বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:৫৮ এম
দেশের প্রতিটি জেলায় কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি) গঠনের নির্দেশনা প্রদান করেছে পুলিশ সদর দপ্তর। এই নির্দেশনা আকস্মিক আইনশৃঙ্খলার অবনতি এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত সাড়া দেওয়ার জন্য জারি করা হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) পুলিশ সদর দপ্তরের অপারেশন শাখা থেকে এ বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
অতিরিক্ত ডিআইজি (অপারেশন) শাহজাদা মো. আসাদুজ্জামান স্বাক্ষরিত একটি চিঠি দেশের সব জেলার পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট ইউনিটে পাঠানো হয়েছে। জেলা পুলিশের তত্ত্বাবধানে বিভিন্ন বিশেষায়িত পুলিশ ইউনিটের সদস্যদের সমন্বয়ে কিউআরটি গঠন করতে বলা হয়েছে।
নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, আকস্মিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উদ্ভব হলে তা মোকাবিলা করার জন্য এবং সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে দ্রুত সাড়া দেওয়ার লক্ষ্যে প্রতিটি জেলায় কিউআরটি গঠন করা আবশ্যক। এই টিমে জেলা পুলিশের পাশাপাশি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), নৌ পুলিশ, রেলওয়ে পুলিশ, টুরিস্ট পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন), শিল্প পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশের সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে আরও জানানো হয়েছে, কিউআরটি সদস্যদের অংশগ্রহণে নিয়মিতভাবে মাদক ও অপরাধপ্রবণ এলাকায় সমন্বিত অভিযান ও মহড়ার আয়োজন করতে হবে। এর ফলে জরুরি পরিস্থিতিতে বিভিন্ন ইউনিটের সদস্যদের সমন্বিতভাবে দ্রুত অভিযান পরিচালনার সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি, এসব অভিযানে অংশ নেওয়া কর্মকর্তা ও ফোর্সের পরিসংখ্যান এবং উদ্ধার ও আটকের তথ্য জরুরি ভিত্তিতে পুলিশ সদর দপ্তরের সংশ্লিষ্ট শাখায় পাঠাতে হবে।
চিঠির কার্যার্থে সব জেলার পুলিশ সুপারকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। এ ছাড়া এপিবিএন, শিল্প পুলিশ, পিবিআই, হাইওয়ে পুলিশ, টুরিস্ট পুলিশ, রেলওয়ে পুলিশ, নৌ পুলিশসহ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট ও সংশ্লিষ্ট রেঞ্জের কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানানো হয়েছে। সব মিলিয়ে জেলা পর্যায়ে বিচ্ছিন্নভাবে থাকা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটকে একত্রিত করে জরুরি মুহূর্তে দ্রুত মাঠে নামানোর জন্য একটি কাঠামো তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হবিগঞ্জ-সিলেট রুটে বাস চলাচল নিয়ে হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারের মালিক-শ্রমিকদের মধ্যে বিরোধের ফলস্বরূপ অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকাল থেকে হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলা সহ জেলার সকল অভ্যন্তরীণ রুট এবং দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
হবিগঞ্জ মটর মালিক গ্রুপের আহ্বানে এ ধর্মঘটে জেলার বিভিন্ন যানবাহন মালিক-শ্রমিক সমিতি ও নেতারা একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। বুধবার মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে হবিগঞ্জের তিনটি বাস আটকে রাখার প্রতিবাদে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
হবিগঞ্জ মটর মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক আবু মঈন চৌধুরী সোহেল জানান, দীর্ঘদিন ধরে হবিগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল-মৌলভীবাজার-শেরপুর-সিলেট রুটে বাস চলাচল নিয়ে দুই জেলার মালিক-শ্রমিকদের মধ্যে বিরোধ চলমান রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হলেও পরবর্তীতে আবারও বাস আটকের ঘটনা ঘটছে।
তিনি জানান, ১২ জুন সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, হবিগঞ্জ-সিলেট ভায়া মৌলভীবাজার রুটে আগের মতো বাস চলাচল করবে। তবে শ্রীমঙ্গলে হবিগঞ্জের বাস কোনো স্টপেজ দিতে পারবে না। ওই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাস চলাচল করছিল।
এরপর ১১ সেপ্টেম্বর মৌলভীবাজারের এসএমএস মালিক-শ্রমিকরা হবিগঞ্জের ২২টি বাস আটকে রাখার দাবি করেন। পরে ২০ সেপ্টেম্বর ঢাকায় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৈঠকে ১২ জুনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাস চলাচলের বিষয়ে সমঝোতা হয়। বৈঠকের পর আটক বাসগুলো ছেড়ে দেওয়া হয়।
আবু মঈন চৌধুরী বলেন, ২৪ সেপ্টেম্বর সকালে হবিগঞ্জ-সিলেট ভায়া মৌলভীবাজার রুটে বাস চলাচল শুরু হলে মৌলভীবাজারের এসএমএস কর্তৃপক্ষ হবিগঞ্জের তিনটি বাস আটকে রাখে। বাসগুলো এখনও ছাড়া হয়নি। এই অবস্থায় বাধ্য হয়ে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, পূর্বের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হবিগঞ্জের বাসগুলো নির্বিঘ্নে চলাচল করাই তাদের দাবি। সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত ধর্মঘট চলবে।
এদিকে ধর্মঘটের কারণে সকাল থেকেই বাহুবলসহ হবিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ সড়কে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। পাশাপাশি দূরপাল্লার গণপরিবহনও বন্ধ থাকায় অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার যাত্রীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। হঠাৎ করে বাস চলাচল বন্ধ হওয়ায় সাধারণ মানুষকে বিকল্প যানবাহনের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জলবায়ু পরিবর্তন এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন শহরে বায়ুদূষণের মাত্রা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে, ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা ১৭৭ স্কোর নিয়ে তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছে।
এই বাতাসের মানকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অপরদিকে, বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা ১৭৪ স্কোর নিয়ে তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে। ঢাকার বাতাসের মানও নাগরিকদের জন্য ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসাবে বিবেচিত হয়।
সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক অনুযায়ী, দূষিত শহরের তালিকায় ১৭৭ স্কোর নিয়ে শীর্ষে রয়েছে জাকার্তা। দ্বিতীয় স্থানে পাকিস্তানের লাহোর ১৭৬ স্কোর নিয়ে রয়েছে। তৃতীয় অবস্থানে বাংলাদেশের ঢাকা ১৭৪ স্কোর নিয়ে এবং চতুর্থ স্থানে ভারতের দিল্লি ১৬৭ স্কোর নিয়ে রয়েছে। কলকাতা, ভারতের আরেকটি শহর, ১৬১ স্কোর নিয়ে পঞ্চম স্থানে রয়েছে।
আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ‘অনেক ভালো’ হিসেবে গণ্য হয়। ৫১ থেকে ১০০ স্কোর হলে বায়ুর মান ‘মাঝারি বা সহনীয়’ বলে ধরা হয়। ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। ১৫১ থেকে ২০০ স্কোর ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে তা ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ৩০১-এর বেশি স্কোর ‘দুর্যোগপূর্ণ’ হিসেবে গণ্য করা হয়।
বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের পাঁচটি বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে। সেগুলো হলো, বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ এবং ওজোন (ও৩)।
২০১৯ সালের মার্চ মাসে পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকার বায়ুদূষণের তিনটি প্রধান উৎস হচ্ছে, ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া এবং নির্মাণ সাইটের ধুলা।
ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, বায়ুদূষণের কারণে স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যান্সার এবং তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের কারণে মৃত্যুহার বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষ মারা যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের কাউখালীতে জমজমাট আয়োজনের মধ্য দিয়ে ‘আব্দুল হাদী রতন স্মৃতি ফুটবল একাডেমি’ আয়োজিত ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই সঙ্গে উপজেলার ৩৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠনের মাঝে নানা ধরনের ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কাউখালী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রগতি স্পোর্টিং ক্লাবকে ১-০ গোলে হারিয়ে এসএসসি ব্যাচ-২০২২ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
ফাইনাল খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও পিরোজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আহম্মেদ সোহেল মনজুর।
পুরস্কার বিতরণকালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তরুণদের মাদক ও নেতিবাচক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রেখে একটি সুস্থ, সুন্দর ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। তিনি যুবসমাজকে খেলাধুলায় উৎসাহিত করতে ভবিষ্যতে নিয়মিতভাবে এ ধরনের টুর্নামেন্ট আয়োজনের আশ্বাস দেন।
আব্দুল হাদী রতন স্মৃতি একাডেমির সভাপতি লিয়াকত হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, কাউখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম আহসান কবির, সাধারণ সম্পাদক এইচ এম দ্বীন মোহাম্মদ এবং কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আনোয়ার হোসেন। ফাইনাল খেলাটি যৌথভাবে পরিচালনা করেন কাউখালী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম রফিক ও দীপক দাস।
এর আগে কাউখালী উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলার ৩৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠনের মাঝে ফুটবল, ভলিবল, ব্যাডমিন্টন সেট, দাবা ও হ্যান্ডবলসহ বিভিন্ন ধরনের ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রেহেনা আক্তারের সভাপতিত্বে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, প্রতিমন্ত্রী আহম্মেদ সোহেল মনজুর এমপি।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, “তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় তুলে আনতে এবং শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার সরঞ্জাম সরবরাহ একটি সময়োপযোগী পদক্ষেপ।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, কাউখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম আহসান কবির, সাধারণ সম্পাদক এইচ এম দ্বীন মোহাম্মদ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল হান্নান, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব রফিকুল ইসলামসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যশোর সেনানিবাসের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীদের মাঝে আগামী এক বছরে ১১ হাজার শিমুল ও মসলিন তুলার চারা বিতরণ করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে তুলা উন্নয়ন বোর্ড। এর মধ্যে ১০ হাজার শিমুলের চারা এবং এক হাজার মসলিন তুলার চারা অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) যশোর সেনানিবাসের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সঙ্গে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে উপস্থিত ছিলেন তুলা উন্নয়ন বোর্ড যশোরের কর্মকর্তারা।
সভা শেষে, প্রধান তুলা উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত ‘পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে যশোর সেনানিবাসের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ও শিক্ষার্থীদের মাঝে শিমুল ও মসলিন তুলার চারা বিতরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যশোর সেনানিবাসের আর্মি মেডিকেল কলেজের সিইও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) সালাহউদ্দিন আহমেদ।
এছাড়া, সেনানিবাসের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রয়াস-এর প্রিন্সিপাল লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আলী, আর্মি মেডিকেল কলেজের ডিডি (এডমিন) মেজর (অব.) মোসলেম উদ্দিন সিকদার, প্রধান তুলা উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান, যশোরে জগদীশপুর তুলা খামারের কটন এগ্রোনমিস্ট ড. মো. জোবায়ের ইসলাম তালুকদারসহ সেনানিবাসের অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা সভায় অংশগ্রহণ করেন।
আলোচনা সভার পর যশোর আর্মি মেডিকেল কলেজের জন্য তুলা উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে শিমুল ও মসলিন তুলার চারা বিতরণ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ