ঢাকা শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‎ত্রিশালে আলিম পরীক্ষায় একমাত্র জিপিএ-৫ অর্জন বাগান ইসলামিয়া আলিম মাদরাসার


‎ত্রিশালে আলিম পরীক্ষায় একমাত্র জিপিএ-৫ অর্জন বাগান ইসলামিয়া আলিম মাদরাসার

২০২৬ সালের আলিম পরীক্ষার ফলাফলে ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার মাদরাসা শিক্ষায় উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে উপজেলার সদর ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী বাগান ইসলামিয়া আলিম মাদরাসা। উপজেলার ১৩টি মাদরাসার মধ্যে একমাত্র এই প্রতিষ্ঠান থেকেই একজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। এ অনন্য সাফল্যে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের বন্যা বইছে।
‎
‎জিপিএ-৫ অর্জনকারী কৃতী শিক্ষার্থীর নাম আশরাফুন নাহার মুবিনা। তিনি উপজেলার হরিরামপুর ইউনিয়নের পূর্বপাড়া গ্রামের গোলাম মোস্তফার কন্যা। তাঁর এ সাফল্য শুধু বাগান ইসলামিয়া আলিম মাদরাসার নয়, বরং সমগ্র ত্রিশাল উপজেলার জন্য গর্বের বিষয় হয়ে উঠেছে।
‎
‎প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, এ বছর ত্রিশাল উপজেলার ১৩টি মাদরাসা থেকে মোট ২৯১ জন শিক্ষার্থী আলিম পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ১১৭ জন উত্তীর্ণ এবং ১৭৪ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। সমগ্র উপজেলায় একমাত্র জিপিএ-৫ অর্জন করেছে বাগান ইসলামিয়া আলিম মাদরাসার শিক্ষার্থী আশরাফুন নাহার মুবিনা।
‎
‎বাগান ইসলামিয়া আলিম মাদরাসা থেকে এ বছর ৩৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে ১৫ জন উত্তীর্ণ এবং ২৪ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের পাশের হার ৩৮.৪৭ শতাংশ। ফলাফলের সার্বিক চিত্র চ্যালেঞ্জিং হলেও একমাত্র জিপিএ-৫ অর্জনের কৃতিত্ব প্রতিষ্ঠানটির সুনাম ও মর্যাদা বহুগুণে বৃদ্ধি করেছে।
‎বাগান ইসলামিয়া আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা ফয়জুর রহমান বলেন, “আমাদের প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী আশরাফুন নাহার মুবিনা ত্রিশাল মাদরাসা পরীক্ষা কেন্দ্রে একমাত্র জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের বিষয়। মহান আল্লাহ তা’আলার দরবারে আমরা শুকরিয়া আদায় করছি। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং প্রতিষ্ঠানের শুভানুধ্যায়ীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলেই এ সাফল্য এসেছে। ভবিষ্যতেও আরও ভালো ফলাফল অর্জনে আমরা সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করে যাব, ইনশাআল্লাহ।”
‎
‎ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই বাগান ইসলামিয়া আলিম মাদরাসায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও স্থানীয় শুভানুধ্যায়ীরা কৃতী শিক্ষার্থী মুবিনাকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। তারা তাঁর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনার পাশাপাশি আশা প্রকাশ করেছেন, আগামী বছরগুলোতেও বাগান ইসলামিয়া আলিম মাদরাসা এ ধরনের গৌরবোজ্জ্বল সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে এবং ত্রিশালের মাদরাসা শিক্ষাকে আরও সমৃদ্ধ করবে।
‎
‎এস এম মাসুদ রানা
‎ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
‎তারিখ :৩১/১০/২০২৬

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইন্ডিয়া জোটের অভিনব প্রতিবাদ: সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের ‘প্রতীকী অভিশংসন’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৪৭ পি.এম


ইন্ডিয়া জোটের অভিনব প্রতিবাদ: সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের ‘প্রতীকী অভিশংসন’

ভারতের বিরোধী দলগুলোর শীর্ষ নেতারা শনিবার (৩১ অক্টোবর) ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় কথিত কারচুপির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারকে ‘ভ্যানিশ কুমার’ আখ্যা দেন। তাঁরা ‘দিল কা হাল সুনে দিলওয়ালা’ গানের স্মরণে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

রাজাজি মার্গে অবস্থিত সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের বাসভবনের সামনে অনুষ্ঠিত এই ‘জনসমক্ষে অভিশংসন’ অনুষ্ঠানে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে মূল প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন। বিচারিক এই প্রতীকী আয়োজনে সভাপতিত্ব করেন লোকসভার সাবেক স্পিকার মীরা কুমার।

খাড়গে সিইসির বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ উপস্থাপন করে দেশদ্রোহিতার মতো মারাত্মক অভিযোগ তোলেন। তিনি অবিলম্বে সিইসি-র অপসারণ, ২০২৩ সালের বিতর্কিত নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন বাতিল এবং চলমান ‘বিশেষ নিবিড় সংশোধন’ (এসআইআর) কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানান।

রাজ্যসভার বিরোধীদলীয় নেতা অভিযোগ করেন যে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের প্রত্যক্ষ নির্দেশে সিইসি জ্ঞানেশ কুমার নির্বাচন কমিশন পরিচালনা করছেন। খাড়গে বলেন, "আজ দেশের প্রতিটি নাগরিকের ভোটাধিকার চরম হুমকির মুখে। কারণ সিইসি জ্ঞানেশ কুমার মোদী ও শাহের ইশারায় নির্বাচন কমিশন চালাচ্ছেন।"

তিনি আরও জানান, সংসদ সদস্য হিসেবে তাঁরা লোকসভা ও রাজ্যসভা উভয় কক্ষে সিইসি-র অপসারণের জন্য নোটিশ দিয়েছিলেন, কিন্তু তাঁদের আবেদনগুলো বাতিল বা প্রত্যাখ্যান করা হয়।

কংগ্রেস সভাপতি উল্লেখ করেন যে, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা রক্ষার স্বার্থেই এই প্রতীকী অভিশংসন প্রস্তাব আনা হয়েছে। তিনি বলেন, "সিইসির সাথে আমাদের কোনো ব্যক্তিগত শত্রুতা নেই। আমরা চাই নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষভাবে কাজ করুক। দিল্লিতে বসে কম্পিউটারের বোতাম চেপে স্বৈরাচারী উপায়ে কারো ভোট কেটে ফেলার অধিকার কাউকেই দেওয়া উচিত নয়।"

বর্তমান ক্ষমতাসীনদের প্রতি কটাক্ষ করে খাড়গে বলেন, "ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে মোদী সরকার সবই করেছে: ‘সংসদ চুরি’, ‘দল চুরি’, ‘ইলেক্টোরাল বন্ড’ এবং এখন শুরু করেছে সরাসরি ‘ভোট চুরি’।" তিনি অভিযোগ করেন, ‘মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার (নিয়োগ, সেবার শর্তাবলী এবং মেয়াদের সময়সীমা) আইন, ২০২৩’-এর কারণে সিইসি এ ধরনের বেপরোয়া পদক্ষেপে ভরসা পাচ্ছেন। এই আইনটি নির্বাচন কমিশন প্রধানকে আইনি সুরক্ষা দিয়েছে, যা সাধারণ প্রক্রিয়ায় খর্ব করা কঠিন।

তিনি উল্লেখ করেন যে, বিরোধী দলের ১৪৫ জন সংসদ সদস্যকে সংসদ থেকে বরখাস্ত করে এই বিতর্কিত আইনটি পাস করা হয়েছিল। এটি অত্যন্ত লজ্জাজনক। যারা দেশের স্বার্থে কাজ করছিলেন তাঁদের বাইরে রেখে এই আইন পাস করা হয়। এই আইন সিইসিকে এমন এক আইনি সুরক্ষা দিয়েছে যা এমনকি ভারতের রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রীরও নেই।

পরবর্তীতে মল্লিকার্জুন খাড়গে তাঁর ‘এক্স’ (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে সিইসির বিরুদ্ধে ৬টি প্রধান অভিযোগ তালিকাভুক্ত করেন। সেগুলো হলো নির্বাচন চুরির ষড়যন্ত্র করা, প্রায় ১৩.২ কোটি ভোটারের নাম তালিকা থেকে মুছে ফেলা, সংসদের অনুমোদন ছাড়াই ভোটার ফর্ম-৬ পুনর্লিখন, ‘ইসিআইনেট’ ব্যবস্থার মাধ্যমে ভোটার তালিকা জিম্মি করা, অন্য দুই নির্বাচন কমিশনারকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ থেকে দূরে রাখা বা নিষ্ক্রিয় করা এবং মোদী ও শাহের ইশারায় বা নির্দেশে কাজ করা।

সমাবেশের মঞ্চটিকে ঠিক লোকসভার মতো করে সাজানো হয়েছিল—পেছনে কাঠের প্যানেলিং এবং অর্ধচন্দ্রাকারে আসন বিন্যাস করা হয়। প্রথম তিন সারির আসনের সামনে আলাদা মাইক্রোফোনও স্থাপন করা হয়েছিল।

‘এমএসজি (মোদী-শাহ-জ্ঞানেশ) জোট’

তৃণমূল কংগ্রেসের (টিএমসি) সংসদ সদস্য সাগরিকা ঘোষ সিইসি জ্ঞানেশ কুমারকে 'ভ্যানিশ কুমার' বলে কটাক্ষ করেন, যিনি নিমেষেই মানুষের ভোট গায়েব বা 'ভ্যানিশ' করে দেন। তিনি বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকারকে ‘মোদী-শাহ-জ্ঞানেশ (এমএসজি) জোট’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন এবং অবিলম্বে সিইসি-র পদত্যাগ দাবি করেন। একইভাবে মঞ্চে উপস্থিত প্রতিটি বিরোধী দলের নেতাই কেন্দ্র সরকার এবং সিইসির ‘ভোট চুরি’ ব্যবস্থার তীব্র সমালোচনা করেন।

ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষের ক্ষোভ

অনুষ্ঠানে অনিতা জয়সোয়াল নামের এক একক মা তাঁর অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, তিনি বহু বছর ধরে নিয়মিত ভোট দিয়ে আসছেন, কিন্তু হঠাৎ করেই দেখেন তালিকা থেকে তাঁর নাম মুছে দেওয়া হয়েছে। তিনি ক্ষোভের সাথে প্রশ্ন তোলেন, "আমাকে দেওয়ার মতো যখন আপনাদের কিছুই নেই, তখন আমার পরিচয় বা ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার অধিকার আপনাদের কে দিয়েছে?"

এমকেএসএস-এর নিখিল দে মঞ্চে নিয়ে আসেন কান্ত প্রসাদ নামের এক প্রবীণ নাগরিককে, যাঁকে খসড়া তালিকায় 'মৃত' হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। কান্ত প্রসাদ জনসমক্ষে দাঁড়িয়ে বলেন, একটি 'জন শুনানি'তে গিয়ে তিনি জানতে পারেন যে খাতায়-কলমে তিনি আর জীবিত নেই! পরে বিএলও এসে তাঁর কাছ থেকে নতুন ভোটারদের জন্য প্রযোজ্য ‘ফর্ম-৬’ পূরণ করিয়ে নেন, অথচ তিনি বিগত ৩৫ বছর ধরে দিল্লির মঙ্গলপুরী থেকে ভোট দিয়ে আসছেন।

একইভাবে ময়ূর বিহারের বাসিন্দা মায়া দেবী জানান, তাঁর বস্তি ভেঙে উচ্ছেদ করা হয়েছে। তাঁর কাছে আধার কার্ড, প্যান কার্ড এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সবই আছে, কেবল নতুন করে আর ভোটার আইডি কার্ড পাওয়া যাচ্ছে না।

আগামীকাল ১ নভেম্বর দিল্লির ঐতিহ্যবাহী রামলীলা ময়দানে বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ জোটের বিশাল মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সিইসি-র বিরুদ্ধে চলমান এই আন্দোলনের অংশ হিসেবে এই প্রতীকী ‘অভিশংসন’-এর আয়োজন করা হয়। ১ নভেম্বরের মহাসমাবেশে ‘কাকরোজ জনতা পার্টি’সহ বেশ কয়েকটি নাগরিক সংগঠন ও দল সমর্থন ঘোষণা করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোজিবুল হকের সঙ্গে সাবেক জাপানি প্রধানমন্ত্রী তারো আসোর সাক্ষাৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৪৭ পি.এম


মোজিবুল হকের সঙ্গে সাবেক জাপানি প্রধানমন্ত্রী তারো আসোর সাক্ষাৎ

বাংলাদেশের বিশিষ্ট উদ্যোক্তা কে. এম. মোজিবুল হক, যিনি শাহ গ্রুপ, টিএএস এভিয়েশন গ্রুপ ও বাকা হোল্ডিংস লিমিটেডের চেয়ারম্যান এবং ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের (ইউএপি) বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান, জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) ভাইস প্রেসিডেন্ট তারো আসোর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

এই সাক্ষাৎ শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) টোকিওতে জাপানের জাতীয় সংসদ ভবনে (ন্যাশনাল ডায়েট বিল্ডিং) সাবেক প্রধানমন্ত্রী তারো আসোর নিজ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও জাপানের ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, পারস্পরিক সৌহার্দ্য এবং সাম্প্রতিক বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে দ্বিপক্ষীয় যোগাযোগ ও সম্পৃক্ততা আরও জোরদার করার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সাক্ষাৎ শেষে, কে. এম. মোজিবুল হক জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন, যিনি গুরুত্বপূর্ণ সময় দিয়েছেন। তিনি তারো আসোর জাপানের রাজনীতি, অর্থনীতি ও জনসেবায় দীর্ঘদিনের নেতৃত্ব ও অনন্য অবদানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।

উল্লেখ্য, তারো আসো জাপানের সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি দেশের অর্থসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং ক্ষমতাসীন এলডিপির শীর্ষ পদে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি সফররত অবস্থায় জাপানে অবস্থান করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের সব ইউনিয়নে খেলার মাঠ হবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৪৭ পি.এম


দেশের সব ইউনিয়নে খেলার মাঠ হবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

দেশের সব ইউনিয়নে খেলার মাঠ তৈরির পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার, যা তৃণমূল পর্যায়ে খেলাধুলার প্রসার ও নতুন খেলোয়াড় তৈরির লক্ষ্যে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে বাস্তবায়িত হবে।

এছাড়া, দেশের আট বিভাগের স্টেডিয়ামে ইনডোর সুবিধা, সুইমিংপুল স্থাপন এবং জেলা স্টেডিয়ামগুলোকে আধুনিকায়ন ও সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

‎

‎

শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে রংপুর জেলা স্টেডিয়াম পরিদর্শনের সময় ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এসব তথ্য জানান।

তিনি উল্লেখ করেন, ইউনিয়ন পর্যায়ে ৩ থেকে ৮ বিঘা খাসজমি নিয়ে খেলার মাঠ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সংস্কার কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও সিটি করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্টদের অবহিত করা হয়েছে।

ক্রীড়াঙ্গনে দুর্নীতি নিয়ে আমিনুল হক বলেন, দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তের জন্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কয়েকটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এবং বিভিন্ন ক্রীড়া ফেডারেশনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দুর্নীতি দমন কমিশনও (দুদক) এই প্রক্রিয়ায় কাজ করছে। প্রতিটি ক্রীড়া সংস্থা ও ফেডারেশনকে জবাবদিহির আওতায় আনার পাশাপাশি দুর্নীতিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান তিনি।

‎

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে ফুটবল, ক্রিকেট, হকি, ব্যাডমিন্টন, আর্চারি ও শুটিংসহ ১৫টি ইভেন্ট নিয়ে একটি বছরব্যাপী ক্রীড়া ক্যালেন্ডার তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। এতে বয়সভিত্তিক ও সিনিয়র পর্যায়ের খেলোয়াড়রা অংশগ্রহণ করবেন। সরকারের লক্ষ্য খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা।

‎

‎

তিনি আরও জানান, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর খেলাধুলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর প্রথম আসর সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ৫ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী খুলনা থেকে একযোগে ৫০৩টি উপজেলায় অনলাইনে এর উদ্বোধন করবেন। প্রথম আসরের ৩০৬ জন প্রতিযোগীর মধ্যে ৪০ জনকে নির্বাচিত করে স্থায়ীভাবে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (বিকেএসপি) পড়াশোনার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

‎

‎

এর আগে, রংপুরে ২০ দিনব্যাপী হ্যান্ডবল প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে সনদ বিতরণ করেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ : প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৪৮ পি.এম


জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ : প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, যুবসমাজ যেকোনো জাতির প্রাণশক্তি ও অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি। স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা, জাতীয় সংকট উত্তরণ এবং দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় যুবসমাজের অবদান অনস্বীকার্য।

আগামীকাল ১ নভেম্বর জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আজ দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, স্বাধীনতা অর্জন থেকে শুরু করে বিভিন্ন সংকট মোকাবিলা ও উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় দেশের যুবসমাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

তিনি স্মরণ করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জাতি গঠনে যুবসমাজের বিপুল সম্ভাবনা উপলব্ধি করে তাদের সংগঠিত করার উদ্যোগ নেন। তাঁর নির্দেশনায় ১৯৭৮ সালে যুব উন্নয়ন মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠিত হয়, যা পরবর্তী সময়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় নামে পরিচিতি লাভ করে।

তিনি জানান, তৃণমূল পর্যায়ে যুব উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ১৯৮১ সালে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী আরও স্মরণ করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯১ সালে যুবসমাজের কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং তাদের কারিগরি ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করে তুলতে দেশের সব জেলায় যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন।

তিনি বলেন, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর এ পর্যন্ত ৮০ লাখেরও বেশি তরুণ-তরুণীকে বিভিন্ন মেয়াদে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দিয়েছে। তাদের মধ্যে প্রায় ২৫ লাখ আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হয়েছেন। তারা মাসে ২০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা, কোনো কোনো ক্ষেত্রে এর চেয়েও বেশি আয় করছেন।

প্রধানমন্ত্রী জানান, যুব উদ্যোক্তাদের সহায়তায় ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত ২ হাজার ৮৬১ কোটি ৮৭ লাখ টাকার যুবঋণ বিতরণ করা হয়েছে।

জাতীয় যুব পুরস্কারকে প্রশংসনীয় উদ্যোগ উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাতি গঠনে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ পর্যন্ত ৫৪৬ জন আত্মকর্মী নার-নারী ও যুব সংগঠককে এ সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। এ বছর পুরস্কারপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রচলিত শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জন বর্তমান বিশ্বে যুবসমাজের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। দ্রুত পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে তরুণদের আধুনিক জ্ঞান ও দক্ষতায় সমৃদ্ধ হতে হবে।

তিনি বলেন, সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রকল্প গ্রহণ করেছে। ফ্রিল্যান্সিং ও এআই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রশিক্ষণার্থীরা দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি অনলাইনে কাজ করে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের সুযোগ পাচ্ছেন।

প্রধানমন্ত্রী পরিবেশ সংরক্ষণে যুবসমাজের অংশগ্রহণের বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, ইমপ্যাক্ট প্রকল্পের আওতায় তরুণরা বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপনের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণে অবদান রাখছেন।

তিনি স্মার্ট কৃষি, রপ্তানিমুখী প্যাকেজিং ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, বিদেশি ভাষা শিক্ষা এবং নতুন সম্ভাবনাময় খাতে আরও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালুর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে আধুনিক, দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক জনশক্তি গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

প্রধানমন্ত্রী যুবসমাজকে নিজেদের প্রতিভা, উদ্ভাবনী সক্ষমতা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা বিকাশের মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়নে আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, তরুণদের উদ্ভাবনী উদ্যোগে সহায়তা দিতে সরকার ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ তহবিল ঘোষণা করেছে। সম্ভাবনাময় উদ্যোগগুলো যাতে অর্থের অভাবে ব্যর্থ না হয়, সে লক্ষ্যে দেশে প্রথমবারের মতো স্টার্টআপ বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

জাতীয় যুব দিবস-২০২৬-এর প্রতিপাদ্য ‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, দেশের উন্নয়ন, নেতৃত্ব এবং ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রায় যুবসমাজ ক্রমবর্ধমানভাবে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।

তিনি জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%