১০:১৩ এম
জিম্বাবুয়ে এবং জাম্বিয়া সীমান্তের কাছে কারিবা হ্রদে যাত্রীবাহী ফেরি ডুবির ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৮৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এটি বর্তমানে দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে প্রাণঘাতী পানিপথ দুর্ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে, বলে জানা যাচ্ছে।
রবিবার (১৬ আগস্ট) জিম্বাবুয়ের জাতীয় পুলিশ সার্ভিস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানিয়েছেন, উদ্ধার অভিযানে নতুন করে আরো চারজনের মরদেহ উদ্ধারের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এদিকে, এখনও নিখোঁজদের সন্ধানে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
গত মঙ্গলবার ১১ আগস্ট প্রচণ্ড বাতাসের প্রভাবে ফেরিটি উল্টে যায়। ফেরিটির ধারণক্ষমতা ছিল ৯০ জন, কিন্তু দুর্ঘটনার সময় এতে প্রায় ২৪৩ জন যাত্রী ছিল বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন: ‘নেতানিয়াহু সরকারের প্রতি আস্থার অভাব’, বুথফেরত জরিপে মন্তব্য আইজেনকোটের
মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় অন্তত ১৮ শিশু প্রাণ হারিয়েছে। ফেরিটি জিম্বাবুয়ের উত্তরাঞ্চলের কারিবা শহর থেকে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের গ্রামীণ এবং মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল।
উত্তর জিম্বাবুয়েতে গণপরিবহনের সংকট এবং সড়ক যোগাযোগের বেহাল দশার কারণে স্থানীয় মানুষের যাতায়াতে জলপথ একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত। দুর্ঘটনাটির পর স্থানীয় হাসপাতালের বাইরের এলাকায় স্বজনদের মরদেহ শনাক্ত করতে শত শত লোক সমবেত হয়।
এই দুর্ঘটনার পর দেশের প্রেসিডেন্ট এমারসন নানগাগওয়া এই ঘটনার তীব্রতা উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন, এই ঘটনা দেশের পরিবহন খাতের গুরুতর ত্রুটি ও দুর্বলতাকে সামনে এনেছে, যা দ্রুত সংস্কার প্রয়োজন বলে মনে করছেন।
এদিকে নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান এখনও চলমান রয়েছে।
আরও পড়ুন: কুড়িগ্রামে দুই কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে চার খাদ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
সূত্র: আলজাজিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন