ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জিমন্যাস্টিক্স ও তায়কোয়ান্দোর ভেন্যু আলাদা করার ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর


জিমন্যাস্টিক্স ও তায়কোয়ান্দোর ভেন্যু আলাদা করার ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) পুরাতন ভবনের জিমনেশিয়াম বর্তমানে বাংলাদেশ জিমন্যাস্টিক্স ফেডারেশন ও বাংলাদেশ তায়কোয়ান্দো ফেডারেশন ব্যবহার করছে। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল এই দুই ফেডারেশনের জন্য ভেন্যু আলাদা করার ঘোষণা দিয়েছেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, পুরাতন ভবনের জিমনেশিয়াম সম্পূর্ণরূপে জিমন্যাস্টিক্সের জন্য বরাদ্দ করা হবে, এবং তায়কোয়ান্দোকে কমলাপুর স্টেডিয়ামে স্থানান্তরিত করা হবে।

এছাড়া, এনএসসির পুরোনো ভবন ও সুইমিং পুলের জায়গায় একটি বহুতল সমন্বিত স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে জিমন্যাস্টিকস, ব্যাডমিন্টন, ভলিবল, বাস্কেটবল ও টেবিল টেনিসসহ সকল ইনডোর খেলার জন্য আধুনিক অবকাঠামো বরাদ্দ দেওয়া হবে বলে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন: নতুন মাইলফলক অর্জন করলেন ভারতীয় ব্যাটার অভিষেক শর্মা

প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, সারা দেশে খেলার মাঠের সংকট নিরসনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তাদের এবং সংশ্লিষ্ট কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ইতিমধ্যে ৪,৫৯৯টি ইউনিয়নে একটি করে মাঠ তৈরির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রথম ধাপে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ১,০০০টি ইউনিয়নে ১,০০০টি মাঠ খেলার উপযোগী করার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

খেলাধুলাকে রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ক্রীড়াঙ্গন দল-মতনির্বিশেষে সবাইকে এক সূত্রে গেঁথে ‘বাংলাদেশি’ পরিচয়ে উদ্বুদ্ধ করে।

জিমন্যাস্টিক্সে ক্ষুদে অ্যাথলেটদের অসাধারণ নৈপুণ্য দেখে প্রতিমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন, তরুণ অ্যাথলেটদের বছরব্যাপী মানসম্মত অনুশীলনের সুযোগ দেওয়া গেলে এশিয়ান গেমস, কমনওয়েলথ গেমস কিংবা অলিম্পিকের মতো বৈশ্বিক আসর থেকেও পদক জয় করা সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন: ২৪ নারী হকি গোলরক্ষক নিয়ে শুরু হলো দীর্ঘমেয়াদী অনুশীলন

এবারের আন্তঃস্কুল জিমন্যাস্টিক প্রতিযোগিতায় ৫৪টি স্কুলের ২২২ জন জিমন্যাস্ট অংশগ্রহণ করছে। তাদের মধ্যে ১১৮ জন বালক ও ১০৪ জন বালিকা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জিমন্যাস্টিক্স ফেডারেশনের সভাপতি মোহাম্মদ মোস্তফা কামালসহ ফেডারেশনের অন্যান্য কর্মকর্তা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুজানগরে মুড়িকাটা পেঁয়াজ আবাদের ধুম, লক্ষ্যমাত্রা ১৫৮৫ হেক্টর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৩০ পি.এম


সুজানগরে মুড়িকাটা পেঁয়াজ আবাদের ধুম, লক্ষ্যমাত্রা ১৫৮৫ হেক্টর

বাংলাদেশের পেঁয়াজ উৎপাদনে সুজানগর, পাবনা, এখন আগাম বা মুড়িকাটা পেঁয়াজ আবাদের জন্য পরিচিত হয়ে উঠেছে। উপজেলার বড় ও প্রান্তিক কৃষকরা বর্তমানে মুড়িকাটা পেঁয়াজ আবাদে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন।

উপজেলা কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এই বছর ১০টি ইউনিয়নে ১৫‘শ ৮৫ হেক্টর জমিতে মুড়িকাটা পেঁয়াজ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে, প্রতিকূল আবহাওয়া এবং মৌসুমী পেঁয়াজের বাজারের মন্দা অবস্থা লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাধা সৃষ্টি করতে পারে বলে মনে করছেন আদর্শ এবং বড় পেঁয়াজ চাষীরা। দুর্গাপুর গ্রামের আদর্শ পেঁয়াজ চাষী কামরুজ্জামান জানান, মুড়িকাটা পেঁয়াজ আবাদের জন্য উপযুক্ত সময় সেপ্টেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহ। কিন্তু এই বছর অতিবৃষ্টির কারণে আবাদের কাজ শুরু হয়েছে চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে। গত ৫/৭ দিন ধরে চরাঞ্চলের উঁচু জমিতে মুড়িকাটা পেঁয়াজ আবাদের ধুম পড়েছে।

এলাকার সকল পর্যায়ের কৃষকরা এখন মুড়িকাটা পেঁয়াজ আবাদে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। ১০/১২ দিনের মধ্যে নিচু জমিতেও একইভাবে মুড়িকাটা পেঁয়াজ আবাদের কাজ শুরু হবে। এই আবাদের কার্যক্রম চলবে চলতি মাসের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, পেঁয়াজ চাষীরা মৌসুমী পেঁয়াজের লোকসান পোষাতে ব্যাপকভাবে মুড়িকাটা পেঁয়াজের আবাদ করছেন। আশা করা হচ্ছে, আগামী বছরের জানুয়ারী মাসের প্রথম সপ্তাহে চরাঞ্চলের জমিতে আবাদের মুড়িকাটা পেঁয়াজ উঠতে শুরু করবে এবং এ সময় দাম বাড়বে। এতে পেঁয়াজ চাষীরা লাভবান হবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তানোরে জমিজমা নিয়ে ছোটভাইয়ের আঘাতে বড়ভাইয়ের দাঁত ভাঙলেন, থানায় এজাহার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৩১ পি.এম


তানোরে জমিজমা নিয়ে ছোটভাইয়ের আঘাতে বড়ভাইয়ের দাঁত ভাঙলেন, থানায় এজাহার

রাজশাহীর তানোরে জমিজমা এবং পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ছোটভাইয়ের বাঁশের খ্যাট্যার (বাঁশের লাঠি বা ফালি) আঘাতে বড়ভাইয়ের দুটি দাঁত ভেঙে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী বড়ভাইয়ের ছেলে শামীম উদ্দিন (৩১) বাদী হয়ে ৮ জন নামধারীকে আসামী করে বৃহস্পতিবার ৮ অক্টোবর তানোর থানায় একটি লিখিত এহাজার দাখিল করেছেন।

এলাকাবাসী এবং এজাহার সূত্রে জানা যায়, তানোর পৌরসভার গোকুল গ্রামের বাসিন্দা নইমুদ্দিন ও তার ছোটভাই জফিরসহ তাদের চার ভাইয়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা এবং পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৬ সেপ্টেম্বর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নইমুদ্দিনের বসত-বাড়ির উত্তর পার্শ্বে ভোগ-দখলীয় জমিতে অনধিকার প্রবেশ করে নীম গাছের ডাল কাটতে থাকে জফির মন্ডল ও তার অনুসারীরা। সেই সময় নীম গাছের ডাল কাটতে বাধা দিলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। পরে এক পর্যায়ে জফিরসহ তার পক্ষের লোকজন নইমুদ্দিনের উপর হামলা চালায়। এতে তার দুটি দাঁত ভেঙে যায়।

নইমুদ্দিনের পুত্র শামীম উদ্দিন বলেন, "ঘটনার সময় আসামী জইমদ্দীন মন্ডলের হুকুমে জফির মন্ডল তার হাতে থাকা বাঁশের খ্যাট্যা দিয়ে আমার পিতাকে হত্যার উদ্দেশ্যে স্বজোরে মাথা বরাবর আঘাত করে। এসময় আমার পিতা মাথা সরিয়ে নেয়। ফলে উক্ত আঘাতটি আমার পিতার মুখে লেগে নিচের পাটির সামনের দুইটি দাঁত ভেঙ্গে মাটিতে পড়ে যায় ও গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়।"

শামীম উদ্দিন তার এজাহারে উল্লেখ করেন, "আমার ছোট মা মোসা. রোকেয়া পিতাকে রক্ষার জন্য এগিয়ে গেলে মো. সুজন ছোট মাকে এলোপাথাড়িভাবে মারপিট করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ফোলা ও কালশিরা জখম করে। এছাড়াও আশিক রানা সজিব আমার ছোট মায়ের পরণের কাপড় চোপড় টানা হেঁচড়ায় বিবস্ত্র করে শ্লীলতাহানি ঘটায়।"

এসময় আমার পিতা ও ছোট মায়ের ডাক-চিৎকারে আমার প্রতিবন্ধী ভাই মো. আল-আমিন ঘটনাস্থলে এগিয়ে গেলে আশিক রানা সজিব নীম গাছের ডালদ্বারা এলোপাথাড়ি মারপিট করে। আমি আমার প্রতিবন্ধী ভাইকে রক্ষার করার জন্য এগিয়ে গেলে আসামী জইমদ্দীন মন্ডল ও চাম্পা বাঁশের লাঠি ও লোহার রডদ্বারা এলোপাথাড়ি মারপিট করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ফোলা, ছিলা ও কালশিরা জখম করে।

জফির মন্ডল এ বিষয়ে বলেন, "এক নীম গাছের ডাল কাটা নিয়ে তাদের ভাইদের মধ্যে দ্বন্দ্বের জের ধরে উভয়ের মধ্যে মারামারি হয়। এতে আমার ভাতিজা সুজন ও আমার ভাবী রওশনারা আহত হয়। এঘটনায় আমার ভাতিজা আশিক রানা বাদী হয়ে থানায় মামলা করে। তবে, মারামারির সময় নইমুদ্দিনের মুখে আঘাত পেয়ে তার দাঁত নাকি ভেঙ্গে গেছে শুনেছি।"

এ বিষয়ে তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহামুদল হাসান বলেন, "একই পারিবারের মধ্যে জমিজমা নিয়ে দ্বন্দ্বে একপক্ষের অভিযোগে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। আরেক পক্ষের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবসস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এআই ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ চায় বাংলাদেশ, ইউনেস্কোকে উদ্যোগ নিতে আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৩১ পি.এম


এআই ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ চায় বাংলাদেশ, ইউনেস্কোকে উদ্যোগ নিতে আহ্বান

বাংলাদেশ ইউনেস্কোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবস্থার দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মেলাতে কার্যকর কৌশল গ্রহণের জন্য। একই সঙ্গে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থ সুরক্ষায় সংস্থাটির কার্যক্রমের আওতায় এআই ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শুরুর বিষয়টি বিবেচনা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ফ্রান্সের প্যারিসে ইউনেস্কোর সদর দপ্তরে সংস্থাটির নির্বাহী বোর্ডের ২২৫তম অধিবেশনে বাংলাদেশের জাতীয় বিবৃতি উপস্থাপনকালে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক এই আহ্বান জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ইউনেস্কো নির্বাহী বোর্ডের সভাপতি কাতারের নাসের বিন হামাদ আল হিনজাব।

বিবৃতিতে শিক্ষা সচিব উল্লেখ করেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর ব্যবস্থার দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মেলাতে ইউনেস্কোকে কার্যকর ও সময়োপযোগী কৌশল গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থ রক্ষায় সংস্থাটির কর্মপরিধির মধ্যে এআই ব্যবহারের নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়া শুরুর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

বাংলাদেশের শিক্ষা খাতের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে আবদুল খালেক বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার শিক্ষার পথে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা দূর করতে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে ভর্তির হার বাড়ানো এবং প্রাথমিক স্তর থেকেই তাদের নিয়মিত উপস্থিতি ও পড়াশোনা অব্যাহত রাখা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।

জাতীয় শিক্ষাক্রমে খেলাধুলা অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন তিনি। শিক্ষা সচিব বলেন, আধুনিক শিক্ষার লক্ষ্য কেবল পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান অর্জন নয়; বরং শিক্ষার্থীদের বহুমাত্রিক গুণাবলিসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা। এ লক্ষ্য সামনে রেখে জাতীয় শিক্ষাক্রমে ক্রীড়াকে আনুষ্ঠানিক বিষয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, ইতোমধ্যে দেশব্যাপী যুব ক্রীড়া প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ২০ লাখের বেশি শিক্ষার্থীকে সম্পৃক্ত করা সম্ভব হয়েছে।

শিক্ষা সচিব আরও বলেন, মাতৃভাষার গুরুত্ব বজায় রেখে বহুভাষিক শিক্ষার প্রসার এবং প্রাথমিক শিক্ষার ভিত্তি শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ। পাশাপাশি, শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনীয় সামাজিক সহায়তা দেওয়াও সরকারের অগ্রাধিকারের মধ্যে রয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঝুঁকিতে থাকা অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন আবদুল খালেক। তিনি বলেন, বিশেষ করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীরা যাতে শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হয়, সে জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

এ ছাড়া কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের পরিসর বাড়ানো এবং বিনামূল্যে শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়নেও বাংলাদেশ বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানান তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছুটি ছাড়াই একটানা তিনদিন অফিসে অনুপস্থিত ভারপ্রাপ্ত খাদ্য কর্মকর্তা মকদুবুল হক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৩১ পি.এম


ছুটি ছাড়াই একটানা তিনদিন অফিসে অনুপস্থিত ভারপ্রাপ্ত খাদ্য কর্মকর্তা মকদুবুল হক

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার ভবানীগঞ্জ খাদ্য গোডাউনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি ছুটি না নিয়ে একটানা তিনদিন অফিসে অনুপস্থিত রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে সরেজমিনে ভবানীগঞ্জ খাদ্য গোডাউনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মকদুবুল হক বিশ্বাসের অফিসে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে অনুপস্থিতির এমন চিত্র। অফিসের মূল গেটে তালা ঝুলছে এবং প্রায় পৌনে এক ঘন্টা অপেক্ষা করার পরও কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। খাদ্য অধিদপ্তরের মত গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে এই অবস্থায় স্থানীয়রা হতভম্ব হয়ে পড়েছেন।

অভিযোগ রয়েছে যে, মকদুবুল হক বিশ্বাস প্রায় প্রতি সপ্তাহে বুধবার দুপুরের পর ছুটি ছাড়াই বাড়িতে চলে যান। ছুটি শেষে সপ্তাহের প্রথম দিন রোববার দেরিতে অফিসে আসেন। এর ফলে খাদ্য বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে এবং অনিয়ম ও দুর্নীতির সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানাচ্ছে, বাগমারা উপজেলার ভবানীগঞ্জ খাদ্য গোডাউনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে মকদুবুল হক বিশ্বাস কর্মরত রয়েছেন। তবে স্থানীয়দের দাবি, তিনি অধিকাংশ সময় অফিসে ঠিকমত অবস্থান করেন না। অভিযোগ অনুযায়ী, গত সোমবার অফিস শেষে তিনি ছুটি না নিয়ে চলে যান এবং বৃহস্পতিবার পর্যন্ত একটানা তিনদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। কর্মকর্তার অনুপস্থিতির কারণে কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি ব্যাহত হচ্ছে এবং অনিয়মের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে খাদ্য বিভাগের কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে।

ছুটি না নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে ভবানীগঞ্জ খাদ্য গোডাউনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মকদুবুল হক বিশ্বাস বলেন, "পারিবারিক সমস্যা ও অসুস্থতার কারণে ছুটি ছাড়াই বাড়িতে আসতে হয়েছে। আর কিছু জানার থাকলে আমার উধ্বর্তন কতৃপক্ষের সাথে কথা বলতে পারেন।"

এ বিষয়ে অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা বাগমারা উপজেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো: নুরুন্নবী জানান, "ভবানীগঞ্জ খাদ্য গোডাউনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার বিষয়টি আমার জানা নেই। তিনি আমার কাছ থেকে ছুটি নেয়নি। বিষয়টি উধ্বতর্ন কতৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

রাজশাহী জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো: এহসানুল হক যখন যোগাযোগ করলে, তিনি ছুটি না নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, "ছুটি না নিয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মকদুবুল হক বিশ্বাস বাড়িতে চলে গিয়েছে। কর্মস্থলে যোগদানের পর আবেদন করে ছুটি নিবেন।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%