ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফটিকছড়িতে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এলডিডিপি প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ


ফটিকছড়িতে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এলডিডিপি প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে প্রান্তিক খামারিদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও নিবন্ধনের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি তহবিলের লাখ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আব্দুল মোমিনের বিরুদ্ধে। স্থানীয় ভুক্তভোগী খামারিরা দাবি করেছেন যে, প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প (এলডিডিপি)-এর আওতায় ভুয়া মাস্টাররোল ও ভাউচার তৈরি করে বরাদ্দের সিংহভাগ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে।

অনুসন্ধান ও খামারিদের দেওয়া তথ্যে জানা যায়, এলডিডিপির আওতায় ডেইরি প্রডিউসার গ্রুপ (পিজি) শক্তিশালীকরণ ও নিবন্ধনের অংশ হিসেবে গত বছরের নভেম্বর থেকে চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত ১৪টি পিজির ৫৩৭ জন খামারির জন্য ১১ দিনের সভা ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি নির্ধারিত ছিল। নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি মাসে প্রতিটি পিজির দুটি করে মোট আটটি সভা এবং তিনটি প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।

এ কর্মসূচির জন্য সর্বমোট ৩ লাখ ৭৯ হাজার ২০০ টাকা বরাদ্দ ছিল। নথিপত্রে হাতেগোনা কয়েকটি সভা দেখিয়ে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৮০০ টাকা ব্যয় দেখানো হলেও খামারিদের অভিযোগ, ১১ দিনের পুরো কার্যক্রম মাত্র একদিনেই শেষ করে বরাদ্দের অর্থ তুলে নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: বর্ষপূর্তিতে ম্যাগাজিন বর্ষবার্তা বের হচ্ছে

পিজিগুলোকে সমবায় সমিতির অধীনে নিবন্ধনের উদ্যোগ ও উদ্বুদ্ধকরণ সভার জন্য আলাদাভাবে ১ লাখ ৯৬ হাজার ৭৫০ টাকা বরাদ্দ থাকলেও সেই কাজের কোনো অগ্রগতি হয়নি। সংশ্লিষ্ট দপ্তরে নিবন্ধনের কোনো ফি বা কার্যক্রম জমা না দিয়েই জুন মাসে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ করা হয়েছে। কর্মসূচিতে নিম্নমানের নাস্তা দিয়ে অর্থ বাঁচানোর অভিযোগও উঠেছে উপস্থিত খামারিদের পক্ষ থেকে।

কাগজে-কলমে ৫৩৭ জন খামারির উপস্থিতি দেখানো হলেও বাস্তবে উপস্থিত ছিলেন মাত্র ২৫৩ জন। ভুয়া মাস্টাররোল তৈরি করে অনুপস্থিত সদস্যদের জায়গায় জোরপূর্বক ও কৌশলে সই নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

কাঞ্চননগর এলাকার দুগ্ধ খামারি ও পিজি সদস্য লাকি আক্তার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "আমি মাত্র দুটি সভায় উপস্থিত ছিলাম, অথচ আমার কাছ থেকে ৬-৭টি সই নেওয়া হয়েছে। পিজির একজন সক্রিয় সদস্য হলেও আজ পর্যন্ত সরকারি কোনো সহায়তা পাইনি, উল্টো এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে খামার চালাতে হচ্ছে।"

একই সুর বখতপুর এলাকার খামারি মো. সোহেল ও ধর্মপুর ইউনিয়নের শহিদুল ইসলামের কণ্ঠে। সোহেল জানান, "একটির বেশি প্রশিক্ষণ বা সভার বিষয়ে আমাকে কিছুই জানানো হয়নি।"

আরও পড়ুন: মদনে শিশু ধর্ষণ ও গর্ভধারণ মামলা, রায় ১১ নভেম্বর

অন্যদিকে শহিদুল ইসলাম বলেন, "একটি সভায় গিয়েছিলাম, কিন্তু সেটা প্রশিক্ষণ ছিল না। কিছুক্ষণ গল্পগুজব করেই পর্ব শেষ করা হয়, যা খামারিদের কোনো কাজে আসেনি।"

অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আব্দুল মোমিন বলেন, "নিয়ম মেনে যথারীতি প্রশিক্ষণ ও সভার আয়োজন করা হয়েছে। কোনো অনিয়ম হয়নি।"

ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মুহাম্মদ ইব্রাহিম জানান, "বিষয়টি খতিয়ে দেখে সত্যতা পাওয়া গেলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জানানো হবে।"

এলডিডিপির প্রকল্প পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. মো. মোস্তফা কামাল বলেন, "প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ বা অনিয়মের অভিযোগ থাকলে তা তদন্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: গাইবান্ধায় নানা আয়োজনে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টঙ্গী স্টেশন রোডে সড়ক দখল করে পরিবহন স্ট্যান্ড, ভোগান্তিতে পথচারীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৪ পি.এম


টঙ্গী স্টেশন রোডে সড়ক দখল করে পরিবহন স্ট্যান্ড, ভোগান্তিতে পথচারীরা

গাজীপুরের টঙ্গী স্টেশন রোড এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চালানোর কয়েকদিন পর আবারও ফুটপাত দখল হয়ে গেছে। ফুটপাতের পাশাপাশি সড়কের একটি অংশ দখল করে গড়ে উঠেছে লেগুনা, সিএনজি ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার স্ট্যান্ড। সড়কের পাশে প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেল রাখা হচ্ছে। এছাড়াও ফুটপাতজুড়ে বিভিন্ন পরিবহনের কাউন্টার ও দোকানপাট বসেছে। এর ফলে ব্যস্ততম টঙ্গী-ঘোড়াশাল আঞ্চলিক সড়কটি যানজটের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, উচ্ছেদ অভিযানের পর কয়েক দিন ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত থাকলেও পরে আবার আগের চিত্র ফিরে আসে। বর্তমানে ফুটপাত দিয়ে স্বাভাবিকভাবে হাঁটার সুযোগ নেই। বাধ্য হয়ে পথচারীদের সড়কের ওপর দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। এতে যানজটের পাশাপাশি দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ছে।

রোববার সরেজমিনে দেখা গেছে, টঙ্গী স্টেশন রোডের বিভিন্ন অংশে ফুটপাতের ওপর পরিবহন কাউন্টার, ছোট দোকান ও নানা ধরনের অস্থায়ী স্থাপনা রয়েছে। সড়কের পাশে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকে লেগুনা, সিএনজি, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল। যাত্রী ওঠানামার সময় এসব যানবাহন সড়কের ওপর অবস্থান করায় স্বাভাবিক যান চলাচল ব্যাহত হয়। ব্যস্ত সময়ে সৃষ্টি হয় দীর্ঘ যানজট।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা বলছেন, স্টেশন রোডে সড়ক ও ফুটপাত দখল করে একের পর এক পরিবহন স্ট্যান্ড গড়ে ওঠায় পরিস্থিতি দিন দিন আরও খারাপ হচ্ছে। বিশেষ করে অফিস ও স্কুল-কলেজগামী মানুষের দুর্ভোগ বেশি। জরুরি প্রয়োজনে চলাচলকারী অ্যাম্বুলেন্সসহ অন্যান্য যানবাহনকেও অনেক সময় ধীরগতিতে চলতে হয়।

স্থানীয়রা আরও জানান, সরকারি জায়গা ও ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা এসব স্থাপনা এবং পরিবহন স্ট্যান্ডের নেপথ্যে স্থানীয় প্রভাবশালী একটি মহল রয়েছে। বিএনপি নেতাদের নাম ভাঙিয়ে কিছু ব্যক্তি এসব নিয়ন্ত্রণ করছেন বলেও অভিযোগ করেছেন তারা। তাদের দাবি, স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের একটি অংশকে ‘ম্যানেজ’ করে দীর্ঘদিন ধরে ফুটপাতের দখল ও সড়কের ওপর স্ট্যান্ড পরিচালনা করা হচ্ছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিভিন্ন পরিবহনের কাউন্টার, দোকানপাট ও স্ট্যান্ড থেকে নিয়মিত টাকা আদায় করা হয়। সব মিলিয়ে এখানে প্রতিদিন বিপুল অঙ্কের চাঁদাবাজি হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। কারা এই অর্থ আদায় করছে এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন তারা।

স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাঝে মধ্যে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হলেও এর কোনো স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না। অভিযান শেষ হওয়ার পরপরই আবারও একই জায়গায় দোকান, কাউন্টার ও বিভিন্ন স্ট্যান্ড গড়ে উঠছে। এতে উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যেও নানা ধরনের প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

তাদের মতে, ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে হলে শুধু উচ্ছেদ অভিযান চালালেই হবে না, উচ্ছেদের পর সেখানে যাতে পুনরায় দখল না হয়, সে জন্য নিয়মিত নজরদারি ও কার্যকর ব্যবস্থা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সড়কের ওপর যত্রতত্র পরিবহন দাঁড় করানো বন্ধ করে নির্দিষ্ট স্থানে স্ট্যান্ড ব্যবস্থাপনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

টঙ্গী-ঘোড়াশাল আঞ্চলিক সড়কটি শিল্পাঞ্চল ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার মানুষের গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগপথ। প্রতিদিন হাজার হাজার কর্মজীবী মানুষ এ সড়ক দিয়ে চলাচল করেন। এমন গুরুত্বপূর্ণ সড়কের পাশে অবৈধ স্ট্যান্ড ও ফুটপাত দখলের কারণে যানজট ও জনদুর্ভোগ বাড়লেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ কতটা স্থায়ী হবে, এটাই এখন স্থানীয়দের প্রশ্ন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেরপুর সীমান্তে ৬ লাখ ৫২ হাজার টাকার বিপুল পরিমাণ ভাব্দরতীয় সাবান জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৪ পি.এম


শেরপুর সীমান্তে ৬ লাখ ৫২ হাজার টাকার বিপুল পরিমাণ ভাব্দরতীয় সাবান জব্দ

শেরপুর, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : শ্রীবরদি সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ৬ লাখ ৫২ হাজার টাকা সমমূল্যের ভারতীয় জনসন বেবি সাবান জব্দ করেছে।

ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়ন (৩৯ বিজিবি) আজ রোববার বেলা ১১ টায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বিজিবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ সকালে ৩৯ বিজিবির একটি বিশেষ টহল দল শ্রীবরদি উপজেলার ডুমুরতলা সীমান্ত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা তাদের মালামাল ফেলে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে ৬ লাখ ৫২ হাজার টাকা সমমূল্যের বিপুল পরিমাণ ভারতীয় জনসন বেবি সাবান পরিত্যক্ত অবস্থায় জব্দ করা হয়।

ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়নের (৩৯ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল নুরুল আজিম বায়েজীদ বাসসকে জানান, সীমান্ত দিয়ে যেকোনো ধরনের চোরাচালানি মালামাল পাচার এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করে দায়িত্ব পালন করছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, ভবিষ্যতে এ কঠোর নজরদারি ও দায়িত্ব পালন অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বজুড়ে মানবিক সংকটে ৭১০ মিলিয়ন ইউরোর সহায়তা ঘোষণা ইইউর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৪ পি.এম


বিশ্বজুড়ে মানবিক সংকটে ৭১০ মিলিয়ন ইউরোর সহায়তা ঘোষণা ইইউর

বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে সংঘাত, বাস্তুচ্যুতি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং খাদ্যসংকটের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন ৭১০ মিলিয়ন ইউরোর বেশি অর্থ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই অর্থের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ আফ্রিকার সাহারা মরুভূমির দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন সংকট মোকাবিলায় ব্যয় করার পরিকল্পনা রয়েছে।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন এই সহায়তা প্যাকেজের ঘোষণা দেন। তিনি উল্লেখ করেন, "সংঘাত, চরম আবহাওয়া এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কারণে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের জীবন সংকটে পড়েছে।"

প্যাকেজের ৩৮০ মিলিয়ন ইউরো আফ্রিকার সাহারা মরুভূমির দক্ষিণাঞ্চলে অভিবাসন-সম্পর্কিত বিভিন্ন কার্যক্রমে ব্যয় করা হবে। এর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ অভিবাসীদের সুরক্ষা, স্বেচ্ছায় নিজ দেশে ফিরে যাওয়া এবং পুনর্বাসন, পাশাপাশি বাস্তুচ্যুত মানুষ ও তাদের আশ্রয়দাতা সম্প্রদায়ের সহায়তার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এছাড়া, ওই অঞ্চলে সংঘাত, খাদ্যসংকট, অপুষ্টি ও জলবায়ুজনিত সংকট মোকাবিলায় আরও ৯৭ মিলিয়ন ইউরো বরাদ্দ করা হয়েছে। এর একটি অংশ কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র ও আশপাশের দেশগুলোতে ইবোলা মোকাবিলায় ব্যবহৃত হবে।

কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রে ইবোলা মোকাবিলা ও ভবিষ্যৎ প্রস্তুতির জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন ৭ দশমিক ৫ মিলিয়ন ইউরো বরাদ্দ করেছে এবং আফ্রিকার বৃহৎ হ্রদ অঞ্চল হিসেবে পরিচিত এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা জোরদারে ১০ মিলিয়ন ইউরো দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এই অঞ্চলটি দীর্ঘদিন ধরে সশস্ত্র সংঘাত, মানবিক সংকট ও পরিবেশগত সমস্যার প্রভাবের সম্মুখীন।

ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড ও লেবাননে ঝুঁকিপূর্ণ জনগণের সহায়তায় ১০৩ মিলিয়ন ইউরো এবং ইউক্রেনে মানবিক সহায়তা ও জরুরি প্রস্তুতির জন্য ৫২ মিলিয়ন ইউরো বরাদ্দ করা হয়েছে।

একই সময়ে, বৈশ্বিক স্বাস্থ্য ও পুষ্টি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর উদ্যোগও ঘোষণা করেছে ইউরোপীয় কমিশন। এর মধ্যে আফ্রিকার সাহারা মরুভূমির দক্ষিণাঞ্চলের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি খাতে বেসরকারি বিনিয়োগে সহায়তা, কলম্বিয়ায় টিকা ও জৈব ওষুধ উৎপাদন সম্প্রসারণে ঋণ এবং ইথিওপিয়ায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা জোরদারে ৬০ মিলিয়ন ইউরোর বিনিয়োগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ইউরোপীয় কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরু থেকে মানবিক সহায়তা খাতে কমিশনের বরাদ্দ ২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ইউরোর বেশি। নতুন প্যাকেজের মাধ্যমে সংঘাত, দুর্যোগ ও অন্যান্য সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহায়তা আরও বিস্তৃত হবে। তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভাটির প্রাণ কালনী নদী, জেলেদের জীবিকার আশীর্বাদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

হামিদুল ইসলাম বিশেষ প্রতিনিধি

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৫ পি.এম


ভাটির প্রাণ কালনী নদী, জেলেদের জীবিকার আশীর্বাদ

কালনী নদী, যা ভাটির প্রাণ, জেলেদের জীবিকার জন্য একটি আশীর্বাদ।

বর্ষা মৌসুমে সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার ঐতিহ্যবাহী কালনী নদী যেন নতুনভাবে প্রাণ ফিরে পায়। নদীতে হাওরের পানি এসে ভরে ওঠার সাথে সাথে জেলেদের জন্য শুরু হয় ব্যস্ততম সময়।

জেলেরা দিন-রাত জাল ফেলে রুই, কাতলা, বোয়াল, আইড়, চিতল, পাবদা, শোল, গজার, টেংরা ও বাইমসহ বিভিন্ন জাতের বড় বড় দেশীয় মাছ সংগ্রহ করেন। এসব মাছ স্থানীয় বাজারের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি জেলার বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হয়।

কালনী নদী কেবল একটি নদী নয়; এটি দিরাইয়ের হাজারো জেলে পরিবারের জীবিকা, ভাটির ঐতিহ্য এবং প্রকৃতির একটি অমূল্য সম্পদ। নদীর নাব্যতা ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা করা আমাদের সকলের দায়িত্ব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%