১০:২৬ এম
২০২৬ বিশ্বকাপ অভিযানে উদ্যোমী হয়ে নামছে পর্তুগাল। প্রতিপক্ষ হলো ৫২ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরছে কঙ্গো। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর লক্ষ্য হলো জয় দিয়ে আসরের শুরু। বিশ্বকাপের পর পর্তুগালের কোচ রবার্তো মার্তিনেজ দায়িত্ব ছাড়বেন। ফুটবলাররা ম্যাচ বাই ম্যাচ জিতে প্রিয় কোচকে শিরোপা উপহার দিতে চাচ্ছেন। কিন্তু বিশ্বকাপে ফেরার ম্যাচে কঙ্গোর কাছে অঘটনের লক্ষ্য রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টনে আজ রাত ১১টায় এই ম্যাচটি শুরু হবে।
ফুটবল দুনিয়ায় অমরত্বের পথে প্রায় সব কিছুই ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর হাতে এসেছে। তবে তার দুই দশকের বর্ণময় ক্যারিয়ারে ট্রফি ক্যাবিনেটের একটি স্থান এখনো ফাঁকা রয়েছে সি আর সেভেনের। এই ফাঁকা জায়গাটি হৃদয়ে গভীর ক্ষতের কারণ হয়েছে, হাহাকার শুধু দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থের জন্য। বয়স ৪১, এখনও ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপে অধরা সেই ট্রফির খোঁজে রোনালদো। পর্তুগালকে শিরোপা উপহার দিয়ে তার ক্যারিয়ারের পূর্ণতা আনতে চান তিনি। সতীর্থরাও খোলামেলা কাধে কাধ মিলিয়ে দ্য লাস্ট ড্যান্সের জন্য প্রস্তুত। চিরচেনা উদযাপনে রোনালদোর সঙ্গে এক হতে চান পুরো দুনিয়ার সমর্থকরা।
প্রথম ম্যাচেই পর্তুগাল পাচ্ছে ৫২ বছর পর বিশ্বকাপে ফেরা কঙ্গোকে। এর আগে ১৯৭৪ সালে একবারই কঙ্গো বিশ্বকাপ খেলেছিল। সে সময় কঙ্গোর নাম ছিল ‘জায়ার’। প্রতিপক্ষের শক্তি মোকাবেলার জন্য আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। মাঠে নামার আগে পর্তুগালের সামনে রয়েছে একটি বড় ভয়। সবশেষ চার বিশ্বকাপের মধ্যে মাত্র একবার তারা নিজেদের প্রথম ম্যাচে জয় পেয়েছিল। সর্বশেষ কাতার বিশ্বকাপে ঘানাকে ৪-২ গোলে হারিয়ে তারা শুরু করেছিল। তাই কঙ্গো ম্যাচের আগে সতর্কভাবে প্রস্তুতি নিতে হচ্ছে কোচ মার্তিনেজের দলের।
আরও পড়ুন: গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই: জুনায়েদ
টেক্সাসের ওয়েস্ট পাম বিচে অনুশীলনের সময় আলাদাভাবে প্রস্তুতি নিয়েছেন রুবেন দিয়াস। যদিও তার চোট ছিল, তবে সে এখন সেরে উঠেছেন। পিএনজিকে ব্যাক টু ব্যাক চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা উপহার দেওয়া জাকস তরুণ ফুটবলারদের পাবে মার্তিনেজ। পর্তুগালের মিডফিল্ড বিশ্বের যে কোন দলের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। মধ্যমাঠে থাকছেন ব্রুনো ফারনানদেস ও বার্নার্দো সিলভা। তারা আক্রমণের সুরটা রচনা করবেন। এছাড়াও ভিতিনিয়ার মতো তরুণদের দায়িত্ব পালনে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তার সঙ্গে কোচের ভরসা হচ্ছে জোয়াও নেভেস ও রুবেন নেভেস। উইং পজিশনে জোয়াও ফেলিক্স আক্রমণে কার্যকর। তবে দলের মূল আক্রমণের প্রাণভোমরা হলো ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।
এই বিশ্বকাপের পরে পর্তুগালের দায়িত্ব ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন কোচ মার্তিনেজ। তিনি হাসপাতালে আসলেও, তার প্রিয় কোচকে বিশ্বকাপের শিরোপা উপহার দিতে মরিয়া পর্তুগাল। কিন্তু কঙ্গোও চায় কেপ ভার্ডের পথ অনুসরণ করে ‘জায়ান্ট কিলার’ হতে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন