প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত, আধুনিক ও নিরাপদ করার লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সরকারের পরিকল্পনা হচ্ছে রেলওয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধি, আন্তঃদেশীয় সংযোগ সম্প্রসারণ এবং উচ্চগতির রেল চালুর। কারণ, ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের ঢাকা-কুমিল্লা অংশে কর্ডলাইন নির্মাণের মাধ্যমে এ রুটের দূরত্ব প্রায় ৮০ কিলোমিটার কমানোর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ বিষয়টি উল্লেখ করেন। তিনি এই অধিবেশনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, যেখানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত ছিলেন। ৫৫তম বাজেট হিসেবে এটি বর্তমান সরকারের অর্থমন্ত্রীর প্রথম বাজেট।
অর্থমন্ত্রী বক্তব্যে জানালেন, সরকারের লক্ষ্য হলো নিরাপদ, আধুনিক এবং দক্ষ রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা। তারা রেলওয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তঃদেশীয় সংযোগ সম্প্রসারণে উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পন্ন করছে।
যোগাযোগের ক্ষেত্রে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে রেলপথকে আরও কার্যকর ও প্রযুক্তিনির্ভর করার জন্যও একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। অর্থমন্ত্রী জানান, দেশের প্রতিটি জেলাকে রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনার উদ্দেশ্যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং সমুদ্র ও স্থলবন্দরগুলোর সঙ্গে রেল সংযোগ সম্প্রসারণ চলছে। তাছাড়া, আধুনিক লোকোমোটিভ, ক্যারেজ ও ওয়াগন সংগ্রহের প্রক্রিয়াও অব্যাহত আছে।
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, সৈয়দপুর ও পাহাড়তলী রেলওয়ে ওয়ার্কশপের সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে কোচ ও লোকোমোটিভ সংযোজনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ডুয়াল গেজ ডাবল লাইন নির্মাণ এবং আধুনিক সিগন্যালিং ব্যবস্থা চালু করারও পরিকল্পনা রয়েছে।
বাজেটে তিনি জানান, ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন ও উচ্চগতির রেল সংযোগ চালুর পরিকল্পনা করা হয়েছে। এছাড়া, ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের ঢাকা-কুমিল্লা অংশে কর্ডলাইন নির্মাণের ফলে রুটের দূরত্ব প্রায় ৮০ কিলোমিটার কমবে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রেলপথকে আরও কার্যকর করতে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলওয়ে করিডোর প্রতিষ্ঠা করার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। একইসাথে চট্টগ্রামকে একটি লজিস্টিক হাব হিসেবে গড়ে তোলারও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রেলপথ খাতে এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকার যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে গতি বৃদ্ধি এবং দেশের সার্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আধুনিক ও দক্ষ করে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন