বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৪:৫১ পি.এম
ভারতের শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলছে, যার ফলে ৩০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
অনলাইন ডেস্ক থেকে খবর দেওয়া হয়েছে যে, ১৩ আগস্ট, ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত ছবির মাধ্যমে জানা যায়, প্রশ্নপত্র ফাঁসসহ ভারতের সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে ঝাড়খণ্ড বিধানসভা অভিমুখে শিক্ষার্থীদের করা মিছিলকে কেন্দ্র করে ভারতীয় পুলিশ এই মামলা দায়ের করেছে।
রাঁচির পুলিশ সুপার পরশ রানা জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞামূলক আদেশ অমান্য করার পাশাপাশি সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর এবং পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার অভিযোগে এসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে তিনি আরও বলেন, ১০ আগস্ট বিধানসভা অভিমুখে শান্তিপূর্ণ মিছিল ব্যাহত করার অভিযোগে বিধানসভা থানায় ৩০০ অজ্ঞাত দুষ্কৃতকারীর বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছে।
এ বিষয়ে হাটিয়া মহকুমা পুলিশ কর্মকর্তা (এসডিপিও) নীরজ কুমার জানিয়েছেন, ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণের মাধ্যমে অভিযুক্তদের শনাক্তের কাজ চলছে। এই মিছিলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে ভিডিও ফুটেজ ব্যবহার করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, গত সোমবার ঝাড়খণ্ড রাজ্যের রাজধানী রাঁচিতে বিধানসভা অভিমুখে মিছিলে অংশগ্রহণকারী ছাত্র বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন।
পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিপেটার পাশাপাশি জলকামান ব্যবহার করে।
তাদের কান্নার মধ্যে অভিযোগ করা হয়েছে, বিভিন্ন সরকারি নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসসহ নানা অনিয়মের কারণে নিজেদের কর্মজীবন অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। তারা বিধানসভা ঘেরাওয়ের কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুরে সাগরিকা এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে এক মাদরাসাছাত্রী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে চাঁদপুর শহরের ছায়াবাণী রেলক্রসিংয়ের পূর্ব পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, চট্টগ্রামগামী সাগরিকা এক্সপ্রেস ট্রেনটি চাঁদপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে ছেড়ে যাওয়ার পর ছায়াবাণী রেলক্রসিং পার হয়ে কিছুটা পূর্বে পৌঁছালে প্রকাশিত ওই শিক্ষার্থী ট্রেনের নিচে কাটা পড়েন। দুর্ঘটনার ফলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে জড়ো হন। পরে নিহতের কাছে থাকা চাঁদপুর বিষ্ণুদী মডেল সিনিয়র মাদরাসার একটি পরিচয়পত্রের মাধ্যমে তার পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
পরিচয়পত্রের তথ্য অনুযায়ী, নিহত ছাত্রীর নাম তায়েবা আক্তার। তিনি নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী (রোল: ৫৬)। তার বাবার নাম তাজুল ইসলাম এবং মায়ের নাম আমেনা বেগম। পরিচয়পত্রে রক্তের গ্রুপ 'O+' (ও পজিটিভ), জন্মতারিখ ২৪ জুলাই ২০১২ এবং একটি মোবাইল নম্বর উল্লেখ রয়েছে। তবে দুর্ঘটনার সময় কেন তিনি রেললাইনের ওপর ছিলেন এবং কীভাবে ট্রেনের নিচে কাটা পড়েছেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে রেলওয়ে পুলিশ জানিয়েছে, নিহতের সঠিক পরিচয় নিশ্চিত করে স্বজনদের খবর দেওয়ার চেষ্টা চলছে। সেই সঙ্গে দুর্ঘটনার বিস্তারিত কারণ উদঘাটনে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেছেন, ‘দীর্ঘ ২০ বছর বর্তমান সরকার ক্ষমতায় ছিল না। গণমাধ্যমের স্বাধীনতার অভাবে পর্যটন খাতে অনগ্রসরতার কথা জাতি জানতেও পারেনি।’ তিনি উল্লেখ করেন যে বর্তমান সরকার কথা নয় কাজে বিশ্বাসী। তাঁরা তাঁদের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন। এই প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশকে ট্যুরিজম হাবে রূপান্তরে পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকায় পর্যটন ভবনে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের আয়োজনে ব্যাক ওয়াটার ট্যুরিজম উন্নয়ন বিষয়ক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়হীনতা দূর করার জন্য কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করার উদ্যোগ নিয়েছি। আমরা জাতীয় পর্যটন নীতিমালা, ২০২৬ প্রণয়ন করছি। পর্যটন স্পট উন্নয়নে বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নেব এবং তা বাস্তবায়ন করব। তবে পর্যটন খাতের অগ্রগতিতে বেসরকারি অংশীজনকেই এগিয়ে আসতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘জাতীয় পর্যটন কাউন্সিলের সভা প্রতি ছয় মাস অন্তর করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আমরা অনুরোধ জানাব।’ তিনি সকলকে জানিয়ে দেন, ‘আপনার জন্য পর্যটন খাতে বেসরকারি বিনিয়োগ বান্ধব নীতিমালা তৈরি করব।’ এছাড়াও, তিনি জানান, ‘বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড এবং বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট পুলিশের জনবল বৃদ্ধি করা হবে।’ সর্বশেষ, তিনি উল্লেখ করেন যে ‘সকলের সহযোগিতায় দেশীয় জিডিপিতে বাংলাদেশের পর্যটন খাতের অবদান ১০ শতাংশ পর্যন্ত অদূর ভবিষ্যতে পৌঁছবে বলে আশা রাখি।’
গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন সচিব ফাহমিদা আখতার। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো সামীমুজ্জামান। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো আব্দুর রউফ। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো আনোয়ার হোসেন ভুঁইয়া।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় উপজেলা মাসিক আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হাসিবুল হাসানের সভাপতিত্বে সভায় উপজেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। এ সময় সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধ, মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
সভায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) উজ্জ্বল হালদার, ভাণ্ডারিয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ কৃষিবিদ প্রফেসর আমানুল্লাহ খান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ইব্রাহিম মোল্লা, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সুদেব সরকার, ভাণ্ডারিয়া থানার ওসি (তদন্ত) রত্নেশ্বর কুমার মন্ডল, কৃষি কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম ও সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মতিউর রহমান বক্তব্য দেন।
এছাড়া আমানুল্লাহ মহাবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সালমা আক্তার, মাজিদা বেগম মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এনায়েত হোসেন খোকন, শাহাবুদ্দিন সিনিয়র কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আব্দুর রহিম, ভাণ্ডারিয়া বন্দর বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু নাসের, ভাণ্ডারিয়া বিহারীলাল মিত্র পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মনিরুজ্জামান, ভাণ্ডারিয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি শফিকুল ইসলাম মিলন, সাংবাদিক শঙ্কর জিৎ সমাদ্দার এবং গৌরীপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান বক্তব্য দেন।
সভায় মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদার, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, শিক্ষার মানোন্নয়ন ও মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিতকরণসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বক্তারা বলেন, উপজেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও সামাজিক অপরাধ নিয়ন্ত্রণে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
মোঃ তরিকুল ইসলাম
ভাণ্ডারিয়া, পিরোজপুর।
০১৭১০০২০৩৮২
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলার পরে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় রাশিয়ার ওরস্ক শহরের একটি প্রধান তেল শোধনাগারটি পুরোপুরি বন্ধ করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। গত দুদিনের আগের হামলায় শোধনাগারটির এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা বিদেশী যন্ত্রাংশ এবং পশ্চিমাদের নিষেধাজ্ঞার কারণে তাৎক্ষণিকভাবে মেরামত করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে এটি ফিরিয়ে আনার জন্য অন্তত ছয় মাস সময় লাগতে পারে, এ ব্যাপারে সতর্ক করেছেন স্থানীয় আঞ্চলিক গভর্নর। এই অবস্থার সরাসরি প্রভাবে ওরেনবার্গ অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে দেখা দিয়েছে তীব্র জ্বালানিসংকট, যা যানবাহনচালকদের জন্য সীমাহীন ভোগান্তির আশঙ্কা তৈরি করেছে।
ওরেনবার্গ অঞ্চলের গভর্নর ইয়েভগেনি সোলন্তসেভ তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বার্তায় জানান, ইউক্রেনীয় হামলায় দ্রুততার সাথে ধেয়ে আসা স্প্লিন্টারের আঘাতের ফলে শোধনাগারটির কিছু মূল অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা এখন মেরামত করা সম্ভব নয়। ব্যবহৃত সরঞ্জামগুলো বিদেশ থেকে আমদানি করা এবং আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে এগুলোর মেরামত কাজ সম্পন্ন করতে সর্বোচ্চ ছয় মাস সময় লাগতে পারে। বর্তমান অবস্থা অনুযায়ী প্ল্যান্টটি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রয়েছে।
গভর্নর আরও বলেন, আমরা সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি এবং এই পরিস্থিতিতে আমাদের অঞ্চলের বাইরের উৎস থেকে জ্বালানি সরবরাহের ওপর সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করতে হবে।
ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনী নিশ্চিত করেছে যে, গত মঙ্গলবার তারা মস্কো থেকে ১,৪৭০ কিলোমিটার (৯১৫ মাইল) দক্ষিণ-পূর্বে কাজাখস্তান সীমান্তের কাছে এই ওরস্ক শোধনাগারে সফল আক্রমণ চালিয়েছে, যার ফলে সেখানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়েছে। বার্ষিক ৬০ লাখ মেট্রিক টন অপরিশোধিত তেল প্রক্রিয়াজাতকরণ ক্ষমতাসম্পন্ন এই বিশালাকার কারখানাটিতে মোটর পেট্রল, ডিজেল, অ্যাভিয়েশন ফুয়েল (উড়োজাহাজের জ্বালানি), ফুয়েল অয়েল, বিটুমিনসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পেট্রোলিয়াম পণ্য উৎপাদন করা হতো। ২০২২ সালে রাশিয়া কর্তৃক শুরু করা পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের আর্থিক এবং কৌশলগত মূল্য বৃদ্ধি করার কৌশল হিসেবে চলতি বছরে ইউক্রেন রাশিয়ার বিভিন্ন তেল শোধনাগারকে লক্ষ্য করে হামলা জোরদার করেছে, যা রাশিয়াজুড়ে ব্যাপক জ্বালানিসংকট সৃষ্টি করছে।
এই পরিস্থিতি সামাল দিতে স্থানীয় প্রশাসন ইতোমধ্যে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। গভর্নর সোলন্তসেভ জানান, বর্তমানে অঞ্চলটির ২৮৭টি ফিলিং স্টেশনের মধ্যে ৮০ শতাংশ চালু আছে এবং অ্যাম্বুলেন্স, পুলিশ ও অন্যান্য জরুরি সেবায় নিয়োজিত বিশেষ যানবাহনকে জ্বালানি প্রাপ্তিতে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। পাম্পগুলোর কাছে চালকদের অতিরিক্ত ভিড় এবং ট্রাফিক শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে পুলিশ এবং স্বেচ্ছাসেবী নিয়োজিত করা হয়েছে। পরিস্থিতি সব স্থানে সহজ নয় বলে স্বীকার করলেও এটি এখনও নিয়ন্ত্রণের মধ্যে বলছেন গভর্নর সোলন্তসেভ, তিনি অঞ্চলের প্রতিটি চালককে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছেন।
সূত্র: রয়টার্স
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ