ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এনটিআরসিএ বহালের দাবিতে ইবিতে বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগপ্রত্যাশীদের বিক্ষোভ


এনটিআরসিএ বহালের দাবিতে ইবিতে বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগপ্রত্যাশীদের বিক্ষোভ

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ জানিয়েছে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) থেকে সরিয়ে ম্যানেজিং কমিটিকে দেওয়ার প্রস্তাবিত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে।

এ প্রতিবাদ কর্মসূচী মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে প্রধান ফটক থেকে শুরু হয়। তারপর ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন, যাদের মধ্যে শাখা ছাত্রশিবির, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, ছাত্র ইউনিয়ন, জাতীয় ছাত্রশক্তি, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন এবং জমিয়তে তালাবায়ে আরাবিয়ার নেতাকর্মীরা অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

আরও পড়ুন: স্পেনে প্রবল বৃষ্টিতে বন্যায় ৪ জনের মৃত্যু

বক্তারা মানববন্ধনে বলেন, শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা কমিটির হাতে দিলে মেধার চরম অবমূল্যায়ন হবে। এতে কর্মক্ষেত্রে ঘুস ও জালিয়াতির সুযোগ বৃদ্ধি পাবে। তারা অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত বাতিল করে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা এনটিআরসিএ’র হাতে দিতে হবে বলে জানান। বক্তারা দাবি না মানলে শিক্ষার্থীরা দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবে বলেও সতর্ক করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভয়াবহ লোডশেডিং: সারারাতে মোবাইলে চার্জ হয় মাত্র ৪০%, তীব্র গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ তুহিন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৫৩ এম


চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভয়াবহ লোডশেডিং: সারারাতে মোবাইলে চার্জ হয় মাত্র ৪০%, তীব্র গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা জুড়ে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে বিদ্যুতের লোডশেডিং। দিন-রাতের বড় একটি সময় বিদ্যুৎ না থাকায় তীব্র গরমে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। বিশেষ করে রাতের সিংহভাগ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় শিশু ও বয়স্কদের নিয়ে বিপাকে পড়েছেন পরিবারের সদস্যরা।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বিদ্যুৎ আসা-যাওয়ার যেন কোনো নির্দিষ্ট সময়সূচি নেই। একবার বিদ্যুৎ চলে গেলে দীর্ঘ সময় পর আবার আসে, কিছুক্ষণ পরই ফের চলে যায়। এতে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি মোবাইল ফোন, ফ্যানসহ প্রয়োজনীয় বৈদ্যুতিক যন্ত্র ব্যবহারেও দেখা দিয়েছে চরম ভোগান্তি।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাতে ঘুমানোর সময় বিদ্যুৎ না থাকায় প্রচণ্ড গরমে ছটফট করতে হচ্ছে। বিশেষ করে ছোট শিশুদের নিয়ে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়তে হচ্ছে অভিভাবকদের। অনেক সময় সারারাত বিদ্যুৎ না থাকায় মোবাইল ফোনেও পর্যাপ্ত চার্জ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। কোনো কোনো পরিবারে সারারাতে মোবাইলে মাত্র ৪০ শতাংশের মতো চার্জ দেওয়া সম্ভব হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

জেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দাদের ভাষ্য, দিনের তুলনায় রাতের লোডশেডিংয়ের ভোগান্তি আরও বেশি। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বাড়ছে।

এদিকে বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা এবং দৈনন্দিন কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে। ফ্যান ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধ থাকায় তীব্র গরমে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়েছে।

ভুক্তভোগীরা দ্রুত লোডশেডিং পরিস্থিতির উন্নতি করে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ভোলা জেলা পরিষদ প্রশাসকের সাক্ষাৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৫৬ এম


রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ভোলা জেলা পরিষদ প্রশাসকের সাক্ষাৎ

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ভোলা জেলা পরিষদ প্রশাসক, জেলা বিএনপির আহবায়ক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘আমরা ভোলাবাসী’-এর আহবায়ক গোলাম নবী আলমগীর।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিকালে বঙ্গভবনে এই সৌজন্য সাক্ষাৎটি অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে ভোলা জেলা পরিষদ প্রশাসক রাষ্ট্রপতিকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান এবং কুশল বিনিময় করেন।

এ সময় তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানাতে ভুল করেননি। সাক্ষাৎকালে গোলাম নবী আলমগীর ভোলার সার্বিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রাষ্ট্রপতির কাছে উপস্থাপন করেন।

তিনি জানান, ভোলাবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ নদীভাঙন থেকে জেলাকে রক্ষা করার স্থায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ, ভোলা মেডিকেল কলেজ স্থাপন, ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণ, এবং ভোলার গ্যাসকে কাজে লাগিয়ে শিল্পায়নের মাধ্যমে ভোলার বেকার সমস্যা দূরীকরণের পাশাপাশি ভোলার সামগ্রিক অবকাঠামোগত খাতের উন্নয়নের স্বার্থে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেছেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, রাষ্ট্রপতি অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে ভোলার সার্বিক পরিস্থিতি শোনেন এবং এলাকার উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
পর্ব: ২

আদরের ছোঁয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৫৬ এম


আদরের ছোঁয়া

চারদিকে কোলাহল, হৈচৈ, হাসি-ঠাট্টার রমরমা পরিবেশ। দেখে বেশ ঈদ ঈদ আমেজের মতো লাগছে। লাগবে নাই বা কেন? ভার্সিটির প্রথম দিন বলে কথা! প্রত্যেক মানুষের মধ্যেই ভার্সিটির প্রথম দিন নিয়ে থাকে হাজারো স্বপ্ন, থাকে আলাদা একটা অনুভূতি। এই অনুভূতি অন্য সব অনুভূতি থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।

আঠারো বছর বয়সে যৌবনে পদার্পণের পর মানুষের জীবনে নানা ধরনের অনুভূতি নাড়া দেয়। আর সেই অনুভূতিগুলোর মধ্যে ভার্সিটির প্রথম দিন অন্যতম শ্রেষ্ঠ অনুভূতি।

ছোঁয়ার মনেও ভার্সিটির প্রথম দিন নিয়ে হাজারো অনুভূতি নাড়া দিয়েছিল। কত শত স্বপ্ন নিয়ে দুই বান্ধবী পা রেখেছিল ভার্সিটিতে।

ছোঁয়া আর শশী দুই বেস্ট ফ্রেন্ড। দুজনেই স্কলারশিপের মাধ্যমে চান্স পেয়েছে এই ভার্সিটিতে। চট্টগ্রামের সবচেয়ে নামকরা ভার্সিটি। এই ভার্সিটিতে পড়া প্রতিটি ছেলে-মেয়েরই স্বপ্ন। এখানে চান্স পাওয়াটাও অনেক বড় ভাগ্যের ব্যাপার।

ছোঁয়া বরাবরই খুব ভালো ছাত্রী। গোল্ডেন এ প্লাস পাওয়া ছাত্রী। তার ফলাফল এতটাই ভালো ছিল যে, এইচএসসিতে ছোঁয়া চট্টগ্রাম বোর্ডের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেছিল। তার ফলাফল দেখে বিভিন্ন জেলার বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভর্তির জন্য ডাক এসেছিল। কিন্তু ছোঁয়া তার প্রাণপ্রিয় শহর চট্টগ্রামের বাইরে কোথাও যাবে না।

আর এই ভার্সিটিতে পড়া ছিল ছোঁয়ার স্বপ্ন। তাই যখন এই ভার্সিটি থেকে ভর্তির সুযোগ আসে, তখন কোনো কিছু না ভেবেই সে এখানে ভর্তি হয়ে যায়।

ছোঁয়ার বান্ধবী শশীও একই রকম মেধাবী। সেও চট্টগ্রাম বোর্ডের মধ্যে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে। তাই তার কাছেও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভর্তির সুযোগ এসেছিল। কিন্তু শশীও চট্টগ্রামের বাইরে যাবে না এবং ছোঁয়ার সঙ্গ ত্যাগ করবে না—এই সিদ্ধান্তে একই ভার্সিটিতে ছোঁয়ার সঙ্গে ভর্তি হয়ে যায়।

ক্যান্টিনে বসে বসে ছোঁয়া কল্পনায় বিভোর হয়ে ভাবতে লাগল—আজকের দিনটা এমন না হলেও পারত! কেন তার সাথেই এমন হতে গেল? আর কেউ কি ছিল না?

ছোঁয়ারা যখন ভার্সিটিতে আসে, তখন বিশাল ক্যাম্পাস দেখে দুই বান্ধবী নিজেদের কল্পনা-জল্পনার গল্প করতে করতে ভেতরে ঢুকে পড়ে। এত বড় ভার্সিটির কোন দিকে তাদের ক্লাসরুম, সেটা নিয়ে দুই বান্ধবী চিন্তায় পড়ে যায়। কোন দিকে যাবে বুঝতে না পেরে সামনের দিকে এগোতে থাকে।

হঠাৎ তাদের চোখে পড়ে, একটি শিউলি গাছের নিচে গোল করে শান বাঁধানো উঁচু ঢিবির ওপর বসে আছে চার-পাঁচজন ছেলে-মেয়ের একটি গ্রুপ। সেখানে ছিল তিনজন ছেলে ও দুজন মেয়ে। দেখেই বোঝা যাচ্ছে, তারা বেশ সিনিয়র।

ছোঁয়া আর শশীও সেদিকে এগিয়ে গেল। গিয়ে তাদের উদ্দেশ্যে সালাম দিল।

— আসসালামু আলাইকুম। অনার্স প্রথম বর্ষের ক্লাসরুমটা কোন দিকে, একটু বলতে পারবেন প্লিজ?

ছোঁয়ার কণ্ঠস্বর ভেসে আসতেই গ্রুপের সবাই তাদের দিকে তাকাল। তারপর সবাই সমস্বরে সালামের জবাব দিল।

তাদের মধ্য থেকে সাব্বির জিজ্ঞেস করল,

— কী বলেছ, শুনতে পাইনি। আবার বলো?

— বলেছি, অনার্স প্রথম বর্ষের ক্লাসরুমটা কোন দিকে, একটু বলতে পারবেন প্লিজ?

— ওও, আচ্ছা! তোমরা ফার্স্ট ইয়ারের?

— জি। আসলে আমরা তো আজকে নতুন এসেছি, তাই ক্লাসরুমটা কোন দিকে সেটা বুঝতে পারছি না।

ছোঁয়ার কথা শুনে রোহান একটু মজার ছলে বলে উঠল,

— আহা! তুমি একা নও। ফার্স্ট ইয়ারের সবাই আজকে প্রথম এসেছে। এই যে দেখছো না, আমরা এখানে বসে আছি। কেন বসে আছি জানো?

ছোঁয়ার কাছে তাদের কথা বলার ভঙ্গিটা খুব একটা সুবিধার মনে হলো না। তবুও কিছু করার নেই। একবার যখন তাদের সামনে এসে দাঁড়িয়েছে, শেষ পর্যন্ত কী হয় তা দেখা ছাড়া কোনো উপায় নেই। মাথা নিচু করেই ছোট করে উত্তর দিল,

— না।

তখন সাব্বির হেসে রোহানকে উদ্দেশ্য করে বলল,

— কিরে রোহান, আমরা এখানে কেন বসে আছি যেন?

রোহানও বেশ মজার মুডে আছে। সেও বলল,

— আরে বন্ধু, ফার্স্ট ইয়ারের সুন্দরী সুন্দরী মেয়েদের ভার্সিটিতে স্বাগতম জানাব বলেই তো বসে আছি। সঙ্গে ক্লাসরুমটাও দেখিয়ে দেব।

ছোঁয়া বেশ বুঝতে পারছে, ওরা তাদের সঙ্গে র‍্যাগিং করতে চাইছে। মাথার ওপর বড় ভাই-বোন না থাকলেও র‍্যাগিং সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা আছে তার। প্রতিবেশী বড় আপু-ভাইয়াদের কাছে শুনেছে, সঙ্গে সিনেমা ও টিভি সিরিয়াল তো আছেই।

তাই নিচের দিকে তাকিয়ে শান্ত স্বরে আবার অনুরোধ করল,

— প্লিজ, একটু বলে দিন না ক্লাসরুমটা কোন দিকে? বাকিটা আমরা খুঁজে নিতে পারব।

তখন মাহি ছোঁয়ার কাছে তার নাম জানতে চাইলো,

— নাম কী তোমার?

— ফাইজা আলম ছোঁয়া।

ছোঁয়া নামটা শুনেই তানু অট্টহাসিতে ফেটে পড়ল।

— কী! তোমার নাম ছোঁয়া? ছোঁয়াছুঁয়ি—এটা আবার কেমন নাম? ছোঁয়া মানে কী? কাউকে ছুঁয়ে দেওয়া! এই নামের সঙ্গে সঙ্গে সত্যি কারও মন, শরীর কিছু ছুঁয়ে দাওনি তো আবার? দেখো আবার, এই ভার্সিটিতে এসে সব ছেলেদের মন-প্রাণ ছুঁয়ে দিয়ো না যেন!

তানুর কথা শুনে ছোঁয়া চোখ বন্ধ করে কথাগুলো হজম করে নিল। তানুর এমন কথাবার্তা শুনে আদনান ও মাহি তাকে থামাতে চাইলো। কিন্তু তানু না থেমে কিছু একটা ভেবে হেসে হেসে বলল,

— যাই হোক, মিস ছোঁয়া ছুঁয়ে, কাজের কথায় আসি। আমরা তোমাকে বলতে পারি ক্লাসরুমটা কোন দিকে। তবে একটা শর্ত আছে। যদি মানো, তাহলে আমরা নিজেরাই গিয়ে তোমাদের ক্লাসরুমে পৌঁছে দিয়ে আসব।

এই কথা বলে তানু হাসতে লাগল।

— কী শর্ত?

তানু বলল,

— তোমার নাম তো ছোঁয়া। আই মিন, ইংরেজিতে ‘টাচ’, তাই তো? ‘টাচ’ দিয়ে একটা গান আছে, শুনেছ?

তানু গানের নাম করে তাকে নাচানোর শর্ত দিল। তারপর বলল,

— এই গানে তোমাকে নাচতে হবে। যদি নাচতে পারো, তাহলে আমি নিজে গিয়ে তোমাদের ক্লাসরুমটা দেখিয়ে দেব। কিরে, কী বলিস সবাই? দেখবি নাকি আমাদের মিস টাচ ওরফে ছোঁয়ার নাচ?

তখন সাব্বিরও তালে তাল মিলিয়ে বলল,

— আরে, দেখার জন্যই তো আজকে এখানে বসা। তা তুমি এমনিই নাচতে পারবে, নাকি স্পিকারের ব্যবস্থা করতে হবে?

এদিকে তাদের কথা শুনে ছোঁয়ার রাগ উঠে গেল।

‘এরা বলে কী? এত এত মানুষের সামনে ভরা ক্যাম্পাসে এখন আমি নাচ দেখাব? এদের মাথা কি খারাপ হয়ে গেছে?’

ছোঁয়াকে চুপ থাকতে দেখে সাব্বির আবার বলল,

— কী হলো সুন্দরী? স্পিকারের ব্যবস্থা করব নাকি?

এবার ছোঁয়া রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারল না।

— আপনাদের মাথা খারাপ হয়ে গেছে নাকি? এই ভরা ক্যাম্পাসে এখন আমি নাচ দেখাব আপনাদের? কী আবোল-তাবোল বলছেন, ভেবে বলছেন তো? আমি কোনো নাচ দেখাতে পারব না।

রোহান সাব্বিরকে বলতে লাগল,

— মামা, সুন্দরীর তো দেখছি হেব্বি রাগ!

ছোঁয়া এবার কটমট করে তাকিয়ে বলল,

— রাগের কী দেখেছেন? কিছুই দেখেননি এখনো। আমি নাচব না বলেছি, মানে আমি নাচব না। ব্যস, কথা এখানে শেষ।

তানু বলল,

— তা বললে তো হবে না ময়না। নাচ না দেখালে ক্লাসরুমে যাবে কীভাবে? ক্লাসরুমে যেতে হলে তো আমাদের সাহায্যই লাগবে।

ছোঁয়া রেগে কটমট করতে করতে বলল,

— দরকার নেই আপনাদের সাহায্য। আমরা নিজেরাই খুঁজে নিতে পারব। সামান্য একটা সাহায্য চাইতে এসে যদি নিজের মান-সম্মান জলাঞ্জলি দিতে হয়, তাহলে দরকার নেই এমন সাহায্যের। আপনারা সিনিয়র হয়ে জুনিয়রদের এভাবে স্বাগতম করেন? এভাবে সাহায্য করেন? তাহলে বলব, আপনাদের সাহায্য আপনাদের কাছেই রাখুন। ধন্যবাদ।

এই বলে ছোঁয়া শশীর হাত ধরে তানুর পাশ কাটিয়ে চলে যেতে নিল। ঠিক তখনই তানু পা দিয়ে ল্যাং মেরে দিল ছোঁয়াকে।

ছোঁয়া আচমকা পায়ের সঙ্গে কিছু একটা বাধায় তাল সামলাতে না পেরে মুখ থুবড়ে পড়ে গেল মাটিতে। মাটিতে অনেক কংক্রিটের গুঁড়া এবং ছোট-বড় ভাঙা কাঁচের টুকরো পড়ে থাকায় ছোঁয়ার হাত ও হাঁটুতে বেশ ভালোভাবেই কাঁচের টুকরো ঢুকে গেল।

ছোঁয়া ব্যথায় ‘আহ্’ বলে কুঁকড়ে উঠল।

এদিকে ছোঁয়াকে পড়ে যেতে দেখে গ্রুপের সবাই হুঁ হুঁ করে হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খাওয়ার উপক্রম। এতক্ষণ চারদিক থেকে মানুষজন তামাশা দেখছিল। ছোঁয়াকে পড়ে যেতে দেখে তারাও হাসাহাসি শুরু করে দিল। একজন মানুষও এগিয়ে এসে ছোঁয়াকে তুলল না।

বিষয়টি ছোঁয়ার জন্য অত্যন্ত অপমানজনক ছিল। আঠারো বছর বয়সের মধ্যে এমন অপমানের মুখোমুখি তাকে কখনো হতে হয়নি।

ছোঁয়াকে পড়ে থাকতে দেখে শশী দৌড়ে গিয়ে তাকে টেনে তুলল। লজ্জা, অপমান আর রাগে নিজের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ছোঁয়া তানুর সামনে গিয়ে তার গালে সপাটে একটি চড় বসিয়ে দিল।

সঙ্গে সঙ্গে সবার হাসি থেমে গেল। যেন পুরো ক্যাম্পাসে হঠাৎ নেমে এলো নীরবতা।

এদিকে ক্যাম্পাসে ঢুকেই ছোঁয়ার এমন কাণ্ড দেখে কোনো কিছু যাচাই-বাছাই না করেই আদর ছোঁয়াকে নিজের সামনে ঘুরিয়ে একটি থাপ্পড় মেরে দিল।

তানুকে থাপ্পড় মারার সময় ছোঁয়ার হাতে থাকা কাঁচের টুকরোগুলো আরও গভীরে ঢুকে যায়। একই সঙ্গে তানুর গালও ছোঁয়ার হাতে থাকা কাঁচের টুকরোয় কেটে যায়।

আদর আচমকা থাপ্পড় মারায় তাদের দুজনের কারও নিজের অবস্থার কথা খেয়াল ছিল না।

থাপ্পড় খেয়ে ছোঁয়া নিজের ব্যথা ভুলে গিয়ে কিছুক্ষণ আহাম্মকের মতো দাঁড়িয়ে রইল। পরক্ষণেই কী হয়েছে বুঝতে পেরে বেশ ঝামেলা করল। তারপর রাগে হনহন করে তাদের সামনে দিয়ে ক্যান্টিনের দিকে চলে গেল।

বাইরে থেকে স্বাভাবিকভাবে হাঁটলেও ছোঁয়ার হাত-পায়ের অবস্থা তখন খুব খারাপ। অনবরত রক্ত পড়ছিল। ছোঁয়া যেদিক দিয়ে ক্যান্টিনে হেঁটে গেল, সেই রাস্তায় রক্তের ফোঁটা ফোঁটা দাগ পড়ে একটি লাইন তৈরি হয়ে গেল।


ছোঁয়ার সঙ্গে কী কী ঘটে গেল, এতক্ষণ ধরে আনমনে সেসবই ভাবছিল সে।

এদিকে শশী ছোঁয়ার হাত দুটো ভালোভাবে পানি দিয়ে ধুয়ে ময়লা পরিষ্কার করে তাকে টেবিলে বসাল। নিজেও পাশে বসে পড়ল। তবুও ছোঁয়ার হাতের রক্ত থামছে না।

শশী আস্তে আস্তে ছোঁয়ার হাতের কাঁচের টুকরোগুলো বের করার চেষ্টা করছে। দুই-তিনটি বের করার সময় হাতে ব্যথা অনুভূত হওয়ায় ছোঁয়ার ধ্যান ভাঙল।

শশী এতক্ষণ কী বলেছে, কিছুই ছোঁয়ার কর্ণগোচর হয়নি।

ছোঁয়ার অবস্থা দেখে শশী কাঁদো কাঁদো স্বরে বলল,

— ইশ্ ছোঁয়া, তোর তো হাতের অবস্থা খুব খারাপ। কাঁচ তো একদম ভেতরে ঢুকে গেছে। আমি তো পারছি না বের করতে।

ছোঁয়া খুব শক্ত একজন মেয়ে। তার জায়গায় অন্য কোনো মেয়ে হলে হয়তো চিৎকার করে পুরো ক্যাম্পাস মাথায় তুলে ফেলত। কিন্তু ছোঁয়া শান্ত, চুপচাপ।

তার মুখ দেখলে কেউ বলবে না যে এই মেয়েটার একটু আগেই এমন একটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। উল্টো সে শান্তভাবে শশীকে সান্ত্বনা দিয়ে বলল,

— কাঁদিস না। ঠিক হয়ে যাবে। তুই আস্তে আস্তে বের করার চেষ্টা কর।

শশী তো বেকুব বনে গেল। ছোঁয়ার দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থেকে বলল,

— কিরে ভাই, জখম হয়েছিস তুই। কষ্ট পাচ্ছিস তুই। আর সান্ত্বনা দিচ্ছিস আমাকে?

ছোঁয়া মুচকি হাসল।

শশী আবার বলতে লাগল,

— কেন ওদের সঙ্গে লাগতে গেলি? দেখ, নিজের কী হাল করেছিস। ভার্সিটিতে সিনিয়রদের সঙ্গে লাগার অপরাধে আমাদের সঙ্গে কী কী হতে পারে, তোর কোনো ধারণা আছে? আমরা তাদের চোখে পড়ে গেছি। তারা আমাদের শান্তিতে বাঁচতে দেবে না। যতদিন এখানে থাকব, ততদিন তারা আমাদের সঙ্গে নতুন নতুন কিছু না কিছু করতেই থাকবে। আমার তো ভেবেই অন্তরাত্মা কেঁপে উঠছে।

— থাম তো। ওরা বাঘ নাকি ভাল্লুক? এত ভয় পাচ্ছিস কেন? আমি আছি না! আর ওদের প্রথমে আমি কিছু করেছি নাকি? ওরাই তো আমাকে র‍্যাগিং করেছে। সবার সামনে নাচতে বলেছে। তারপর মেয়েটাও আমাকে যেভাবে ফেলে দিয়েছে, সেগুলো দেখে কি আমি চুপ থাকব? আমাকে তো প্রতিবাদ করতেই হতো। তাই আমি শুধু হালকার ওপর ঝাপসা ডোজ দিয়েছি।

মানুষ বলে না, বাসরঘরে প্রথম রাতেই বিড়াল মারতে হয়। ঠিক সেরকম—ভার্সিটিতে র‍্যাগিং করলে প্রথম দিনেই সিনিয়রকে মারতে হয়। আমি অন্য পাঁচটা মেয়ের মতো নই, এটা প্রথম দিনেই বুঝিয়ে দেওয়া জরুরি ছিল। ওরাও বুঝুক, সবাইকে র‍্যাগিং করা যায় না।

সিনিয়ররা জুনিয়রদের সবসময় মুরগি ভাবে। এবার বুঝতে পারবে, সবাই মুরগি হয় না। কেউ কেউ বাঘিনীও হয়।

সব সময় প্রতিবাদী আর সাহসী মেয়ে হয়ে থাকবি। তাহলে শুধু ওরা কেন, এই ভার্সিটির কেউই কিছু বলার সাহস পাবে না। ভয় পাস না, আমি আছি।

তবে ওই ব্যাটা ঠিক করেনি। কোত্থেকে এসেই থাপ্পড় মেরে দিল! ব্যাটা আস্ত একটা বেয়াদব। ব্যাটাকে আমি পড়ে দেখে নেব, সুযোগ পেলে।

— এই ছোঁয়া, চুপ চুপ! তুই কাকে বেয়াদব বলছিস? তুই জানিস উনি কে?

— কে উনি? কোনো নেতা-খেতার ছেলে নাকি প্রধানমন্ত্রীর ছেলে?

শশী বলল,

— উনি তার থেকে কমও নন। উনার নাম আদর আহমেদ চৌধুরী। এই ভার্সিটির টপার। সঙ্গে রাজনৈতিক দলের লিডার। বর্তমানে এই ভার্সিটিতে মাস্টার্স করছেন। প্রিন্সিপাল স্যারের আদর্শ ছাত্র। সব স্যার-ম্যাডামের প্রিয় ছাত্র। সব জুনিয়র ছেলেদের প্রিয় বড় ভাই। সবাই উনার কথায় ওঠে আর বসে।

তুই যে এখানে বসে বসে উনাকে বেয়াদব বলেছিস, দেখিস, এই কথাটা চোখের পলক ফেলার আগেই উনার কাছে পৌঁছে গেছে। ভাইরাস যেমন বাতাসে ছড়ায়, ঠিক তেমন।

উনার অনেক ক্ষমতা। পুরো ভার্সিটি উনার হাতের মুঠোয়।

ছোঁয়া ভেংচি দিয়ে বলে উঠল,

— এহ্, আসছে আমার আদর আহমেদ বাঁদর! একদম আদর্শ ছাত্র! এই জন্যই তো তার গ্রুপের সবাই একেকটা বদের হাড্ডি। এতই যদি ধোয়া তুলসীপাতা হতো, তাহলে ওইখানে বসে বসে র‍্যাগিং করত না।

এই তুই থাম তো প্লিজ। এত ভয় পাচ্ছিস কেন? আমি আছি না। ওই বাঁদর কী করবে, দেখে নেব।

বাই দ্য রেলওয়ে, উনার নাম তুই কিভাবে জানলি? আর তার সম্পর্কে এত কিছু জানলি কীভাবে? তুই তো আজকেই প্রথম আসলি। তাছাড়া তুই তো আমার সঙ্গেই ছিলি।

— আরে, আমার কাজিন যে এইখানে পড়ে, ভুলে গেছিস নাকি? আপু আদর ভাইয়াদের ক্লাসেই পড়ে। আপুর কাছে কত শুনেছি। ছবিও দেখেছি। শুনেছি ভাইয়া নাকি ভার্সিটির সব মেয়েদের ‘ক্রাশ বয়’। আজকে সরাসরি দেখে আমি নিজেই ক্রাশ খেয়ে ফেলেছি। উফফ! আই অ্যাম জাস্ট ফিদা!

শশীর কথা শুনে ছোঁয়ার রাগ উঠে গেল। ধমক দিয়ে বলল,

— এই বেয়াদব, তুই থামবি? আমার সেবাযত্ন করতে বসেছিস, নাকি ওই আদর আহমেদ বাঁদরের গুণগান গাইতে? আরেকটা উল্টাপাল্টা কথা বললে তোর গালেও একটা থাপ্পড় লাগিয়ে দেব। ঠিকমতো কাজ কর।

ছোঁয়ার ধমক খেয়ে চুপ হয়ে গেল শশী।

হঠাৎ ছোঁয়ার পেছনে তাকাতেই শশী দেখল, আদর তার দলবল নিয়ে ক্যান্টিনে ঢুকছে। আর ঢুকেই তাদের দিকে এগিয়ে আসছে।

তাদের দিকে এগিয়ে আসতে দেখে শশীর চোখ ছানাবড়া। গলা শুকিয়ে যাওয়ার উপক্রম। হাত-পা রীতিমতো কাঁপতে শুরু করেছে।

জিহ্বা দিয়ে নিজের ঠোঁট ভেজাতে ভেজাতে শশী বলল,

— ছোঁয়া, তুই যা যা বলেছিস, সব মনে হয় উনার কানে চলে গেছে। ওই দেখ, আমাদের দিকে এগিয়ে আসছে!

লেখিকা: মমতাজ নাহার মনিকা

.
.
.
.
.

*চলবে...*

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুড়িগ্রামে গরু পাচারের অভিযোগে আজিবরকে আটক করে বিএসএফ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৫৮ এম


কুড়িগ্রামে গরু পাচারের অভিযোগে আজিবরকে আটক করে বিএসএফ

 

 
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী সীমান্ত দিয়ে গরু পাচারের অভিযোগে ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশের পর আজিবর রহমান (২৩) নামে এক বাংলাদেশি যুবককে আটক করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তিনি উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের উত্তর ধলডাঙ্গার কাজিয়ার চর এলাকার বাসিন্দা।
 
সোমবার (১০ আগস্ট) দিনগত মধ্যরাতে আন্তর্জাতিক সীমানা পিলার ৯৮৮-এর নিকটবর্তী কাজিয়ার চরের দোনালার মাথা সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
 
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার মধ্যরাতে কয়েকজন যুবক গরু পাচারের উদ্দেশ্যে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করেন। এ সময় টহলরত বিএসএফ সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে অন্যরা বাংলাদেশে ফিরে আসতে সক্ষম হলেও আজিবর রহমান বিএসএফের হাতে আটক হন।
 
এদিকে ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে আটক আজিবর রহমানকে গরু পাচারের উদ্দেশ্যে ভারতে প্রবেশের বিষয়ে বক্তব্য দিতে দেখা গেছে বলে জানা গেছে। ভিডিওতে তিনি সীমান্ত পার হওয়ার উদ্দেশ্য সম্পর্কে স্বীকারোক্তিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন বলে ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
 
কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়ন (২২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ মাহবুব-উল-হক বলেন, “এক বাংলাদেশি নাগরিক অবৈধভাবে ভারতীয় সীমানায় প্রবেশ করায় বিএসএফ তাকে আটক করেছে। আটক যুবকের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর তাকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।”
 
বিজিবি জানিয়েছে, আটক যুবককে দেশে ফিরিয়ে আনতে বিএসএফের সঙ্গে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%