বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৪৮ পি.এম
মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) নতুন ইতিহাস গড়ার লক্ষ্য নিয়ে ডেমোক্রেটিক দলের নেতা হাকিম জেফরিস আনুষ্ঠানিকভাবে স্পিকার পদের জন্য তাঁর প্রার্থিতা ঘোষণা করেছেন। তিনি এই ঘোষণা করেন ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের ইউএস হাউসের নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করার পর ১২০তম কংগ্রেসে যোগ দিতে যাওয়া সহকর্মীদের উদ্দেশ্যে পাঠানো এক চিঠিতে, যা "Dear Colleague" নামে পরিচিত।
যদি হাকিম জেফরিস হাউসে স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হন, তবে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ স্পিকার হবেন।
জেফরিসের ঘোষণার প্রধান দিকসমূহ :
জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো : তিনি সাধারণ মানুষের জন্য আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ও জ্বালানির ব্যয় কমানোর জন্য একটি প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে কাজ করবেন। এছাড়া, সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা ট্যাক্স ক্রেডিট সম্প্রসারণ এবং ফুড স্ট্যাম্প সহায়তা পুনর্বহালের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা : মার্কিন কংগ্রেস সদস্যদের শেয়ার বাজারে লেনদেন নিষিদ্ধ করার এবং কর্পোরেট সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে দাম বাড়ানোর প্রবণতা বন্ধে কঠোর আইন প্রণয়নের ঘোষণা দেন তিনি।
অধিকার সুরক্ষা : এই ডেমোক্রেটিক নেতা সব নাগরিকের ভোটাধিকার রক্ষা এবং সমান সুযোগ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
২০২৩ সাল থেকে হাউস মাইনরিটি লিডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসা হাকিম জেফরিস ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে ডেমোক্র্যাটরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করার পর স্পিকার পদে অধিষ্ঠিত হবেন। সূত্র : টিআরটি ওয়ার্ল্ড।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উত্তম জীবনসঙ্গী একজন পুরুষের জীবনে আনন্দের সঞ্চার করে। প্রতিটি পুরুষের জন্য উত্তম জীবনসঙ্গী পাওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ আকাঙ্ক্ষা। আধুনিক যুগের এই রঙিন সময়ে, একজন উত্তম জীবনসঙ্গী একজন পুরুষের ঈমান ও আমল রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়।
বিয়ের মাধ্যমে নারী ও পুরুষের একাকিত্ব দূর হয়। হাদিসে বিয়েকে ঈমানের পূর্ণতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সৃষ্টিগতভাবে নারী ও পুরুষ একে অপরের পরিপূরক। নারী ছাড়া পুরুষ এবং পুরুষ ছাড়া নারীর জীবন অসম্পূর্ণ। মহান আল্লাহ হজরত আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করার পর হজরত হাওয়া (আ.)-কে তার জীবনসঙ্গী হিসেবে সৃষ্টি করেন। তাদের বিয়ের মাধ্যমে ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ করেন। এই ধারাবাহিকতা আজও পৃথিবীতে বিদ্যমান।
উত্তম জীবনসঙ্গী লাভের দোয়া
পবিত্র কুরআনে হজরত মুসা (আ.)-এর কাহিনী বর্ণিত হয়েছে। সেখানে হজরত মুসা (আ.)-এর জন্য একটি দোয়া উল্লেখ রয়েছে। এই দোয়া পড়ার পর মহান আল্লাহ তার জন্য থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। তার আশ্রয়ের পাশাপাশি উত্তম জীবনসঙ্গিনীর ব্যবস্থাও করেছেন। শিক্ষণীয় দোয়াটি হলো-
رَبِّ اِنِّیۡ لِمَاۤ اَنۡزَلۡتَ اِلَیَّ مِنۡ خَیۡرٍ فَقِیۡرٌ উচ্চারণ: রব্বি ইন্নি লিমা আনযালতা ইলাইয়া মিন খাইরিন ফাকির।
অর্থ: হে আমার রব, তুমি আমার প্রতি যে অনুগ্রহ পাঠাবে, আমি তার মুখাপেক্ষী। (সুরা আল-কাসাস, আয়াত : ২৪)
মহান আল্লাহ চোখ শীতলকারী স্ত্রী ও সন্তানের জন্য পবিত্র কুরআনে বর্ণিত দোয়াটি শিখিয়ে দিয়েছেন।
رَبَّنَا هَبۡ لَنَا مِنۡ اَزۡوَاجِنَا وَ ذُرِّیّٰتِنَا قُرَّۃَ اَعۡیُنٍ وَّ اجۡعَلۡنَا لِلۡمُتَّقِیۡنَ اِمَامًا উচ্চারণ: রব্বানা হাবলানা মিন আযওয়াজিনা ওয়া যুররিইয়্যাতিনা কুররতা আইয়ুনিও ওয়াজআলনা লিল মুত্তাকীনা ইমামা।
অর্থ: হে আমাদের প্রতিপালক! আপনি আমাদের এমন স্ত্রী ও সন্তান দান করুন। যারা আমাদের চোখ জুড়িয়ে দেয় এবং আমাদেরকে (পুরুষদেরকে) মুত্তাকি লোকদের নেতা বানিয়ে দিন। (সুরা ফোরকান, আয়াত : ৭৪)
পুণ্যবতী স্ত্রী সম্পর্কে নবীজি যা বলেছেন।
পুণ্যবতী মহান আল্লাহর দেয়া শ্রেষ্ঠ সম্পদ। স্বামীর জন্য এটি রহমত এবং একটি বড় নেয়ামত। পুণ্যবতী স্ত্রী পার্থিব জগতের সর্বোত্তম সম্পদ। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
পার্থিব জগৎটাই হল ক্ষণিক উপভোগের বস্তু। আর পার্থিব জগতের সর্বোত্তম সম্পদ (উপভোগের বস্তু) পুণ্যবতী নারী। (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ১৪৬৭)
অন্য এক হাদিসে নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘কোনো মুমিনের জন্য আল্লাহর তাকওয়া অর্জনের পর নেককার স্ত্রীর চেয়ে কল্যাণকর কিছু নেই। কারণ স্বামী তাকে আদেশ করলে সে আনুগত্য করে, তার দিকে দৃষ্টিপাত করলে সে (স্বামী) মুগ্ধ হয়। তাকে নিয়ে শপথ করলে সে তা পূরণ করে। স্বামীর অনুপস্থিতিতে নিজের (অন্যায়-অপকর্ম থেকে) এবং স্বামীর সম্পদ সংরক্ষণ করে।’(সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস : ১৮৫৭)
হজরত আলি (রা.) থেকে বর্ণিত, যখন এই আয়াতটি নাজিল হল-
وَالَّذِينَ يَكْنزونَ الذَّهَبَ وَالْفِضَّةَ وَلا يُنْفِقُونَهَا فِي سَبِيلِ الله যারা স্বর্ণ-রৌপ্য জমা করে এবং তা আল্লাহ রাস্তায় খরচ করে না, তাদেরকে কষ্টদায়ক মর্মন্তুদ শাস্তির সুসংবাদ দিন। (সুরা তাওবাহ, আয়াত: ৩৪)
রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিন বার বললেন, ‘স্বর্ণ-রূপার বিনাশ হোক’ কথাটি সাহাবায়ে কেরামের জন্য কিছুটা ভারী মনে হল। তাই তারা জিজ্ঞেস করলেন, তাহলে আমরা কোন বস্তুকে সম্পদ হিসেবে গ্রহণ করব? তখন রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন-
لِسَانًا ذَاكِرًا، وَقَلْبًا شَاكِرًا، وَزَوْجَةً تُعِينُ أَحَدَكُمْ عَلَى دِينِهِ জিকিরকারী জবান, শোকরকারী অন্তর, এবং এমন স্ত্রী যে তার স্বামীকে দ্বীনের কাজে সহযোগিতা করবে। (তাফসিরে ইবনে কাসির ২/৫৪৮ (দারুল ফিকর)
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৫ নভেম্বর ২০২৬ : আফগানিস্তান অধিনায়ক রহমত শাহ জানিয়েছেন, শতভাগ ফিট হলেই লেগ স্পিনার রশিদ খান টেস্ট খেলবেন। তিনি রশিদকে দ্রুত পাঁচ দিনের ফরম্যাটে পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী।
রশিদকে নিয়ে রহমত এ কথা বলেন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে।
পিঠের ইনজুরির কারণে দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে টেস্ট ক্রিকেটে অনুপস্থিত রশিদ। গত বছর তিনি পিঠের অস্ত্রোপচারও করিয়েছেন।
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে বুলাওয়েতে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে সর্বশেষ টেস্ট খেলেছিলেন রশিদ। এরপর থেকে তাকে আর লাল বলের ম্যাচে দেখা যায়নি। তবে নিয়মিত ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে খেলে যাচ্ছেন এই স্পিনার।
চোটের ঝুঁকি ও কাজের চাপের কারণে টেস্ট থেকে দূরে আছেন রশিদ। তিনি পুরোপুরি ফিট হলেই আবারও টেস্ট দলে ফিরবেন।
রহমত বলেন, ‘আফগানিস্তান দলের মেডিকেল স্টাফ ও ফিজিওরা জানিয়েছেন, রশিদ এখনও টেস্ট খেলার মত অবস্থায় নেই। মেডিকেল দল তাড়াহুড়া করে রশিদকে টেস্ট দলে ফেরাতে চায় না। তিনি এখনও শতভাগ ফিট নন।’
তিনি আরও বলেন, ‘সাদা বলের ক্রিকেটে আমাদের জন্য রশিদ একটি গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। আমরা তাকে টেস্ট দলে ফিরিয়ে নিয়ে আসার ঝুঁকি নিতে চাই না।’
সুস্থ হলেই রশিদকে টেস্ট দলে পাওয়া যাবে বলে রহমত জানান। তিনি বলেন, ‘আমি আশা করছি, রশিদ দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে। খেলার মত ফিট হলেই তাকে দলে পাওয়া যাবে। সে টেস্ট খেলতে ভালোবাসে। তবে শরীর যদি সায় না দেয় এবং চিকিৎসকরা খেলার অনুমতি না দেন, তাহলে দল ঝুঁকি নিবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘টি-টোয়েন্টিতে চার ওভার বল করতে হয় এবং সাড়ে তিন ঘন্টায় খেলা শেষ হয়ে যায়। চাপও কম থাকে। কিন্তু টেস্টে দীর্ঘ সময় বল করতে হয়। পাঁচ দিনের খেলায় তার উপর কাজের চাপ বেশি থাকবে। পিঠের চোটের কারণে অতীতে কাজের চাপের বিষয়টি সতর্কতার সাথে সামলাতে হয়েছে তাকে।’
রহমত আরও বলেন, ‘রশিদ ও বোর্ডের সাথে আমার কথা হয়েছে। টেস্টে ফিরতে সে মুখিয়ে আছে। বোর্ডও সাবধানে এগোতে চায়। শতভাগ ফিট হলেই রশিদ আবার টেস্ট দলে ফিরবে।’
২০১৮ সালে অভিষেকের পর থেকে রশিদ এখন পর্যন্ত ৬ টেস্টে ৪৫ উইকেট শিকার করেছেন। এর মধ্যে ইনিংসে ৫ বা তার অধিক উইকেট পাঁচবার এবং ম্যাচে তিনবার দশ উইকেট শিকার করেছেন তিনি।
এছাড়াও ১২৬ ওয়ানডেতে ২৩৭ এবং ১২১ টি-টোয়েন্টিতে ২০০ উইকেট শিকার করেছেন রশিদ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হ্যারি কেইন বায়ার্ন মিউনিখের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধি করেছেন। নতুন চুক্তি অনুযায়ী, তিনি ২০২৯ সালের গ্রীষ্ম পর্যন্ত জার্মান ক্লাবটিতে থাকবেন। ৩৩ বছর বয়সী এই স্ট্রাইকারের সঙ্গে আড়াই বছরের নতুন চুক্তি সম্পন্ন করেছে বায়ার্ন।
২০২৩ সালে টটেনহ্যাম হটস্পার ছেড়ে বায়ার্নে যোগ দেওয়ার পর কেইন ক্লাবটির হয়ে ১৬১ ম্যাচে ১৫৬ গোল করেছেন। ব্যালন ডি’অর জয়ের পর নতুন চুক্তিতে সই করেছেন তিনি। কেইন ২৫ বছর পর প্রথম ইংলিশ ফুটবলার হিসেবে পুরুষদের ব্যালন ডি’অর অর্জন করেছেন। এর আগে ২০০১ সালে মাইকেল ওয়েন এই পুরস্কার জিতেছিলেন।
কেইন বায়ার্নের সঙ্গে থাকতে পেরে সন্তুষ্ট। ক্লাবের ওয়েবসাইটে তিনি বলেন, ‘বায়ার্নে আমি নিজেকে ঘরের মানুষের মতো অনুভব করি। ক্লাব, সমর্থক ও মিউনিখ শহরকে ভালোবাসি। আমাদের দল অসাধারণ, ভিনসেন্ট কোম্পানিও দারুণ একজন কোচ। এই ক্লাবের অংশ হতে পেরে আমি গর্বিত।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘আমার পুরো পরিবার এখানে খুব ভালো আছে। আমি থাকতে চেয়েছিলাম। এখন ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে আছি এবং এই অসাধারণ ক্লাবের হয়ে আরও অনেক শিরোপা জিততে চাই।’
কেইন বায়ার্নে যোগ দেওয়ার পর থেকেই ধারাবাহিকভাবে গোল করে যাচ্ছেন। গত মৌসুমে ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে তিনি মোট ৭৩টি গোল করেছেন। এর মধ্যে ২০২৬ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের হয়ে ছয়টি গোল করেছেন। তাঁর পারফরম্যান্সই ব্যালন ডি’অর জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
বায়ার্নের হয়ে কেইন এখন পর্যন্ত দুটি বুন্দেসলিগা শিরোপা জিতেছেন। এর মধ্যে ২০২৫ সালের শিরোপাটি ছিল তাঁর ক্যারিয়ারের প্রথম বড় দলীয় ট্রফি। এছাড়া গত মৌসুমে জার্মান কাপ এবং গত দুই বছরে জার্মান সুপার কাপও জিতেছেন তিনি।
ব্যক্তিগত অর্জনেও কেইনের বায়ার্ন অধ্যায় সমৃদ্ধ হয়েছে। গত তিন বছরে তিনি দুবার ইউরোপিয়ান গোল্ডেন শু জিতেছেন। বায়ার্নে নিজের তিন মৌসুমে বুন্দেসলিগার সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কারও অর্জন করেছেন। ইংল্যান্ডকে ইউরো ২০২৪-এর ফাইনালে নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি ২০২৬ বিশ্বকাপে ১৯৬৬ সালের পর দেশটির সেরা ফল অর্জনে নেতৃত্ব দিয়েছেন এই স্ট্রাইকার।
গত মাসে ইংল্যান্ডের হয়ে ১২৫তম ম্যাচ খেলে পিটার শিলটনের জাতীয় দলের হয়ে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার রেকর্ডে ভাগ বসান কেইন। আসন্ন নেশনস লিগের ম্যাচগুলোতে সেই রেকর্ড ছাড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে তাঁর।
বায়ার্নে কেইনের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী ক্লাব সংশ্লিষ্টরাও। বয়স ৩৩ হলেও স্কাই স্পোর্টসের বিশ্লেষক মাইকেল ব্রিজ মনে করেন, কেইনের মধ্যে আরও অনেক কিছু দেওয়ার সামর্থ্য রয়েছে। তিনি বলেন, মিউনিখে পরিবারসহ ভালো আছেন কেইন এবং কোচ কোম্পানি ও সতীর্থদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কও দারুণ। নতুন চুক্তিতে বায়ার্নের হয়ে আরও শিরোপা জয়ের লক্ষ্য নিয়েই এগোবেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম, ৫ নভেম্বর, ২০২৬ : দেশের সামুদ্রিক বাণিজ্যের প্রধান প্রবেশদ্বার চট্টগ্রাম বন্দরকে ২০৩০ সালের মধ্যে একটি প্রতিযোগিতামূলক আঞ্চলিক শিপিং হাবে পরিণত করার জন্য সরকার ব্যাপক সংস্কার ও উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু করেছে। বন্দরের অবকাঠামো আধুনিকীকরণ, পরিচালন দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশ্বখ্যাত বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে যুক্ত করার পরিকল্পনাও রয়েছে। দেশের সমুদ্রপথে বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রায় ৯২ শতাংশ এই বন্দরের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
বন্দরের দীর্ঘদিনের পরিচালনাগত সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে জাহাজের অবস্থানকাল (টার্নঅ্যারাউন্ড টাইম) এবং কনটেইনার বন্দরে পড়ে থাকার সময় (ডুয়েল টাইম) কমানোর লক্ষ্যও এই উদ্যোগের অন্যতম অংশ। লজিস্টিক ব্যবস্থাপনার দক্ষতা বৃদ্ধি, ভৌত অবকাঠামো আধুনিকীকরণ এবং আন্তর্জাতিক মানের সেবা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
চট্টগ্রামের ভৌগোলিক ও কৌশলগত অবস্থান এবং বিস্তৃত পশ্চাৎভূমির সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে সরকার অঞ্চলটিকে আন্তর্জাতিক নৌপরিবহন ও শিপিং লজিস্টিকসের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত করতে উদ্যোগী হয়েছে। এই লক্ষ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের চালু ও নির্মাণাধীন কনটেইনার টার্মিনাল পরিচালনায় বিশ্বের খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে।
এছাড়া, চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাবে পরিণত করার মেগা প্রকল্প, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ এবং বঙ্গোপসাগর শিল্প প্রবৃদ্ধি বলয় (বিআইজি-বি) কাঠামোর আওতায় মাতারবাড়ী বন্দরে জাপানের অংশগ্রহণ ও বিনিয়োগের আগ্রহ দেশের বন্দর, নৌপরিবহন ও বিমান চলাচল খাতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক জাপান সফরের সময় দেশটি মাতারবাড়ী বন্দরে অংশগ্রহণ ও বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বাসসকে জানান, দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও চট্টগ্রাম বন্দর দীর্ঘদিন ধরে পরিচালন ব্যয় বৃদ্ধি, পণ্য খালাসে বিলম্ব এবং কনটেইনার দীর্ঘ সময় বন্দরে পড়ে থাকার সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে। উন্নত বন্দরগুলোতে কনটেইনারের অবস্থানকাল দুই দিনের কম হলেও চট্টগ্রাম বন্দরে তা নয় দিনের বেশি। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী জাহাজের গড় অবস্থানকালও আড়াই দিনের বেশি।
তিনি বলেন, বন্দরের দক্ষতা পরিমাপের অন্যতম প্রধান সূচক হলো জাহাজের টার্নঅ্যারাউন্ড টাইম। অর্থাৎ, জাহাজ বন্দরে আসার পর পণ্য ওঠানো-নামানো শেষ করে ছেড়ে যেতে যে সময় লাগে। অতীতে চট্টগ্রাম বন্দরে এ সময় ১০ থেকে ১৫ দিন পর্যন্ত লাগত। জাহাজে পণ্য ওঠানো-নামানোর কাজে দীর্ঘসূত্রতার কারণে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অনেক মেইন লাইন অপারেটর (এমএলও) বাংলাদেশে জাহাজ ও কনটেইনার পাঠাতে অনাগ্রহ দেখিয়েছিল।
বন্দর সূত্র জানায়, ২০২৫ সালে চট্টগ্রাম বন্দরে রেকর্ড ৩৪ লাখ টিইইউস (টোয়েন্টি-ফুট ইকুইভ্যালেন্ট ইউনিট) কনটেইনার, ১৩ কোটি ৮০ লাখ টন সাধারণ পণ্য এবং ৪ হাজার ২৭৩টি জাহাজ হ্যান্ডলিং করা হয়েছে। দেশের সমুদ্রপথে পরিবাহিত সাধারণ পণ্যের প্রায় ৯২ শতাংশ এবং কনটেইনার বাণিজ্যের ৯৮ শতাংশ এই বন্দরের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত বন্দরে প্রায় ২১ লাখ ৪০ হাজার টিইইউস কনটেইনার হ্যান্ডলিং করা হয়েছে।
বন্দরের সেবা সহজ ও দ্রুত করতে সম্প্রতি ওয়ান-স্টপ সার্ভিস সেন্টার চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সোনালী ব্যাংক পিএলসির সঙ্গে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস (এপিআই) সংযোগ স্থাপন করা হয়েছে। ফলে কনটেইনার ও পণ্যগ্রহীতাদের বিলিং কার্যক্রম টার্মিনাল অপারেটিং সিস্টেমের (টিওএস) সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে যুক্ত করার প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে।
বন্দরের পরিচালনায় আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও সর্বোত্তম ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি কাজে লাগাতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) এবং সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) কাঠামোর আওতায় বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে।
সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের উপস্থিতিতে এক অনুষ্ঠানে সিঙ্গাপুরের পোর্ট অব সিঙ্গাপুর অথরিটির (পিএসএ) সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
এ ছাড়া ডেনমার্কভিত্তিক এপিএম টার্মিনালস ৫৫ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগে লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণ করছে। ২০৩০ সালের মধ্যে টার্মিনালটির নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। এটি চালু হলে বছরে আট লাখের বেশি টিইইউস কনটেইনার হ্যান্ডলিং করা সম্ভব হবে। এতে দেশের সামগ্রিক পণ্য পরিবহন সক্ষমতা প্রায় ৪০ শতাংশ বাড়বে।
গত ৮ অক্টোবর চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামানের নেতৃত্বে বিশ্বখ্যাত বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনা ও আধুনিকায়নের লক্ষ্যে ১৫ বছর মেয়াদি একটি কনসেশন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। চুক্তিতে ডিপি ওয়ার্ল্ডের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ঈসা কাজিম প্রতিনিধিত্ব করেন।
চুক্তি অনুযায়ী, বন্দরের মোট কনটেইনার পরিবহনের প্রায় ৪৪ শতাংশ পরিচালনাকারী নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালের পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছে হস্তান্তর করা হবে। তবে বন্দরের সার্বভৌম কর্তৃত্ব, জমি এবং মূল সম্পদের মালিকানা সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশ সরকারের অধীনেই থাকবে।
চুক্তির আর্থিক শর্ত অনুযায়ী, ডিপি ওয়ার্ল্ড অগ্রিম প্রায় ৬০০ কোটি টাকা পরিশোধ করবে। এর ২৫ শতাংশ চুক্তি স্বাক্ষরের সময় এবং বাকি ৭৫ শতাংশ কার্যক্রম শুরুর আগে পরিশোধ করা হবে। এ ছাড়া আধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজন ও প্রযুক্তির উন্নয়নে প্রথম ১০ বছরে প্রতিষ্ঠানটি এক হাজার কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ করবে।
চুক্তি অনুযায়ী, প্রতি টিইইউস কনটেইনারের বিপরীতে ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছ থেকে ৪০ থেকে ৬৭ শতাংশ হারে রয়্যালটি পাবে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এর পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি বছরে প্রায় ১০ কোটি টাকা নির্ধারিত ফি দেবে। চুক্তিতে বছরে ন্যূনতম ১২ লাখ ৩০ হাজার টিইইউস কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের নিশ্চয়তাও রাখা হয়েছে।
বন্দর সূত্র জানায়, চুক্তিতে পরিচালন দক্ষতা নিশ্চিত করতে কঠোর কর্মদক্ষতার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্ধারিত মান অর্জনে ব্যর্থ হলে আর্থিক জরিমানার বিধানও রয়েছে। ক্রেনের উৎপাদনশীলতা কিংবা ট্রাকের টার্নঅ্যারাউন্ড টাইমের মতো সূচকে টানা তিন মাস নির্ধারিত মান পূরণে ব্যর্থ হলে এ জরিমানা কার্যকর হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় জনশক্তির কর্মসংস্থান, সাইবার নিরাপত্তা, তথ্যের স্থানীয় সংরক্ষণ এবং কর্মীদের প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করার শর্তও চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
বিদ্যমান অবকাঠামোর সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে দুটি বড় অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে ১৩ হাজার ৫২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে বে টার্মিনাল প্রকল্প অনুমোদন করেছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। প্রকল্পটির বাস্তবায়ন মেয়াদ ২০৩১ সালের জুন পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রকল্পের আওতায় নতুন ব্রেকওয়াটার, নেভিগেশন চ্যানেল, জেটি এবং রেল ও সড়ক যোগাযোগ অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে। এসব অবকাঠামো চালু হলে ৮ হাজার থেকে ১২ হাজার টিইইউস ধারণক্ষমতার বড় জাহাজ হ্যান্ডলিং করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি বন্দরের বার্ষিক কনটেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা ৩০ লাখ টিইইউস বাড়বে।
অন্যদিকে, বড় ড্রাফটের জাহাজ ভেড়ানোর সুযোগ সৃষ্টি এবং মূল বন্দরের জেটিতে জাহাজের চাপ কমাতে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের কাজও এগিয়ে চলছে। বন্দরের কার্যক্রমে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে জিজিআই পোলার পাওয়ার প্ল্যান্টের সঙ্গে বিদ্যুৎ সরবরাহ চুক্তিও এ উদ্যোগকে সহায়তা করছে।
ভৌত অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম সম্পূর্ণ কাগজবিহীন করতে ডিজিটাল রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বন্দরের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহারে পণ্য খালাসের নথিপত্র প্রক্রিয়ায় ম্যানুয়াল হস্তক্ষেপ বন্ধ করা হয়েছে। ডেলিভারি অর্ডারের আবেদন থেকে শুরু করে বন্দরের গেট দিয়ে পণ্যবাহী যানবাহনের চূড়ান্ত বহির্গমন পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়া স্বয়ংক্রিয় ডিজিটাল টার্মিনাল অপারেটিং সিস্টেমের আওতায় আনা হয়েছে।
তিনি বলেন, কোনো ধাপ এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ বন্ধ করতে সিস্টেমে ধারাবাহিক যাচাইব্যবস্থা কার্যকর রয়েছে। এতে নথি জালিয়াতি ও প্রশাসনিক অনিয়মের সুযোগ কমেছে। পাশাপাশি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ও ব্যবসায়ীরা যেকোনো সময় দূর থেকেই তাদের ফাইলের সর্বশেষ অবস্থা জানতে পারছেন।
বন্দরের নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করতে টার্মিনাল অপারেটিং সিস্টেমের সঙ্গে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেমের তাৎক্ষণিক সংযোগ স্থাপন করা হয়েছে।
এ ব্যবস্থায় শুল্ক কর্তৃপক্ষ কোনো কনটেইনার আটকে রাখা বা তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের নির্দেশ দিলে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট তথ্য সিস্টেমে পৌঁছে যাবে। ফলে শুল্ক বিভাগের ছাড়পত্র না পাওয়া পর্যন্ত ওই কনটেইনারের পরবর্তী কার্যক্রম স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ থাকবে।
সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কনসেশন চুক্তি, গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ, আধুনিক ভারী যন্ত্রপাতি সংগ্রহ এবং ডিজিটাল রূপান্তরসহ বহুমুখী উদ্যোগের মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দর আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য আরও দক্ষ, স্বচ্ছ ও সক্ষম প্রবেশদ্বারে পরিণত হবে।
তিনি আরও বলেন, দেশের সমুদ্রপথে বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রধান প্রবেশদ্বার চট্টগ্রাম বন্দরের সব কার্যক্রম আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পূর্ণ কাগজবিহীন ‘স্মার্ট বন্দরে’ রূপান্তরের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এ লক্ষ্যে ব্যাপক ডিজিটাল রূপান্তরের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
বন্দরের কার্যক্রম আধুনিকায়ন, পরিবহন ব্যয় কমানো, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং বন্দরের প্রবেশ ও বহির্গমন পথে দীর্ঘদিনের যানজট নিরসনই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ