শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৪:২৩ পি.এম
ভারত থেকে নতুন ১৮টি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী বগি চুয়াডাঙ্গার দর্শনা জয়নগর সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। প্রথম চালানে ১৮টি বগি এসেছে।
বাংলাদেশে প্রবেশের পর দর্শনা কাস্টমসে আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হলে রেলকোচগুলো সৈয়দপুরের কারখানায় নিয়ে যাওয়া হবে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর ৩টায় চুয়াডাঙ্গার দর্শনা আন্তর্জাতিক রেল স্টেশনে বগিগুলো প্রবেশ করে।
১২ অক্টোবর ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশের কাপরতলা এলাকা থেকে ব্রডগেজ যাত্রীবাহী রেলকোচগুলো যাত্রা শুরু করে। এরপর কোচগুলো কলকাতার রানাঘাট স্টেশনে অবস্থান করে।
শুক্রবার দুপুরে রওনা দিয়ে ভারতের গেদে চেকপোস্টে আনুষ্ঠানিকতা শেষে চুয়াডাঙ্গা দর্শনা জয়নগর সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। এরপর রেলওয়ে পাকশীর বিভাগীয় কর্মকর্তারা বগিগুলো বুঝে নেন।
বগিগুলো লাল সবুজ রঙে রাঙানো হয়েছে। এসি চেয়ার কোচ ৩টি, এসি বাথ, লাগেজ ভ্যান ও ১১টি শোভন চেয়ার কোচের বগি এসেছে।
কোচগুলো দর্শনা আন্তর্জাতিক রেল স্টেশনে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিকতা শেষে সৈয়দপুরের রেলওয়ে নিজস্ব কারখানায় নিয়ে যাওয়া হবে। ২০২৪ সালের মে মাসে বাংলাদেশ সরকার প্রকল্পের মাধ্যমে ব্রডগেজ রেলকোচ কেনার জন্য চুক্তি করে ভারতের রাইটস লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠানের সাথে। সৈয়দপুর রেলওয়ের কারখানায় নিয়ে যাওয়ার পর সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর রেলের বহরে যুক্ত হবে।
ভারতের রাইটস লিমিটেড নামের সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ব্রডগেজ যাত্রীবাহী রেলবগি সরবরাহ করছে বাংলাদেশে। ২০০টি কোচ সংগ্রহ করা হবে কয়েক ধাপে। বাংলাদেশ রেলওয়ের বহরে নতুন করে যুক্ত হবে কোচগুলো। পাকশী বিভাগের রেলওয়ে কর্মকর্তারা আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রডগেজ যাত্রীবাহী কোচগুলো গ্রহণ করেন। ভারত থেকে এখনও ১৮২টি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী রেলবগি দেশে আসবে।
স্থানীয়রা জানান, সরকারের এ ধরনের উদ্যোগকে আমরা সাধুবাদ জানাই। যাত্রী সেবার মান আগের চেয়ে কিছুটা হলেও এখন বাড়বে। পুরাতন যে বগিগুলো আছে সেগুলো মেরামত করে ব্যবহারের উপযোগী করে তুলতে হবে। রেলের লোকসান কাটাতে নানামুখী উদ্যোগ ও পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। ২০০ বগি দেশে আসলে রেলে অনেকটা পরিবর্তন আসবে। আমরা চাই দ্রুত বাকি বগিগুলো দেশে প্রবেশ করুক।
রেলওয়ে পাকশীর বিভাগীয় মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার রবিউল ইসলাম জানান, ভারত থেকে আজকে ১৮টি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী বগি বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। বগিগুলো বিভিন্ন ক্যাটাগরির রয়েছে। যাত্রী সেবার মান বাড়াতে সরকার এ উদ্যোগ নিয়েছে। পশ্চিম অঞ্চলের যাত্রী সেবার মান অনেক বেড়ে যাবে। রেলখাতের আয় বৃদ্ধি পাবে। বগিগুলো মানসম্মত ও উন্নত মানের।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভুবনেশ্বর কুমার ক্যারিয়ারের গোধূলিলগ্নে রয়েছেন। ৩৬ বছর বয়সী এই পেসারের জন্য বল তুলে রাখার সময় এসে গেছে। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে প্রায় ৪ বছর ধরে জাতীয় দলে সুযোগ না পাওয়া বিষয়টি।
তবে ভুবনেশ্বর সবকিছুকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ঘরোয়া ক্রিকেটে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের মাধ্যমে জাতীয় দলে ফিরেছেন। তিনি নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৫ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে অংশগ্রহণ করবেন। সিরিজটি আগামী ২২ অক্টোবর থেকে শুরু হবে।
জাতীয় দলের হয়ে সর্বশেষ তিনি নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি খেলেছেন। ২০২২ সালে নেপিয়ারে অনুষ্ঠিত ম্যাচটিও ছিল প্রতিপক্ষের মাঠে। তবে এবার মাঠে নামতে ভুবনেশ্বরকে এক সপ্তাহের মতো অপেক্ষা করতে হবে না। ক্রাইস্টচার্চে শুরু হতে যাওয়া সিরিজের আগে তিনি সুযোগ পাচ্ছেন।
আর্শদীপ সিং ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৫ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচ থেকে ছিটকে গেছেন। বাঁহাতি পেসারের পরিবর্তে পঞ্চম ম্যাচে ভুবনেশ্বরকে নিয়েছে ভারত। সিরিজটি ২-২ সমতায় রয়েছে এবং শেষ ম্যাচটি বেঙ্গালুরুতে অনুষ্ঠিত হবে।
ভুবনেশ্বর ২০২৫ সাল থেকে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে আইপিএলে খেলছেন। বেঙ্গালুরুর মাঠ তার জন্য পরিচিত, কারণ এটি ফ্র্যাঞ্চাইজিটির ঘরের মাঠ। তিনি বেঙ্গালুরুকে গত দুই আসরে চ্যাম্পিয়ন করতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। গেল আসরে কাগিসো রাবাদার (২৯) পর সর্বোচ্চ ২৮ উইকেট ছিল তার। বিপরীতে ২০২৫ আসরে তিনি ১৭ উইকেট নিয়েছিলেন।
সিরিজের নির্ধারণী ম্যাচে জাতীয় দলের হয়ে মাঠে ফেরার অপেক্ষা ভুবনেশ্বর কুমারের শেষ হতে পারে। দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এবং পরিচিত মাঠের কারণে তার প্রত্যাবর্তন হতে পারে। তবে বেঙ্গালুরুর ম্যাচে ফিরতে পারবেন কি না, তা কোচ গৌতম গম্ভীরের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬ : বাংলাদেশ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ডিজিটালাইজেশন এবং সবুজ প্রযুক্তিনির্ভর পরিবর্তিত শ্রমবাজারের চাহিদা মেটাতে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণকে (টিভেট) একটি প্রধান হাতিয়ার হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
কারিগরি শিক্ষার আধুনিকায়ন এবং প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাকে কর্মসংস্থানের সঙ্গে যুক্ত করার জন্য শিল্প চাহিদার সামঞ্জস্যে একটি পূর্ণাঙ্গ জাতীয় ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
আজ শুক্রবার চীনের তিয়ানজিনে অনুষ্ঠিত ‘ওয়ার্ল্ড ভোকেশনাল অ্যান্ড টেকনিক্যাল এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট কনফারেন্স ২০২৬’- এর উদ্বোধনী অধিবেশনে বাংলাদেশের পক্ষে জাতীয় বক্তব্য উপস্থাপনকালে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এসব কথা বলেন।
তিয়ানজিন মেইজিয়াং কনভেনশন অ্যান্ড এক্সিবিশন সেন্টারে আয়োজিত এ সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য ‘টিভেট: পরিবর্তনকে যৌথভাবে গ্রহণ, যৌথভাবে মানদণ্ড প্রতিষ্ঠা এবং যৌথভাবে ভবিষ্যৎ নির্মাণ’। এই উচ্চপর্যায়ের বৈশ্বিক সম্মেলনে ৪০টিরও বেশি দেশের শিক্ষামন্ত্রী, ১০০টিরও বেশি দেশের সরকারি প্রতিনিধিদল, ইউনেস্কোর উচ্চপদস্থ প্রতিনিধি, শিল্পখাতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, বিশ্ববিদ্যালয় প্রধান এবং কারিগরি শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা অংশগ্রহণ করেছেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চীনের শিক্ষামন্ত্রী হুয়াই জিনপেং, চীনের স্টেট কাউন্সিলের ভাইস প্রিমিয়ার দিং শুয়েশিয়াং, তিয়ানজিনের মেয়র ঝাং গং, মালয়েশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী আহমাদ জাহিদ হামিদি এবং ইউনেস্কোর ঊর্ধ্বতন নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশের পক্ষে জাতীয় বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী প্রধান বক্তা হিসেবে বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রধান সম্পদ তার জনগণ এবং মানবসম্পদই জাতীয় অগ্রগতির প্রধান ভিত্তি।’
তিনি টিভেটকে এমন একটি অপরিহার্য সেতুবন্ধন হিসেবে অভিহিত করেন, যা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাকে কর্মসংস্থানের সঙ্গে, একাডেমিক জ্ঞানকে বাস্তব প্রয়োগের সঙ্গে এবং তরুণদের সম্ভাবনাকে উৎপাদনশীল অর্থনৈতিক সুযোগের সঙ্গে যুক্ত করে।
ভবিষ্যতের অর্থনীতির চাহিদা পূরণে কেবল একাডেমিক শিক্ষা যথেষ্ট নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে ব্যবহারিক, প্রযুক্তিগত এবং ডিজিটাল দক্ষতার সমন্বয় অপরিহার্য।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের টিভেট সংস্কার কর্মসূচি কেবল নতুন প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ‘আমরা এমন একটি পূর্ণাঙ্গ জাতীয় ইকোসিস্টেম গড়ে তুলছি, যেখানে পাঠ্যক্রম বাস্তবভিত্তিক শিল্পখাতের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে; শিক্ষকরা দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তির সঙ্গে নিজেদের নিয়মিত হালনাগাদ রাখবেন; শিক্ষার্থীরা হাতে-কলমে শিল্প-সংযুক্ত অভিজ্ঞতা অর্জন করবে; এবং জাতীয় যোগ্যতা কাঠামো সরাসরি কর্মসংস্থান ও জীবিকার সুযোগ তৈরি করবে।’
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো শিক্ষা ব্যবস্থাকে উৎপাদনশীলতা, উদ্ভাবন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় উন্নয়নের সঙ্গে আরও নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত করা।
গত জুন মাসে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, উভয় দেশ শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন খাতে সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। বাংলাদেশ চীনের সফল অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে দেশের টিভেট খাতকে আধুনিকায়ন, শিল্প-প্রতিষ্ঠান সংযোগ জোরদার, শিক্ষকদের সক্ষমতা উন্নয়ন এবং শিল্প-সংযুক্ত ব্যবহারিক শিক্ষার প্রসারে কাজ করছে।
সম্মেলনের বৈশ্বিক প্রতিপাদ্যের আলোকে শিক্ষামন্ত্রী আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি তিনটি সুনির্দিষ্ট আহ্বান জানান।
১. উদীয়মান প্রযুক্তি ও পরিবর্তিত কর্মপরিবেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাগুলোকে আরও অভিযোজনক্ষম ও গতিশীল করা।
২. কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের বৈশ্বিক মানদণ্ড নিজ নিজ দেশের অর্থনীতি, শ্রমবাজারের বাস্তবতা এবং জাতীয় উন্নয়নের অগ্রাধিকারের আলোকে অভিযোজিত করতে পারা।
৩. সরকার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিল্পখাত, নিয়োগদাতা, আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং তরুণ সমাজকে অংশীদারিত্বমূলক সহযোগিতার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ নির্মাণ করা।
সম্মেলনের ফাঁকে শিক্ষামন্ত্রী মিলন চীনের শিক্ষা উপমন্ত্রী রেন ইউছুয়েনের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠকে বিদ্যমান বাংলাদেশি কারিগরি প্রতিষ্ঠানসমূহের উন্নয়ন, যৌথ কারিগরি শিক্ষা কর্মসূচি চালু, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য চীনা সরকারি বৃত্তি সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশে একটি ‘বাংলাদেশ-চীন যৌথ কারিগরি ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়’ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনাসহ বিভিন্ন সহযোগিতা বিষয়ক প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে উভয় পক্ষ এসব অগ্রাধিকারমূলক সহযোগিতা উদ্যোগ বাস্তবায়নে দ্রুত পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণে সম্মত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের রাজনৈতিক ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) নেতৃত্বাধীন প্রাদেশিক সরকারকে স্থগিত করেছেন। সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতা ঠেকাতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে, প্রদেশটির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে জারদারির রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের একজনকে।
এতে কারাবন্দি এই নেতার রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরো কঠিন হয়ে উঠেছে। এদিকে, ইমরান খানের শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে বলে দাবি করেছে তার পরিবার।
রয়টার্স জানায়, রবিবার আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় এ প্রদেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন জারদারি। সম্প্রতি সেখানে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর হামলা বেড়ে যাওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) নেতৃত্বাধীন প্রাদেশিক সরকারকে স্থগিত করেছেন জারদারি। সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতা ঠেকাতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে, প্রদেশটির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে জারদারির রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের একজনকে।
তবে পিটিআইয়ের অভিযোগ, জরুরি অবস্থা জারির অজুহাতে প্রদেশটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করছে কেন্দ্রীয় সরকার। পাশাপাশি, দলের সমর্থকেরা যাতে মিছিল নিয়ে রাজধানী ইসলামাবাদে যেতে না পারেন, সেই ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। এ সিদ্ধান্তের ফলে প্রাদেশিক বাজেটের অর্থ ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা থেকেও বঞ্চিত হবে দলটি।
বুধবার প্রাদেশিক রাজধানী পেশোয়ারের হাইকোর্টে জরুরি অবস্থা জারির সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করেছে পিটিআই। ইমরান খানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী জুলফি বুখারি বলেন, "সন্ত্রাসবাদের মতো জটিল বিষয়ের সঙ্গে ইমরান খানের মৌলিক মানবাধিকারের বিষয়টি মিলিয়ে দেখা হাস্যকর।"
জরুরি অবস্থা জারির আগে প্রদেশটিতে ইমরান খানের হাজারো সমর্থক সমাবেশ করেন। ইমরানের মুক্তি ও চিকিৎসার দাবিতে তাদের ইসলামাবাদে মিছিল নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। তবে ওই মিছিলের আগে ইমরানের তিন বোন, দলের নেতাসহ কয়েক শ সমর্থককে গ্রেপ্তার করা হয়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক নাজাম শেঠি বলেন, ইমরান খানের জন্য পরিস্থিতি আরো কঠিন হয়ে উঠবে। তার মতে, পিটিআই একই সঙ্গে ইমরানের মুক্তির বিষয়ে কোনো ছাড় আদায় করতে পারেনি এবং খাইবার পাখতুনখোয়ায় নিজেদের সরকারের নিয়ন্ত্রণও হারিয়েছে। দলের নেতাদেরও কারাবন্দি হতে দিয়েছে।
শেঠির মতে, এ পরিস্থিতিতে ইমরান খান ও পাকিস্তানের প্রভাবশালী সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের মধ্যে দীর্ঘদিনের ক্ষমতার দ্বন্দ্ব আরো বাড়তে পারে।
৭৪ বছর বয়সী সাবেক ক্রিকেট তারকা ইমরান খান ২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। দুর্নীতির অভিযোগে ২০২৩ সালে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। তিনি অবশ্য তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
গত কয়েক মাস ধরে কারাগারে তার সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগও বন্ধ ছিল। ইমরানের এক চোখের দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া, রক্তচাপের ওঠানামা এবং একাকী কারাবাসের কারণে মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব পড়ার কথা জানিয়েছে তার পরিবার ও দল। তারা জরুরি চিকিৎসার দাবি জানিয়ে আসছেন।
দুই বছর আগে পিটিআইয়ের সর্বশেষ বড় বিক্ষোভ প্রাণঘাতী সংঘর্ষে শেষ হয়েছিল। ২০২৩ সালে ইমরান খানকে গ্রেপ্তারের পরও পাকিস্তানজুড়ে দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ে। এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে গত সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সরকার পিটিআইয়ের সঙ্গে আলোচনা করে। আলোচনায় ইমরানের ব্যক্তিগত উদ্যোগে চিকিৎসার ব্যবস্থা, কারাগারে সাক্ষাতের সুযোগ এবং লন্ডনে থাকা তার ছেলেদের সঙ্গে ফোনে কথা বলার সুযোগ চায় দলটি।
অন্যদিকে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী তালাল চৌধুরী জানান, সরকারও পিটিআইয়ের কাছে কয়েকটি দাবি জানিয়েছিল। এর মধ্যে ছিল সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর হামলার নিন্দা জানানো, হামলায় নিহত নিরাপত্তাকর্মীদের জানাজায় অংশ নেওয়া এবং সন্ত্রাসবাদ দমনে সরকারের সঙ্গে কাজ করা।
রয়টার্সকে তালাল চৌধুরী বলেন, পিটিআই যেসব দাবি জানিয়েছিল, সরকার তার প্রায় সবই মেনে নিয়েছিল। তবে তার দাবি, দলটি সরকারের শর্তগুলো প্রত্যাখ্যান করেছে।
১৯৭৫ সালের পর থেকে পাকিস্তানের বিভিন্ন প্রদেশে পাঁচবার জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। এর মধ্যে তিনবার খাইবার পাখতুনখোয়ায় এবং একবার করে পাঞ্জাব ও বেলুচিস্তানে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। প্রতিবারই কয়েক মাসের মধ্যে আদালত বা রাজনৈতিক হস্তক্ষেপে জরুরি অবস্থা তুলে নেওয়া হয়েছিল।
এবারের জরুরি অবস্থা নিয়েও উদ্বেগ জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠন ও বিশ্লেষকেরা। তাদের আশঙ্কা, এ সিদ্ধান্তের অজুহাতে বিরোধীদের ওপর দমন-পীড়ন চালানো হতে পারে। স্বাধীন মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস কমিশন অব পাকিস্তান কেন্দ্রীয় সরকার ও পিটিআইকে অর্থবহ রাজনৈতিক আলোচনা আবার শুরু করার আহ্বান জানিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্যাংকক, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬ : চলমান মধ্যপ্রাচ্যের সংকট এবং উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত দীর্ঘস্থায়ী মূল্যস্ফীতির কারণে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী জনগণের ওপর চাপ সৃষ্টি হলেও, বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) মনে করে যে, সরকারের ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিগুলি মানুষের দুর্ভোগ কমাতে এবং দারিদ্র্য হ্রাসে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যাওয়া মানুষকে দারিদ্র্য থেকে বের করে আনা সম্ভব হবে এবং নতুন করে মানুষের দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যাওয়া ঠেকানো যাবে।
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর আজ ব্যাংককে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপের বার্ষিক সভার ফাঁকে সাংবাদিকদের কাছে এ তথ্য জানান।
এর আগে সকালে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক এবং ব্যাংক অব আমেরিকার কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে।
ড. তিতুমীর উল্লেখ করেন, দীর্ঘস্থায়ী মূল্যস্ফীতি এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। জ্বালানি ও বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রভাবও অর্থনীতির বিভিন্ন খাতে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে সরকার এই চাপ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। বিশেষ করে, জ্বালানির মূল্য সমন্বয়ের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি চাপ সীমিত রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার মূল্যায়নে দীর্ঘস্থায়ী মূল্যস্ফীতি এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের কারণে মানুষের দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যাওয়ার ঝুঁকির বিষয়টি উঠে এসেছে। বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, অতীতের দীর্ঘস্থায়ী মূল্যস্ফীতির কারণে দেশে প্রায় ৮০ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে গেছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো মনে করছে।
ড. তিতুমীর বলেন, অতীতে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বড় দুর্বলতা ছিল উপকারভোগী বাছাইয়ে ত্রুটি। যাদের সহায়তা পাওয়ার কথা, তাদের অনেকে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হননি। অন্যদিকে, যাদের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কথা নয়, তারাও তালিকায় স্থান পেয়েছেন। এ সমস্যা সমাধানে সরকার ডিজিটাল জনপরিকাঠামো ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে, যাতে প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে সহায়তা পৌঁছানো যায়।
তিনি বলেন, স্বাধীন গবেষণা সংস্থাগুলোর মূল্যায়ন অনুযায়ী, ফ্যামিলি কার্ডের কার্যকর বাস্তবায়নের ফলে দারিদ্র্য প্রায় ৫ শতাংশ কমতে পারে। সরকারের এসব কর্মসূচি কোনো কল্পনাপ্রসূত পরিকল্পনা নয়। প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত কর্মসূচিগুলো পঞ্চবার্ষিক অর্থনৈতিক কৌশলেও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে শুধুমাত্র কঠোর মুদ্রানীতি যথেষ্ট নয় উল্লেখ করে ড. তিতুমীর বলেন, রাজস্ব এবং আর্থিক খাতের সংস্কারও জরুরি। সরকারের লক্ষ্য রাজস্ব আয় বাড়ানো এবং কর ফাঁকি, কর জালিয়াতি ও পৃষ্ঠপোষকতার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসা। এ লক্ষ্যে গৃহীত পদক্ষেপের ফলে রাজস্ব আদায়ে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।
তিনি বলেন, গত অর্থবছরে রাজস্ব প্রবৃদ্ধি ছিল প্রায় ৩ শতাংশ। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সময়ে রাজস্ব প্রবৃদ্ধি ১২ থেকে ১৩ শতাংশে পৌঁছেছে। সরকারের সংস্কার কার্যক্রমের বিশ্বাসযোগ্যতা কাজের ফলাফলের মাধ্যমেই প্রমাণিত হচ্ছে।
আইএমএফের অর্থনৈতিক পূর্বাভাস প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিভিন্ন পূর্বাভাসের ব্যাখ্যা দেওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শর্ত ও প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নেওয়া জরুরি। সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়িত না হলে কী পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, আইএমএফের পূর্বাভাসকে সেই প্রেক্ষাপটেও দেখতে হবে। অতীতে শেখ হাসিনার সরকারের সময়ে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত না হওয়ায় আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মধ্যে যে সংশয় তৈরি হয়েছিল, বর্তমান সরকার সংস্কারের মাধ্যমে তা দূর করতে চায়।
ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং আমানতকারীদের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করে ড. তিতুমীর বলেন, অতীতে ব্যাংকিং খাতে ব্যাপক অনিয়ম ও অর্থ লুটপাটের কারণে প্রায় ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ আর্থিক ক্ষতির বিষয়টি সামনে এসেছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলা করে ব্যাংকিং ব্যবস্থায় আস্থা ফিরিয়ে আনার কাজ চলছে।
তিনি বলেন, সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে আমানতকারীদের আস্থা ফেরানোর ক্ষেত্রে অগ্রগতি হয়েছে। গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে আমানতকারীরা তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী অর্থ তুলতে পারছেন। আমানত উত্তোলনের পাশাপাশি অনেকেই অর্থ জমা রাখছেন, যা আস্থা ফেরার ইঙ্গিত দেয়। এ ছাড়া ট্রেজারি বন্ডের সুদের হার কমে আসাও আর্থিক খাতে পরিবর্তনের একটি ইতিবাচক লক্ষণ।
মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের কারণে জ্বালানি, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এবং সারের আমদানি ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়টি উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, সংকটের কারণে সৃষ্ট বাড়তি ব্যয়ের হিসাব করলেই অর্থনীতির ওপর এর পূর্ণ প্রভাব বোঝা যাবে না। কৃষকদের ওপর চাপ কমাতে ডিজেলের দাম না বাড়ানোর বিষয়টিও বিবেচনায় নিতে হবে। সংকট সৃষ্টিতে বাংলাদেশের ভূমিকা না থাকলেও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে সরকার এর প্রভাব মোকাবিলায় কাজ করছে।
তিনি বলেন, অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং উৎপাদন ও রপ্তানি বাড়াতে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে উৎপাদনশিল্পের কেন্দ্র ও রপ্তানির প্রবেশদ্বার হিসেবে গড়ে তোলার কৌশল নিয়েছেন। সরকারের লক্ষ্য নিজস্ব রাজস্ব আয় বাড়ানো, ব্যাংকিং খাতে আস্থা ফিরিয়ে আনা এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ওপর অর্থনৈতিক চাপ কমিয়ে টেকসই উন্নয়নের পথ তৈরি করা।
বিশ্বব্যাংক গ্রুপ ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ২০২৬ সালের বার্ষিক সভা ১২ থেকে ১৮ অক্টোবর থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কুইন সিরিকিত জাতীয় সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এ সভায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অর্থমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর, নীতিনির্ধারক, উন্নয়ন সহযোগী এবং বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন। বৈশ্বিক অর্থনীতি, উন্নয়ন অর্থায়ন, দারিদ্র্য হ্রাস, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং আর্থিক খাতের সংস্কার সভার আলোচনায় গুরুত্ব পাচ্ছে। বাংলাদেশের জন্য এ সভা আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে অর্থনৈতিক সংস্কার, উন্নয়ন অর্থায়ন এবং নিজস্ব অগ্রাধিকারভিত্তিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ