শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:০২ এম
নিউইয়র্ক, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইন্টারন্যাশনাল পিস ইনস্টিটিউটের (আইপিআই) প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জায়েদ রা’য়াদ আল হুসেইনের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজ বৈঠক করেছেন।
আজ শুক্রবার স্থানীয় সময় বিকেলে নিউইয়র্কের হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রালে অনুষ্ঠিত এই বৈঠক সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব এ কে এম নাজমুল হক জানান।
তিনি উল্লেখ করেন, নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণের কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই বৈঠক আয়োজন করা হয়। বৈঠকে আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা, বহুপাক্ষিক সহযোগিতা এবং সমসাময়িক বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পারস্পরিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে শান্তি, সংলাপ ও সহযোগিতা জোরদারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।
এছাড়া জাতিসংঘকেন্দ্রিক বহুপাক্ষিক ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করার বিষয়েও মতবিনিময় হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বব্যাপী তুলনামূলকভাবে কম বয়সী মানুষের মধ্যে কোলন ক্যানসার শনাক্ত হওয়ার ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই রোগটি অনেক সময় শুরুতে নীরবভাবে অগ্রসর হয় এবং স্পষ্ট উপসর্গ দেখা দিতে সময় লাগে। তাই সূক্ষ্ম সতর্কসংকেতগুলো চিহ্নিত করা এবং দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি, প্রতিদিনের কিছু স্বাস্থ্যকর অভ্যাস কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে।
কফি পান করুন
কফিতে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রদাহরোধী উপাদান বিদ্যমান। এগুলো কোষের ক্ষতি ও প্রদাহ থেকে শরীরকে সুরক্ষিত রাখতে সহায়তা করতে পারে। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, কফি পানের সঙ্গে কোলোরেক্টাল ক্যানসারের ঝুঁকি কম থাকার সম্পর্ক রয়েছে। একই সঙ্গে, কফি পানের ফলে সব ধরনের মৃত্যুর ঝুঁকি কমানোর সম্পর্কও পাওয়া গেছে।
পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম গ্রহণ করুন
ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার অন্ত্রে থাকা ক্ষতিকর উপাদানের সঙ্গে যুক্ত হয়ে সেগুলোকে কোলনের অভ্যন্তরীণ আবরণে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলা থেকে রোধ করতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার কোলোরেক্টাল ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক। সাধারণ দই, দুধ বা অন্যান্য ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করা যেতে পারে।
প্রক্রিয়াজাত মাংস কম খান
প্রতিদিন প্রক্রিয়াজাত মাংস খেলে কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি বৃদ্ধি পেতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) প্রক্রিয়াজাত মাংসকে ‘গ্রুপ-১ কার্সিনোজেন’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করেছে। এর মানে হলো, এটি মানুষের ক্যানসারের কারণ হতে পারে—এমন যথেষ্ট প্রমাণ বিদ্যমান।
আঁশযুক্ত খাবার বেশি খান
আঁশসমৃদ্ধ খাবার হজম ও অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। এই খাবারগুলো নিয়মিত মলত্যাগে সহায়তা করে, রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে এবং কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে। খাবারে শিম, মসুর ডাল, পূর্ণ শস্য, ফল, শাকসবজি, বাদাম ও বীজ অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।
উপসর্গের অপেক্ষা না করে স্ক্রিনিং করুন
প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্য পরীক্ষা কোলনে অস্বাভাবিকতা প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করতে সাহায্য করে। ফলে সময়মতো চিকিৎসা নেওয়া সম্ভব হয় এবং রোগের অগ্রগতির ঝুঁকি কমানো যায়। বয়স বাড়ার সঙ্গে নিয়মিত পরীক্ষা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
চিকিৎসকরা বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ের কোলোরেক্টাল ক্যানসারে অনেক সময় স্পষ্ট কোনো সতর্কসংকেত থাকে না। গড় ঝুঁকির প্রাপ্তবয়স্কদের ৪৫ বছর বয়স থেকে স্ক্রিনিং শুরু করা উচিত। তবে পরিবারের কারও এ রোগের ইতিহাস বা অন্য কোনো ঝুঁকি থাকলে আরও কম বয়সে স্ক্রিনিং শুরু করার প্রয়োজন হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থীদের (প্রেমিক যুগল) হাতেনাতে ধরেছে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন স্থানীয়রা। প্রক্টরিয়াল বডির সিদ্ধান্তে আগামীকাল (২৬ সেপ্টেম্বর) বিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক সংলগ্ন একটি মেসের পাশে এই ঘটনা ঘটে। প্রেমিক যুগল শিক্ষার্থীরা হলেন- মার্কেটিং বিভাগের ২০২৩-২৪ বর্ষের ছাত্র এবং হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০২৪-২৫ বর্ষের ছাত্রী।
জানা গেছে, ওই মার্কেটিং বিভাগের ছাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী। ওই ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক সংলগ্ন মল্লিক মেসে থাকেন। রাত ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে আপত্তিকর অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে নিরাপত্তা কর্মীদের হাতে হস্তান্তর করেন। পরে প্রক্টর অফিসে আনা হলে স্বীকারোক্তি দিয়ে বিয়ের সম্মতি দেয় প্রেমিক যুগল। প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামানের সিদ্ধান্তে কাল (২৬ সেপ্টেম্বর) উভয় পক্ষের পিতামাতার উপস্থিতিতে বিয়ে পড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তারা কয়েকমাস ধরে নিয়মিত নির্জন জায়গায় বসে। তাদের গতিবিধি লক্ষ্য রেখে এবার হাতেনাতে ধরে তারা। পরে নিরাপত্তা কর্মীদের হাতে তুলে দেয়। তবে ওই সময় ছাত্রকে চড় থাপ্পড় মারছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের বিরুদ্ধে।
প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, দুই শিক্ষার্থকে প্রক্টর অফিসে এনে জিজ্ঞেসাবাদ করলে তারা স্বীকারোক্তি দেয়। পরে বিয়ের সম্মতি জানান তারা। বাবা-মাকে আহ্বান করবো। তারপর বিয়ে দিয়ে দিব। অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। এছাড়া মেয়েটি যে মেসে থাকে ওই মেস মালিককে তলব করবো, যেহেতু সাড়ে ৮টার মধ্যে মেসগুলো বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রথমবারের মতো বক্তব্য দিয়েছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে হিমালয় অঞ্চলের পরিবেশ কীভাবে অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে, তা নিয়ে বিশ্বনেতাদের সামনে কথা বলেন ৩৬ বছর বয়সি এই নেতা।
তবে বৃহস্পতিবার বক্তব্য দেওয়ার সময়ও তার চোখে ছিল পরিচিত কালো সানগ্লাস।
বালেন্দ্র শাহকে সাধারণত পুরো চোখ ঢেকে রাখা আয়তাকার ফ্রেমের কালো সানগ্লাস পরা অবস্থায় দেখা যায়। তার রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের সঙ্গেও সানগ্লাসটি এখন অনেকটা অবিচ্ছেদ্য হয়ে উঠেছে। জাতিসংঘের মঞ্চেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। এ সময় তার পরনে ছিল নেপালের ঐতিহ্যবাহী কালো টুপি ও কালো ব্লেজার।
কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কখন এবং কোথায় সানগ্লাস পরবেন, সে বিষয়ে বেশ সতর্ক শাহ। সংসদ অধিবেশন, সরকারি অনুষ্ঠান, সামরিক কুচকাওয়াজ এবং বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে ছবি তোলার সময় তিনি সানগ্লাস পরে থাকেন। তবে মন্ত্রিসভার বৈঠক, ব্যক্তিগত আলোচনা কিংবা যৌথ বৈঠকে তিনি সাধারণত সানগ্লাস পরেন না।
কেন সানগ্লাস খুলতে চান না শাহ?
র্যাপার থেকে রাজনীতিতে আসা শাহের এই সানগ্লাস তার পরিচয়ের অন্যতম অংশ হয়ে উঠেছে। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে বেশি যোগাযোগ করেন এবং সাধারণত সাক্ষাৎকার বা সংবাদ সম্মেলনে খুব কমই অংশ নেন। ফলে তার সানগ্লাস তার ব্যক্তিত্বে এক ধরনের রহস্যময়তাও যোগ করেছে।
নেপালের অনলাইন বিপণন প্রতিষ্ঠান দারাজে এখন ‘বালেন শাহ গ্লাস’ লিখে খুঁজলে তার সানগ্লাসের আদলে তৈরি বিভিন্ন ধরনের চশমাও পাওয়া যায়।
২০২২ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কাঠমান্ডুর মেয়র নির্বাচিত হয়ে দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোড়ন সৃষ্টি করেন শাহ। কালো পোশাক ও কালো সানগ্লাসের পরিচিত চেহারা তাকে প্রচলিত দলীয় রাজনীতির বাইরে থাকা একজন নতুন মুখ হিসেবে পরিচিত করে তোলে।
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে যুব নেতৃত্বাধীন আন্দোলনে কে.পি. শর্মা অলির সরকার পতনের পরও রাজনৈতিক প্রচারে নিজের এই পরিচিত চেহারা ধরে রাখেন তিনি। পরবর্তী মার্চের সংসদ নির্বাচনে তার নতুন দল রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি বড় জয় পায়। পূর্বাঞ্চলের একটি আসনে অলিকে পরাজিত করে নিজেও প্রধানমন্ত্রী হন বালেন্দ্র শাহ।
তবে তিনটি ঘটনায় জনসাধারণের সামনে সানগ্লাস খুলে বক্তব্য দিয়েছেন তিনি। জুলাইয়ে দক্ষিণ নেপালে হিন্দু-মুসলিম সংঘর্ষে প্রাণহানির পর জনগণের উদ্দেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি সানগ্লাস খুলেছিলেন। আগস্টে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনের সময়ও একই কাজ করেন। এর আগে একবার সমর্থকদের উদ্দেশে ‘আমি তোমাদের ভালোবাসি’ বলার সময়ও সানগ্লাস খুলেছিলেন তিনি।
আগস্টে সংসদে সানগ্লাস পরা নিয়ে নিষেধাজ্ঞার মুখেও পড়েছিলেন শাহ। সংসদের কার্যক্রমে কালো সানগ্লাস পরা নিষিদ্ধ করেছিলেন স্পিকার দোল প্রসাদ আরিয়াল। তবে পরে কাঠমান্ডু পোস্ট জানায়, শাহের কার্যালয় তার সানগ্লাস পরার পক্ষে অবস্থান নিয়ে বলেছিল, তীব্র আলো থেকে চোখ রক্ষায় চিকিৎসক তাকে সানগ্লাস পরার পরামর্শ দিয়েছেন।
সূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার (এফবিআই) প্রায় ৩৮ হাজার কর্মীর সংবেদনশীল তথ্য চুরির দাবি করেছে সাইবার অপরাধী গোষ্ঠী ‘শাইনি হান্টার্স’। দাবিটি সত্য কি না, তা তদন্ত করছে এফবিআই।
হ্যাকারদের দাবি, তারা এফবিআইয়ের সব এজেন্টের নাম, পদ, ব্যাজ নম্বর এবং ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করেছে। এসব তথ্যের মধ্যে বাড়ির ঠিকানা, ফোন নম্বর ও স্বামী বা স্ত্রীর তথ্যও রয়েছে বলে জানিয়েছে গোষ্ঠীটি।
যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি সেন্টারের সাবেক প্রধান অধ্যাপক সিয়ারান মার্টিন বলেন, দাবিটি সত্য প্রমাণিত হলে এটি তথ্য ফাঁসের ক্ষেত্রে যতটা গুরুতর হওয়া সম্ভব, ততটাই গুরুতর ঘটনা হবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে এফবিআই জানিয়েছে, তারা হ্যাকারদের দাবির বিষয়ে অবগত এবং বিষয়টি ‘সক্রিয়ভাবে ও কঠোরভাবে’ তদন্ত করছে।
হ্যাকারদের দাবি, সোমবার রাতে তারা এফবিআইয়ের সার্ভারে ঢুকে পড়ে। মঙ্গলবার থেকে তারা বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে চুরি করা তথ্যের নমুনা ও পর্দার ছবি পাঠাতে শুরু করে। এছাড়াও বিবিসি চুরি করা তথ্যের একটি ছোট অংশ দেখেছে, যা সত্যিকারের বলে মনে হয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, চুরি হওয়া কিছু তথ্যে এফবিআই কর্মকর্তাদের দায়িত্ব ও কর্মস্থল সম্পর্কিত তথ্য রয়েছে। এর মধ্যে চীনা গুপ্তচর, রুশ গোয়েন্দা সংস্থা ও মাদক চক্রের বিরুদ্ধে পরিচালিত সংবেদনশীল কর্মকাণ্ডের তথ্যও রয়েছে বলে জানা গেছে।
‘শাইনি হান্টার্স’ একটি আন্তর্জাতিক হ্যাকার গোষ্ঠী, যারা মূলত ফ্রান্স থেকে কার্যক্রম শুরু করেছিল বলে ধারণা করা হয়। এপ্রিল মাসে রকস্টার গেমস এবং মে মাসে শিক্ষাবিষয়ক প্ল্যাটফর্ম ক্যানভাসে বড় ধরনের সাইবার হামলার পেছনেও গোষ্ঠীটির নাম উঠে এসেছে।
গোষ্ঠীটির দাবি, এফবিআই ব্যবহৃত ওরাকল ক্লাউড স্টোরেজ ব্যবস্থার একটি দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে তারা একাধিক ব্যবস্থায় প্রবেশ করেছে। এসবের মধ্যে এফবিআইজবস, কর্মী ও চাকরিপ্রার্থীদের তথ্য যাচাইয়ের ব্যবস্থা এফবিআই বিস্ট, এজেন্টদের চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণকারী এফবিআই মেডলিংক এবং তদন্তসংক্রান্ত তথ্য রাখা এফবিআই বিকস রয়েছে।
তবে অর্থের জন্য এফবিআইয়ের ব্যবস্থা হ্যাক করা হয়নি বলে দাবি করেছে শাইনি হান্টার্স। বরং মে মাসে গোষ্ঠীটি সম্পর্কে এফবিআই প্রকাশিত একটি সতর্কবার্তা প্রত্যাহার বা সংশোধনের দাবি জানিয়েছে তারা।
এফবিআই ওই সতর্কবার্তায় শাইনি হান্টার্সকে ‘হুমকি সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেছিল, তারা প্রায়ই সংবেদনশীল বা ব্যক্তিগত তথ্যের মালিকানা দাবি করে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করে।
শাইনি হান্টার্স জানিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে দেওয়া ‘মিথ্যা অভিযোগ’ সংশোধন বা প্রত্যাহারের জন্য এফবিআইকে এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হবে। তা না হলে চুরি করা পুরো তথ্যভান্ডার প্রকাশ করা হবে।
এফবিআই বলেছে, তাদের নিজস্ব ব্যবস্থা নাকি কোনো তৃতীয় পক্ষের ব্যবস্থায় হামলা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ উইলিয়াম রাইট ঘটনাটিকে ‘প্রতিশোধমূলক হামলা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, এ হামলা দেখিয়েছে যে গোষ্ঠীটির হাত থেকে কোনো প্রতিষ্ঠানই পুরোপুরি নিরাপদ নয়।
এদিকে সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান হান্ট্রেসের অ্যান্ড্রু ব্র্যান্ডট বলেন, এমন হুমকি এফবিআইকে হ্যাকারদের শনাক্ত ও বিচারের আওতায় আনার জন্য আরও সক্রিয় করে তুলতে পারে।
সূত্র: বিবিসি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ