ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চট্টগ্রামে আমন আবাদে স্বস্তি, মাঠজুড়ে সবুজের ঢেউ


চট্টগ্রামে আমন আবাদে স্বস্তি, মাঠজুড়ে সবুজের ঢেউ

বন্যার ক্ষতির ধকল, জমিতে জমে থাকা পানি, নষ্ট হয়ে যাওয়া বীজতলা— এসব আশঙ্কা পেছনে ফেলে কৃষকরা চট্টগ্রামে আমন আবাদের কাজ প্রায় শেষ করে আনছেন। ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম অঞ্চলের সকল জেলার কৃষিজমিতে লক্ষ্যমাত্রার প্রায় শতভাগ আমনের চারা রোপণ সম্পন্ন হয়েছে। ভাদ্রের হালকা বৃষ্টির কারণে রোপা চারা সজীবতার পাখা মেলছে। মাঠজুড়ে সবুজের বিস্তার ঘটেছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সূত্র জানাচ্ছে, চট্টগ্রামে এবারের আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ৭৯ হাজার ৯৮০ হেক্টর জমিতে। এর বিপরীতে ইতোমধ্যে আবাদ হয়েছে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৬৬০ হেক্টর, যা লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ১০০ শতাংশ। ফলে নির্ধারিত সময়ের আগেই লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি পৌঁছে গেছে আমন আবাদ।

চট্টগ্রামের বৃহত্তম কৃষিক্ষেত্র রাঙ্গুনিয়ার গুমাইবিলে ইতোমধ্যে আমনের চারা রোপণ সম্পন্ন হয়েছে। সেখানে ধীরে ধীরে আমনের গুচ্ছ পরিপক্ব হয়ে উঠছে, পুরো বিলজুড়ে বাতাসে দোল খেতে শুরু করেছে সবুজ পাতা। দক্ষিণ চট্টগ্রামের কর্ণফুলী, পটিয়া, আনোয়ারা, বাঁশখালী, চন্দনাইশ, সাতকানিয়া এবং লোহাগাড়া উপজেলার বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ সবুজে ছেয়ে গেছে। গত কয়েকদিন আগে সরেজমিনে পটিয়ায় দেখা গেছে, সেখানকার কৃষকরা ধান রোপণের পর জমিতে প্রথম দফার সার প্রয়োগ করছেন, কোথাও কোথাও আগাছা পরিষ্কারও চলছে।

আরও পড়ুন: সুনামগঞ্জে টাঙ্গুয়ার হাওরে বৃক্ষরোপণ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত

পটিয়ার হাইলধর এলাকার কৃষক সৈয়দ নূর বলেছেন, ‘আমি প্রতি বছর ৫ কানি (দুই একর) জমিতে ধান চাষ করি, এবারও তা-ই করেছি। এবারের বর্ষা খুব ভালো যাচ্ছে, ফুল বর্ষা (কোনো বছর অনাবৃষ্টি বা অতিবৃষ্টি না হলে চাষের সুবিধা বুঝাতে স্থানীয় ভাষায় এই শব্দটি ব্যবহৃত হয়) পানির সংকট হচ্ছে না, জমি একবার শুকাতে না শুকাতে আবারও বৃষ্টি হচ্ছে। আবহাওয়া ভালো থাকায়, আমন রোপা হাইল ধরেছে (পরিপক্ব হওয়া)। এবারের ফলন ভালো হবে বলে আশা করছি।’

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ বলেছেন, অনুকূল আবহাওয়া, সময় মতো চারা রোপণ, প্রয়োজনীয় সার ও বীজের সরবরাহ এবং বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সরকারি সহায়তার কারণে এবারের আমন আবাদ দ্রুত এগিয়েছে। বন্যার পরও চারা নিয়ে কৃষকদের বড় ধরনের সংকটে পড়তে হয়নি। সরকারি পক্ষ থেকে দ্রুত পুনর্বাসন সহায়তা দেওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা সময় মতো মাঠে ফিরতে পেরেছেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কক্সবাজারেও আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা খুব কাছাকাছি পৌঁছেছে। জেলায় মোট ১৮ হাজার ৮৮৫ হেক্টর জমিতে আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এর মধ্যে হাইব্রিড, উফশী ও স্থানীয় জাত মিলিয়ে ১৮ হাজার ৪২২ হেক্টর জমিতে ইতোমধ্যে আমন চারা রোপণ করা হয়েছে, আবাদের অগ্রগতি ৯৯ শতাংশ।

নোয়াখালীতে আমন আবাদের চিত্র আরও এগিয়ে রয়েছে। জেলার এবারের আমন আবাদ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। ফেনীতে এবারের আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল প্রায় ৬৬ হাজার ৮৯৪ হেক্টর। ইতোমধ্যে আবাদ হয়েছে প্রায় ৬৬ হাজার ৮৩৭ হেক্টর জমিতে। পাঁচ জেলার মধ্যে লক্ষ্মীপুরে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় আবাদ সবচেয়ে বেশি এগিয়েছে। জেলার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে অগ্রগতি হয়েছে ১১৭ শতাংশ। অর্থাৎ নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে আমন আবাদ হয়েছে।

আরও পড়ুন: ফেনীতে যুবদলের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে চিকিৎসা নিলেন ১০০-এরও বেশি নারী-পুরুষ

কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, আমনের ভালো দাম পাওয়ার প্রত্যাশা, অনুকূল আবহাওয়া এবং কৃষকদের আগ্রহের কারণে অনেক জমিতে পরিকল্পনার বাইরে গিয়েও আমন আবাদ হয়েছে।

কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, আমন মৌসুমে চারা সংকট তৈরি হলে আবাদের কাজ পিছিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। কিন্তু এবারে সরকারি উদ্যোগে চারা উৎপাদন ও বিতরণ এবং স্থানীয়ভাবে কৃষকদের প্রস্তুত করা বীজতলার কারণে বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়নি। চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় কৃষকেরা নিজেদের বীজতলা থেকে চারা সংগ্রহের পাশাপাশি স্থানীয় নার্সারি ও কৃষি বিভাগের সহায়তাও পেয়েছেন। ফলে জমি প্রস্তুত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই চারা রোপণ করা সম্ভব হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম জেলার উপপরিচালক কৃষিবিদ আপ্রু মারমা বলেছেন, এবারের আমন মৌসুমের শুরুতে বন্যার কারণে কিছুটা শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু পানি নেমে যাওয়ার পর কৃষকরা দ্রুত জমি প্রস্তুত করেছেন। প্রয়োজনীয় সার-বীজ ও চারা সরবরাহ নিশ্চিত থাকায় রোপণ কাজে বড় ধরনের ছন্দপতন হয়নি। আবহাওয়া এখন পর্যন্ত আমনের জন্য সহায়ক থাকায় লক্ষ্যমাত্রা অর্জন দ্রুত সম্ভব হয়েছে।

সাতকানিয়ার একজন উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা বলেছেন, এবারের সবচেয়ে ইতিবাচক বিষয় হচ্ছে কৃষকদের মধ্যে আমন আবাদ নিয়ে আগ্রহ কমেনি। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সরকারি সহায়তা দেওয়া হয়েছে, অনেক জায়গায় চারা ও বীজ সরবরাহ করা হয়েছে। ফলে চারা সংকট তৈরি হয়নি। মাঠপর্যায়ে কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি সারসহ প্রয়োজনীয় উপকরণ নিশ্চিত থাকায় নির্ধারিত সময়ের আগেই আবাদের লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে। সূত্র: বাসস

আরও পড়ুন: রাজশাহী নগরীতে চোরাই ল্যাপটপ ও একডজন মোবাইল ফোন সহ গ্রেফতার ২

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের মূলপর্ব শুরু আজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৩৫ এম


জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের মূলপর্ব শুরু আজ

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের মূল বিতর্ক পর্ব শুরু হচ্ছে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) থেকে। এতে অংশ নিতে নিউ ইয়র্কে পৌঁছেছেন বিশ্বনেতারা।

প্রতিটি সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের থাকে একটি নির্দিষ্ট প্রতিপাদ্য। এবারের প্রতিপাদ্য-‘বিশ্বাস পুনরুদ্ধার ও রূপান্তর ব্যবস্থাপনা’।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মতো নানা বৈশ্বিক সংকট এবার গুরুত্ব পাবে বিশ্বনেতাদের বক্তব্যে। আলোচনা হবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এর সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলার নানা দিক নিয়েও। অগ্রাধিকারের তালিকায় বরাবরের মতোই থাকছে জলবায়ু পরিবর্তন।

এবারও অন্যতম প্রধান ইস্যু ফিলিস্তিন। ভিসা পাওয়ায় আরেকবার অধিবেশনে সশরীরে থাকছেন না ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস। ভাষণ দেবেন ভিডিও কনফারেন্সে। তবে নিউইয়র্কে হাজির হয়েই ভাষণ দেবেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের দ্বিতীয় মেয়াদের দায়িত্ব শেষ হবে ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর। ফলে নতুন মহাসচিব কে হবেন, এবারের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে তা নিয়ে অনানুষ্ঠানিকও আলাপের সম্ভাবনা রয়েছে।

সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালে এ নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

অনেকের জন্য এবারের অধিবেশন হবে জীবনের প্রথম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ। সেই তালিকায় আছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও। ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেবেন তিনি।

বাংলাদেশের জন্য এবারের অধিবেশনে রয়েছে আরও একটি বিশেষ গুরুত্ব। প্রায় চার দশক পর আবারও জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্বে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কংগ্রেসকে না জানিয়েই ট্রাম্পের নতুন ‘এআই ফোর্স’ গঠনের উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৪২ এম


কংগ্রেসকে না জানিয়েই ট্রাম্পের নতুন ‘এআই ফোর্স’ গঠনের উদ্যোগ

কংগ্রেসের প্রধান সদস্যদের পূর্বে কিছু না জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিয়ে নতুন একটি ফোর্স গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি একসঙ্গে একজন নতুন এআই বিষয়ক প্রধান নিয়োগের কথাও উল্লেখ করেছেন। আকস্মিক এই ঘোষণায় কংগ্রেসের পাশাপাশি প্রযুক্তি খাতেও বিস্ময় সৃষ্টি হয়েছে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প তার এই ঘোষণা দেন। তবে তার দলের কিছু গুরুত্বপূর্ণ আইনপ্রণেতা ঘোষণার আগে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ছিলেন না বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আইডাহোর রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা মাইক সিম্পসন সাংবাদিকদের জানান, তিনি এ বিষয়ে যতটুকু জানেন, তা সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে। তবে তিনি মনে করেন, এআই নিয়ে মানুষের উদ্বেগ অতিরঞ্জিত। একইসঙ্গে তিনি স্বীকার করেন, প্রযুক্তিটির প্রভাব নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে গুরুত্ব সহকারে ভাবতে হবে।

ট্রাম্পের এই উদ্যোগ কংগ্রেসের নিজস্ব পরিকল্পনার সঙ্গে সংঘাত তৈরি করতে পারে। সিনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা জন থুন এবং বাণিজ্যবিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান টেড ক্রুজ এআইয়ের সম্ভাব্য বড় ঝুঁকি কমাতে নতুন আইন তৈরির প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতাদের কয়েকজনও ট্রাম্পের ঘোষণাকে নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। নিউ জার্সির আইনপ্রণেতা জশ গটহেইমার বলেন, যদি ট্রাম্প প্রশাসন এআইয়ের ঝুঁকি মোকাবিলায় বাস্তব পদক্ষেপ নেয়, তাহলে সেটি ইতিবাচক হবে। তবে যদি এটি শুধুমাত্র প্রচারণার কৌশল হয়, তাহলে তিনি উদ্বিগ্ন।

ম্যাসাচুসেটসের আইনপ্রণেতা লরি ট্রাহান বলেন, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া নতুন একটি কার্যদল গঠনের কথা বলা হলে সেটি দীর্ঘমেয়াদি নীতির নিশ্চয়তা প্রদান করে না।

ট্রাম্পের ঘোষণায় এআইয়ের বিভিন্ন ব্যবস্থা নজরদারির আওতায় আনার ইঙ্গিত রয়েছে। তবে তিনি বলেছেন, এ ধরনের তদারকি নতুন কোনো আলাদা সংস্থার পরিবর্তে বিদ্যমান সরকারি নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর মাধ্যমে পরিচালিত হবে।

এছাড়া, তিনি এআই নিয়ে অতিরিক্ত আতঙ্ককে পুনরায় প্রত্যাখ্যান করেছেন। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) আরেকটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে ট্রাম্প বলেন, প্রযুক্তির উন্নয়ন তার প্রশাসনের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। তিনি দাবি করেন, চীনের সঙ্গে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্র এগিয়ে রয়েছে।

এদিকে, ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন উদ্যোগের মধ্যে হোয়াইট হাউসে চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের সম্মানে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ ব্যক্তিদের উপস্থিতি নিয়ে আলোচনা চলছে।

ওপেনএআইয়ের সভাপতি গ্রেগ ব্রকম্যান ওই নৈশভোজে যোগ দেবেন বলে জানা গেছে। শুরুতে প্রকাশিত অতিথিদের আংশিক তালিকায় তার নাম ছিল না। তবে পরে সংশ্লিষ্ট সূত্র ও ওপেনএআইয়ের এক মুখপাত্র তার উপস্থিতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নৈশভোজে অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস, টেসলার প্রধান ইলন মাস্ক, গুগলের প্রধান সুন্দর পিচাই, ডেল টেকনোলজিসের প্রধান মাইকেল ডেল, এনভিডিয়ার প্রধান জেনসেন হুয়াং, ওপেনএআইয়ের প্রধান স্যাম অল্টম্যান, সিটিগ্রুপের প্রধান জেন ফ্রেজার এবং অ্যাপলের সাবেক প্রধান টিম কুকের মতো প্রযুক্তি ও ব্যবসা খাতের শীর্ষ ব্যক্তিদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্ব ধরে রাখা এবং জাতীয় নিরাপত্তার ঝুঁকি মোকাবিলা—শি চিনপিংয়ের সফর ঘিরে আলোচনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে এটি।

গ্রেগ ব্রকম্যান ও তার স্ত্রী আনা ২০২৫ সালে ট্রাম্পপন্থী রাজনৈতিক তহবিল ‘মাগা ইনক’-এ মোট ২ কোটি ৫০ লাখ ডলার অনুদান দিয়েছিলেন। তবে ওই অর্থ তারা ব্যক্তিগতভাবে দিয়েছেন, ওপেনএআইয়ের পক্ষ থেকে নয়।

ব্রকম্যান আগে বলেছেন, তার রাজনৈতিক অনুদানের উদ্দেশ্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রযুক্তি ও এআইয়ের উন্নয়নের পক্ষে নীতিকে সমর্থন করা।

এদিকে ওপেনএআইয়ের প্রধান স্যাম অল্টম্যান যুক্তরাষ্ট্রকে এআইয়ের নিরাপত্তা নিয়ে আন্তর্জাতিক কারিগরি মান তৈরিতে নেতৃত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সামনে এ বিষয়ে একটি প্রস্তাব উপস্থাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

ট্রাম্পের নতুন কার্যদল এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক প্রধান নিয়োগের উদ্যোগ এমন সময়ে এসেছে, যখন প্রযুক্তিটির নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান, অর্থনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে নীতিনির্ধারকদের মধ্যে আলোচনা জোরালো হচ্ছে।

সূত্র: পলিটিকো

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নতুন পে স্কেলে বেতন পেতে আইবাস++-এ যেভাবে করবেন ‘পে ফিক্সেশন’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৫৩ এম


নতুন পে স্কেলে বেতন পেতে আইবাস++-এ যেভাবে করবেন ‘পে ফিক্সেশন’

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর, নবম জাতীয় বেতন স্কেল বাস্তবায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে প্রবেশ করেছে সরকার। নতুন বেতন কাঠামোর আওতায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন নির্ধারণের প্রক্রিয়া এবার সম্পূর্ণরূপে অনলাইনে পরিচালিত হবে। শিগগিরই সরকারি চাকরিজীবীরা আইবাস প্লাস প্লাসে প্রবেশ করে নিজেদের নতুন বেতন নির্ধারণ বা ‘পে ফিক্সেশন’ করার সুযোগ পাবেন।

অর্থ বিভাগের জরুরি নির্দেশনার ভিত্তিতে, পে ফিক্সেশনের জন্য সরকারি কর্মচারীদের আইবাস প্লাস প্লাসের নির্ধারিত অপশনে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করতে হবে। তথ্য সাবমিট করার পূর্বে সিস্টেমে নতুন মূল বেতনের পরিমাণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেখা যাবে।

গেজেটেড কর্মকর্তারা আইবাস প্লাস প্লাসের নিজস্ব ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে সিস্টেমে প্রবেশ করবেন। অন্যদিকে, নন-গেজেটেড কর্মচারীরা জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর ও জন্মতারিখ দিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন। এরপর নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে পাঠানো ওটিপির মাধ্যমে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

বিদেশে অবস্থানরত কর্মচারীদের জন্য আইবাস প্লাস প্লাসে নিবন্ধিত ই-মেইলে ওটিপি পাঠানোর ব্যবস্থা থাকবে। যদি কোনো কর্মচারীর এনআইডি না থাকে, তাহলে প্রথমে এনআইডির জন্য নিবন্ধন করতে হবে।

পে ফিক্সেশনের তথ্য সাবমিট করার পর নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এসএমএস পাঠানো হবে। এরপর তথ্য যাচাইয়ের জন্য তা সংশ্লিষ্ট ড্রইং অ্যান্ড ডিসবার্সিং অফিসারের (ডিডিও) কাছে যাবে।

গেজেটেড কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে ডিডিও বেতন নির্ধারণী বিবরণী সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ অফিসে পাঠাবেন। নন-গেজেটেড কর্মচারীদের ক্ষেত্রে সার্ভিস বহি অনুযায়ী আগের চাকরি ও বেতনের তথ্য সঠিকভাবে লিপিবদ্ধ করার বিষয়টি নিশ্চিত করবেন ডিডিও।

এরপর হিসাবরক্ষণ অফিস অনলাইনে তথ্য যাচাই করে অনুমোদন করবে। অনুমোদনের পর সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি ভেরিফিকেশন নম্বর তৈরি করবে। এ ক্ষেত্রে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার ম্যানুয়াল স্বাক্ষরের প্রয়োজন হবে না। তবে সার্ভিস বহিতে ভেরিফিকেশন নম্বর ও নির্ধারিত বেতন লিপিবদ্ধ করে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে স্বাক্ষর করতে হবে।

অর্থ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, একই নিয়মে দ্রুত বেতন নির্ধারণ এবং তথ্যের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই পুরো প্রক্রিয়াটি অনলাইনে নেওয়া হচ্ছে। তবে পে ফিক্সেশনের সময় তথ্য দেওয়ার ক্ষেত্রে সরকারি কর্মচারীদের সতর্ক থাকতে হবে। ভুল তথ্য দেওয়া হলে পরবর্তী যাচাইয়ের সময় তা সংশোধনের প্রয়োজন হতে পারে।

এর আগে ১৭ সেপ্টেম্বর জারি করা ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’-এর ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদেও অনলাইনে বেতন নির্ধারণের বিধান রাখা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

একদিনে আলোচিত ৪ হত্যাকাণ্ড: কী হয়েছিল সেদিন?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৫৭ এম


একদিনে আলোচিত ৪ হত্যাকাণ্ড: কী হয়েছিল সেদিন?

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম (১৩) হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঘটেছিল আরও তিন হত্যাকাণ্ড। 

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা থেকে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরের মধ্যে ঘটে এসব হত্যাকাণ্ড। 

শুক্রবার দুপুর আড়াইটার দিকে কুমিল্লার কোটবাড়ি গন্ধমতি এলাকার নিজ বাসা থেকে মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে বের হয় অপ্রতিম। এরপর থেকে তার আর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও সন্ধান না পেয়ে ওই দিনই তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

নিখোঁজের পর পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অপ্রতিমের সন্ধানে খোঁজ চালায়। প্রায় ২১ ঘণ্টা পর শনিবার দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন লালমাই পাহাড়ঘেঁষা সানন্দা এলাকার একটি জঙ্গল থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, শুক্রবারই অপ্রতিমকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।  

রোববার এ ঘটনার এক ব্রিফিংয়ে কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, অপ্রতিমকে লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার নির্জন জঙ্গলে নিয়ে আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এতে বাধা দিলে তার সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয়। পরে তুহিন, ফাহাদ ও কামরুল বাঁশের শক্ত লাঠি দিয়ে অপ্রতিমের মাথায় উপর্যুপরি আঘাত করেন। একপর্যায়ে তার মৃত্যু নিশ্চিত হলে আইফোন নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান তারা।

 

তিনি বলেন, ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে প্রাথমিকভাবে আমরা নিশ্চিত হই যে, ১৮ সেপ্টেম্বর দুপুরের দিকে তুহিন অপ্রতিমকে সঙ্গে নিয়ে লালমাই পাহাড়ের সানন্দা নামক স্থানে চারপাশে পাহাড়ঘেরা নির্জন জঙ্গলের ভেতরে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে অপ্রতিমের লাশ উদ্ধারের পর আমরা সিসিটিভি ফুটেজ দেখি ও পর্যালোচনা করি। এতে অপ্রতিমের সঙ্গে থাকা তুহিনকে মৃত্যুর সংবাদ পাওয়ার আগেই আমরা হেফাজতে নেই।

আনিসুজ্জামান বলেন, একটানা জিজ্ঞাসাবাদে তুহিন আমাদের কাছে স্বীকার করে যে, অপ্রতিমের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশেই পরিকল্পনা করে সে তাকে ওই নির্জন ঘটনাস্থলে নিয়ে যায়। তুহিন আরও জানায়, এ ঘটনায় ফাহাদ এবং ফাহাদের এক বন্ধু জড়িত ছিল। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী আমরা তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান পরিচালনা করি এবং ফাহাদকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করি।

জিজ্ঞাসাবাদে ফাহাদ জানায়, এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তার আরেক বন্ধু কামরুলও জড়িত। ফাহাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আমরা কামরুলকে হেফাজতে নেই।

এদিকে একই সময়ে শুক্রবার রাতে খুলনা নগরীর একটি ছাত্রাবাসে ‘ভাত চুরি করে খাওয়ার’ অপবাদ তুলে বেসরকারি নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের প্রথম সেমিস্টারের ছাত্র আজমুল হোসেন আযমকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) হলরোড সংলগ্ন ইসলামনগর সড়কের একটি চার তলা ভবনের ছাদে তাকে মারধরের ঘটনা ঘটে।

আজমুল নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। তার বাসা চুয়াডাঙ্গার দর্শনায়। 

ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা খুবির সাবেক এক শিক্ষার্থী বলেন, ওই ছাত্রকে (আজমল হোসেন) খাবারসহ বিভিন্ন জিনিস চুরির অভিযোগে ধরা হয়। এরপর তার কাছ থেকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য বের হচ্ছিল। তিনি রুম থেকে গেঞ্জি, শার্ট, প্যান্ট, জুতা এবং টাকা নেওয়ার কথাও স্বীকার করেছিলেন।

 

ওই শিক্ষার্থী বলেন, প্রথমে লাউডস্পিকারে ওই ছাত্রকে তার বাবার সঙ্গে কথা বলতে বলা হয়। তখন আজমল তার বাবাকে জানান যে, তিনি সেখানে থাকেন এবং টাকা ও অন্যান্য জিনিস চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়েছেন। তার বাবা তাকে জিজ্ঞাসা করেন, কেন তিনি এসবের মধ্যে গেছেন। এরপর ফোনটি আরেকজনের কাছে দেওয়া হয়। তিনি ওই ছাত্রের বাবাকে বলেন, আপনার ছেলে এই কাজ করছে, আপনার তো আসা উচিত। আপনি কালকে আসেন, এসে একটা ব্যবস্থা করেন। এখানে তো আর রাখা যাবে না। এরপর ফোনটি অন্য এক-দুজনের হাতেও চলে যায়। 

এদিকে মারধর শেষে আজমলের বাবার কাছে ফোন দিয়ে চুরির ক্ষতিপূরণ হিসেবে এক লাখ টাকা দাবি করেন বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।

এছাড়া শুক্রবার রাত ১টার দিকে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়নের রজনীলাইন গ্রামে তিন সন্তানকে নিয়ে কীটনাশক পান করেছেন সরফত আলী নামে এক বাবা। এতে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় সরফত আলীকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

নিহত শিশুরা হলো—রজনীলাইন গ্রামের সরফত আলীর মেয়ে মাওয়া আক্তার (১০) এবং ছেলে শামিম মিয়া (৭) ও তামিম মিয়া (২)।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, সরফত আলীর স্ত্রী ফাতেমা বেগম তিন দিন আগে সৌদি আরবে যান। প্রবাসে যাওয়া নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য ছিল। শুক্রবার রাতে সরফত আলী তিন সন্তানকে নিয়ে ঘুমাতে যান। পরে রাত ১টার দিকে তিনি সন্তানদের নিয়ে কীটনাশক পান করেন। বিষপানের পর সরফত আলী ময়মনসিংহে থাকা তার এক ফুফুকে ফোন করে বিষয়টি জানান এবং পরিবারের সদস্যদের কাছে ক্ষমা চান।

 

পরে তার ফুফু বাড়িতে থাকা সরফত আলীর ছোট ভাই রহমত আলীকে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে রহমত আলীসহ পরিবারের লোকজন দ্রুত বাড়িতে গিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে চারজনকে উদ্ধার করেন। পরে তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তিন শিশুকে মৃত ঘোষণা করেন। সরফত আলীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

তাহিরপুর থানার ওসি ফারুক আহমদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। 

পরদিন শনিবার দুপুরে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের জান্নাকান্দি গ্রামে নিজ ঘর থেকে সৌদি প্রবাসী ইকরাম, তার স্ত্রী সানজিদা এবং তাদের দেড় বছরের শিশুসন্তান আলেজার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জান্নাকান্দি গ্রামের ইকরাম হোসেন কিছুদিন আগে বিদেশ থেকে আসেন। শনিবার দুপুরে তার ঘরের ভেতর স্ত্রী ও দেড় বছরের সন্তানকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। পাশেই ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় পাওয়া যায় ইকরামের লাশ। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনজনের লাশ উদ্ধার করে।

তবে কী কারণে এমন ভয়াবহ ঘটনা ঘটল, তার কোনো উত্তর এখনো মেলেনি। পারিবারিক কলহ, আর্থিক সংকট কিংবা অন্য কোনো কারণ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

স্থানীয়দের ভাষ্য, বিদেশ থেকে ফেরার পর ইকরাম পরিবারের সঙ্গেই ছিলেন। তার সঙ্গে স্ত্রী বা পরিবারের সদস্যদের কোনো বিরোধ কিংবা পারিবারিক কলহ চলছিল কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে হঠাৎ একই পরিবারের তিনজনের এমন মৃত্যুতে নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে এলাকায়।

মানিকগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. মনির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%