ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

বিসিবি ছাড়ার কারণ জানালেন শন টেইট


বিসিবি ছাড়ার কারণ জানালেন শন টেইট

অস্ট্রেলিয়ার সাবেক গতিতারকা শন টেইট বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ফাস্ট বোলিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব ছাড়ার কারণ ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, সিদ্ধান্তটি হঠাৎ নেওয়া হয়নি; এটি দীর্ঘদিন ধরে ভেবেচিন্তেই নেওয়া হয়েছে। মূলত, পরিবারের সঙ্গে আরও বেশি সময় কাটানোর প্রয়োজন অনুভব করেছেন তিনি।

পাকিস্তানভিত্তিক ক্রিকেটবিষয়ক ওয়েবসাইট পাকপ্যাশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, অনেকের কাছে তার পদত্যাগ অস্বাভাবিক মনে হতে পারে। কেউ কেউ ভাবতে পারেন, তিনি দলকে মাঝপথে ছেড়ে চলে গেছেন। কিন্তু এক বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ দলের সঙ্গে কাজ করার পর, এখন তার জন্য পরিবারের পাশে থাকা সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হয়ে দাঁড়িয়েছে।

টেইট জানান, অস্ট্রেলিয়ায় তার আট বছর বয়সী একটি মেয়ে রয়েছে। তাই মেয়ের বেড়ে ওঠার গুরুত্বপূর্ণ সময়ে পাশে থাকতে চান বলেই তিনি এই সিদ্ধান্তটি নিয়েছেন। তার ভাষায়, আন্তর্জাতিক দলের কোচিং করাতে গেলে বছরের প্রায় ১০ মাস দেশ থেকে বাইরে থাকতে হয়, যা তার পারিবারিক জীবনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

আরও পড়ুন: সাভারে শ্রমিক আন্দোলনের সংবাদ সংগ্রহকালে তিন সাংবাদিকের ওপর হামলা

তিনি আরো বলেন, এর মানে এই নয় যে তিনি কোচিং ছেড়ে দিচ্ছেন। ভবিষ্যতে কোচিং করাতে চান, তবে এমন কোনো দায়িত্বে যেখানে পুরো বছর ব্যস্ত থাকতে হবে না। বিশেষ করে একটি সংস্করণ, যেমন টি-টোয়েন্টি বা ওয়ানডে, কাজ করার সুযোগ পেলে সেটি তার প্রথম পছন্দ হবে।

বিসিবির সঙ্গে বিকল্প কোনো সমঝোতার সুযোগ ছিল কি না, সে বিষয়ে টেইট বলেন, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছিল এবং তিনি আগ্রহী ছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনো সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।

পরিবারের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, যদি তার মেয়ের বয়স ২০ বছর হতো, তাহলে হয়তো পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারত। কিন্তু এখন মেয়ের জীবনের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বাবার উপস্থিতিকেই তিনি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন।

আরও পড়ুন: আলমগীর হোসেনকে জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদ বায়োজেনের

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘এটা পাতানো ম্যাচ, বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ায় আর্জেন্টিনাকে আগাম অভিনন্দন’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫৫ এম


‘এটা পাতানো ম্যাচ, বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ায় আর্জেন্টিনাকে আগাম অভিনন্দন’

রেফারিং নিয়ে ক্ষুব্ধ মিশর, আর্জেন্টিনার বিপক্ষে শেষ ১৬–এর ম্যাচে ৩-২ গোলের নাটকীয় হারের পর। মিশরের ফরোয়ার্ড মোস্তফা জিকোর দাবি, 'পাতানো' ছিল ম্যাচটি, কারণ বেশ কয়েকটি বিতর্কিত সিদ্ধান্ত রেফারি তার দলের বিপক্ষে নিয়েছেন।

বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম বড় অঘটন ঘটানোর পথে ছিল মিশর আটলান্টা স্টেডিয়ামে। ম্যাচের প্রায় ৮০ মিনিট ধরে তারা ২-০ গোলে এগিয়ে ছিল, কিন্তু বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা অসাধারণভাবে ঘুরে দাঁড়ায়। যোগ করা সময়ে এনজো ফার্নান্দেজের জয়সূচক গোলে ৩-২ ব্যবধানে জয়ী হয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে যায় আর্জেন্টিনা।

ম্যাচের কয়েকটি বিতর্কিত মুহূর্তে জিকো ছিলেন অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু। তার করা একটি গোল ভিএআরের সহায়তায় বিল্ড-আপে ফাউলের কারণে বাতিল করা হয়। এদিকে, ফার্নান্ডেজের জয়সূচক গোলের ঠিক আগে পেনাল্টি বক্সে মোহাম্মদ সালাহকে ফেলে দেওয়ার দাবি করলেও রেফারি পেনাল্টি দেননি।

ম্যাচ শেষে ক্ষুব্ধ জিকো মন্তব্য করেন, 'এটি একটি পাতানো ম্যাচ ছিল। এটি আমাদের দোষ নয়। সেই রেফারি... মনে হচ্ছে ঠিক যেন ম্যাচটি আগেই নির্ধারিত ছিল। আমরা ২-০ গোলে এগিয়ে ছিলাম, তারপরও তিনি আমাদের বিপক্ষে একের পর এক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আর্জেন্টিনাকে আরেকটি বিশ্বকাপ জয়ের আগাম অভিনন্দন জানাই—এটা মনে হচ্ছে। আমরা ভেবেছিলাম, ম্যাচ শেষ হয়নি। জানতাম, আমরা বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মুখোমুখি।'

তিনি আরও বলেন, 'রেফারির পারফরম্যান্স ছিল অসন্তোষজনক, তিনি অন্যায় করেছেন। তার পক্ষপাত স্পষ্ট ছিল। ম্যাচের শুরু থেকেই তিনি আমাদের বিপক্ষে ছিলেন। তিনি চাননি, আমরা জিতি। ম্যাচ শুরুর আগেই জানতাম, আমরা শক্তিশালী এবং শিরোপার প্রধান দাবিদারের বিপক্ষে খেলছি। কিন্তু যদি তারা নিজেদের যোগ্যতায় জিততো, তবে বিষয়টা ভিন্ন হত।'

তবে বিতর্কিত সিদ্ধান্তের জন্য মিশরের বিদায় হয়ে গেছে, এমনটা বলা যাবে না।

নির্ধারিত সময় শেষ হতে মাত্র ১২ মিনিট (এবং ইনজুরি টাইম) বাকি থাকতে তারা ২-০ গোলে এগিয়ে ছিল। এত বড় লিড ধরে রাখতে না পারার দায় তবে তাদেরও। বিতর্ক থাকলেও, বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে এমন সুবিধাজনক অবস্থান থেকে ম্যাচ হারানোর জন্য মিশর নিজেদেরও দায় এড়াতে পারে না।

নিজের প্রথম গোল বাতিল হওয়ার হতাশা কাটিয়ে জিকো পরে আবার গোল করে মিশরকে পুনরায় দুই গোলের ব্যবধানে এগিয়ে দিয়েছিলেন।

কিন্তু শেষ পর্যন্ত লিওনেল মেসি আবারও প্রমাণ করেছেন কেন তাকে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় বলা হয়। আর্জেন্টিনা অধিনায়কের অনুপ্রেরণায় টানা তিনটি গোল করে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন সম্পন্ন করেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা, এবং হৃদয়ভাঙা বিদায় নিতে হয়েছে মিশরকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বৃষ্টি উপেক্ষা করে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বাঁধভাঙা উল্লাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫৭ এম


বৃষ্টি উপেক্ষা করে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বাঁধভাঙা উল্লাস

মধ্যরাতের টানা বৃষ্টি থামাতে পারেনি আর্জেন্টিনা সমর্থকদের উচ্ছ্বাস। প্রিয় দলের জয় নিশ্চিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় রাস্তায় নেমে আসেন শত শত সমর্থক। বৃষ্টিতে ভিজেই তারা মিছিল, স্লোগান ও মোটরসাইকেল শোভাযাত্রার মাধ্যমে বিজয় উদযাপন করেন।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দিবাগত রাতে পৌর শহরের সড়ক বাজার, আখাউড়া রেলস্টেশন, স্টেশন সড়কসহ বিভিন্ন এলাকায় সমর্থকদের আনন্দ-উল্লাস করতে দেখা যায়। হাতে আর্জেন্টিনার জাতীয় পতাকা নিয়ে তারা ‘আর্জেন্টিনা, আর্জেন্টিনা’ স্লোগানে মুখর করে তোলেন পুরো এলাকা। অনেকেই মোটরসাইকেল বাহনে অংশ নিয়ে হর্ন বাজিয়ে বিজয়ের আনন্দ প্রকাশ করেন।

প্রবল বৃষ্টির মধ্যেও ছাতা ছাড়াই অসংখ্য সমর্থককে উল্লাসে মেতে উঠতে দেখা যায়। কেউ নেচে-গেয়ে আনন্দ প্রকাশ করেন, আবার কেউ বন্ধুদের সঙ্গে ছবি ও ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেন।

আর্জেন্টিনা সমর্থক জিয়াউল ইসলাম সানি বলেন, আর্জেন্টিনা আমাদের ভালোবাসার দল। দলের জয় মানেই আমাদের জন্য উৎসব। তাই বৃষ্টি কোনো বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। এই আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।

আরেক সমর্থক ফজলে রাব্বি বলেন, ম্যাচ শেষ হওয়ার পরই আমরা বন্ধুদের নিয়ে রাস্তায় নেমে পড়ি। বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে বিজয় উদযাপনের এই মুহূর্তটি আমাদের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

সমর্থক তাজবীর আহমেদ বলেন, আর্জেন্টিনার প্রতিটি জয় আমাদের আবেগের সঙ্গে জড়িয়ে আছে। তাই গভীর রাত আর টানা বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে আমরা প্রিয় দলের বিজয় উদযাপন করেছি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা মেডিকেল পরিদর্শন ঘিরে উচ্ছ্বসিত সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫৯ এম


প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা মেডিকেল পরিদর্শন ঘিরে উচ্ছ্বসিত সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) ও হাসপাতালের ৮০ বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আগামী শনিবার (১১ জুলাই) প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

পরিদর্শনকালে তিনি স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘২০ হোস্টেল প্রকল্প’-এর আওতায় দু’টি ছাত্রী হোস্টেলের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। এছাড়া, বৃক্ষরোপণ এবং এক আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করবেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমানও উপস্থিত থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রীর এই পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। বর্তমানে নানা প্রস্তুতি চলছে। সাবেক এবং বর্তমান শিক্ষার্থীরা এই পরিদর্শনকে মিলনমেলার সঙ্গে তুলনা করছেন।

তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমন ডিএমসিয়ান পরিবারকে উচ্ছ্বসিত করেছে। এ সফরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও তারা আশা প্রকাশ করেন।

শিক্ষার্থীদের মতে, দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী এ প্রতিষ্ঠান নানা সংকটেও নীরবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর এই আগমন শিক্ষক, শিক্ষার্থী, চিকিৎসক ও কর্মকর্তাদেরও আরও উৎসাহিত করবে। একইসঙ্গে, প্রতিষ্ঠানের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমানের উপস্থিতি তাদের কাছে বিশেষ আনন্দের বিষয়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এবং বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা -কে বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ দেশের একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ, ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানেও এ প্রতিষ্ঠানের অবদান অত্যন্ত অবিস্মরণীয়।

তিনি আরও বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ঢাকা মেডিকেলের অবকাঠামোগত উন্নয়নে বহু পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রিয় ক্যাম্পাসে আসছেন, যা আমাদের জন্য অত্যন্ত আবেগঘন এবং আনন্দের।

ঢামেক শাখা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. বেলাল হোসেন নাজিম বলেন, ‘দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিরলস কাজ করার অঙ্গীকার আমাদের অনুপ্রাণিত করে। বর্তমান সরকারের প্রতিটি পদক্ষেপ সুপরিকল্পিত এবং আধুনিক। ঢাকা মেডিকেলে প্রধানমন্ত্রীর আগমন শিক্ষার্থী, শিক্ষক, চিকিৎসক, নার্স এবং কর্মকর্তাদের আরও অনুপ্রাণিত করবে বলেই আমি বিশ্বাস করি।’

ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্র সংসদর সাবেক সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এবং কার্ডিওলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. মাহমুদুর রহমান নোমান বলেন, ‘আগামী ১১ জুলাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আগমন ডিএমসিয়ানদের জন্য গৌরব, আবেগ এবং নতুন আশার বার্তা নিয়ে আসবে। এই আয়োজন আমাদের ঐতিহ্যকে নতুনভাবে তুলে ধরবে এবং তরুণ প্রজন্মকে দায়িত্বশীল নেতৃত্বে উদ্বুদ্ধ করবে।’

তিনি বলেন, ২০০১-০২ সালে ঢামেকসুর সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালনকালে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের কর্মস্পৃহা তাকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল।

ঢামেক শাখা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডা. বাদশা বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ শুধু দেশের সর্ববৃহৎ চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই নয়, প্রতিটি জাতীয় সংকট, দুর্যোগ, গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং মানবিক বিপর্যয়ে মানুষের আস্থার প্রতীক হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ছাত্রদলের একজন সাবেক কর্মী এবং এই প্রতিষ্ঠানের সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং তাঁর সহধর্মিণীর ঢাকা মেডিকেল পরিদর্শনকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাই।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও এই প্রতিষ্ঠানের সাবেক শিক্ষার্থী। এ সফরের মাধ্যমে ঢাকা মেডিকেলের চিকিৎসা, শিক্ষা, গবেষণা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন আরও বেগবান হবে এবং দেশের স্বাস্থ্যখাতকে আধুনিক, মানবিক ও জনমুখী করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এমবিবিএস কোর্সের পঞ্চম বর্ষের শিক্ষার্থী মো. সাকিবুল হাসান বাসস’কে বলেন, ‘নিজ ক্যাম্পাসে প্রধানমন্ত্রীকে পেয়ে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। এ সুযোগে স্বাস্থ্যখাতের বিভিন্ন সমস্যা ও উন্নয়ন সংক্রান্ত বিষয় তাঁর কাছে সরাসরি তুলে ধরতে পারব। আমরা বিশ্বাস করি, তিনি বিষয়গুলো গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করবেন এবং অন্যান্য খাতের মতো স্বাস্থ্যখাতকেও আরও এগিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবেন।’

উল্লেখ্য, ঢাকা মেডিকেল কলেজ ১৯৪৬ সালের ১০ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয়। রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত এ সরকারি মেডিকেল কলেজ বর্তমানে দেশের অন্যতম শীর্ষ চিকিৎসাবিজ্ঞান বিষয়ক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এখানে স্নাতক পর্যায়ে পাঁচ বছর মেয়াদি এমবিবিএস এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ে চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি প্রদান করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্থানীয় নির্বাচনে ১২ ফেব্রুয়ারির অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায় নির্বাচন কমিশন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:০৫ এম


স্থানীয় নির্বাচনে ১২ ফেব্রুয়ারির অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায় নির্বাচন কমিশন

প্রেক্ষাপট আলাদা হলেও আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনে জাতীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতা ব্যবহার করতে চায় নির্বাচন কমিশন। ভোটকেন্দ্র স্থাপন থেকে শুরু করে সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে কাজ করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

বুধবার (৮ জুলাই) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে নির্বাচন নিয়ে বিদেশি বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সংলাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা উল্লেখ করেন।

এসময় ইউরোপীয় ইউনিয়নের অবজারভেশন মিশনের সুনির্দিষ্ট ১৯টি প্রস্তাবনার কথা জানিয়ে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, নির্বাচন কমিশন পরামর্শগুলোকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছে। একইসাথে, সামনের দিনগুলোতে ইইউর সঙ্গে বিষয়গুলো সুষ্ঠুভাবে সমন্বয় করা হবে।

তিনি আরও জানান, ইতোমধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিধিমালায় কাজ চলছে। ইসির দক্ষতা এবং পর্যবেক্ষকদের প্রস্তাবিত বিষয়গুলো সঠিকভাবে আমলে নিলে সামনে ভালো কিছু সম্ভব হবে।

এসময় ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থায় আগামীতেও সম্পৃক্ত থাকতে চায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন। তারা নারী, সংখ্যালঘু ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে কীভাবে আরও বেশি নির্বাচনব্যবস্থায় সম্পৃক্ত করা যায়, সেটি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%