০৩:৫৭ পি.এম
ইসরাইলের নির্বাচনে কোনো দল বা জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে না পারায় সরকার গঠন নিয়ে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। যদিও বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দল লিকুড পার্টি সর্বোচ্চ ২৭টি আসন পেয়েছে, তবুও বিরোধীরা নেতানিয়াহুকে ঠেকানোর জন্য নতুন পরিকল্পনা তৈরি করেছে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) টাইমস অব ইসরাইলের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, আরব দলগুলোর সমর্থন ছাড়া সংখ্যালঘু সরকার গঠনের উদ্দেশ্যে সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের বিধান চালুর বিষয়টি বিবেচনা করছে ইসরাইলের বিরোধী জোটের দলগুলো। এ বিষয়ে আইন প্রণয়নের আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছে হিব্রু ভাষার গণমাধ্যম।
প্রস্তাবিত ব্যবস্থার আওতায় ভোটাররা সরকার গঠনের নির্বাচনের থেকে আলাদাভাবে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের সুযোগ পাবেন।
আরও পড়ুন: এবার ‘ধর্মনিরপেক্ষতার’ দোহাই দিয়ে শতাব্দীপ্রাচীন মসজিদ সরিয়ে নিচ্ছে মোদি সরকার
গত মঙ্গলবারের নির্বাচনের পর তৈরি হওয়া রাজনৈতিক অচলাবস্থা কাটানোর একটি সম্ভাব্য উপায় হিসেবেও এই প্রস্তাবকে দেখা হচ্ছে। ওই নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জোট কিংবা তার বিরোধীরা কেউই পার্লামেন্ট নেসেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি।
যদি প্রস্তাবটি কার্যকর হয়, তাহলে সরাসরি নির্বাচনে জয়ী কোনো প্রার্থী নেসেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছাড়াই সংখ্যালঘু সরকার গঠন করতে সক্ষম হবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
২০২১ সালের মার্চে অনুষ্ঠিত অনিষ্পন্ন নির্বাচনের পর নেতানিয়াহুও একই ধরনের একটি প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তখন তার নিজ প্রচেষ্টা জোট সরকার গঠনে ব্যর্থ হয়েছিল।
ইসরাইলের আধা-সাংবিধানিক মৌলিক আইন ‘দ্য গভর্নমেন্ট’ অনুযায়ী, নতুন সরকার শপথ নেওয়ার আগে ১২০ আসনের নেসেটে আস্থা ভোটে জয়ী হতে হয়।
আরও পড়ুন: সমুদ্রের বুকে ভারতীয় নৌবাহিনীর নতুন মাইলফলক: রাফাল-এম যুদ্ধবিমান সফল অবতরণ
সুতরাং সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের ব্যবস্থা চালু করতে হলে বিদ্যমান আইন সংশোধন করা প্রয়োজন। আর এ সংশোধনের জন্য নেসেটের অন্তত ৬১ সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন