ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিমানের টয়লেট থেকে ১১ কোটি টাকার স্বর্ণবার উদ্ধার


বিমানের টয়লেট থেকে ১১ কোটি টাকার স্বর্ণবার উদ্ধার

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সিঙ্গাপুর থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিজি-৫৮৫ ফ্লাইটে অভিযান চালিয়ে বিমানের টয়লেট থেকে ৫০টি স্বর্ণবার উদ্ধার করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি)। টানা প্রায় চার ঘণ্টার তল্লাশিতে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা এসব স্বর্ণবার উদ্ধার করা হয়।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সিঙ্গাপুর থেকে ফ্লাইটটি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমান অবতরণের পরপরই পূর্বপ্রাপ্ত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা উড়োজাহাজটিতে নিবিড় তল্লাশি শুরু করেন।

দীর্ঘ সময় ধরে বিমানের বিভিন্ন অংশে তল্লাশি চালানোর একপর্যায়ে টয়লেটের ভেতরে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা স্বর্ণবারের সন্ধান পান কর্মকর্তারা। পরে সেগুলো উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন: জাপানের ‘ও-সোজি’ মডেলে ডিসি ফরিদার ‘ক্লিন স্কুল টিম’ গঠন

কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধার করা প্রতিটি স্বর্ণবারের ওজন ১০ তোলা। ৫০টি স্বর্ণবারের মোট ওজন ৫০০ তোলা, যা প্রায় ৫ দশমিক ৮৩২ কেজির সমান। উদ্ধার করা স্বর্ণের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১১ কোটি টাকা।

এ ঘটনায় উদ্ধার করা স্বর্ণের বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে এর নেপথ্যে কোনো সংঘবদ্ধ চোরাচালান চক্র রয়েছে কিনা, তা শনাক্তে অনুসন্ধান শুরু করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।

কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, স্বর্ণ চোরাচালানের বড় চালান শনাক্ত ও জব্দের পাশাপাশি এর সঙ্গে জড়িত চক্রকে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আরও পড়ুন: প্যারিস খাল বাঁচাতে ডিএনসিসির সহায়তায় মাঠে তরুণ স্বেচ্ছাসেবীরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদির পাশে যুক্তরাজ্য, কী সহায়তা দিচ্ছে লন্ডন?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৪৬ এম


সৌদির পাশে যুক্তরাজ্য, কী সহায়তা দিচ্ছে লন্ডন?

ইয়েমেনের হুথিদের হামলা মোকাবিলায় সৌদি আরবকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাজ্য। সীমিত এ সুবিধার আওতায় সৌদি যুদ্ধবিমানকে আকাশে জ্বালানি সরবরাহ করবে ব্রিটিশ বিমানবাহিনী। খবর বিবিসির

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম জানিয়েছেন, সৌদি আরবের আনুষ্ঠানিক অনুরোধের পর তিনি এই সহায়তায় সম্মতি দিয়েছেন। প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ডের পরামর্শের ভিত্তিতে সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে একটি ব্রিটিশ ভয়েজার বিমান দিয়ে এই কার্যক্রম শুরু হতে পারে। বিমানটি সাইপ্রাসের আরএএফ আকরোটিরি ঘাঁটি থেকে পরিচালিত হবে। সহায়তাটি সময়সীমাবদ্ধ এবং প্রাথমিকভাবে কয়েক সপ্তাহের জন্য দেওয়ার কথা রয়েছে।

 

ব্রিটিশ কর্মকর্তাদের বরাতে বিবিসি জানিয়েছে, সৌদি যুদ্ধবিমানকে আকাশে জ্বালানি সরবরাহের মাধ্যমে হুথিদের ছোড়া ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার সক্ষমতা বাড়ানোই এই সহায়তার উদ্দেশ্য।

সাম্প্রতিক সময়ে ইয়েমেনের হুথিরা সৌদি রাজধানী রিয়াদসহ দেশটির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে। শনিবার রিয়াদের কাছে হামলার পর আগুন ও ধোঁয়ার দৃশ্যও দেখা যায়। সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রিয়াদমুখী একটি ক্ষেপণাস্ত্র তারা প্রতিহত করেছে।

হুথিদের সঙ্গে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের দীর্ঘদিনের সংঘাত রয়েছে। সৌদি আরব ওই সরকারকে সমর্থন করে আসছে। সাম্প্রতিক উত্তেজনায় লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দেবের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২৩ সেপ্টেম্বরের ছুটি কারা পাবেন, কারা পাবেন না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:০৭ এম


২৩ সেপ্টেম্বরের ছুটি কারা পাবেন, কারা পাবেন না

সারাদেশে বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) পালিত হবে পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম। এ উপলক্ষে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে দিনটি সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানের জন্য সাধারণ ছুটি নয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক শিক্ষাপঞ্জি ও ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে ২৩ সেপ্টেম্বর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি নির্ধারিত রয়েছে। ফলে সরকারি-বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা এদিন ছুটি পাবেন।

তবে সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ২৩ সেপ্টেম্বর সাধারণ ছুটি নয়। তাদের জন্য দিনটি নিয়মিত কর্মদিবস হিসেবে গণ্য হবে। অবশ্য কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে কেউ চাইলে দিনটিকে ঐচ্ছিক ছুটি হিসেবে নিতে পারবেন।

একইভাবে বেসরকারি ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানেও ২৩ সেপ্টেম্বর স্বাভাবিক কার্যক্রম চলবে। ব্যাংক, বিমা, করপোরেট অফিসসহ অন্যান্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কর্মদিবস হিসেবে অফিস খোলা থাকবে। এসব প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাধারণ ছুটি পাবেন না।

‘ইয়াজদাহম’ অর্থ এগারো, আর ‘ফাতেহা’ অর্থ দোয়া করা। ইসলামের অন্যতম প্রচারক ও আল্লাহর ওলি বড় পীর হজরত আবদুল কাদের জিলানী (র.) এর ওফাত দিবস উপলক্ষে মুসলমানদের দোয়া ও ধর্মীয় আয়োজনকে ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম বলা হয়।

ইসলামের ইতিহাস অনুযায়ী, হিজরি ৫৬১ সনের ১১ রবিউস সানি হজরত আবদুল কাদের জিলানী (র.) ইন্তেকাল করেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলমানরা দিনটি ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম হিসেবে পালন করে আসছেন।

সরকারি ক্যালেন্ডারে পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম মুসলিম পর্বের একটি ঐচ্ছিক ছুটি। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের শিক্ষাপঞ্জিতে ২৩ সেপ্টেম্বর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি হিসেবে নির্ধারিত হওয়ায় এদিন দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

ছুটি পাবেন: সরকারি-বেসরকারি স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারী, কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারী,
মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারী, কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারী।

সাধারণ ছুটি পাবেন না: সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী, ব্যাংক ও বিমা প্রতিষ্ঠানের কর্মী, করপোরেট ও অন্যান্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী।

অর্থাৎ, ২৩ সেপ্টেম্বর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য ছুটির দিন হলেও সরকারি-বেসরকারি অফিস, ব্যাংক, বিমা ও করপোরেট প্রতিষ্ঠানের জন্য এটি সাধারণ ছুটির দিন নয়।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিউইয়র্কের মেয়র মামদানির বাড়িতে হঠাৎ ট্রাম্পের বৈঠক, এরপর যা হলো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:১২ এম


নিউইয়র্কের মেয়র মামদানির বাড়িতে হঠাৎ ট্রাম্পের বৈঠক, এরপর যা হলো

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানির মধ্যে বৈঠক হয়েছে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে মেয়রের সরকারি বাসভবন গ্রেসি ম্যানশনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ট্রাম্পের ভাষণের এক দিন আগে এ বৈঠক হলো।

এটি ট্রাম্প ও মামদানির তৃতীয় সরাসরি বৈঠক। তবে নিউইয়র্কের মেয়রের সরকারি বাসভবনে এবারই প্রথম তাদের সাক্ষাৎ হলো। এর আগে ২০২৫ সালের নভেম্বরে হোয়াইট হাউসে এবং ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে তাদের বৈঠক হয়েছিল।

মামদানির কার্যালয় জানিয়েছিল, বৈঠকে নিউইয়র্ক শহর ও এর বাসিন্দাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে। পরে মামদানি জানান, আবাসন, জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো ও অভিবাসনসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তারা বিস্তৃত আলোচনা করেছেন।

বৈঠকের পর দুজনকে বেশ সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে দেখা যায়। ট্রাম্প বলেন, তিনি আশা করেন মামদানি নিউইয়র্কের একজন ‘দারুণ মেয়র’ হবেন। তার মধ্যে সেই সম্ভাবনাও রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

মামদানি বলেন, নিউইয়র্কবাসীর জন্য কাজ করতে তিনি যে কারও সঙ্গে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। তার ভাষায়, প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তার আলোচনার মূল বিষয় হলো কীভাবে শহরের মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো যায়, অর্থনীতি শক্তিশালী করা যায় এবং নিউইয়র্ককে আরও উন্নত করা যায়।

বৈঠকে কুইন্সের সানিসাইড ইয়ার্ড এলাকায় বড় পরিসরে নতুন আবাসন নির্মাণের বিষয়টিও উঠে আসে। ট্রাম্প বলেন, বহু বছর ধরে ওই এলাকায় উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমোদন ও অর্থায়নের প্রয়োজন হতে পারে বলেও জানান তিনি।

তবে দুজনের মধ্যে রাজনৈতিক মতপার্থক্য রয়েছে। বিশেষ করে অভিবাসন নীতি নিয়ে মামদানি ট্রাম্প প্রশাসনের অবস্থানের সমালোচনা করে আসছেন। চলতি মাসেই অভিবাসীদের স্থায়ী বসবাসের অনুমতির ক্ষেত্রে নতুন নিয়মের বিরুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করার কথা জানিয়েছিলেন তিনি।

বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার বিষয়টিও উঠে আসে। হোয়াইট হাউসে কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের প্রবেশাধিকার বন্ধ করার বিষয়ে মামদানি বলেন, তিনি সংবাদমাধ্যমের সব সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করতে চান।

ট্রাম্প এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের সংখ্যা দেখিয়ে বলেন, তাকে বর্জনের কথা বলা হলেও বাস্তবে তা হয়নি। তিনি বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে রসিকতাও করেন।

গ্রেসি ম্যানশনে ট্রাম্পের সফরও ছিল উল্লেখযোগ্য। প্রায় ৪৫ বছর পর কোনো ক্ষমতাসীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রথমবারের মতো নিউইয়র্কের মেয়রের এই সরকারি বাসভবনে গেলেন। এর আগে ১৯৮১ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান সেখানে মেয়র এড কোচের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন।

বৈঠকে ট্রাম্প ও মামদানি ছাড়াও ট্রাম্পের প্রধান কর্মকর্তা সুসি ওয়াইলস এবং মামদানির প্রধান কর্মকর্তা এল বিসগার্ড-চার্চ উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকের আগে মামদানির সহযোগীরা জানিয়েছিলেন, আগের বৈঠকগুলো থেকে নিউইয়র্কের জন্য কিছু বাস্তব ফল পাওয়ার চেষ্টা করেছেন মেয়র। ফেব্রুয়ারির বৈঠকে তিনি কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এলমিনা আগায়েভার মুক্তির বিষয়টি ট্রাম্পের কাছে তুলেছিলেন। পরে মামদানি জানিয়েছিলেন, ট্রাম্প তাকে ফোন করে ওই শিক্ষার্থীর মুক্তির কথা জানিয়েছিলেন।

সোমবারের (২১ সেপ্টেম্বর) বৈঠকটি এমন এক সময়ে হলো, যখন জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশন উপলক্ষে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতা ও প্রতিনিধিরা নিউইয়র্কে জড়ো হয়েছেন। ফলে ট্রাম্প ও মামদানির এ সাক্ষাৎ আন্তর্জাতিকভাবেও নজর কেড়েছে।

সূত্র: সিএনএন, দ্য গার্ডিয়ান, দ্য টেলিগ্রাফ

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে আমন আবাদে স্বস্তি, মাঠজুড়ে সবুজের ঢেউ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:২১ এম


চট্টগ্রামে আমন আবাদে স্বস্তি, মাঠজুড়ে সবুজের ঢেউ

বন্যার ক্ষতির ধকল, জমিতে জমে থাকা পানি, নষ্ট হয়ে যাওয়া বীজতলা— এসব আশঙ্কা পেছনে ফেলে কৃষকরা চট্টগ্রামে আমন আবাদের কাজ প্রায় শেষ করে আনছেন। ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম অঞ্চলের সকল জেলার কৃষিজমিতে লক্ষ্যমাত্রার প্রায় শতভাগ আমনের চারা রোপণ সম্পন্ন হয়েছে। ভাদ্রের হালকা বৃষ্টির কারণে রোপা চারা সজীবতার পাখা মেলছে। মাঠজুড়ে সবুজের বিস্তার ঘটেছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সূত্র জানাচ্ছে, চট্টগ্রামে এবারের আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ৭৯ হাজার ৯৮০ হেক্টর জমিতে। এর বিপরীতে ইতোমধ্যে আবাদ হয়েছে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৬৬০ হেক্টর, যা লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ১০০ শতাংশ। ফলে নির্ধারিত সময়ের আগেই লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি পৌঁছে গেছে আমন আবাদ।

চট্টগ্রামের বৃহত্তম কৃষিক্ষেত্র রাঙ্গুনিয়ার গুমাইবিলে ইতোমধ্যে আমনের চারা রোপণ সম্পন্ন হয়েছে। সেখানে ধীরে ধীরে আমনের গুচ্ছ পরিপক্ব হয়ে উঠছে, পুরো বিলজুড়ে বাতাসে দোল খেতে শুরু করেছে সবুজ পাতা। দক্ষিণ চট্টগ্রামের কর্ণফুলী, পটিয়া, আনোয়ারা, বাঁশখালী, চন্দনাইশ, সাতকানিয়া এবং লোহাগাড়া উপজেলার বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ সবুজে ছেয়ে গেছে। গত কয়েকদিন আগে সরেজমিনে পটিয়ায় দেখা গেছে, সেখানকার কৃষকরা ধান রোপণের পর জমিতে প্রথম দফার সার প্রয়োগ করছেন, কোথাও কোথাও আগাছা পরিষ্কারও চলছে।

পটিয়ার হাইলধর এলাকার কৃষক সৈয়দ নূর বলেছেন, ‘আমি প্রতি বছর ৫ কানি (দুই একর) জমিতে ধান চাষ করি, এবারও তা-ই করেছি। এবারের বর্ষা খুব ভালো যাচ্ছে, ফুল বর্ষা (কোনো বছর অনাবৃষ্টি বা অতিবৃষ্টি না হলে চাষের সুবিধা বুঝাতে স্থানীয় ভাষায় এই শব্দটি ব্যবহৃত হয়) পানির সংকট হচ্ছে না, জমি একবার শুকাতে না শুকাতে আবারও বৃষ্টি হচ্ছে। আবহাওয়া ভালো থাকায়, আমন রোপা হাইল ধরেছে (পরিপক্ব হওয়া)। এবারের ফলন ভালো হবে বলে আশা করছি।’

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ বলেছেন, অনুকূল আবহাওয়া, সময় মতো চারা রোপণ, প্রয়োজনীয় সার ও বীজের সরবরাহ এবং বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সরকারি সহায়তার কারণে এবারের আমন আবাদ দ্রুত এগিয়েছে। বন্যার পরও চারা নিয়ে কৃষকদের বড় ধরনের সংকটে পড়তে হয়নি। সরকারি পক্ষ থেকে দ্রুত পুনর্বাসন সহায়তা দেওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা সময় মতো মাঠে ফিরতে পেরেছেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কক্সবাজারেও আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা খুব কাছাকাছি পৌঁছেছে। জেলায় মোট ১৮ হাজার ৮৮৫ হেক্টর জমিতে আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এর মধ্যে হাইব্রিড, উফশী ও স্থানীয় জাত মিলিয়ে ১৮ হাজার ৪২২ হেক্টর জমিতে ইতোমধ্যে আমন চারা রোপণ করা হয়েছে, আবাদের অগ্রগতি ৯৯ শতাংশ।

নোয়াখালীতে আমন আবাদের চিত্র আরও এগিয়ে রয়েছে। জেলার এবারের আমন আবাদ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। ফেনীতে এবারের আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল প্রায় ৬৬ হাজার ৮৯৪ হেক্টর। ইতোমধ্যে আবাদ হয়েছে প্রায় ৬৬ হাজার ৮৩৭ হেক্টর জমিতে। পাঁচ জেলার মধ্যে লক্ষ্মীপুরে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় আবাদ সবচেয়ে বেশি এগিয়েছে। জেলার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে অগ্রগতি হয়েছে ১১৭ শতাংশ। অর্থাৎ নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে আমন আবাদ হয়েছে।

কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, আমনের ভালো দাম পাওয়ার প্রত্যাশা, অনুকূল আবহাওয়া এবং কৃষকদের আগ্রহের কারণে অনেক জমিতে পরিকল্পনার বাইরে গিয়েও আমন আবাদ হয়েছে।

কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, আমন মৌসুমে চারা সংকট তৈরি হলে আবাদের কাজ পিছিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। কিন্তু এবারে সরকারি উদ্যোগে চারা উৎপাদন ও বিতরণ এবং স্থানীয়ভাবে কৃষকদের প্রস্তুত করা বীজতলার কারণে বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়নি। চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় কৃষকেরা নিজেদের বীজতলা থেকে চারা সংগ্রহের পাশাপাশি স্থানীয় নার্সারি ও কৃষি বিভাগের সহায়তাও পেয়েছেন। ফলে জমি প্রস্তুত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই চারা রোপণ করা সম্ভব হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম জেলার উপপরিচালক কৃষিবিদ আপ্রু মারমা বলেছেন, এবারের আমন মৌসুমের শুরুতে বন্যার কারণে কিছুটা শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু পানি নেমে যাওয়ার পর কৃষকরা দ্রুত জমি প্রস্তুত করেছেন। প্রয়োজনীয় সার-বীজ ও চারা সরবরাহ নিশ্চিত থাকায় রোপণ কাজে বড় ধরনের ছন্দপতন হয়নি। আবহাওয়া এখন পর্যন্ত আমনের জন্য সহায়ক থাকায় লক্ষ্যমাত্রা অর্জন দ্রুত সম্ভব হয়েছে।

সাতকানিয়ার একজন উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা বলেছেন, এবারের সবচেয়ে ইতিবাচক বিষয় হচ্ছে কৃষকদের মধ্যে আমন আবাদ নিয়ে আগ্রহ কমেনি। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সরকারি সহায়তা দেওয়া হয়েছে, অনেক জায়গায় চারা ও বীজ সরবরাহ করা হয়েছে। ফলে চারা সংকট তৈরি হয়নি। মাঠপর্যায়ে কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি সারসহ প্রয়োজনীয় উপকরণ নিশ্চিত থাকায় নির্ধারিত সময়ের আগেই আবাদের লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে। সূত্র: বাসস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%