ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পটিয়ায় এমপির উদ্যোগে অভিযোগ জানাতে স্থাপন হচ্ছে অভিযোগ বাক্স


পটিয়ায় এমপির উদ্যোগে অভিযোগ জানাতে স্থাপন হচ্ছে অভিযোগ বাক্স

চট্টগ্রামের পটিয়ায় এবার অভিযোগ জানাতে সংসদ সদস্যের কাছে ইউনিয়ন পরিষদ ও বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের সামনে অভিযোগ বাক্স স্থাপন করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষ তথ্য-প্রমাণসহ অভিযোগ জানাতে পারবেন।

চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম রোববার দুপুরে উপজেলা পরিষদের পরিদর্শন কক্ষে দলীয় নেতাকর্মীদের হাতে অভিযোগ বাক্স বিতরণ করেন।

এনামুল হক এনাম বলেন, "সাধারণ মানুষ সেবা নিতে এসে নানা ধরনের হয়রানির শিকার হন। সহজে ও নির্ভয়ে এসব অভিযোগ আমাকে জানাতে পারেন, সে জন্য অভিযোগ বাক্স বসানো হচ্ছে।" এর মাধ্যমে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আসবে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি জবাবদিহির আওতায় আনা যাবে।

আরও পড়ুন: লক্ষ্মীপুরে ৯০ কেজি ইলিশ এতিমখানায়, দুই জেলেকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা

এমপি এনাম আরও বলেন, "মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাকে নির্দেশনা দিয়েছেন, যাতে সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করা হয়।" অভিযোগ বাক্সগুলো সরকারি অফিস, ইউনিয়ন পরিষদ ও বাজারে স্থাপন করা হবে। প্রাথমিকভাবে ৬০টি বাক্স বসানো হচ্ছে। জমা পড়া অভিযোগগুলো এক সপ্তাহের মধ্যে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। কিছু ক্ষেত্রে অভিযোগকারীর নাম গোপন রাখা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

অভিযোগ বাক্স বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন পটিয়া পৌরসভার সাবেক মেয়র নুরুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব গাজী আবু তাহের, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্যসচিব মঈনুল আলম ছোটন, জঙ্গলখাইন ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বখতিয়ার উদ্দীন বকুল, পৌরসভা বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান ও আবদুল মান্নান, যুবদল নেতা কাজী আরিফ উল্লাহ এবং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব ওবাদুল হক রিকু প্রমুখ।

পটিয়া পৌরসভা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব গাজী আবু তাহের বলেন, "স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে এ ধরনের উদ্যোগ অবশ্যই প্রশংসনীয়।"

এমই

আরও পড়ুন: কালীগঞ্জে পানিতে ডুবে আড়াই বছরের শিশুর প্রাণ গেল

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফেনসিডিল-ইয়াবার বদলে কুড়িগ্রামে আসছে এস্কাপ ও ট্যাপেন্টাডল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:২৭ পি.এম


ফেনসিডিল-ইয়াবার বদলে কুড়িগ্রামে আসছে এস্কাপ ও ট্যাপেন্টাডল

কুড়িগ্রামের বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের মাধ্যমে এস্কাপ ও ট্যাপেন্টাডল নামের দুই ভারতীয় মাদক দেশে প্রবেশ করছে, যার ব্যবহার ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ দুই নিষিদ্ধ মাদকের চাহিদা বেড়ে যাওয়ার কারণ হলো তুলনামূলক কম দাম এবং দ্রুত নেশায় ডুবে যাওয়ার ক্ষমতা।

তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে, সম্প্রতি ফেনসিডিলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বাজারে এস্কাফ নামের মাদক কাশির সিরাপ হিসেবে প্রবাহিত হচ্ছে। একইভাবে, ইয়াবার দাম বেড়ে যাওয়ার ফলে ইয়াবাসেবীরা ট্যাপেন্টাডল নামের ব্যথানাশক ট্যাবলেটের দিকে ঝুঁকছেন।

সীমান্তে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়মিত অভিযান ও গ্রেপ্তারের পরও নিষিদ্ধ মাদকের পাচার এবং ব্যবহার অব্যাহত রয়েছে। বরং নতুন নতুন পাচার কৌশল অবলম্বন করে কারবারিরা তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এসব মাদকের ব্যবহার কিডনি, হৃদযন্ত্র ও লিভার বিকলসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি করছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সূত্রে জানা গেছে, কুড়িগ্রামের সীমান্ত পথে ফেনসিডিলের বিকল্প হিসেবে কাশিনাশক পরিচয়ে এমকাডিল এবং ফেয়ারডিল নামে দুটি ভারতীয় মাদকের ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে এস্কাপ এবং চকো নামের দুই মাদক ফেনসিডিলের জায়গা দখল করে নিয়েছে।

সূত্র জানায়, সীমান্ত এলাকায় বর্তমানে ফেনসিডিল দুর্লভ হয়ে পড়েছে। দামও নাগালের বাইরে চলে যাওয়ায় নেশায় আসক্তরা এস্কাপ এবং চকো সিরাপের প্রতি ঝুঁকছে।

এছাড়া, উচ্চ মাত্রার ব্যথানাশক ট্যাবলেট ট্যাপেন্টাডলের ব্যবহার উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। ভারতীয় ইয়াবার দাম বেড়ে যাওয়ায় ইয়াবা আসক্তরা উত্তরের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে আসা এই মাদক সেবন করছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং পুলিশ জানায়, সম্প্রতি জেলার ফুলবাড়ী, নাগেশ্বরী, ভুরুঙ্গামারী এবং রৌমারী সীমান্তে এস্কাফ ও ট্যাপেন্টাডলের ছোট ছোট চালান ধরা পড়ছে। এর মধ্যে ফুলবাড়ীর নাওডাঙ্গা, কাশিপুর, নাগেশ্বরীর রামখানা ও কচাকাটা দিয়ে বেশি মাদক প্রবাহিত হচ্ছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে প্রায়ই এই দুই পণ্যসহ মাদক কারবারিরা ধরা পড়ছে। তবুও কুড়িগ্রাম ছাড়িয়ে পাশের রংপুর ও লালমনিরহাটের মাদকসেবীরা সীমান্তের বাজারগুলোতে এসে মাদক সেবন করছে।

সূত্র আরো জানায়, সেবনকারীদের মধ্যে নতুন এই দুটি মাদক ছড়িয়ে দিতে কারবারিরা নিত্যনতুন পন্থা অবলম্বন করছে। এর মধ্যে মোটরসাইকেলের তেলের ট্যাংকি, স্পেয়ার টায়ার, গ্যাসের সিলিন্ডার, চানাচুর ও চিপসের প্যাকেটের ভেতরে করে মাদক আনা হচ্ছে।

গত ১ অক্টোবর কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পাটেশ্বরী বাজারে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর অভিযান চালায়। এতে আনিস নামের একজন গ্রেপ্তার হন, যার মোটরসাইকেলের তেলের ট্যাংকিতে বিশেষ কায়দায় ৫০ বোতল এস্কাপ বহন করা হচ্ছিল।

এর আগে, ২৪ সেপ্টেম্বর ফুলবাড়ী যতিন্দ্রনারায়ণ গ্রাম থেকে ১৫৭ পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার পরের দিন ২৫ সেপ্টেম্বর ফুলবাড়ী উপজেলার নাওডাঙায় অভিযান চালিয়ে ১৭ বোতল এস্কাপসহ দুই অভিযুক্ত মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

গত বছরের আগস্ট থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ফুলবাড়ী উপজেলার অনন্তপুর, কাশিপুর, নাগেশ্বরী উপজেলার রামখানা থেকে এস্কাপ সিরাপসহ চারজনকে আটক করে বিজিবি ও পুলিশ। এর মধ্যে নাগেশ্বরী উপজেলার হিরারকুটি গ্রাম থেকে ৪০০ বোতল এস্কাপসহ রিনা নামের একজন এবং উত্তর কাশিপুর গ্রামের খোকন মিয়া ও তার স্ত্রী মোমেনা বেগমকে ২২ বোতল এস্কাফসহ নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সাবেক পরিচালক ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. অজয় কুমার রায় জানান, এস্কাপ একটি কাশির সিরাপ। এর সেবনে ঘুম ঘুম ভাব হয়, কাজের স্পৃহা কমে যায়, অন্যের ওপর নির্ভরশীলতা বাড়ে এবং মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়।

ডা. অজয় জানান, দীর্ঘদিন ধরে সেবন করলে কিডনি, হৃদযন্ত্র, লিভারসহ শরীরের নানা অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়া ইয়াবার মতো করে ব্যথানাশক ওষুধ ট্যাপেন্টাডল সেবনের ফলে আসক্তি বেড়ে কিডনির ক্ষতি করতে পারে।

কুড়িগ্রাম মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. শাহ্ নেওয়াজ জানান, এস্কাপ ও ট্যাপেন্টাডল পাচার ও ব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ থাকলেও ধারাবাহিক অভিযানের ফলে বহু মাদক কারবারি জেলে থাকায় পাচার কমছে। তবে কুড়িগ্রামের বাইরে থেকে ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট আসছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাপান-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক মহড়া ‘কিন সোর্ড ২৭’ নতুন নজির গড়তে যাচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:২৭ পি.এম


জাপান-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক মহড়া ‘কিন সোর্ড ২৭’ নতুন নজির গড়তে যাচ্ছে

তাইওয়ানকে কেন্দ্র করে চীনের সামরিক কার্যক্রম বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষাপটে নিজেদের প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি শক্তিশালী করার লক্ষ্যে জাপান এবং যুক্তরাষ্ট্র বৃহৎ পরিসরে যৌথ সামরিক মহড়া শুরু করতে যাচ্ছে। সোমবার শুরু হতে যাওয়া ‘কিন সোর্ড ২৭’ নামের এই মহড়ায় জাপানের দূরপাল্লার জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র প্রথমবারের মতো ঘাঁটির বাইরে মোতায়েন করা হবে।

এছাড়া, তাইওয়ানের নিকটবর্তী একটি দ্বীপে উন্নত জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা পাঠানোর পরিকল্পনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। জাপান টাইমসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, দুই বছর পরপর অনুষ্ঠিত হওয়া এই মহড়া এবার সবচেয়ে বড় আকারে আয়োজন করা হচ্ছে। এতে জাপানের আত্মরক্ষা বাহিনীর প্রায় ৪৫ হাজার সদস্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের ১২ হাজার সেনা অংশগ্রহণ করবে। মহড়াটি ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে।

জাপানের কুমামোতো প্রদেশের ঘাঁটি থেকে টাইপ-২৫ জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র প্রথমবারের মতো মহড়ার অংশ হিসেবে অন্য স্থানে স্থানান্তরিত করা হবে। প্রায় এক হাজার কিলোমিটার পাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্র জাপানের পাল্টা হামলার সক্ষমতা গড়ে তোলার পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ওকিনাওয়া প্রদেশের ইয়োনাগুনি দ্বীপে নেভি-মেরিন এক্সপেডিশনারি শিপ ইন্টারডিকশন সিস্টেম (এনএমইএসআইএস) মোতায়েন করছে। এই দ্বীপটি তাইওয়ান থেকে মাত্র ১১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। সেখান থেকে তাইওয়ানের উত্তর ও পূর্ব দিকের সমুদ্র অঞ্চলের বড় অংশে আঘাত হানার সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের এই ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থার থাকবে। চীন যদি তাইওয়ান অবরোধের চেষ্টা করে, তবে ওই সমুদ্র অঞ্চলটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

জাপানের জয়েন্ট অপারেশনস কমান্ড প্রতিষ্ঠার পর এটি হবে প্রথম কিন সোর্ড মহড়া। এই মহড়ায় মহাকাশ, সাইবার এবং তড়িৎচৌম্বকীয় ক্ষেত্রে অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি দুই দেশের বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধির অনুশীলন করা হবে।

জাপানের আত্মরক্ষা বাহিনীর জয়েন্ট স্টাফের প্রধান জেনারেল হিরোআকি উচিকুরা বলেন, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের দ্বীপগুলোতে জাপানি ও মার্কিন বাহিনীর দ্রুত সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েনের সক্ষমতা যাচাই করা এই মহড়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য।

তিনি আরও বলেন, মহড়াটি কোনো নির্দিষ্ট দেশকে লক্ষ্য করে আয়োজন করা হয়নি। বরং যেকোনো পরিস্থিতিতে যথাযথভাবে সাড়া দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ও সক্ষমতা গড়ে তোলাই এর লক্ষ্য।

এমএমআর

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মা ইলিশ সংরক্ষণে ১১১ এমপিকে নির্দেশনা দিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:২৮ পি.এম


মা ইলিশ সংরক্ষণে ১১১ এমপিকে নির্দেশনা দিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

ঢাকা, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬ : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আমিন উর রশিদ মা ইলিশ সংরক্ষণে ১১১ এমপিকে নির্দেশনা (ডিও লেটার) প্রদান করেছেন।

এ ডিও লেটার আজ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে সংশ্লিষ্ট এমপিদের কাছে প্রেরণ করা হয়। ৩৮টি জেলার সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ্যে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬ সফলভাবে বাস্তবায়ন এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে স্থানীয় পর্যায়ে কার্যকর ভূমিকা রাখার জন্য মন্ত্রী এই ডিও লেটার প্রদান করেছেন।

মন্ত্রী ডিও লেটারে উল্লেখ করেন, মা ইলিশ সংরক্ষণে সংসদ সদস্যদের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। তিনি বলেন, "জাতীয় মৎস্যসম্পদ ও ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য ইলিশ বাংলাদেশের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, পুষ্টিনিরাপত্তা ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ।" ইলিশের টেকসই উৎপাদন নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এ সম্পদ সংরক্ষণের লক্ষ্যে গত ৮ অক্টোবর থেকে আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬ পরিচালিত হচ্ছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, "অভিযান চলাকালে নির্ধারিত এলাকায় সব ধরনের মাছ আহরণ নিষিদ্ধ।" ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় আইনত নিষিদ্ধ। তিনি জানান, ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন রাখা এবং ভবিষ্যতে এ সম্পদের উৎপাদন ও প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে এই অভিযান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মন্ত্রী বলেন, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচির সফলতা কেবল আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বা মৎস্য অধিদপ্তরের কার্যক্রমের ওপর নির্ভরশীল নয়। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃত্ব, সামাজিক সংগঠন ও সচেতন নাগরিকদের সক্রিয় সহযোগিতা এই ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ডিও লেটারে মন্ত্রী উল্লেখ করেন, সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী এলাকার উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে রাজনৈতিক নেতা-কর্মী এবং সামাজিকভাবে সুপরিচিত ব্যক্তিদের মাধ্যমে মা ইলিশ সংরক্ষণে জনসচেতনতা বাড়ানো সম্ভব। এই লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট নেতা-কর্মীদের অভিযান বাস্তবায়নে সহযোগিতা, জেলেদের আইন মেনে চলতে উদ্বুদ্ধ করা এবং অবৈধভাবে ইলিশ আহরণ নিরুৎসাহিত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে ইতালির রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:২৮ পি.এম


প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে ইতালির রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

ঢাকা, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬ : ঢাকায় নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ. কে. এম. শামছুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

আজ ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয়ে তাদের মধ্যে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকের সময় বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যে দীর্ঘকালীন বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে উভয় দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে বিদ্যমান সহযোগিতামূলক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী ও বিস্তৃত করার বিষয়ে উভয় পক্ষের আগ্রহ প্রকাশ পায়।

আলোচনায় প্রতিরক্ষা খাতে সক্ষমতা বৃদ্ধি, সামরিক প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা বিনিময়, কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং আধুনিক সামরিক সরঞ্জাম ও প্রতিরক্ষা সামগ্রী সংগ্রহের সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলো গুরুত্বের সঙ্গে স্থান পায়। এ ছাড়া শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে দুই দেশের প্রশংসনীয় ভূমিকা এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে ভবিষ্যৎ পারস্পরিক সহযোগিতা ও যৌথ প্রশিক্ষণের সুযোগ নিয়ে বিশদ মতবিনিময় হয়।

প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যকার ঐতিহাসিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে প্রতিরক্ষা শিল্প ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ইতালি সরকারের অব্যাহত সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অপরদিকে, ইতালির রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নে ইতালির অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন।

উভয় পক্ষই আশা প্রকাশ করেন যে, এ ধরনের উচ্চপর্যায়ের সংলাপ ও যোগাযোগ দুই দেশের সামরিক সম্পর্ক এবং সার্বিক দ্বিপক্ষীয় অংশীদারিত্বকে নতুন মাত্রায় নিয়ে যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%