প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভালোবাসা দিবসে তাদের বিবাহ হয়। দেখতে দেখতে পাঁচ মাস কেটে গিয়েছে। তবে এর মধ্যেই সংসার ভাঙার গুঞ্জনে আলোচনায় আছেন পশ্চিমবঙ্গের তারকা জুটি রণজয় বিষ্ণু এবং শ্যামৌপ্তি মুদলি। সম্প্রতি শোনা যাচ্ছে, তাদের দাম্পত্য জীবনে নাকি টানাপোড়েন চলছে। এমনকি তাদের আলাদা থাকার অনুভূতিও ছড়িয়ে পড়েছে।
এখনো পর্যন্ত, এই বিষয় নিয়ে দুজনের কেউই প্রকাশ্যে কিছু জানাননি। তবে বিচ্ছেদের গুঞ্জন ক্রমেই জোরালো হতে থাকায়, অবশেষে মুখ খুলেছেন রণজয়।
বৃহস্পতিবার, শুটিং সেট থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তায় তিনি নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ছড়িয়ে পড়া নানা আলোচনা ও কাদা ছোড়াছুড়িতে হতাশা প্রকাশ করেন।
রণজয় বলেছেন, কখনো মনে করেননি যে, তাকে প্রকাশ্যে এ সম্পর্কে কথা বলতে হবে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ভালোবেসেই তারা বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনের আলোচনা নিয়ে তিনি আগ্রহী নন। পাশাপাশি জানিয়ে দেন, চলমান পরিস্থিতি তাকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তুলছে।
শ্যামৌপ্তিকে নিয়ে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন মন্তব্যের বিরুদ্ধেও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন রণজয়। তিনি বলেন, “একজন নারীকে নিয়ে কথা বলার আগে সবার একটু ভাবা উচিত।” তিনি যোগ করেন যে, শ্যামৌপ্তির সম্পর্কে বলা এসব কথা তার প্রাপ্য নয়।
দাম্পত্য জীবনে কী ঘটেছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। বরং, বিষয়টি নিজেদের মধ্যেই সমাধান করার আহ্বান জানিয়েছেন রণজয়। তার কথায়, “তারা বিয়ে করেছেন এবং নিজেদের মধ্যে যা কিছু ঘটুক, তা তারা নিজেরাই বুঝে নেবেন। কারো কাছে নিজেদের সম্পর্কের প্রমাণ দেওয়ার কোনো দায়িত্ব তাদের নেই।”
আবেগঘন কণ্ঠে রণজয় অনুরোধ করেছেন যে, তাদের নিজেদের মতো করে বাঁচতে দেওয়া হোক। তিনি উল্লেখ করেন, এত মিথ্যা রটনা আর নিতে পারছেন না।
এদিকে, শ্যামৌপ্তির সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনের গুঞ্জনের মধ্যেই, আরেক অভিনেত্রী অভিকা মালাকারের সঙ্গে রণজয়ের সম্পর্ক নিয়েও আলোচনা চলছে। তাদের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা কথা ছড়ালেও, এ সম্পর্কে কোনো প্রমাণ এখনো সামনে আসেনি।
এই গুঞ্জন নিয়েও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন। তার পাল্টা প্রশ্ন, “এসব কথার প্রমাণ কোথায়?”
তবে সত্যিই কি রণজয় ও শ্যামৌপ্তির দাম্পত্যে ভাঙন দেখা দিয়েছে, নাকি এটা সাময়িক কোনো ভুল বোঝাবুঝি- সে বিষয়ে উত্তর এখনো মেলেনি। আপাতত দুজনের ব্যক্তিগত জীবনের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভক্তদের কৌতূহল থেকে যাচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন