ঘোষণা করেন যে তিনি ঘাতককে কোনো শর্ত ছাড়াই ক্ষমা করছেন।

এক সময় আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হলেও বর্তমানে সাধারণ জীবনযাপন করেন শেখ ইয়াহিয়া। তবুও, তিনি হত্যাকারীকে ক্ষমা করার বিনিময়ে প্রস্তাবিত বিপুল অঙ্কের 'ব্লাড মানি' গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান। তার বক্তব্য ছিল, পার্থিব কোনো লাভের জন্য নয়, বরং মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের আশায় তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

ক্ষমার খবরটি নিজে পৌঁছে দিতে তিনি ইয়াসেরের মায়ের বাড়িতে যান। সেখানে একটি আবেগঘন মুহূর্ত ঘটে। ছেলের জীবন রক্ষা পাওয়ার সংবাদ শোনার পর ইয়াসেরের মা আবেগে আপ্লুত হয়ে শেখ ইয়াহিয়ার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে তার পায়ে চুমু খেতে উদ্যত হন। কিন্তু ইয়াহিয়া বিনয়ের সঙ্গে তাকে থামিয়ে দেন এবং ওই মায়ের কপালে স্নেহভরা চুম্বন এঁকে দিয়ে তাকে সান্ত্বনা দেন।

এ সময় ইয়াসেরের পরিবারের অন্য সদস্যরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। কান্নাজড়িত পরিবেশে শেখ ইয়াহিয়া তাদেরও বুকে টেনে নিয়ে সাহস জোগান। নিজের সন্তানের গভীর শোক বহন করেও অন্য একটি পরিবারকে নতুন জীবন ফিরিয়ে দেওয়ার এই ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। মানবতা, সহমর্মিতা ও ক্ষমাশীলতার এই বিরল দৃষ্টান্ত বিশ্বজুড়ে মানুষের হৃদয়কে স্পর্শ করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুইজারল্যান্ডে আলোচনায় বসছেন ট্রাম্পের দূত ও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩৪ এম


সুইজারল্যান্ডে আলোচনায় বসছেন ট্রাম্পের দূত ও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

লেবাননে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরপরই ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি স্থায়ী আঞ্চলিক চুক্তির প্রক্রিয়া জোরদার হয়েছে। আলোচনার লক্ষ্যে মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি উভয়েই সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।

শুক্রবার (১৯ জুন) সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস এই তথ্য জানিয়েছে।

চলতি সপ্তাহে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তি ও ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সংক্রান্ত বিরোধ মেটাতে ৬০ দিনের সময়সীমা রেখে ১৪ দফার একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছিল। তবে লেবাননে হঠাৎ উত্তেজনা বাড়ায় মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স সুইজারল্যান্ড যাওয়ার পরিকল্পনা বাতিল করেন। তবে শুক্রবার বিকেলে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ সুইজারল্যান্ডে ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে যোগ দিতে গেছেন। অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাকচি শনিবার (২০ জুন) সেখানে পৌঁছাবেন বলে কথা রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও কাতারের মধ্যস্থতায় এবং ইরানের সহায়তায় লেবানন সময় শুক্রবার বিকেল ৪টায় এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ ও হিজবুললা সূত্রগুলো বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে যুদ্ধবিরতি শুরুর আগে কয়েক ঘণ্টায় ইসরায়েলি হামলায় ৪৭ জন নিহত হন এবং ৪ ইসরায়েলি সেনা মারা যান।

যুদ্ধবিরতির প্রথম এক ঘণ্টায় কিছু বিচ্ছিন্ন হামলা হলেও পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে। এই যুদ্ধবিরতি টিকিয়ে রাখা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির অন্যতম প্রধান শর্ত।

এই সম্ভাব্য ব্যাপক চুক্তি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও তাদের মিত্রদের লেবাননসহ সব ফ্রন্টে স্থায়ীভাবে সামরিক অভিযান বন্ধ করতে হবে। তবে এই আলোচনায় অংশ না নেওয়া ইসরায়েল জানিয়েছে, তারা এই চুক্তির পক্ষ নয়। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, ইরানের ওপর থেকে মার্কিন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে।

ইরানের অবরুদ্ধ থাকা হাজার কোটি ডলারের সম্পদ অবমুক্ত করা হবে। ইরানের জন্য ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি পুনর্গঠন তহবিল ও আর্থিক প্রণোদনা থাকবে। বিনিময়ে ইরান হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল সরবরাহ স্বাভাবিক রাখবে।

শুধু তাই নয়, সামনে নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন থাকায় ওয়াশিংটনে এই চুক্তি নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প কিছু সমালোচনার মুখে পড়েছেন। বিরোধীদের দাবি, যুদ্ধ থামাতে ইরানকে অতিরিক্ত ছাড় দেওয়া হচ্ছে। তবে সব সমালোচনা উড়িয়ে দিয়ে ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন, 'যুদ্ধ ইরানকে দুর্বল করে দিয়েছে। আমরা মরিয়া হয়ে আলোচনায় বসিনি, ইরান হয়েছে। ওরা শেষ! আমরা ৬০ দিন ধরে পর্যবেক্ষণ করব। (শর্ত পূরণ না করলে) ওরা কোনো টাকা পাবে না, এক পয়সাও না!'

লেবাননের বর্তমান পরিস্থিতিকে স্বাভাবিক করতে আগামী ২৩ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত ওয়াশিংটনে ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে পরবর্তী দফার বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। লেবানন সরকার জানিয়েছে, একটি পূর্ণাঙ্গ ও স্থায়ী যুদ্ধবিরতিই হবে এই আলোচনার মূল ভিত্তি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বর্ণ-রুপার নতুন দাম, ২০ জুনের সর্বশেষ তালিকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৪৪ এম


স্বর্ণ-রুপার নতুন দাম, ২০ জুনের সর্বশেষ তালিকা

দেশের বাজারে সবশেষ সমন্বয়ে কমানো হয়েছে স্বর্ণ ও রুপার দাম। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আজ (শনিবার, ২০ জুন) মূল্যবান এই ধাতু দুটি বিক্রি হচ্ছে সবশেষ নির্ধারিত দামে।

সবশেষ গত ১৯ জুন সকালে স্বর্ণ ও রুপার দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সেদিন ভরিতে মূল্যবান এই ধাতু দুইটির দাম যথাক্রমে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা ও ১১৬ টাকা কমানো হয়েছে।

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ ও রুপার (পিওর গোল্ড ও সিলভার) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণ ও রুপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। সেদিন সকাল ১০টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।

 

 

নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়ছে দাম ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৮ হাজার ২৯২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৭ হাজার ৪৪০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৫৩ হাজার ১৪৮ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।

 

বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য। স্বর্ণালঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এছাড়া সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের আগের নিয়ম বহাল থাকবে। রুপার অলঙ্কারের ভ্যাটের বিষয়ে খুব শিগগিরই সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

 

এর আগে, সবশেষ গত বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন। সেদিন প্রতি ভরিতে মূল্যবান এই ধাতুটির দামে ২ হাজার ৫০৮ টাকা ভ্যাট যুক্ত করা হয়েছে। এতে দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা।

 

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২২ হাজার ৪৯১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯১ হাজার ৫৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৬ হাজার ৬৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকেই।

 

এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৭৭ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৩৯ দফা বাড়ানো হয়েছে, কমানো হয়েছে ৩৭ দফা ও ১ দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।

 

 

স্বর্ণের দাম কমানোর সঙ্গে দেশের বাজারে কমানো হয়েছে রুপার দামও। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ২৪৯ টাকা।

 

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ১৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ২৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ২০৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৪৭ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। যেখানে দাম ২৪ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে বাকি ২৩ দফা। আর ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম। যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার, আর কমেছিল মাত্র ৩ বার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাউখালীতে সামাজিক বনায়নের গাছ কেটে লোপাট, উঠল অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কাউখালী প্রতিনিধি

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৪৬ এম


কাউখালীতে সামাজিক বনায়নের গাছ কেটে লোপাট, উঠল অভিযোগ

পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার সয়না রঘুনাথপুর ইউনিয়নে সামাজিক বনায়নের লক্ষাধিক টাকার মূল্যবান গাছ কেটে লোপাটের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন যে, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী চক্র সামাজিক বনায়নের গাছ কেটে বিক্রি করে আসছে। এ ঘটনায় বন বিভাগের উদাসীনতায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বন বিভাগের সহযোগিতায় প্রায় ২৫ থেকে ৩০ বছর আগে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির আওতায় বেল, শিশু, আকাশমনি, মেহগনি, রেইন্ট্রি ও বাবলাসহ বিভিন্ন প্রজাতির মূল্যবান গাছ রোপণ করা হয়েছিল। বর্তমানে এসব গাছের অনেকগুলোই পরিপক্ক হয়ে উল্লেখযোগ্য অর্থমূল্যের সম্পদে পরিণত হয়েছে। এলাকার অভিযোগ হলো, দুই বছর আগে বন্যায় কিছু গাছ ক্ষতিগ্রস্ত হলে একটি চক্র সেগুলো কেটে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। সে সময় স্থানীয় সচেতন নাগরিক ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু সাঈদের প্রতিবাদের মুখে বন বিভাগ ও প্রশাসন কিছু গাছ উদ্ধার করে এবং পরে টেন্ডারের মাধ্যমে সেগুলো বিক্রি করা হয়। তবে এরপর থেকে বন বিভাগ সামাজিক বনায়নের গাছগুলোর তদারকিতে কার্যকর ভূমিকা রাখেনি। স্থানীয়দের দাবি, বেতকা থেকে উত্তর হোগলা পর্যন্ত এবং কালিগঙ্গা নদীর তীর থেকে উত্তর হোগলা নদীর পাড় পর্যন্ত রাস্তা ও নদীর তীরে থাকা শত শত মূল্যবান গাছ ধীরে ধীরে কেটে ফেলা হয়েছে। প্রতিনিয়ত এক-দুটি করে গাছ কেটে গোড়াসহ অপসারণ করায় বর্তমানে অনেক স্থানে গাছশূন্য হয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সামাজিক বনায়নের গাছগুলো এলাকাবাসীর সম্পদ। কিন্তু দিনে দিনে গাছ কেটে নিয়ে যাওয়া হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নিতে দেখা যাচ্ছে না। দ্রুত জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। এক সময় রাস্তার দুই পাশে ঘন সবুজ গাছ ছিল। কিন্তু এখন অধিকাংশ গাছই কেটে ফেলা হয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না। এ বিষয়ে কাউখালী রেঞ্জের বন বিভাগের অফিসার শফিউর রহমান বলেন, সামাজিক বনায়নের গাছ কাটার অভিযোগ আমরা পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। অবৈধভাবে গাছ কাটার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে বন আইনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি অবশিষ্ট গাছ সংরক্ষণে নজরদারি বাড়ানো হবে। কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, ঘটনাস্থলে তদন্তের জন্য পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিললে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%