ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের দূরত্ব কমাতে নতুন উদ্যোগ


ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের দূরত্ব কমাতে নতুন উদ্যোগ

রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত, আধুনিক ও নিরাপদ করার লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সরকারের পরিকল্পনা হচ্ছে রেলওয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধি, আন্তঃদেশীয় সংযোগ সম্প্রসারণ এবং উচ্চগতির রেল চালুর। কারণ, ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের ঢাকা-কুমিল্লা অংশে কর্ডলাইন নির্মাণের মাধ্যমে এ রুটের দূরত্ব প্রায় ৮০ কিলোমিটার কমানোর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ বিষয়টি উল্লেখ করেন। তিনি এই অধিবেশনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, যেখানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত ছিলেন। ৫৫তম বাজেট হিসেবে এটি বর্তমান সরকারের অর্থমন্ত্রীর প্রথম বাজেট।

অর্থমন্ত্রী বক্তব্যে জানালেন, সরকারের লক্ষ্য হলো নিরাপদ, আধুনিক এবং দক্ষ রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা। তারা রেলওয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তঃদেশীয় সংযোগ সম্প্রসারণে উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পন্ন করছে।

আরও পড়ুন: নাটোরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে জাজিরার ৫ ব্যবসায়ীর মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া

যোগাযোগের ক্ষেত্রে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে রেলপথকে আরও কার্যকর ও প্রযুক্তিনির্ভর করার জন্যও একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। অর্থমন্ত্রী জানান, দেশের প্রতিটি জেলাকে রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনার উদ্দেশ্যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং সমুদ্র ও স্থলবন্দরগুলোর সঙ্গে রেল সংযোগ সম্প্রসারণ চলছে। তাছাড়া, আধুনিক লোকোমোটিভ, ক্যারেজ ও ওয়াগন সংগ্রহের প্রক্রিয়াও অব্যাহত আছে।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, সৈয়দপুর ও পাহাড়তলী রেলওয়ে ওয়ার্কশপের সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে কোচ ও লোকোমোটিভ সংযোজনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ডুয়াল গেজ ডাবল লাইন নির্মাণ এবং আধুনিক সিগন্যালিং ব্যবস্থা চালু করারও পরিকল্পনা রয়েছে।

বাজেটে তিনি জানান, ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন ও উচ্চগতির রেল সংযোগ চালুর পরিকল্পনা করা হয়েছে। এছাড়া, ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের ঢাকা-কুমিল্লা অংশে কর্ডলাইন নির্মাণের ফলে রুটের দূরত্ব প্রায় ৮০ কিলোমিটার কমবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রেলপথকে আরও কার্যকর করতে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলওয়ে করিডোর প্রতিষ্ঠা করার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। একইসাথে চট্টগ্রামকে একটি লজিস্টিক হাব হিসেবে গড়ে তোলারও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: রাশেদ খান: বিএনপি ক্ষমতায় না থাকলে আ. লীগ শকুনের মতো ছিঁড়ে খাবে

রেলপথ খাতে এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকার যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে গতি বৃদ্ধি এবং দেশের সার্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আধুনিক ও দক্ষ করে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কচুয়ায় মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে ব্র্যাক ফিশারিজের প্রশিক্ষণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৪০ পি.এম


কচুয়ায় মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে ব্র্যাক ফিশারিজের প্রশিক্ষণ

চাঁদপুরের কচুয়ায় মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণ এবং খামারিদের দক্ষ করে তুলতে একটি দিনব্যাপী বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) কচুয়া উপজেলার দারচর বাজারে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করে ব্র্যাক ফিশারিজ এন্টারপ্রাইজ।

মৎস্য খাতে আমূল পরিবর্তন আনা এবং প্রযুক্তিনির্ভর চাষাবাদে খামারিদের উদ্বুদ্ধ করতে আয়োজিত এ কর্মশালায় কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে অর্ধশতাধিক অগ্রগামী মৎস্যচাষী অংশগ্রহণ করেন।

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় আধুনিক পদ্ধতিতে পুকুর প্রস্তুতি, পানির গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ, প্রোবায়োটিক প্রয়োগ, এয়ারেটরের সঠিক ব্যবহার এবং তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর পানি ব্যবস্থাপনা বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

এছাড়াও মানসম্মত পোনা নির্বাচন, সুষম খাদ্যের সঠিক বণ্টন, মাছের সাধারণ রোগ প্রতিরোধ এবং আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা সম্পর্কেও চাষীদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

ব্র্যাকের জেলা সমন্বয়ক মোঃ জিয়াউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ০৬নং কচুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আকতার হোসাইন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ জহিরুল ইসলাম। প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের লেকচারার তাজিরুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ব্র্যাক ফিশারিজের অফিসার সেলস্ জয়ন্ত কুমার সাহা।

তাত্ত্বিক আলোচনার পাশাপাশি কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী মৎসমচাষীদের জন্য ছিল বাস্তবভিত্তিক হাতে-কলমে শেখার সুযোগ।

উন্মুক্ত আলোচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে চাষীরা মাঠপর্যায়ের বিভিন্ন সমস্যা, অভিজ্ঞতা ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন।

এসময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তাৎক্ষণিকভাবে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করেন।

অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।

আয়োজক প্রতিষ্ঠান ব্র্যাক ফিশারিজ এন্টারপ্রাইজ জানায়, দেশের মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং খামারিদের স্বাবলম্বী করে তুলতে পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এ ধরনের উন্নত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর এ ধরনের প্রশিক্ষণ মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ত্যাগ ও সংগ্রামের প্রতীক অধ্যাপক আসলাম চৌধুরী এমপি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৪১ পি.এম


ত্যাগ ও সংগ্রামের প্রতীক অধ্যাপক আসলাম চৌধুরী এমপি

সীতাকুণ্ডের রাজনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘকাল ধরে অত্যন্ত আলোচিত, পরিচিত এবং অন্যতম শীর্ষ ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক আসলাম চৌধুরী এমপি। চট্টগ্রামের শিল্প, বন্দর ও পর্যটনসমৃদ্ধ এই জনপদে তিনি চরম প্রতিকূলতার মুখোমুখি থেকেও নিজের আদর্শে অবিচল ছিলেন। ফলশ্রুতিতে, দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তিনি ত্যাগ, সহনশীলতা ও সংগ্রামের এক অনন্য প্রতীক হিসেবে পরিচিত।

তিনি কেবল একজন জনপ্রিয় রাজনীতিবিদ নন, বরং তিনি একজন উচ্চশিক্ষিত ও পেশাদার চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট (ঋঈঅ)। আর্থিক খাত ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনায় তাঁর উচ্চতর দক্ষতা তাঁকে অন্য সবার চেয়ে আলাদা মাত্রায় উন্নীত করেছে। রাজনীতির মাঠে সক্রিয় থাকার পাশাপাশি শিক্ষাদান এবং পেশাদারিত্বের ক্ষেত্রে তাঁর দক্ষতার প্রশংসা সচেতন মহলে সর্বদা শোনা যায়।

দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, রাজনৈতিক জীবনে তাঁর দীর্ঘ বছরের কারাবাস এবং একের পর এক মামলাকে তিনি চরম প্রতিকূল পরিস্থিতির অংশ হিসেবে মোকাবিলা করেছেন। তবে কোনো ঝড়-ঝাপ্টাই তাঁর রাজনৈতিক মনোবলকে দমাতে সক্ষম হয়নি। বরং দলের দুঃসময়ে মাঠের নেতাকর্মীদের পাশে থেকে, সাংগঠনিক কার্যক্রমে সঠিক দিকনির্দেশনা এবং অবরুদ্ধ পরিস্থিতিতে কর্মীদের সাহস জোগানো তাঁর রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে উজ্জ্বল দিক।

স্থানীয় ব্যবসায়ী, শিক্ষক, সমাজকর্মী ও সাংস্কৃতিক প্রতিনিধিদের সাথে আলাপচারিতায় জানা যায়, অধ্যাপক আসলাম চৌধুরীর পরিচিতি রাজনৈতিক বলয়ের বাইরে প্রসারিত। শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে আর্থিক ও সাংগঠনিক সহায়তা, সামাজিক অবকাঠামো নির্মাণ এবং বিভিন্ন দুর্যোগে কর্মহীন ও দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি অসাধারণ ভূমিকা রেখেছেন। তিনি দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের জন্য সহযোগিতার দুয়ার সবসময় খোলা রাখার মাধ্যমে একজন মানবিক সমাজসেবক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

এদিকে, এলাকার সচেতন নাগরিক ও সুধী সমাজের মতে, দেশের অন্যতম প্রধান শিল্পাঞ্চল হওয়া সত্ত্বেও সীতাকুণ্ডে এখনো বেশ কিছু বড় চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো শিল্পকারখানার বর্জ্য ও অনিয়ন্ত্রিত দূষণে পরিবেশ বিপর্যয়, গ্রামীণ সড়কসমূহের টেকসই সংস্কারের অভাব, বর্ষা মৌসুমে তীব্র জলাবদ্ধতা এবং উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা ও মানসম্মত শিক্ষার অভাব। এসব সংকট নিরসনে অধ্যাপক আসলাম চৌধুরীর মতো একজন দূরদর্শী, শিক্ষিত ও দৃঢ়চেতা পেশাদার ব্যক্তিত্বের কার্যকর নেতৃত্ব অত্যন্ত জরুরী।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্যতা এবং যেকোনো কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা করার অসীম সক্ষমতা অধ্যাপক আসলাম চৌধুরীর জীবনকে ত্যাগ ও সহনশীলতার একটি জীবনদর্শন হিসেবে উপস্থাপন করেছে। এই গুণাবলীর কারণে দলমত নির্বিশেষে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধাবোধ তৈরি হয়েছে। সীতাকুণ্ডের জনগণের আশা এ হলো যে, আগামী দিনে দলীয় সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে তিনি ব্যাপক শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, পরিবেশ সুরক্ষা এবং পরিকল্পিত টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে সীতাকুণ্ডকে একটি আধুনিক, নিরাপদ ও সমৃদ্ধ মডেল জনপদে পরিণত করতে আরো বলিষ্ঠ ও কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
কুমিল্লাবাসীকে হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনে

সাবেক এমপি বাহারকে দেশে ফিরিয়ে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় বিচারের দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৪২ পি.এম


সাবেক এমপি বাহারকে দেশে ফিরিয়ে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় বিচারের দাবি

সাবেক সংসদ সদস্য ও মহানগর আওয়ামিলীগের সভাপতি বাহাউদ্দীন বাহার সম্পর্কে কুমিল্লায় মাদরাসাবিরোধী বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ এবং কুমিল্লার জনগণকে হুমকি দেওয়ার বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলা কওমী মাদ্রাসা সংগঠনের পক্ষ থেকে তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানানো হয়েছে। সংগঠনটি একই সঙ্গে তাকে দেশে ফিরিয়ে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় বিচারের আওতায় আনার দাবি জানায়। কুমিল্লা প্রেসক্লাবে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুর ১২টায় এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতারা এ দাবি জানান।

সম্প্রতী সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চালানো একটি টকশোতে বাহাদ্দীন বাহার মাদরাসা শিক্ষাব্যবস্থা বন্ধ করে দেওয়ার বিষয়ে বক্তব্য দেন এবং কুমিল্লার জনগণের জন্য হুমকির বার্তা দিয়েছেন। তার এই বক্তব্যের কারণে দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে কুমিল্লা জেলা কওমী মাদ্রাসা সংগঠনের যুগ্ম সেক্রেটারি ও মহানগর সেক্রেটারি মুফতী শামছুল ইসলাম জিলানী লিখিত বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশের মাদরাসাসমূহ যুগের পর যুগ ধরে কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক শিক্ষা, নৈতিক মূল্যবোধ এবং দেশপ্রেমিক নাগরিক তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এসেছে। রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃত এই শিক্ষাব্যবস্থা বন্ধের আহ্বান ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং সাংবিধানিক অধিকারের ওপর সরাসরি আক্রমণ।

তিনি আরও বলেন, এ ধরনের বক্তব্য সামাজিক সম্প্রীতি এবং জাতীয় ঐক্যের জন্য বিপজ্জনক এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের অংশ। লিখিত বক্তব্যে বাহাউদ্দীন বাহারের রাজনৈতিক ভূমিকারও তীব্র সমালোচনা করা হয়। সংগঠনের নেতারা জানান, অতীতে তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক দমন-পীড়ন, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির নানারকম অভিযোগ রয়েছে। দেশে না থাকা অবস্থাতেও তিনি পরিস্থিতি ঘোলাটে করার উদ্দেশ্যে উসকানিমূলক বক্তব্য দিচ্ছেন বলে অভিযোগ তোলা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে নেতারা বাহাউদ্দীন বাহারকে আন্তর্জাতিক পুলিশি সহযোগিতার মাধ্যমে দেশে ফিরিয়ে এনে তার বক্তব্যের বিষয়ে তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। পাশাপাশি ধর্মীয় মূল্যবোধ, শিক্ষাব্যবস্থা ও সামাজিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় সরকারের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন হাফেজ মাওলানা মুনীর হুসাইন। এছাড়া কুমিল্লা জেলা কওমী মাদ্রাসা সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস, সহ-সভাপতি ও মহানগর সভাপতি হাফেজ মাওলানা মুনীর হুসাইন, মাওলানা আনিসুর রহমান আশরাফী, হাফেজ আজীজুল হক, মাওলানা তৈয়ব, মাওলানা খলিলুর রহমান, মাওলানা আবুল কাশেম, আবু তাহেরসহ জেলার নানা পর্যায়ের আলেম-উলামা ও ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঠাকুরগাঁওয়ে জিংক ধানের সম্প্রসারণে নীতি নির্ধারণ ও প্রকল্প অংশীদারগণের মতামত সভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৪২ পি.এম


ঠাকুরগাঁওয়ে জিংক ধানের সম্প্রসারণে নীতি নির্ধারণ ও প্রকল্প অংশীদারগণের মতামত সভা
 
ঠাকুরগাঁওয়ে হারভেস্টপ্লাস বাংলাদেশ-এর বাস্তবায়নে "রিয়েক্টস-ইন" প্রজেক্টের আওতায় "জিংক ধানের সম্প্রসারণে নীতি নির্ধারণ ও প্রকল্প অংশীদারগণের মতামত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 
 
 
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে ইকো সোশ্যাল ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (ইএসডিও) আয়োজনে ও পরিচালনায় ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা নির্বাহী অফিসের হলরুমে মতামত সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। 
 
 
ইএসডিও'র রিয়েক্টস- ইন প্রজেক্টের প্রজেক্ট ফোকাল কৃষিবিদ মোঃ আশরাফুল আলমের সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে হারভেস্টপ্লাস এর প্রজেক্ট ম্যানেজার কৃষিবিদ মোঃ শাহিনুল কবির মানবদেহে জিংক এর প্রয়োজনীয়তা এবং জিংকের অভাব পূরণে জিংক সমৃদ্ধ ব্রিধান১০২,  ব্রিধান১০০, ব্রিধান৮৪ এবং ব্রিধান৭৪ এর ভূমিকা নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন।
 
 
এরপরে উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন অধিদপ্তরের সরকারি কর্মকর্তারা মুক্ত আলোচনায় বলেন যে, এই প্রকল্পটি প্রকৃতই একটি কার্যকর প্রকল্প। এর পক্ষে আরও ব্যাপক প্রচারণা চালানো দরকার এবং প্রতিটি জেলায় ও উপজেলায় "জিংক চাল পাওয়া যায়" এরকম কমপক্ষে একটি করে আউটলেট থাকলে আগ্রহী ও সচেতন ক্রেতারা ক্রয় করে জিংক সমৃদ্ধ চালের ভাত খেতে পারবেন।
 
 
উক্ত মতামত সভায় সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পীরগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার জনাব নাজমুল হাসান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষিবিদ মোঃ মাসুদ রানা, সায়েন্টিফিক অফিসার, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI) পঞ্চগড় রিজিয়ন।
 
 
 অনুষ্ঠানে  অংশগ্রহণকারী হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন অধিদপ্তরের সরকারি কর্মকর্তাগণ, জামে মসজিদের ইমামগণ, হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষকগণ এবং কৃষক নারী নেত্রী সহ ইলেকট্রনিক মিডিয়া ব্যক্তিত্ব।
 
 
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%