০৯:৩১ এম
দিল্লির একটি ফ্ল্যাট থেকে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত নারী দেবস্মিতা পাল দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডিইউ) একজন সহকারী অধ্যাপিকা ছিলেন।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তের পর জানিয়েছে, এটি একটি হত্যাকাণ্ড। তবে ঘর থেকে কোনো টাকা বা গয়না চুরি না হওয়ায় এই খুনের পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দেবস্মিতা পাল পূর্ব দিল্লির বসুন্ধরা এনক্লেভের ‘সত্যম অ্যাপার্টমেন্ট’-এর একটি ফ্ল্যাটে একা থাকতেন। তার স্বামী বেঙ্গালুরুতে কর্মরত।
আরও পড়ুন: রাহুল গান্ধীর আহ্বানে সিজেপির সমর্থন, ইন্ডিয়া জোটের সমাবেশে অংশগ্রহণ
বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটে নিউ অশোক নগর থানায় একটি ফোন আসে। দেবস্মিতার বোন, ৪৯ বছর বয়সী দেবরতি পাল পুলিশকে জানান যে তার বোনকে ফ্ল্যাটের ভেতর মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে।
পুলিশ আরো জানিয়েছে, সকাল থেকে দেবস্মিতার ফ্ল্যাটটি বাইরে থেকে তালাবন্ধ ছিল। দেবরতি বারবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও দেবস্মিতা ফোন ধরছিলেন না।
এতে সন্দেহ ও উদ্বেগ বাড়ায় দেবরতি পাল সত্যম অ্যাপার্টমেন্টে পৌঁছান। কোনো অঘটনের আশঙ্কায় তিনি ফ্ল্যাটের তালা ভেঙে ভেতরে ঢোকেন এবং বোনকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।
পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য এলবিএস হাসপাতালে পাঠিয়েছে। প্রাথমিক তদন্ত শেষে পুলিশ জানিয়েছে, দেবস্মিতার মাথায় গভীর ক্ষত রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, কোনো ভারী বস্তু দিয়ে তার মাথায় আঘাত করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: তাহসিফের রহস্যজনক মৃত্যু আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উদ্বেগ বাড়াচ্ছে
তার হাতের কব্জির শিরাগুলোও কাটা বা ছিন্ন অবস্থায় পাওয়া গেছে।
দিল্লি পুলিশ ইতিমধ্যেই একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পেছনের আসল রহস্য এবং অপরাধীকে খুঁজে বের করতে পুলিশের একাধিক দল গঠন করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।
সূত্র : এনডিটিভি
আরও পড়ুন: বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ ২০২৯ সালে, তিন বছর পিছিয়ে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন