শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:৫৫ এম
সুদিন ফিরে এসেছে। বাংলাদেশ জয়ের পথে ফিরে এসেছে। এশিয়ান গেমসের হকিতে টানা দুই হারের পর এবার তারা টানা দ্বিতীয় জয় অর্জন করেছে। আজ ইন্দোনেশিয়াকে ৩-১ ব্যবধানে পরাজিত করেছে আমিরুল ইসলামদের দল।
জাপানের কাওয়াসাকি জুকো স্টেডিয়ামে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ শুরু থেকেই দাপট প্রদর্শন করে। তবে প্রথম গোলের দেখা পায় স্বাগতিকরা। ষষ্ঠ মিনিটে ফাতুর মোহাম্মদ দলের জন্য লিড এনে দেন।
বাংলাদেশ সমতায় ফিরতে খুব বেশি সময় নেয়নি। বিরতির ৪ মিনিট আগে আমিরুল দলের জন্য সমতার গোলটি করেন। ১১ মিনিটে তিনি পেনাল্টি কর্নার থেকে গোলটি করেন। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে কোন দলই গোলের দেখা পায়নি।
তৃতীয় কোয়ার্টারে বাংলাদেশ শুধু আধিপত্যই দেখায়নি, বরং দ্বিগুণ গোলের দেখা পেয়েছে। ৩১ মিনিটে আমিরুল নিজের ও দলের দ্বিতীয় গোল করেন। এবারের গোলটি পেনাল্টি কর্নার থেকে আসে। ৬ মিনিট পর অভিজ্ঞ রাসেল মাহমুদ জিমি ব্যবধান ৩-০ করেন।
চতুর্থ কোয়ার্টারে কোন গোল না হলে বাংলাদেশ ৩-১ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে। এই জয়ের ফলে ৪ ম্যাচ শেষে বাংলাদেশের পয়েন্ট দাঁড়িয়েছে ৬। শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ভারত। ৩ ম্যাচ শেষে ৯ পয়েন্ট নিয়ে তারা পুল ‘এ’-তে শীর্ষে অবস্থান করছে। ম্যাচটি আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন মন্তব্য করেছেন, টিকা সংগ্রহের প্রক্রিয়ায় পূর্ববর্তী সরকার ওপেন টেন্ডার ব্যবস্থায় যাওয়ার চেষ্টা করেছিল, যা সরাসরি কেনাকাটার পরিবর্তে ছিল। বিদেশি সংস্থাগুলো একাধিকবার এ বিষয়ে অনুরোধ জানালেও তা উপেক্ষিত হয়েছে, ফলে সময়ের অপচয় ঘটেছে। এর ফলে চার বছরের যে ঘাটতি সৃষ্টি হয়েছে, তার খেসারত বর্তমান সরকারকে দিতে হয়েছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দেশে বিশেষ হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, সংক্রামক রোগের বিরুদ্ধে একটি সরকারকে সব সময় সতর্ক থাকতে হয়। ২০২০ সালের ২০ ডিসেম্বরের পর প্রতি চার বছরে একবার এসব মহামারির বিরুদ্ধে টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনার দায়িত্ব সরকারের ছিল। কিন্তু ২০২০ সালের পর থেকে ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত টিকাদান কর্মসূচি বন্ধ ছিল।
তিনি জানান, টিকা সংগ্রহের ক্ষেত্রে ইউনিসেফের ডেলিগেটেড পদ্ধতির পরিবর্তে আগের সরকার ওপেন টেন্ডার ব্যবস্থায় যেতে চেয়েছিল। বিদেশি সংস্থাগুলো এ বিষয়ে একাধিকবার অনুরোধ করলেও তা শোনা হয়নি, ফলে সময়ক্ষেপণ হয়েছে। এর ফলে চার বছরের যে ঘাটতি তৈরি হয়েছে, তার খেসারত বর্তমান সরকারকে দিতে হয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এই পরিস্থিতির কারণে দেশের অনেক মাকে কষ্ট পেতে হয়েছে এবং অনেক মায়ের বুক খালি হয়েছে। এর ফলে ১ কোটি ৮৫ লাখ ৮৩৩ জন রোগীর মধ্যে প্রায় এক হাজার শিশু মারা গেছে।
একটি শিশুর মৃত্যু অত্যন্ত দুঃখজনক উল্লেখ করে তিনি বলেন, একটি মায়ের বুক খালি হয়ে যাওয়া তার জন্যও অত্যন্ত কষ্টের।
তিনি জানান, দায়িত্ব গ্রহণের পর ৫ এপ্রিল থেকে টিকাদান কর্মসূচি শুরু করা হয়। প্রথম পর্যায়ে ইউনিসেফের নির্ধারিত তিনটি পর্যায়ে ১৮টি জেলায় কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। পরবর্তী পর্যায়ে ঢাকা এবং আরও দুটি বড় সিটি করপোরেশনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ৪ মে থেকে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও কর্মসূচি এগিয়ে এনে ২০ এপ্রিল থেকে সারা দেশে টিকাদান কর্মসূচি চালু করা হয়। এ কর্মসূচিতে ১ কোটি ৮৫ লাখ ৮৩৩ শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, টিকাদান কর্মসূচির পাশাপাশি হাম আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে পুষ্টির ঘাটতিও দেখা গেছে। চিকিৎসকদের মতে, হাম আক্রান্ত শিশুদের মৃত্যুর অন্যতম কারণ নিউমোনিয়া এবং এর সঙ্গে অপুষ্টি। অনেক শিশুর শরীরে পর্যাপ্ত পুষ্টি না থাকায় হাম হলে দ্রুত নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে এবং গুরুতর অবস্থায় তাদের ফুসফুসে অক্সিজেন প্রবেশে সমস্যা হচ্ছে।
এ পরিস্থিতিতে আইসিডিডিআরবির চিকিৎসক চিশতি মাত্র ১৫০ টাকা খরচে একটি বোতলভিত্তিক সিপ্যাপ-ব্যবস্থা উদ্ভাবন করেছেন বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, যেসব শিশু স্বাভাবিকভাবে অক্সিজেন নিতে পারছিল না, তাদের ক্ষেত্রে এই পদ্ধতির মাধ্যমে অক্সিজেন সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এতে অনেক শিশুকে রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ভিটামিন এ ক্যাপসুল কর্মসূচিতে ২ কোটি ২৫ লাখ শিশুকে অন্তর্ভুক্ত করা হলেও হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচিতে ১ কোটি ৮৫ লাখ শিশু টিকা পেয়েছিল। দুই কর্মসূচির মধ্যে প্রায় ৪০ লাখ শিশুর ব্যবধান কেন, এ বিষয়টি বিবেচনা করে নতুন করে শিশুদের খুঁজে বের করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আগের ক্যাম্পেইন বন্ধ হওয়ার পরের দিন থেকে ঈদুল আজহার পরের দিন পর্যন্ত আরও প্রায় ১৪ লাখ শিশুকে খুঁজে টিকা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
তবে হাম পুরোপুরি বন্ধ না হওয়ায় নতুন করে টিকাদান কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ইউনিসেফ ১০ দিনের মধ্যে আরো ৪০ লাখ ডোজ টিকা দিয়েছে। আগের কিছু মজুদের সঙ্গে নতুন টিকা মিলিয়ে এবার ৩৪ লাখ শিশুকে লক্ষ্য করে ক্যাচআপ কর্মসূচি শুরু করা হয়েছে। এর মধ্যে ১০ লাখ নতুন জন্ম নেওয়া শিশু এবং বাকি ২৪ লাখ আগে বাদ পড়া শিশু রয়েছে।
তিনি বলেন, আজ থেকে সারা দেশের প্রত্যেক ইউনিয়নে ক্যাম্প এবং প্রত্যেক উপজেলায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, সিভিল সার্জন, ইউএনও এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের সমন্বয়ে আগের চেয়েও জোরদারভাবে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। কর্মসূচিটি সফল করতে গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, অনেক মা কর্মজীবী হওয়ায় দিনের বেলায় সন্তানকে নিয়ে টিকাদান কেন্দ্রে আসতে পারেন না। তাদের বিষয়টি বিবেচনা করে বন্ধের দিনেও টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সন্ধ্যার পরও টিকাদান কার্যক্রম চলবে বলে জানান তিনি। ছয় মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে এই ক্যাম্পেইনের আওতায় আনার লক্ষ্য রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি জানান, এই টিকাদান কর্মসূচির পরও প্রায় ১০ লাখ ডোজ টিকা মজুদ থাকবে। ইতিমধ্যে ৪৩ লাখ ডোজ টিকা বিভিন্ন উপজেলায় বিতরণ করা হয়েছে এবং পরবর্তী সময়ের মপআপ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার জন্যও টিকা সংরক্ষণ করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মানুষ জীবনে বিভিন্ন বিষয় চায়—সঠিক পথ, সুস্থতা, নিরাপত্তা, রিজিক, পরিবারে শান্তি, সম্পদে বরকত এবং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আল্লাহর সাহায্য। তবে যদি সব প্রয়োজনকে একত্রিত করে একটি দোয়ায় প্রকাশ করা হয়, তাহলে এটি একটি সুন্দর উদাহরণ হয়ে দাঁড়ায়। এই দোয়ায় বান্দা শুধুমাত্র কিছু চায় না; বরং নিজের হেদায়াত, নিরাপত্তা, জীবন-জীবিকা, তাকদির এবং পরিণতি—সবকিছু আল্লাহর হাতে সমর্পণ করে। দোয়াটি হলো,
اللهمَّ اهدِنا فيمَن هدَيت، وعافِنا فيمَن عافيت، وتولَّنا فيمَن تولَّيت، وباركْ لنا فيما أعطيت، وقِنا شرَّ ما قضيت، إنك تَقضي ولا يُقضى عليكَ، إنه لا يَذِلُّ مَن والَيت، ولا يَعزُّ مَن عاديت، تباركت ربَّنا وتعالَيت
উচ্চারণ : আল্লাহুম্মাহদিনা ফীম্যান হাদাইত, ওয়া ‘আফিনা ফীম্যান ‘আফাইত, ওয়া তাওয়াল্লানা ফীম্যান তাওয়াল্লাইত, ওয়া বারিক লানা ফীমা আ‘তাইত, ওয়া কিনা শাররা মা কাদাইত। ইন্নাকা তাকদী ওয়া লা ইউকদা ‘আলাইকা। ইন্নাহু লা ইয়াযিল্লু মান ওয়ালাইত, ওয়া লা ইয়া‘ইয্যু মান ‘আদাইত। তাবারাকতা রাব্বানা ওয়া তা‘আলাইত।
অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আপনি যাদের হেদায়াত দিয়েছেন, তাদের অন্তর্ভুক্ত করে আমাদেরও হেদায়াত দিন। আপনি যাদের নিরাপত্তা ও সুস্থতা দিয়েছেন, তাদের অন্তর্ভুক্ত করে আমাদেরও নিরাপত্তা ও সুস্থতা দিন। আপনি যাদের অভিভাবকত্ব গ্রহণ করেছেন, তাদের অন্তর্ভুক্ত করে আমাদেরও অভিভাবকত্ব গ্রহণ করুন। আপনি আমাদের যা দিয়েছেন, তাতে আমাদের জন্য বরকত দান করুন। আপনি যে ফয়সালা করেছেন, তার অনিষ্ট থেকে আমাদের রক্ষা করুন। নিশ্চয়ই আপনিই ফয়সালা করেন; আপনার বিরুদ্ধে কেউ ফয়সালা করতে পারে না। আপনি যার অভিভাবক হন, সে কখনো অপমানিত হয় না; আর আপনি যার বিরোধিতা করেন, সে কখনো সম্মানিত হতে পারে না। হে আমাদের প্রতিপালক! আপনি বরকতময় ও সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকারী।’ (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ১৪২৫; সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ৪৬৪; সুনানে নাসায়ি, হাদিস : ১৭৪৬)
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ঝড়ের সম্ভাবনা নেই। এই কারণে আবহাওয়া অধিদপ্তর চারটি সমুদ্রবন্দর থেকে সতর্কসংকেত তুলে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।
শনিবার আবহাওয়া অধিদপ্তরের প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা এবং পায়রা সমুদ্রবন্দরকে সতর্কসংকেত নামিয়ে ফেলতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নতুন একটি বায়োপিক নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে হলিউডের কিংবদন্তি নৃত্যশিল্পী ও অভিনেতা ফ্রেড অ্যাস্টেয়ারের বর্ণাঢ্য কর্মজীবন নিয়ে। এই চলচ্চিত্রের নাম এখনও নির্ধারিত হয়নি এবং এতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করছেন টম হল্যান্ড। ফ্রেড অ্যাস্টেয়ারের বিখ্যাত নৃত্যসঙ্গী জিঞ্জার রজার্সের ভূমিকায় অভিনয় করবেন পপ তারকা ও অভিনেত্রী সাবরিনা কার্পেন্টার।
চলচ্চিত্রটিতে আরও যুক্ত হয়েছেন মার্গারেট কোয়ালি, যিনি ফ্রেডের বোন এবং তার প্রথম নৃত্যসঙ্গী অ্যাডেল অ্যাস্টারের চরিত্রে অভিনয় করবেন। ১৯৩৩ থেকে ১৯৩৯ সালের মধ্যে ফ্রেড অ্যাস্টেয়ার ও জিঞ্জার রজার্স একত্রে নয়টি চলচ্চিত্রে কাজ করেছিলেন। সাবরিনা এই নতুন সিনেমার মাধ্যমে আবার বড় পর্দায় অভিনয়ের জগতে ফিরে আসছেন। অন্যদিকে, ক্যারিয়ারের শুরুতে লন্ডনের ওয়েস্ট অ্যান্ডে ‘বিলি এলিয়ট’ নাটকে নাচের মাধ্যমে পরিচিতি পাওয়া টম হল্যান্ডও এই ছবির মাধ্যমে আবার নাচের জগতে ফিরছেন।
চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করবেন প্যাডিংটন ও ওনকা খ্যাত নির্মাতা পল কিং। এটি প্রযোজনা করছেন অ্যামি প্যাসকেল ও র্যাচেল ও'কনর। ক্যাথলিন রাইলির লেখা ‘দ্য অ্যাস্টেয়ার্স : ফ্রেড অ্যান্ড অ্যাডেল’ বইয়ের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত হতে যাওয়া এই প্রকল্পটিকে স্বাগত জানিয়েছেন ফ্রেড অ্যাস্টেয়ারের মেয়ে আভা অ্যাস্টায়ার ম্যাকেনজি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ