বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:১৮ পি.এম
ভক্তরা শাহরুখ খান, আলিয়া ভাট এবং রণবীর কাপুরকে একসঙ্গে সিনেমায় দেখতে আগ্রহী। সম্প্রতি একটি নতুন বিজ্ঞাপনে এই তিন বলিউড তারকাকে একত্রে দেখা গেছে। বিজ্ঞাপনটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়েছে। হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
রুংটা স্টিলের নতুন বিজ্ঞাপনে অভিনয় করেছেন শাহরুখ, আলিয়া ও রণবীর। বিজ্ঞাপনের শুরুতে অভিনেতা বিজেন্দ্র কালা তিন তারকাকে নিয়ে একটি মজার পরিকল্পনা করেন। সেখানে তাঁদের অক্ষয় কুমারের জনপ্রিয় ‘হুক্কা বার’ গানের সঙ্গে নাচানোর কথা বলা হয়।
কিন্তু এই পরিকল্পনা তিন তারকার মধ্যে কোনোকারো পছন্দ হয় না। এরপর তাঁরা নিজেদের সিনেমার গল্প ও সংলাপের আদলে বিজ্ঞাপনের আইডিয়া দিতে শুরু করেন।
শাহরুখ প্রথমে তার জনপ্রিয় ‘ডন’ সিনেমার সংলাপের আদলে বলেন, ‘ডনকে ১২ দেশের পুলিশ ঘিরে রেখেছে, কিন্তু তার বাড়ি ভাঙতে পারছে না, কারণ সেটি রুংটা টিএমটি বারে তৈরি।’
শাহরুখের এই কথার পর রণবীর মজা করে বলেন, ‘এই বিজ্ঞাপন সহ্য করা কঠিনই নয়, অসম্ভব।’ এরপর তিনি নিজের ‘রকস্টার’ সিনেমার কথা মনে করিয়ে একটি বিজ্ঞাপনের গল্প বলেন।
এরপর আলিয়াও তার সিনেমা ‘জিগরা’র প্রসঙ্গ টেনে একটি আইডিয়া দেন। তার গল্পে এক মেয়ের ভাই জেলে রয়েছে। কিন্তু জেলটি টিএমটি বারে তৈরি হওয়ায় মেয়েটি সেটি ভাঙতে পারছে না।
আলিয়ার এই আইডিয়া শুনে শাহরুখ মজা করে বলেন, ‘এটা দেখার জিগরা কারও নেই।’
শেষ পর্যন্ত তিন তারকাকেই অক্ষয় কুমারের ‘হুক্কা বার’ গানের সঙ্গে নাচতে দেখা যায়।
বিজ্ঞাপনটি প্রকাশের পর ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়ে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই তিন তারকার রসায়নের প্রশংসা করেছেন। কেউ কেউ সরাসরি তাদের একসঙ্গে একটি সিনেমায় অভিনয় করানোর দাবি জানিয়েছেন।
এর আগে শাহরুখ ও আলিয়া ২০১৬ সালের ‘ডিয়ার জিন্দেগি’ সিনেমায় একসঙ্গে অভিনয় করেছেন। তবে শাহরুখ ও রণবীরকে এখনো কোনো সিনেমায় একসঙ্গে দেখা যায়নি। তাই নতুন বিজ্ঞাপনে তিনজনকে একসঙ্গে দেখে আবারও তাদের বড় পর্দায় একসঙ্গে দেখার দাবি তুলেছেন ভক্তরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতারা ভারতজুড়ে নতুন আন্দোলন শুরু করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তারা বলেছেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার যদি আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগ না করেন, তাহলে দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু হবে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার আন্দোলনের নেতারা এই ঘোষণা দেন।
একদিন আগে দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের একটি প্রতিবেদনে ভারতের নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে মতপার্থক্যের বিষয়টি তুলে ধরা হয়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার অন্তত ১৪ বার বিভিন্ন বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বা প্রশ্ন তুলেছেন।
এই উদ্বেগের বেশিরভাগই গত বছর শুরু হওয়া ভোটার তালিকা হালনাগাদের প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত এবং এসব বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে তাদের মতপার্থক্য সৃষ্টি হয়েছে।
তবে ভারতের নির্বাচন কমিশন জানায়, যেকোনো প্রতিষ্ঠানে মতপার্থক্য থাকা স্বাভাবিক। কমিশন আরও জানায়, তাদের সব কার্যক্রম আইন অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অধিকৃত পশ্চিম তীরে বার্ষিক জলপাই সংগ্রহের মৌসুম শুরু হতে কয়েক দিন আগে ফিলিস্তিনিদের জলপাই গাছ উপড়ে ফেলার অভিযোগ ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রামাল্লার নিকটবর্তী একটি গ্রামে বুলডোজার ব্যবহার করে গাছগুলো ধ্বংস করা হয়।
গ্রামের জলপাই বাগানের মালিক আবদ আলফাত্তাহ তামিমী জানান, ‘তিনি নিজের চোখের সামনে একটি সামরিক বুলডোজারকে তার একটি জলপাই গাছের ওপর দিয়ে চালিয়ে যেতে দেখেছেন। এরপর বুলডোজারটি মাটির নিচ থেকে গাছটির শিকড়ও উপড়ে ফেলে। এই দৃশ্য দেখে গ্রামবাসীরা ধ্বংস হয়ে যাওয়া গাছগুলোর সামনে শোক প্রকাশ করেন।’
তামিমী আরও বলেন, ‘নতুন লাগানো গাছসহ তাদের ও প্রতিবেশীদের সমস্ত জলপাই গাছ উপড়ে ফেলা হয়েছে। তাদের প্রায় ৯ একর জমিতে এসব জলপাই গাছ ছিল। তিনি অভিযোগ করেন, ‘তারা আমাদের কিছুই দেয়নি।’
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা এ বিষয়ে রয়টার্সের প্রশ্ন পর্যালোচনা করছে। তবে বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত তাদের পক্ষ থেকে কোনো জবাব আসেনি। এর আগে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী নিরাপত্তা ঝুঁকি ও সৈন্যদের ওপর হামলা ঠেকাতে কিছু এলাকায় জলপাই গাছ সরানোর প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছে। তবে ফিলিস্তিনি মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই যুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছে।
ফিলিস্তিনি মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, জলপাই গাছ ধ্বংসের ফলে কৃষকরা জলপাই ও জলপাই তেল বিক্রির আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এ ছাড়া, এসব গাছ ফিলিস্তিনিদের জমি ও ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত হয়।
ফিলিস্তিনে সাধারণত অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে জলপাই সংগ্রহ শুরু হয়। জলপাই খাত দেশটির কৃষির অন্যতম প্রধান ভিত্তি।
ফিলিস্তিনি কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এটি জিডিপির প্রায় ৮ শতাংশ এবং ৬০ হাজারের বেশি কর্মসংস্থানের সঙ্গে যুক্ত। এ বছর জলপাই সংগ্রহের মৌসুম নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। ফিলিস্তিনি কর্মী ও কৃষকদের আশঙ্কা, ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের হামলা বাড়ায় ফসল সংগ্রহের সময় নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
রামাল্লার কাছে দেইর নিজাম গ্রামের জমির মালিক নাথের তামিমী জানান, ফসল কাটার ঠিক আগে জলপাই গাছ নষ্ট হওয়ায় ক্ষতি বেশি হয়েছে। তিনি বলেন, নিজের ও ভাইদের বাগান থেকে প্রতি মৌসুমে প্রায় ১২০ ড্রাম জলপাই তেল উৎপাদন করেন। তিনি অভিযোগ করেন, ‘তারা সব জায়গার গাছ উপড়ে ফেলেছে, এমনকি বাড়িগুলোর মাঝখানের গাছও।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : রাজধানীর বনানী থানার অস্ত্র আইনের মামলায় সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানির তারিখ আগামী ২৬ অক্টোবর নির্ধারণ করেছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার মামলার অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য নির্ধারিত ছিল। কিন্তু ঢাকার বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মঈন উদ্দিন চৌধুরী ছুটিতে থাকায় আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মোসাদ্দেক মিনহাজ অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য ২৬ অক্টোবর তারিখ নির্ধারণ করেন।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, আনিসুল হক বনানী থানার অধীনে নিজের নামে লাইসেন্সপ্রাপ্ত একটি পিস্তলের মালিক। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট পর্যন্ত ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য দেওয়া সব আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স স্থগিত করে ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অস্ত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়।
তবে আনিসুল হক ২০২৫ সালের ৫ মে পর্যন্ত তার লাইসেন্সকৃত অস্ত্রটি থানায় জমা দেননি এবং থানাকে অবহিতও করেননি। তার ঠিকানায় গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি এবং অস্ত্র জমা সম্পর্কে কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি। তিনি গুলি কিনেছেন, এমন তথ্যও পাওয়া যায়নি।
এর ফলে তিনি ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ১৯(১) ধারায় অপরাধ করেছেন।
এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ২৪ মে বনানী থানায় আনিসুল হকের বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলাটি দায়ের করেন ওই থানার এসআই মো. জানে আলম দুলাল। তদন্ত শেষে আনিসুল হককে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন পুলিশ।
২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট গোপন তথ্যের ভিত্তিতে নৌপথে পলায়নরত অবস্থায় রাজধানীর সদরঘাট এলাকা থেকে আইনমন্ত্রী আনিসুল হককে গ্রেফতার করা হয়। বর্তমানে তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের মৃত্যুর ঘটনায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় গ্রেপ্তার সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলামকে ফের ৪ দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকালে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিপন হোসেনের আদালত এই আদেশ প্রদান করেন।
চার দিনের রিমান্ড শেষে আসামি নজরুলকে আদালতে হাজির করে পুনরায় জিজ্ঞেসাবাদের জন্য সাত দিন রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির পরিদর্শক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, জিজ্ঞাসাবাদে নজরুল জানিয়েছেন মরিয়ম আবেগপ্রবণ ছিলেন এবং পারিবারিক বিভিন্ন সমস্যার কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। মামলার ‘মূল রহস্য’ উদঘাটনে নজরুলকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। মামলাটি চাঞ্চল্যকর হওয়ায় সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের জন্য তাকে আরও বিস্তারিত ও নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা একান্ত প্রয়োজন।
এদিন বিকেল সোয়া চারটার দিকে তাকে পুলিশি পাহাড়ায় আদালতে তোলা হয়। পরে রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশিদ রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। অপরদিকে গাজী নজরুলের পক্ষে তার আইনজীবী মো মাহবুবুর রহমানসহ অনেকে রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন শুনানি করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত এ আদেশ দেন।
শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা আদালতকে জানান, উনি হার্টের রোগী রিং পড়ানো, ন্যাম ভবনে বসবাস করে পালানোর সুযোগ নেই চারদিনের রিমান্ডে কোনো অগ্রগতি নেই। সুতরাং তাকে রিমান্ড আবেদন বাতিল করে জামিন দেওয়া হোক।
গত ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সংসদ ভবনের উল্টো দিকের ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর রাতে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। রাতেই আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম, তার স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম ও নিহতের মামা ওবায়দুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করেন মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ।
পরদিন শেরেবাংলা নগর থানার এসআই মো. শামসুজ্জোহা সরকারের আবেদনে গাজী নজরুল ইসলামকে চারদিন ও মাকছুদা বেগমের একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। সেদিন রাতেই মামলার তদন্তভার গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। রিমান্ড শেষে মাকছুদা বেগমকে গত মঙ্গলবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গত বুধবার এই মামলায় গ্রেপ্তার ওবায়দুর রহমানকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ