ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে পুলিশের এএসআইয়ের মরদেহ উদ্ধার


রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে পুলিশের এএসআইয়ের মরদেহ উদ্ধার

নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পর কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) রুবেল হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার (৮ আগস্ট) ভোরে ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) ইরানি পাহাড় পুলিশ ক্যাম্পের ওয়াশরুম থেকে তার মরদেহ পাওয়া যায়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ১৪ এপিবিএনের অধিনায়ক সিরাজ আমিন জানান, ইরানি পাহাড় পুলিশ ক্যাম্পে কর্মরত এএসআই রুবেল হোসেনকে শুক্রবারের রোলকলে অনুপস্থিত পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন: ইনানীতে ৪২ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে আগুন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি

পরবর্তী সময়ে ক্যাম্পের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন এবং তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

এরপর শনিবার ভোরে ক্যাম্পে কর্মরত বাবুর্চি শরীফ রান্না করার উদ্দেশ্যে ওয়াশরুমে যেতে চাইলে তিনি ওয়াশরুমের দরজা বন্ধ দেখতে পান।

তিনি দরজায় ধাক্কা দিলেও ভেতর থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

দরজা ভেতর থেকে লক করা থাকায় বাবুর্চি শরীফ ওয়াশরুমের জানালা দিয়ে দেখতে গেলে ভেতরে একজন ব্যক্তিকে পড়ে থাকতে দেখেন।

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৯ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা প্রত্যাহার, নতুন কর্মকর্তাদের নিয়োগ

ক্যাম্পের কয়েকজন সদস্য জানালা দিয়ে দেখলে এএসআই রুবেল হোসেনকে ওয়াশরুমের ভেতরে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়।

তিনি আরো জানান, উখিয়া থানা পুলিশের সহায়তায় দেহ উদ্ধার করা হয়।

ডাক্তারের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, তিনি ওয়াশরুম ব্যবহার করার সময় স্ট্রোক করে ওয়াশরুমের ভেতরে মারা যেতে পারেন।

মৃত্যুর সঠিক কারণ সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও আইনগত তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

আরও পড়ুন: নওগাঁয় ভাড়া বাসায় জাল টাকার কারবার, ডিবির হাতে গ্রেপ্তার জব্বার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তুরস্কের ক্লাবে যোগ দিয়েই জমি উপহার পেলেন সালাহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:২৩ পি.এম


তুরস্কের ক্লাবে যোগ দিয়েই জমি উপহার পেলেন সালাহ

লিভারপুলের সঙ্গে দীর্ঘ অধ্যায়ের ইতি টেনে নতুন ঠিকানা গড়েছেন মোহাম্মদ সালাহ। ইউরোপে থাকার ইচ্ছা থেকেই সৌদি আরবের বিপুল অর্থের প্রস্তাব ফিরিয়ে তিনি তুরস্কের ক্লাব ট্রাবজোনস্পরকে বেছে নিয়েছেন।

নতুন ক্লাবে যোগ দেওয়ার পর ভক্ত-সমর্থকদের ভালোবাসায় নিজেকে সিক্ত করছেন সালাহ। রাজকীয় সংবর্ধনার মাধ্যমে তাকে স্বাগত জানিয়েছে ট্রাবজোনস্পরের সমর্থকেরা। মাঠের পারিশ্রমিকেও রয়েছে বড় অঙ্কের অর্থ। দুই বছরের চুক্তিতে, প্রতি মৌসুমে সালাহ প্রায় ২৪২ কোটি ৮৬ লাখ ২০ হাজার টাকা পাবেন। এর ফলে তিনি তুরস্কের সুপার লিগে সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া ফুটবলারও হয়ে উঠেছেন।

এর আগেও এই রেকর্ডটি ছিল ভিক্টর ওসিমেনের দখলে। গত মৌসুমে, ১ কোটি ৫০ লাখ ইউরোর চুক্তিতে নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ডকে দলে নিয়ে গ্যালাতাসারাই, বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ২১৪ কোটি ২৯ লাখ টাকা।

তবে অর্থ এবং ভালোবাসার পাশাপাশি, তুরস্কে গিয়ে সালাহ আরও একটি বিশেষ উপহারও পেয়েছেন। তাঁকে একটি জমি উপহার দিয়েছেন ট্রাবজোনের আরাকলি শহরের মেয়র হুসেইন আভনি কোশকুন চেবি, বাড়ি নির্মাণের জন্য।

সালাহকে জমি উপহারের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মেয়র তুরস্ক ও মিশরের মধ্যে মিলের কথাও তুলে ধরেন। তিনি জানান, 'দুই দেশের মধ্যে অনেক মিল রয়েছে। দুটো দেশই খুব সুন্দর। তবে মানুষজন দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করছে।'

এরপর বৈশ্বিক উষ্ণায়নের বিষয়টি তুলে ধরে সালাহকে জমি দেওয়ার কথা জানান চেবি। তাঁর ভাষ্য ছিল, 'গ্লোবাল ওয়ার্মিং পুরো বিশ্বের জন্য এক বড়ই হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে। ভবিষ্যতে, অতিরিক্ত গরমের কারণে মিশরে বসবাস করা কঠিন হয়ে পড়তে পারে। তবে সে সময় আমাদের এলাকাটি বসবাসের জন্য খুবই উপযোগী থাকবে।'

তিনি আরও জানান, 'বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাব সবচেয়ে কম পড়বে এমন জায়গাগুলোর মধ্যে এটি একটি হবে। তাই আমি আপনাকে এখানে সুন্দর একটি জমি দিচ্ছি। আপনার সন্তান ও নাতি-নাতনিদের জন্য এটি একটি চমৎকার জায়গা হতে পারে। এখানে পানির কোনো অভাব থাকবে না এবং বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাব থেকেও মুক্ত থাকবে।'

মেয়রের এমন উপহারে আপ্লুত সালাহও তাঁকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তুরস্কের ক্লাবটির সঙ্গে দুই বছরের চুক্তি করা এই তারকা মেয়রকে প্রতিউত্তরে বলেন, 'ধন্যবাদ।'

নতুন ক্লাবে যোগ দেওয়ার শুরুতেই রাজকীয় অভ্যর্থনা, রেকর্ড পারিশ্রমিকের পাশাপাশি এমন ব্যতিক্রমী উপহার সব মিলিয়ে তুরস্কে সালাহর নতুন অধ্যায়টি হয়েছে বেশ জমকালোভাবেই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিয়ের পাঁচ মাসেই বিচ্ছেদের গুঞ্জন, অবশেষে মুখ খুললেন অভিনেতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:২৫ পি.এম


বিয়ের পাঁচ মাসেই বিচ্ছেদের গুঞ্জন, অবশেষে মুখ খুললেন অভিনেতা

ভালোবাসা দিবসে তাদের বিবাহ হয়। দেখতে দেখতে পাঁচ মাস কেটে গিয়েছে। তবে এর মধ্যেই সংসার ভাঙার গুঞ্জনে আলোচনায় আছেন পশ্চিমবঙ্গের তারকা জুটি রণজয় বিষ্ণু এবং শ্যামৌপ্তি মুদলি। সম্প্রতি শোনা যাচ্ছে, তাদের দাম্পত্য জীবনে নাকি টানাপোড়েন চলছে। এমনকি তাদের আলাদা থাকার অনুভূতিও ছড়িয়ে পড়েছে।

এখনো পর্যন্ত, এই বিষয় নিয়ে দুজনের কেউই প্রকাশ্যে কিছু জানাননি। তবে বিচ্ছেদের গুঞ্জন ক্রমেই জোরালো হতে থাকায়, অবশেষে মুখ খুলেছেন রণজয়।

বৃহস্পতিবার, শুটিং সেট থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তায় তিনি নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ছড়িয়ে পড়া নানা আলোচনা ও কাদা ছোড়াছুড়িতে হতাশা প্রকাশ করেন।

রণজয় বলেছেন, কখনো মনে করেননি যে, তাকে প্রকাশ্যে এ সম্পর্কে কথা বলতে হবে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ভালোবেসেই তারা বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনের আলোচনা নিয়ে তিনি আগ্রহী নন। পাশাপাশি জানিয়ে দেন, চলমান পরিস্থিতি তাকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তুলছে।

শ্যামৌপ্তিকে নিয়ে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন মন্তব্যের বিরুদ্ধেও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন রণজয়। তিনি বলেন, “একজন নারীকে নিয়ে কথা বলার আগে সবার একটু ভাবা উচিত।” তিনি যোগ করেন যে, শ্যামৌপ্তির সম্পর্কে বলা এসব কথা তার প্রাপ্য নয়।

দাম্পত্য জীবনে কী ঘটেছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। বরং, বিষয়টি নিজেদের মধ্যেই সমাধান করার আহ্বান জানিয়েছেন রণজয়। তার কথায়, “তারা বিয়ে করেছেন এবং নিজেদের মধ্যে যা কিছু ঘটুক, তা তারা নিজেরাই বুঝে নেবেন। কারো কাছে নিজেদের সম্পর্কের প্রমাণ দেওয়ার কোনো দায়িত্ব তাদের নেই।”

আবেগঘন কণ্ঠে রণজয় অনুরোধ করেছেন যে, তাদের নিজেদের মতো করে বাঁচতে দেওয়া হোক। তিনি উল্লেখ করেন, এত মিথ্যা রটনা আর নিতে পারছেন না।

এদিকে, শ্যামৌপ্তির সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনের গুঞ্জনের মধ্যেই, আরেক অভিনেত্রী অভিকা মালাকারের সঙ্গে রণজয়ের সম্পর্ক নিয়েও আলোচনা চলছে। তাদের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা কথা ছড়ালেও, এ সম্পর্কে কোনো প্রমাণ এখনো সামনে আসেনি।

এই গুঞ্জন নিয়েও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন। তার পাল্টা প্রশ্ন, “এসব কথার প্রমাণ কোথায়?”

তবে সত্যিই কি রণজয় ও শ্যামৌপ্তির দাম্পত্যে ভাঙন দেখা দিয়েছে, নাকি এটা সাময়িক কোনো ভুল বোঝাবুঝি- সে বিষয়ে উত্তর এখনো মেলেনি। আপাতত দুজনের ব্যক্তিগত জীবনের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভক্তদের কৌতূহল থেকে যাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাড়ে ৬ বছরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৫ হাজারের বেশি প্রাণহানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:২৮ পি.এম


সাড়ে ৬ বছরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৫ হাজারের বেশি প্রাণহানি

দেশে গত সাড়ে ছয় বছরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৫ হাজার ৭১২ জন প্রাণ হারিয়েছেন, এমন তথ্য জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। সংগঠনটির তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সাল থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত এসব দুর্ঘটনায় ১৪ হাজার ১৪৩ জন আহত হয়েছেন।

শনিবার (৮ আগস্ট) গণমাধ্যমে সংগঠনটির নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমানের পাঠানো এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মোট দুর্ঘটনার মধ্যে ৩ হাজার ৫৪৮টি (২২ দশমিক ০৮ শতাংশ) মুখোমুখি সংঘর্ষ, ৫ হাজার ৪৯৭টি (৩৪ দশমিক ২১ শতাংশ) মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারানো এবং ৬ হাজার ৩১৪টি (৩৯ দশমিক ৩০ শতাংশ) ভারী যানবাহনের ধাক্কার কারণে ঘটেছে। অন্য কারণে ঘটে ৭০৬টি দুর্ঘটনা।

বছর ভিত্তিক দুর্ঘটনা ও নিহতের সংখ্যা তুলে ধরে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জানায়, ২০২০ সালে ১ হাজার ৩৮১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ঘটে। এসব দুর্ঘটনায় ওই বছর প্রাণ হারান ১ হাজার ৪৬৩ জন। পর্যায়ক্রমে ২০২১ সালে ২ হাজার ৭৮টি দুর্ঘটনায় নিহত হন ২ হাজার ২১৪ জন, ২০২২ সালে ২ হাজার ৯৭৩টি দুর্ঘটনায় ৩ হাজার ৯১ জন, ২০২৩ সালে ২ হাজার ৫৩২টি দুর্ঘটনায় ২ হাজার ৪৮৭ জন, ২০২৪ সালে ২ হাজার ৭৬১টি দুর্ঘটনায় ২ হাজার ৬০৯ জন এবং ২০২৫ সালে ৩ হাজার ২৯টিতে ২ হাজার ৬৭১ জন নিহত হন। ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত ১ হাজার ৩১১টি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১ হাজার ১৭৭ জন।

এসব দুর্ঘটনার জন্য পণ্যবাহী যানবাহনকে দায়ী করছে সংগঠনটি। প্রতিবদেনে জানানো হয়েছে, মোট দুর্ঘটনার ৪০ দশমিক ৩৪ শতাংশ বা ৬ হাজার ৪৮১টির জন্য ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, পিকআপ, ট্রাক্টর, ট্রলি ও লরি দায়ী। মোটরসাইকেল চালক এককভাবে দায়ী ৩৬ দশমিক ২৯ শতাংশ দুর্ঘটনার জন্য। এছাড়া বাস ১৩ দশমিক ৪৭ শতাংশ, থ্রি-হুইলার ৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ এবং প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, অ্যাম্বুলেন্স ও জিপ ২ দশমিক ৭২ শতাংশ দুর্ঘটনার জন্য দায়ী।

দুর্ঘটনায় আক্রান্তদের বয়স ভিত্তিক পরিসংখ্যান তুলে ধরা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোট আক্রান্তদের মধ্যে ৫৮ শতাংশের বয়স ১৩ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। প্রতিবেদনটি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হিসেবে কিশোর-যুবকদের বেপরোয়া চালানো, ট্রাফিক আইন না মানা, ট্রাফিক আইনের দুর্বল প্রয়োগ, ত্রুটিপূর্ণ সড়ক অবকাঠামো, প্রযুক্তি ও নজরদারির ঘাটতি, সহজ-সাশ্রয়ী গণপরিবহনের অভাব এবং অসহনীয় যানজটকে চিহ্নিত করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডেমরায় সড়ক দুর্ঘটনায় আহত নারীর মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৩০ পি.এম


ডেমরায় সড়ক দুর্ঘটনায় আহত নারীর মৃত্যু

রাজধানীর ডেমরার কোনাপাড়া এলাকার এক সড়ক দুর্ঘটনায় আহত অবস্থায় থাকা নারী ঝর্না বেগম (৪৬) মারা গেছেন। শুক্রবার রাত সোয়া ১১টায় তার মৃত্যু ঘটে।

আমরা জানি, তার মৃত্যুর সময় তিনি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।

তিনি বৃহস্পতিবার রাতে একটি দুর্ঘটনার শিকার হয়েছিলেন। দুর্ঘটনার পর তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল, যা মৃতার মেয়ে মুক্তা আক্তার জানিয়েছেন।

পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে ডেমরা থানার উপপরিদর্শক এসআই মো. আব্দুল মজিদ বিনা ময়নাতদন্তে মরদেহটি স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেন।

ঝর্না বেগমের স্বামী আব্দুল মান্নান। তার গ্রামের বাড়ি লক্ষিপুর জেলায়। তিনি রাজধানীর ডেমরা থানাধীন আল আমিন রোডে বসবাস করতেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%