ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জিম্বাবুয়েতে ফেরি দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৮৪


জিম্বাবুয়েতে ফেরি দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৮৪

জিম্বাবুয়ে এবং জাম্বিয়া সীমান্তের কাছে কারিবা হ্রদে যাত্রীবাহী ফেরি ডুবির ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৮৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এটি বর্তমানে দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে প্রাণঘাতী পানিপথ দুর্ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে, বলে জানা যাচ্ছে।

রবিবার (১৬ আগস্ট) জিম্বাবুয়ের জাতীয় পুলিশ সার্ভিস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানিয়েছেন, উদ্ধার অভিযানে নতুন করে আরো চারজনের মরদেহ উদ্ধারের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এদিকে, এখনও নিখোঁজদের সন্ধানে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

গত মঙ্গলবার ১১ আগস্ট প্রচণ্ড বাতাসের প্রভাবে ফেরিটি উল্টে যায়। ফেরিটির ধারণক্ষমতা ছিল ৯০ জন, কিন্তু দুর্ঘটনার সময় এতে প্রায় ২৪৩ জন যাত্রী ছিল বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন: ‘নেতানিয়াহু সরকারের প্রতি আস্থার অভাব’, বুথফেরত জরিপে মন্তব্য আইজেনকোটের

মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় অন্তত ১৮ শিশু প্রাণ হারিয়েছে। ফেরিটি জিম্বাবুয়ের উত্তরাঞ্চলের কারিবা শহর থেকে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের গ্রামীণ এবং মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল।

উত্তর জিম্বাবুয়েতে গণপরিবহনের সংকট এবং সড়ক যোগাযোগের বেহাল দশার কারণে স্থানীয় মানুষের যাতায়াতে জলপথ একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত। দুর্ঘটনাটির পর স্থানীয় হাসপাতালের বাইরের এলাকায় স্বজনদের মরদেহ শনাক্ত করতে শত শত লোক সমবেত হয়।

এই দুর্ঘটনার পর দেশের প্রেসিডেন্ট এমারসন নানগাগওয়া এই ঘটনার তীব্রতা উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন, এই ঘটনা দেশের পরিবহন খাতের গুরুতর ত্রুটি ও দুর্বলতাকে সামনে এনেছে, যা দ্রুত সংস্কার প্রয়োজন বলে মনে করছেন।

এদিকে নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান এখনও চলমান রয়েছে।

আরও পড়ুন: কুড়িগ্রামে দুই কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে চার খাদ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

সূত্র: আলজাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ওমরাহ ভিসা নিয়ে সৌদি আরবের নতুন নির্দেশনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:১৫ এম


ওমরাহ ভিসা নিয়ে সৌদি আরবের নতুন নির্দেশনা

ওমরাহ ভিসার মেয়াদ যদিও এক বছর, তবুও বহুবার প্রবেশের (মাল্টিপল-এন্ট্রি) সুবিধাসহ সৌদি আরবে প্রবেশের পূর্বে প্রতিবার নতুন সার্ভিস প্যাকেজ বুকিং এবং ওমরাহ পারমিট নেওয়া বাধ্যতামূলক।

এ সম্পর্কে রবিবার (১৬ আগস্ট) দেশটির হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, এই ৩৬৫ দিন মেয়াদি মাল্টিপল-এন্ট্রি ওমরাহ ভিসাধারীদের প্রতিটি সফরের আগে ‘নুসুক’ (Nusuk) প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অনুমোদিত সেবা প্রদানের জন্য সার্ভিস প্যাকেজ কিনতে হবে। একই সাথে সৌদিতে পৌঁছানোর পূর্বেই ‘নুসুক’ অ্যাপ থেকে সংগৃহীত ওমরাহ পারমিট নিজেদের কাছে রাখতে হবে।

গত জুলাই মাসে চালু হওয়া এই বিশেষ ওমরাহ ভিসা ইস্যুর তারিখ থেকে এক বছর পর্যন্ত কার্যকর থাকে। এই সময়ে সৌদি আরবে একাধিকবার যাওয়ার সুবিধা থাকলেও, সব মিলিয়ে দেশটিতে অবস্থানের মোট সময় ৯০ দিনের বেশি হতে পারবে না।

সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ওমরাহ পালনকারীদের জন্য যাতায়াত ও সময়সূচি বিন্যাসে স্বাচ্ছন্দ্য আনতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে ভিসার এক বছরের মেয়াদ রাখা সত্ত্বেও, সরাসরি চলে যাওয়ার সুযোগ নেই; প্রতিবার ভ্রমণের পূর্বে সুনির্দিষ্ট নিয়ম ও শর্তাবলী মানতে হবে।

মন্ত্রণালয়ের স্পষ্ট বার্তায় বলা হয়েছে, প্রতিটি সফরের জন্য নুসুকের মাধ্যমে অনুমোদিত নতুন সার্ভিস প্যাকেজ নিতে হবে। তবে এর মেয়াদ কোনোভাবেই ভিসার অবশিষ্ট মেয়াদের বেশি হতে পারবে না। এছাড়া, পারমিটে উল্লেখিত তারিখের সাথে সার্ভিস প্যাকেজের নির্ধারিত তারিখের পূর্ণ মিল থাকা বাধ্যতামূলক।

প্রথমবার ওমরাহ যাত্রীদের ক্ষেত্রে নুসুক প্ল্যাটফর্মে সার্ভিস প্যাকেজ ক্রয়ের মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়াটি শুরু হবে। এরপর ভিসার আবেদন ও আনুষঙ্গিক প্রশাসনিক ধাপগুলো সম্পন্ন করতে হবে। সৌদি পৌঁছানোর পর বন্দরে প্রবেশের তথ্য নথিভুক্ত করার সাথে সাথে প্রস্থানের তথ্যও স্বয়ংক্রিয়ভাবে হালনাগাদ হবে, যাতে ওই যাত্রী ৯০ দিনের মোট অনুমোদিত মেয়াদের মধ্যে কতদিন অবস্থান করেছেন তা সহজে হিসাব করা যায়।

পরিশেষে, হাতে এক বছরের ওমরাহ ভিসা থাকলেও প্রতিবার নতুন করে ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে পা রাখার পূর্বে অনুমোদিত সার্ভিস প্যাকেজ ক্রয় ও নুসুক অ্যাপের পারমিট সংগ্রহ করা বাধ্যতামূলক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কঙ্গোয় ইতিহাসের ভয়াবহ ইবোলা প্রাদুর্ভাব, মৃতের সংখ্যা ২ হাজার ৩২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:১৬ এম


কঙ্গোয় ইতিহাসের ভয়াবহ ইবোলা প্রাদুর্ভাব, মৃতের সংখ্যা ২ হাজার ৩২৫

গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোতে (ডিআর কঙ্গো) ইবোলা ভাইরাসের সংক্রমণ ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। চলমান প্রাদুর্ভাবে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ৩২৫ জনে। এর ফলে, ২০১৮ থেকে ২০২০ সালের প্রাদুর্ভাবের মৃত্যুসংখ্যাকে ছাড়িয়ে গিয়ে এটি দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে প্রাণঘাতী ইবোলা মহামারিতে পরিণত হয়েছে।

ডিআর কঙ্গোর জাতীয় জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রবিবার (১৬ আগস্ট) পর্যন্ত দেশটিতে ইবোলায় আক্রান্তের নিশ্চিত সংখ্যা বেড়ে ৪ হাজার ৯৪৫ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১০১ জনের শরীরে ভাইরাসটির সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে।

এ বিষয়ে জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা বিষয়ক প্রধান টম ফ্লেচার শুক্রবার এক বিবৃতিতে জানান, এটি এখন পর্যন্ত নথিভুক্ত সবচেয়ে দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়া ইবোলা প্রাদুর্ভাব। এটি ডিআর কঙ্গোর ১৭তম ইবোলা প্রাদুর্ভাব। আক্রান্তের সংখ্যার দিক থেকে জুলাইয়ের শেষদিকে এটি দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় প্রাদুর্ভাবের রেকর্ড গড়ে। সর্বশেষ সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এবার মৃতের সংখ্যা ২০১৮-২০২০ সালের প্রাদুর্ভাবকে ছাড়িয়ে গেছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রেয়েসুস বুধবার সতর্ক করে বলেন, বর্তমান গতিতে সংক্রমণ বাড়তে থাকলে এটি ২০১৪ থেকে ২০১৬ সালের পশ্চিম আফ্রিকার ইবোলা মহামারির মাত্রা ছাড়িয়ে যেতে পারে। ওই মহামারিতে ১১ হাজারের বেশি মানুষ মারা গিয়েছিলেন।

বর্তমান প্রাদুর্ভাবের জন্য দায়ী ইবোলা ভাইরসের বান্দিবুগিও প্রজাতি। এ প্রজাতির বিরুদ্ধে এখনো অনুমোদিত কোনো টিকা বা চিকিৎসা নেই। গত ১৫ মে প্রাদুর্ভাব ঘোষণা করার পর থেকে দুর্বল স্বাস্থ্য অবকাঠামো, দুর্গম অঞ্চল এবং দক্ষিণ সুদান, উগান্ডা ও রুয়ান্ডার সীমান্তবর্তী এলাকায় চলমান সংঘাত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করছে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, নিশ্চিত আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যুর হার বা ‘কেস ফ্যাটালিটি রেশিও’ জুনের শুরুতে প্রায় ২০ শতাংশ থাকলেও বর্তমানে তা বেড়ে ৪৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ নিশ্চিত আক্রান্তদের প্রায় অর্ধেকই মারা যাচ্ছেন।

ডক্টরস উইদাউট বর্ডার্সের (এমএসএফ) জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ থমাস পারিশ বলেন, সাধারণত কোনো প্রাদুর্ভাবের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে রোগী শনাক্তকরণ, সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের অনুসন্ধান এবং দ্রুত চিকিৎসার কারণে মৃত্যুহার কমে আসার কথা। কিন্তু ডিআর কঙ্গোতে অনেক রোগী এখনো খুব দেরিতে শনাক্ত হচ্ছেন। এমনকি অনেকে মারা যাওয়ার পর তাদের সংক্রমণ শনাক্ত হচ্ছে।

এদিকে, অল্পসংখ্যক পরীক্ষামূলক টিকা ও চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে মূল্যায়ন চলছে। পাশাপাশি বিদ্যমান ইবোলা চিকিৎসা নতুন প্রাদুর্ভাবে কার্যকর হতে পারে কি না, তা যাচাই করছেন আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

সূত্র: আলজাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা চুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:১৮ এম


সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা চুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া

সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’-কে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একটি বার্তায় চুক্তিটিকে প্রশংসা করেন এবং বলেন, তিন দেশ একসাথে শেষ পর্যন্ত এই চুক্তিতে পৌঁছানোয় তিনি অত্যন্ত আনন্দিত। খবরটি আসছে টিআরটি ওয়ার্ল্ডের থেকে।

ট্রাম্প আরও বলেন, এই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে ক্রমবর্ধমান ঐক্য, নিজেদের নিরাপত্তা আরও কার্যকরভাবে নিশ্চিত করার সক্ষমতার বিষয়টি তুলে ধরেছে। তিনি এটিকে ‘বড়, সাহসী ও গুরুত্বপূর্ণ প্রথম পদক্ষেপ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায় স্বাস্থ্য, শান্তি এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য, যৌথ নিরাপত্তা জোরদার করা এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে চলতি মাসের শুরুতে ত্রিপক্ষীয় এই চুক্তিতে সই করে তুরস্ক, সৌদি আরব এবং পাকিস্তান।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বলেছেন, এই চুক্তি পরিবর্তনশীল আঞ্চলিক পরিস্থিতির মধ্যে ‘কৌশলগত সংকল্পের’ প্রতীক হিসেবে চিহ্নিত করা যেতে পারে। তিনি একই সঙ্গে স্পষ্ট করেছেন, কোনো সাম্প্রতিক ঘটনা या নির্দিষ্ট কোনো দেশকে লক্ষ্য করে এই চুক্তি করা হয়নি।

এরদোয়ান আরও বলেন, তুরস্ক বরাবরই উত্তেজনার পরিবর্তে কূটনীতি এবং সংঘাতের বদলে সংলাপ এবং বিভাজনের পরিবর্তে শক্তিশালী আঞ্চলিক সহযোগিতাকে অগ্রাধিকার দিয়ে আসছে। আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে দেশটি ভবিষ্যতে নিজেদের ভূমিকা অব্যাহত রাখবে বলেও জানান তিনি।

চুক্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। পাশাপাশি প্রতিরক্ষার বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার প্রতিশ্রুতি রয়েছে।

যৌথ কৌশলগত স্বার্থের ভিত্তিতে তৈরি এই চুক্তির প্রধান লক্ষ্য হল যৌথ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা শক্তিশালী করা এবং কোনো তৃতীয় পক্ষকে লক্ষ্য না করে একটি নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আল্লাহর কাছে অত্যন্ত প্রিয় যে দোয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:১৯ এম


আল্লাহর কাছে অত্যন্ত প্রিয় যে দোয়া

سبحان الله وبحمده سبحان الله العظيم

উচ্চারণ : সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি, সুবহানাল্লাহিল আজিম।

অর্থ : মহান সেই আল্লাহ এবং তারই সকল প্রশংসা। মহান সেই আল্লাহ যিনি সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকারী।

তাৎপর্য

‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি’ এর অর্থ হলো, “আল্লাহর প্রশংসাসহ তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করছি।”

এই জিকিরে দুটি মৌলিক বিষয় প্রকাশ পায়:

প্রথমত, ‘সুবহানাল্লাহ’ বলে আল্লাহর পবিত্রতা ও তাঁর সব ধরনের ত্রুটি থেকে মুক্তির স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

দ্বিতীয়ত, ‘ওয়া বিহামদিহি’ বলে তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও প্রশংসা প্রকাশ করা হয়।

হাদিসে এই জিকিরের বিশেষ ফজিলত উল্লেখ করা হয়েছে।

রাসুল (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি প্রতিদিন ১০০ বার ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি’ বলবে, তার গুনাহ সমুদ্রের ফেনার চেয়েও বেশি হলেও তা মাফ করে দেওয়া হবে।” (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৬৪০৫)।

আরেকটি হাদিসে আছে, “আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় বাক্য হলো ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি’।” (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২১৩৭)।

আরেক হাদিসে আছে, “যে ব্যক্তি সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি’ বলে, তার জন্য জান্নাতে একটি গাছ রোপণ করা হয়।” (জামে তিরমিজি, হাদিস: ৩৪৬৪)

হাদিসে বর্ণিত আছে, রাসুল (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি প্রতিদিন সকালে ও সন্ধ্যায় তিনবার ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি’ বলবে, সে সব ধরনের বিপদ থেকে সুরক্ষিত থাকবে।” (সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ৩৩৮৮)।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%