মোঃ শরীফ উদ্দিন :ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
০৪:৫১ পি.এম
ঢাকার কদমতলী খালপাড় এলাকা থেকে নিখোঁজ হয়েছেন সাফি মিয়া নামে এক যুবক/কিশোর। তার পরিবার সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে তাকে খুঁজে পেতে।
সাফি মিয়ার পিতার নাম মোঃ শফিল মিয়া। তার গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার খান্দুরা গ্রামে অবস্থিত।
পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, কদমতলী খালপাড় এলাকা থেকে নিখোঁজ হওয়ার পর তারা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও সাফি মিয়ার সন্ধান পাচ্ছেন না। এই পরিস্থিতিতে পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।
যদি কোনো সহৃদয় ব্যক্তি সাফি মিয়ার সন্ধান পেয়ে থাকেন অথবা তার অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য জানেন, তাহলে দ্রুত পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
যোগাযোগ: ০১৭০৩-২২-৫৪৫৬
সাফি মিয়ার সন্ধান পেতে তার পরিবারের সদস্যরা পোস্টটি বেশি বেশি শেয়ার করে সহযোগিতা করার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালীর বাউফলে উচ্চ আদালতের (হাইকোর্ট) সহকারী প্রোগ্রামার হাসান গাজীর পরিবারের বিরুদ্ধে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি উপজেলার মদনপুরা ইউনিয়নের দরগাবাড়ি এলাকায় ঘটেছে।
অভিযোগ রয়েছে যে, হাসান গাজীর পরিবারের বিরুদ্ধে রাবেয়া বেগমের বণ্টন সংক্রান্ত মামলা পটুয়াখালীর আদালতে চলমান থাকাকালীন আদালত উভয় পক্ষের ওপর ঘর নির্মাণের নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন। এরপর আদালতে আবেদন করে পুরোনো ঘরের সংস্কারকাজের অনুমতি নেয় হাসান গাজীর পরিবার। কিন্তু তারা সংস্কারের অনুমতি নিয়ে পুরোনো ঘর ভেঙে সেখানে নতুন একতলা ভবন নির্মাণ করেন। নির্মাণকাজ চলাকালে পুলিশ বাধা দিলেও তা উপেক্ষা করে ভবন নির্মাণের কাজ সম্পন্ন করা হয়।
এ বিষয়ে বাউফল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনিরুল ইসলাম মন্তব্য করেন, ‘আদালত থেকে সংস্কারের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি সেখানে নতুন পাকা বসতঘর নির্মাণের কাজ করছিলেন। ৯৯৯-এর কল পেয়ে সরেজমিনে গিয়ে তাদের কাজ করতে নিষেধ করা হয়। তবুও তিনি ভবন নির্মাণ করেছেন।
বিষয়টি সমাধানের জন্য ভুক্তভোগীকে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।’
হাসান গাজী মুঠোফোনে বলেন, ‘আমার বাবা আদালতের অনুমতি নিয়ে সংস্কারের কাজ করেছেন নাকি অন্য কিছু করেছেন, সেটার সঙ্গে আমি সম্পর্কিত নই। আর রাবেয়া বেগম গং বণ্টন মামলা করেছেন। কিন্তু ইচ্ছাকৃতভাবে প্রতি শুনানিতে সময়ের আবেদন দিয়ে কালক্ষেপণ করছেন। এখন আমাদের ঘর ভেঙেচুরে গেছে।
বণ্টন মামলা চলতে পারে ৫০ বছর ধরে। এখন দীর্ঘ সময় আমরা কি রাস্তায় থাকব?’
হাসান গাজীর মায়ের দাবি, নতুন ঘর নির্মাণের জন্য হাসান উচ্চ আদালতের আদেশ এনেছেন। এরপর তারা ঘর নির্মাণ করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরের কালকিনিতে সরকারি বন্দোবস্ত পাওয়া জমি দখলের চেষ্টাকে কেন্দ্র করে হামলার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ সময় বাধা দিতে গিয়ে স্বামী-স্ত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন। ভাঙচুর করা হয়েছে তাঁদের বসতঘরেও।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার পূর্ব এনায়েতনগর ইউনিয়নের আলীপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন—আব্দুল হামিদ আকন (৫০) ও তাঁর স্ত্রী ঝুমকি বেগম (৪০)। স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আব্দুল হামিদ আকনের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে সরকারি আইনি প্রক্রিয়ায় বন্দোবস্ত পাওয়া ওই জমিতে বসবাস ও ভোগদখল করে আসছে। জমিটি নিয়ে স্থানীয় কবির খান, ফারুক মালত, নজরুল মালত, আমির হোসেন মৃধা, হাবি মালত ও হারুন মালতের সঙ্গে তাঁদের বিরোধ চলে আসছে। বিষয়টি নিয়ে আদালতে মামলাও চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, প্রতিপক্ষের লোকজন ওই জমিতে একটি মাদ্রাসা নির্মাণের কথা বলে দীর্ঘদিন ধরে জমিটি দখলের চেষ্টা করে আসছিলেন।
ঘটনার দিন বিকেলে জমির মিউটেশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সরেজমিন পরিদর্শনে যান কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফ-উল আরেফীন। অভিযোগ রয়েছে, ইউএনও ঘটনাস্থল ত্যাগ করার পরপরই কবির খান ও ফারুক মালতের নেতৃত্বে একদল লোক দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ওই জমিতে প্রবেশ করে দখলের চেষ্টা চালায়।
এ সময় আব্দুল হামিদ আকন ও তাঁর স্ত্রী ঝুমকি বেগম বাধা দিলে তাঁদের ওপর হামলা করা হয় বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা। হামলায় তাঁরা গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। একই সময় তাঁদের বসতঘরেও ভাঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আব্দুল হামিদ আকন বলেন, “সরকার সব আইনি প্রক্রিয়া মেনে আমাদের নামে জমি বন্দোবস্ত দিয়েছে। কিন্তু প্রতিপক্ষ গায়ের জোরে আমাদের ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ করতে চাইছে। আমাদের হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করা হয়েছে। আমরা এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার ও জীবনের নিরাপত্তা চাই।”
তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে হাবি মালত মুঠোফোনে বলেন, “গতকাল ইউএনও স্যার এসেছিলেন। তিনি চলে যাওয়ার পর মহিলাদের মধ্যে মারামারি হয়েছে। আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম না।”
কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল আলম বলেন, “খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফ-উল আরেফীন বলেন, “ওই জমি নিয়ে বিরোধ চলছে। হামিদ আকন নামে একজন মিউটেশনের জন্য আবেদন করেছেন। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আমি সরেজমিনে পরিদর্শনে গিয়েছিলাম। বৃহস্পতিবার ছিল আমার শেষ কর্মদিবস। বদলির কারণে আমি চলে আসার পর সেখানে ঝামেলা হয়েছে বলে শুনেছি। খবর পাওয়ার পর পুলিশ পাঠিয়েছি। পরে তাঁরা থানায় অভিযোগ করেছেন কি না, তা আমার জানা নেই।”
জমি নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘটিত এ হামলার ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। ভুক্তভোগী পরিবার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সারাদেশে হামের প্রাদুর্ভাব অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের নানা উপসর্গ নিয়ে আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে সন্দেহভাজন ও নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ১৭০ জন।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে হামের এই হালনাগাদ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তি বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ২৮ আগস্ট পর্যন্ত সারাদেশে মোট ১ লাখ ৫৪ ৭৯২ জন হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগী হিসেবে ৭০ জন শনাক্ত হয়েছেন। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষায় নিশ্চিত হাম শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৭৯৬ জনে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত হামের লক্ষণ ও উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে ভর্তি হয়েছেন মোট ১ লাখ ৩৫ হাজার ৪৭৩ জন। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ লাখ ৩০ হাজার ৪৫৭ জন রোগী।
মৃত্যুর পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৮ আগস্ট পর্যন্ত সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন সর্বমোট ৮৬১ জন শিশু। অন্যদিকে এই পাঁচ মাসে ল্যাব পরীক্ষায় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মৃত্যু হয়েছে ৯৯ জনের। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে নতুন করে কারও প্রাণহানি ঘটেনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলায় সুকতারা বেগম (২০) নামের দুই সন্তানের জননীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ভোরে উপজেলার হারামিয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মারুফ গোস্তামার বাড়ির একটি ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
সুকতারা বেগম ওই বাসায় স্বামী ও দুই সন্তানকে নিয়ে বসবাস করতেন। তবে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য জানা যায়নি।
পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে মরদেহটি সন্দ্বীপ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি হারামিয়া ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সন্দ্বীপ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুজন হালদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, উদ্ধার করা মরদেহের ময়নাতদন্ত প্রক্রিয়া চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ