০২:৪৪ পি.এম
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতের সংখ্যা দুই হাজারের বেশি হয়ে গেছে। তিনি উল্লেখ করেন, জাতিসংঘের ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশনের প্রতিবেদনে প্রায় ১ হাজার ৪০০ জন নিহত হওয়ার কথা বলা হলেও, তাদের হিসাব অনুযায়ী নিহতের সংখ্যা দুই হাজারের বেশি।
তিনি আরও জানান, অনেক লাশ গায়েব করা হয়েছে এবং পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে।
রবিবার (৩০ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: আজ বিসর্জনে শেষ হবে দুর্গাপূজা
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিভিন্ন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী ৭০৯ জন গুমের শিকার হয়েছেন। এর মধ্যে ১৫৫ জন ফিরে এসেছেন। তিনি আরও জানান, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে গুমের বিষয়ে ১ হাজার ৮৫০টি আবেদন জমা পড়েছিল।
গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের দুর্ভোগের কথা তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বিগত দিনে আমরা যারা গুম হয়েছিলাম, প্রতি মুহূর্তে আমাদের মৃত্যুর প্রহর গুনতে হয়েছে।
অপেক্ষা করতে হয়েছে। এ সময়ে আমাদের স্বজনরা কীভাবে সময় কাটিয়েছেন, সেটি তারা ছাড়া কেউ বুঝবেন না।’
তিনি আরও বলেন, গুমের শিকার ইলিয়াস আলীর স্ত্রী ও সুমনের মায়ের মানসিক অবস্থা কেউ বুঝবেন না। আমার স্ত্রী-সন্তানদের কী অবস্থা হয়েছিল, সেটিও অন্য কেউ বোঝার কথা নয়।
আরও পড়ুন: মিসরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে ১৩ জন নিহত, ৩৪ জন আহত
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, আমরা মনে করি, মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় এ ধরনের গুম-খুনের কোনো স্থান ছিল না।
ব্রিগেডিয়ার আযমীর মতো অনেকে ফিরে এলেও পরিবারের কাউকে পাননি।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার দুই হাজারের বেশি মানুষকে হত্যা করেছে উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বহু লাশ গায়েব করেছে এবং পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। আমরা মনে করি, এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক মৃত্যু হয়েছে ঢাকায়, আর দাফন হয়েছে দিল্লিতে।’
আরও পড়ুন: মিসরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ১৩ পর্যটকের
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন