শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:০৯ পি.এম
ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যের গ্রেটার নয়ডায় একটি যাত্রীবাহী বাসে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ফলে মা ও ছেলেসহ ৯ জনের মৃত্যু ঘটেছে। নিহতদের মধ্যে ৪৭ বছর বয়সী সুনীতা গুপ্ত এবং তার ২৮ বছর বয়সী ছেলে শশাঙ্ক অন্তর্ভুক্ত ছিলেন, যারা উত্তরপ্রদেশের মহোবার বাসিন্দা।
যাত্রীরা চিৎকার করে বলছিলেন, "দ্রুত নেমে আসুন। আগুন ছড়াচ্ছে।" কিন্তু সুনীতা গুপ্ত (৪৭) নামতে পারলেন না। তার ছেলে শশাঙ্কও মাকে ছেড়ে নামলেন না। ফলে বাসের ভিতরেই তারা দু’জনের মৃত্যু ঘটে।
শশাঙ্ক কর্মসূত্রে হরিয়ানার গুরুগ্রামে বসবাস করতেন এবং তিনি ইন্ডিগোতে ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করতেন। প্রায় এক মাস আগে চিকিৎসার জন্য তার কাছে এসেছিলেন সুনীতা, যিনি হাঁটুতে অস্ত্রোপচার করিয়েছিলেন। সম্প্রতি শশাঙ্কের কাকা হৃদরোগে আক্রান্ত হলে মাকে নিয়ে গ্রামের বাড়িতে ফেরার পরিকল্পনা করেন তিনি। ট্রেনের টিকিট না পাওয়ায় তারা একটি এসি বাসের টিকিট কাটেন। মায়ের আরামের কথা ভেবে বাসের পেছনের দিকের আসন বুক করেছিলেন শশাঙ্ক।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাতে দিল্লির কাশ্মীরি গেট থেকে বাসে ওঠেন মা-ছেলে। যমুনা এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে যাওয়ার সময় ৩৩ কিলোমিটার মার্কারের কাছে, জেবরের দয়ানতপুর এলাকায় বাসটিতে আগুন ধরে যায়। বাসটিতে দুই চালক ও এক কন্ডাক্টরসহ মোট ৩৫ জন যাত্রী ছিলেন।
প্রাথমিকভাবে জানা যায়, আগুনের সূত্রপাত হয় চালকের কেবিন থেকে। তদন্তে বাসটির দুটি জরুরি নির্গমনপথ বন্ধ অবস্থায় পাওয়ার কথাও জানা যায়।
আগুন ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়। অনেকেই জানালার কাচ ভেঙে বাইরে লাফ দেন। স্থানীয়দের সহায়তায় ২৬ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। তবে শশাঙ্ক ও তার মা সুনীতা বাসের পেছনের দিকে ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, আগুন ছড়িয়ে পড়ার পর শশাঙ্ক মাকে নিয়ে বের হওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু হাঁটুর অস্ত্রোপচারের কারণে সুনীতা দ্রুত হাঁটতে পারছিলেন না। এদিকে বাসের ভেতর ধোঁয়া বাড়তে থাকে। বাইরে থেকে যাত্রীরা দ্রুত নেমে আসার জন্য চিৎকার করছিলেন। কিন্তু শশাঙ্ক মাকে ফেলে একা বেরিয়ে আসেননি।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি বলেছিলেন, "মা না নামতে পারলে আমিও নামব না। মাকে নিয়েই নামব।" শেষ পর্যন্ত দু'জনই বাসের ভেতর আটকা পড়ে যান। ধোঁয়ায় জ্ঞান হারানোর পর আগুনে পুড়ে তাদের মৃত্যু ঘটে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) পরিবারের সদস্যরা সুনীতা ও শশাঙ্কের মরদেহ শনাক্ত করেন। সুনীতার উচ্চতা এবং শশাঙ্কের হাতে থাকা আংটি দেখে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
মহোবার চরখড়ির বাড়িতে শশাঙ্কের বাবা নীরজ গুপ্ত এবং তার ছোট ভাই নিখিল, যিনি বর্তমানে কলেজে পড়াশোনা করছেন, রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করার সময় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) তিনজন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে। আজ শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল পৌনে আটটার দিকে মহেশপুর ব্যাটালিয়নের (৫৮ বিজিবি) অধীনস্থ খোসালপুর বিওপির এলাকা থেকে তাঁদের আটক করা হয়।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, সীমান্ত পিলার-৬০/৭৪-আর থেকে আনুমানিক ৭০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বাঘাডাঙ্গা গ্রামের বাজারসংলগ্ন রাস্তার ওপর হাবিলদার মো. জামাল উদ্দিনের নেতৃত্বে নিয়মিত টহল পরিচালনা করা হচ্ছিল। এ সময় সীমান্ত পেরিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করার অভিযোগে বিজিবি টহল দল তিন যুবককে আটক করে।
আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন, বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ উপজেলার বড়বাদুরা গ্রামের মো. জাকারিয়া খান (৩০), নড়াইলের কালিয়া উপজেলার পহরডাঙ্গা গ্রামের মো. ইক্লাস শরিফ (৪০) এবং যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার খেপখালী গ্রামের হৃদয় মন্ডল (২৯)।
মহেশপুর ব্যাটালিয়নের (৫৮ বিজিবি) সহকারী পরিচালক মুন্সী ইমদাদুর রহমান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, আটককৃত পুরুষদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মহেশপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জে নিরাপদ খাদ্য আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করেছে বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত। তিনটি প্রতিষ্ঠানকে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিক্রি এবং মোড়কে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগে মোট ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী জরিমানার অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) কিশোরগঞ্জের বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট ফখরুল ইসলামের নেতৃত্বে নিরাপদ খাদ্য আইনের আওতায় সংক্ষিপ্ত বিচার আদালতের (সামারি ট্রায়াল) মাধ্যমে এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. এমরান এবং কিশোরগঞ্জ জেলার নিরাপদ খাদ্য অফিসার মো. আশরাফুল ইসলাম তালুকদার।
বিচারিক কার্যক্রমে মারিয়া বিসিক শিল্পনগরীতে অবস্থিত এম এম খান ফুডসকে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি, দই ও দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদন ও সংরক্ষণের দায়ে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
এশিয়া ব্রেড অ্যান্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরিকে একই অভিযোগে ৩ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া, আজহার ফুড প্রোডাক্টস অ্যান্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরিকে অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বনরুটি ও অন্যান্য খাদ্যপণ্য উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিক্রির দায়ে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তিন প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে জরিমানার অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।
এদিকে, বিচারিক কার্যক্রমের পাশাপাশি নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে বিভিন্ন খাদ্যপ্রতিষ্ঠানে পরিদর্শন ও অভিযান পরিচালনা করা হয়। সুগন্ধা ফুড প্রোডাক্টস, গাংচিল রেস্তোরা, কাচ্চি ভাই, হোটেল খাওয়া দাওয়া, তাজ রেস্টুরেন্ট ও মাটির হাঁড়ি রেস্তোরাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পরিদর্শনের সময় অসংগতিগুলো দূর করার জন্য সংশ্লিষ্টদের মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয়।
অভিযান ও বিচারিক কার্যক্রমে সার্বিক সহযোগিতা করেন জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর শংকর চন্দ্র পাল। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ, কিশোরগঞ্জ র্যাব ও আনসার ব্যাটালিয়নের পৃথক চৌকস দল দায়িত্ব পালন করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এর নিয়োগপত্র সম্পর্কে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের জন্য নতুন তথ্য প্রকাশ করেছে।
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) তার ফেসবুক পেজে একটি প্রশাসনিক পোস্টের মাধ্যমে এই তথ্য জানিয়েছেন।
পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে, ১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে যদি কেউ নিয়োগপত্র না পেয়ে থাকেন, তবে তাদের নিয়োগপত্র যথাযথভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পর্যায়ক্রমে প্রেরণ করা হবে।
এছাড়া, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে ভেরিফিকেশন বা ভেটিং একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাই নিয়োগপত্র পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও কর্মসূচিগুলো বাণিজ্যক্ষেত্রে সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি উল্লেখ করেছেন, দেশের মূল নেতা প্রধানমন্ত্রী। যখন তিনি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা করেন, তখন তা বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ফোরাম থেকে বলা হয়। এর ফলে সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক ফল আসবে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দক্ষিণ সুরমায় সিলেট মহানগর ব্যবসায়ী সমিতির অভিষেক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফরে প্রায় ১১টি দ্বিপক্ষীয় বৈঠকসহ ৩০টি কর্মসূচি রয়েছে। এসব কর্মসূচি দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অবশ্যই ইতিবাচক প্রভাব রাখবে। দেশের প্রধানমন্ত্রীই তো মূল নেতা। তিনিই মূল নেতৃত্ব দেন। তিনি যখন বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা করেন, তখন তা বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ফোরাম থেকে বলা হয়। এর ফলে সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক ফল আমরা পাবো ইনশাআল্লাহ।
বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের জন্য সবাই বন্ধুরাষ্ট্র। আমরা সবার সঙ্গে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক রেখে এগিয়ে যেতে চাই।
বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি চলমান থাকলে তার কি কি প্রভাব বাণিজ্যে পড়তে পারে- এমন প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, এ অবস্থা চলতে থাকলে বাণিজ্যে কি প্রভাব পড়বে, এটা তো একটি পরিবর্তনশীল পরিস্থিতি। এক জায়গায় জিনিসটা থেমে নেই যে আপনি এটার ওপর নির্ভর করে একটি উৎস বের করবেন। বর্তমানে তেলের মূল্য নির্ধারণে আমাদের বাধ্য হতে হয়েছে, আংশিক সমন্বয় করতে হয়েছে। তিনি বলেন, এটার অভিঘাতে দ্রব্যমূল্যের প্রভাব যাতে কমানো যায়, সেজন্য আমরা সাপ্লাই চেনকে আরো সুসংহত করার জন্য, মসৃণ করার জন্য, কোনো জায়গায় যেন অযৌক্তিভাবে মূল্যবৃদ্ধি না হয় এবং সরবরাহ যাতে কোনো অবস্থায় বাঁধাগ্রস্ত না হয়, সেজন্য কাজ করছি।
এর আগে মহানগর ব্যবসায়ী সমিতির অভিষেক অনুষ্ঠানে খন্দকার মুক্তাদির সিলেটে এআই প্রশিক্ষণকেন্দ্র স্থাপনের ঘোষণা দিয়ে বলেন, সিলেটে একটি এআই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র করার বিষয়ে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তরুণদের প্রশিক্ষণ দিয়ে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দক্ষ করে তুলতে এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, দেশে অনেক তরুণ ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করছেন। সিলেটের তরুণদেরও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এ খাতে যুক্ত করার সুযোগ তৈরি করতে চাই। এ জন্য প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি যথাযথভাবে পরিচালনা করা গেলে সিলেট থেকে বিপুলসংখ্যক তরুণ ফ্রিল্যান্সিং ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কাজের সুযোগ পাবেন।
তিনি আরো বলেন, আগামী সপ্তাহ বা তার পরের সপ্তাহে ইনশাআল্লাহ আমি আমাদের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি মন্ত্রীকে সিলেট নিয়ে আসব। তার সঙ্গে আমি আলাপ করেছি, আমরা এখানে একটি এআই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র করব।
খন্দকার মুক্তাদির বলেন, বিনিয়োগ আকর্ষণের অন্যতম পূর্বশর্ত হচ্ছে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন। সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীত করার পাশাপাশি রেল যোগাযোগের উন্নয়নেও কাজ করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে সিলেটের সঙ্গে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের যোগাযোগ আরো সহজ হবে।
সিলেটের তরুণদের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে যুক্ত করার পাশাপাশি শহরকে বিনিয়োগ ও ব্যবসার জন্য আরো আকর্ষণীয় করে তোলার বিষয়েও তিনি কথা বলেন। এ জন্য আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নের ওপরও গুরুত্ব দেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, মানুষের মধ্যে নিরাপত্তার অনুভূতি না থাকলে বিনিয়োগ ও উন্নয়ন সম্ভব নয়। কোনো এলাকায় মাদক বা কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা থাকলে সেখানকার মানুষ ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়।
সিলেট নগরকে উন্নত প্রযুক্তির সিসিটিভির আওতায় আনার উদ্যোগের কথা জানান তিনি। তার ভাষ্য, সিলেট সিটি করপোরেশন শহরজুড়ে এমন সিসিটিভি স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে, যেগুলোতে মুখ শনাক্ত করার প্রযুক্তি থাকবে এবং রাতেও নজরদারি করা যাবে। প্রযুক্তির সহায়তায় অপরাধীদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সিলেটকে বাসযোগ্য, বিনিয়োগ, ব্যবসা ও পর্যটনের জন্য আরো আকর্ষণীয় শহর হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ