ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কুয়াকাটায় স্কুলছাত্রীর সঙ্গে অফিস সহকারীর আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, অভিযুক্ত বরখাস্ত


কুয়াকাটায় স্কুলছাত্রীর সঙ্গে অফিস সহকারীর আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, অভিযুক্ত বরখাস্ত

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির এক ছাত্রীর সাথে বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী জলিলুর রহমানের আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাতের সময় ভিডিওটি প্রকাশ পাওয়ার পর থেকেই স্থানীয় জনমনে তীব্র ক্ষোভ ও ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনার পরপরই জরুরি পদক্ষেপ হিসেবে অভিযুক্ত অফিস সহকারী জলিলুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জলিলুর রহমান বিদ্যালয়ে চাকুরির পাশাপাশি ওই শিক্ষার্থীকে ব্যক্তিগতভাবে ইংরেজিতে প্রাইভেট পড়াতেন। অভিযোগ উঠেছে, পড়াশোনার সুযোগ নিয়ে তিনি ওই ছাত্রীর সরলতার সুযোগ নিয়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ইতিপূর্বেও ওই অফিস সহকারীর বিরুদ্ধে একাধিক শিক্ষার্থীর সঙ্গে অনৈতিক আচরণের অভিযোগ ছিল।

আরও পড়ুন: সোনারগাঁয়ে যুবদল নেতা হত্যায় ৩ দিন পর মামলা, প্রধান আসামী ছাত্রদল নেতা রিজভী

বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জহিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, "অভিযোগ পাওয়ার পরই বিষয়টি খতিয়ে দেখতে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর অভিযুক্ত জলিলুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়া শৃঙ্খলাভঙ্গের কারণে ওই শিক্ষার্থীকে প্রায় তিন মাস আগেই বিদ্যালয় থেকে ছাড়পত্র (টিসি) দেওয়া হয়েছিল।"

এ বিষয়ে মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিম হাওলাদার জানান, ঘটনার বিষয়ে তারা অবগত হয়েছেন, কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাননি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুয়াকাটায় জেলের জালে ধরা পড়ল ২৯ কেজির বিরল ‘ইয়েলোফিন টুনা’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৩২ এম


কুয়াকাটায় জেলের জালে ধরা পড়ল ২৯ কেজির বিরল ‘ইয়েলোফিন টুনা’

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন গভীর বঙ্গোপসাগরে জেলের জালে ধরা পড়েছে বিরল প্রজাতির একটি ইয়েলোফিন টুনা, যা স্থানীয়ভাবে হলুদ পাখনা টুনা মাছ নামে পরিচিত। এর ওজন প্রায় ২৯ কেজি, এবং এই মাছটির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪০ হাজার ৪৬০ টাকা।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকালে আলিপুর মৎস্য বন্দরের মেসার্স মনি ফিস আড়তে ২৮ কেজি ৯০০ গ্রাম ওজনের এই মাছটি আনা হয়। স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন প্রতি কেজি ১ হাজার ৪০০ টাকা দরে এটি কিনে নেন।

জানা গেছে, গত পরশু কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের পায়রা বন্দর এলাকায় গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার সময় এফবি সজীব ট্রলারের জেলে জীবন মাঝির জালে মাছটি ধরা পড়ে। পরে, মাছটি বিক্রির উদ্দেশ্যে আলিপুর মৎস্য বন্দরে আনা হয়। এ অঞ্চলে এ প্রজাতির মাছ সচরাচর ধরা না পড়ায় মাছটি দেখতে আড়তে দুর্দান্ত মানুষের ভিড় জমে যায়।

এ বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে, মাছটি দেখতে আসা স্থানীয় বাসিন্দা জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘এ ধরনের মাছ আমরা খুব একটা দেখি না। এর আকার, রঙ ও গঠন দেখে অনেকেই বিস্মিত হয়েছেন। তাই কৌতূহলবশত মাছটি দেখতে এসেছি।’

ট্রলারের মাঝি জীবন বলেন, ‘জাল তোলার সময় বড় মাছটি দেখে প্রথমে আমরা অবাক হয়ে যাই। পরে বুঝতে পারি এটি সাধারণ মাছ নয়। এরকম মাছ খুব কমই ধরা পড়ে। মাছটি পেয়ে আমরা খুবই খুশি।’

মাছটির ক্রেতা মৎস্য ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন মন্তব্য করেন, ‘ইয়েলোফিন টুনা আন্তর্জাতিক বাজারে বেশ চাহিদাসম্পন্ন মাছ। এটি ভালো মানের হওয়ায় আমরা ন্যায্য দামে এটি কিনেছি। এক্ষেত্রে, ভালো দামে বিক্রির জন্য এটি ঢাকায় পাঠানো হবে।’

বিশেষজ্ঞদের তথ্যমতে, ইয়েলোফিন টুনার বৈজ্ঞানিক নাম থান্নাস অ্যালবাকারিস। এর পিঠের ও পেটের দিকের দীর্ঘ পাখনা এবং লেজের কাছের ছোট ছোট ফিনলেট উজ্জ্বল হলুদ রঙের হওয়ায় সহজেই এই মাছটি শনাক্ত করা যায়। টর্পেডোর মতো মসৃণ এবং শক্তিশালী দেহগঠন এই মাছকে দীর্ঘ দূরত্বে দ্রুতগতিতে সাঁতার কাটতে সহায়তা করে।

ডব্লিউসিএস ও ওয়ার্ল্ডফিশের ‘সুস্থ সাগর’ প্রকল্পের গবেষণা সহকারী মো. বখতিয়ার রহমান বলেন, ‘ইয়েলোফিন টুনা একটি বৃহৎ আকারের, উচ্চমাত্রায় পরিযায়ী সামুদ্রিক পেলাজিক মাছ। এর বিস্তৃত বিচরণ বিশ্বের উষ্ণ ও উপ-উষ্ণমণ্ডলীয় সমুদ্রে রয়েছে। বাংলাদেশে, সে প্রধানত বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রে, বিশেষ করে দেশের একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইইজেড) এবং সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড এলাকায় এ মাছ পাওয়া যায়। বিশ্ববাজারে এই মাছের ব্যাপক চাহিদা ও উচ্চ অর্থনৈতিক মূল্য রয়েছে।’

কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা জানান, ‘গভীর সমুদ্রে এ ধরনের মাছ পাওয়া অস্বাভাবিক নয়, তবে উপকূলে খুব বেশি দেখা যায় না। জেলেদের জালে এ ধরনের মূল্যবান সামুদ্রিক মাছ ধরা পড়া ইতিবাচক বিষয়। তবে সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় টেকসই মৎস্য আহরণ নিশ্চিত করা জরুরি।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজার প্রস্তাবিত শান্তিচুক্তিকে স্বাগত জানাল ইউরোপীয় ইউনিয়ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৩৭ এম


গাজার প্রস্তাবিত শান্তিচুক্তিকে স্বাগত জানাল ইউরোপীয় ইউনিয়ন

গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধ পুরোপুরি বন্ধ করার লক্ষ্যে প্রস্তাবিত শান্তিচুক্তির খসড়াকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান কাজা কালাস স্বাগত জানিয়েছেন।

শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে একটি পোস্টের মাধ্যমে কালাস বলেছেন, এই চুক্তি সফলভাবে বাস্তবায়িত করার জন্য সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের এর প্রতি সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতি প্রদর্শন করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ‘হামাস চুক্তি মেনে চলছে কি না, তা যাচাই করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হবে। একই সঙ্গে ইসরায়েলকে গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার করার বিষয়টিও চূড়ান্তভাবে করতে হবে।’

কালাসের মতে, প্রস্তাবিত শান্তিচুক্তি বাস্তবায়িত করতে উভয় পক্ষের আন্তরিক সহযোগিতা এবং চুক্তির শর্তগুলো মেনে চলা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানে কঠোর হামলা চলবে, যুদ্ধ জিততে চায় যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৪৬ এম


ইরানে কঠোর হামলা চলবে, যুদ্ধ জিততে চায় যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলা আরও জোরালোভাবে অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, ওয়াশিংটনের লক্ষ্য হলো এই যুদ্ধে 'জয়লাভ' করা এবং কোনো অবস্থাতেই ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হতে দেওয়া হবে না।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের ক্যাম্প ডেভিডে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প এসব কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, ইরান খুবই খারাপ অবস্থায় আছে। তারা অত্যন্ত অসৎ এবং তাদের সঙ্গে সমঝোতা করা কঠিন।

ট্রাম্প বলেন, আমরা শুধু জিততে চাই। আমরা খুব ভালো অবস্থানে আছি। এমন পরিস্থিতিতেও আমরা যতটা সম্ভব সংযত থাকার চেষ্টা করছি। কিন্তু ইরান মারাত্মকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ছে।

তিনি আরও বলেন, বিষয়টি খুবই সহজ। ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র পাবে না। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আমরা ইরানের ওপর খুব কঠোরভাবে হামলা চালিয়ে যাব। একসময় তারা বলবে, আর সহ্য করতে পারছি না।

এছাড়া, ট্রাম্প ইরান এখনও শক্ত অবস্থানে রয়েছে—এমন দাবি নাকচ করেন এবং বলেন, ইরান খুবই খারাপ অবস্থায় আছে। ট্রাম্প ভিয়েতনাম ও আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের অতীত যুদ্ধের সঙ্গে বর্তমান সংঘাতের তুলনা করে বলেন, মাত্র পাঁচ মাসের অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সামরিক সক্ষমতাকে 'সম্পূর্ণ ধ্বংস' করে দিয়েছে।

ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, তাদের ওপর আমার আস্থা কমে যাচ্ছে, কারণ তারা মিথ্যা বলে। তার ভাষ্য, বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের ফোনের অপেক্ষায় থাকা অবস্থায় প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ তাকে জানান, ইরান জর্ডানে অবস্থিত একটি মার্কিন ঘাঁটিতে পাঁচটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানি হামলার জবাব হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় ধারাবাহিক হামলা চালিয়েছে। এর পালটা প্রতিক্রিয়ায় ইরান জর্ডানসহ উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে তেহরান।

গত জুনে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধ অবসানের একটি কাঠামোগত চুক্তিতে সই করলেও সাম্প্রতিক হামলা-পালটা হামলায় দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আবারও তীব্র আকার ধারণ করেছে।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গোর রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৫০ এম


মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গোর রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গোরের নেতৃত্বে ১৪ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলটি কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন। তারা দ্রুত ও নিরাপদ প্রত্যাবাসনের বাস্তব পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় রোহিঙ্গারা মার্কিন প্রতিনিধি দলের সামনে ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে প্রাণবন্তভাবে দ্রুত স্বদেশে ফিরে যাওয়া এবং আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তার তহবিল বাড়ানোর দাবি জানান।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) দুপুরের দিকে উখিয়ার একাধিক রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনের মাধ্যমে মার্কিন প্রতিনিধি দলের কার্যক্রম প্রায় চার ঘণ্টাব্যাপী চলেছিল। প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন ছিলেন।

দুপুর ১২টারদিকে কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছে প্রতিনিধি দলটি সরাসরি উখিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হন। দুপুর ২টার সময় উখিয়ার ৮-ডব্লিউ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পৌঁছালে রাস্তার দুপাশে শত শত রোহিঙ্গা সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে তাদের স্বাগত জানান, এবং মিয়ানমারের রাখাইনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে দ্রুত স্বদেশে ফেরানোর দাবি জানিয়ে বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন।

প্রতিনিধি দলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ‘ইউনাইটেড কাউন্সিল অব রোহিঙ্গা’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছৈয়দ উল্লাহ বলেন, 'রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হওয়ার কথা প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু আজও আরাকানে নির্যাতন চলায় সেই স্বীকৃতির কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়ার নয় বছর পার হয়ে গেছে, কিন্তু কতদিন এই অনিশ্চয়তায় থাকতে হবে? দ্রুত মর্যাদা, পূর্ণ নাগরিকত্ব ও নিরাপত্তার নিশ্চয়তা নিয়ে আমরা আমাদের নিজ ভূমিতে ফিরতে চাই।'

পরবর্তী সময়ে আলোচনা করার জন্য প্রতিনিধি দলটি ক্যাম্প-৮ এর ওয়াচ টাওয়ার থেকে সার্বিক ক্যাম্পের পর্যবেক্ষণ করেন এবং ৬ নম্বর ক্যাম্পে রেড ক্রিসেন্ট (বিডিআরসিএস) পরিচালিত হাসপাতালের চিকিৎসা কার্যক্রম ঘুরে দেখে রোগী ও চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন।

এ সময় রোহিঙ্গা নেতা কামাল অভিযোগ করে বলেন, 'ক্যাম্পে তীব্র অর্থসংকটের কারণে অনেকেই প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। আগে যেখানে প্রতি মাসে জনপ্রতি ১২ ডলার সহায়তা দেয়া হতো, সেখানে কয়েক বছর ধরে তা কমিয়ে ৭ ডলার করা হয়েছে। স্থায়ী ঠিকানাহীন এই জীবনে সহায়তা আগের মতো বহাল রাখার অনুরোধ জানাচ্ছি।'

বিকেলের দিকে, প্রতিনিধি দলের সদস্যরা উখিয়ার ৪ নম্বর ক্যাম্পে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (ইএনএইচসিআর)-এর রেজিস্ট্রেশন সেন্টার, এলপিজি গ্যাস বিতরণ কেন্দ্র, এবং ৪-এক্সটেনশন নম্বর ক্যাম্পে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)-এর খাদ্য বিতরণ কেন্দ্রের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন।

পরিদর্শন শেষে, মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গোর প্রতিনিধিদলটি শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. মিজানুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে কমিশনার মো. মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, 'আমেরিকান করদাতাদের অর্থ কীভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে তা সশরীরে দেখতেই প্রতিনিধি দলটি এসেছে। তারা সেবামূলক কাজে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং এ সংকটের কারণে বাংলাদেশের ওপর সৃষ্টি হওয়া চাপের বিষয়টি উপলব্ধি করেছেন। একই সঙ্গে মিয়ানমারে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়া এবং স্থানীয় জনগণের সঙ্গে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বজায় রাখার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা হয়েছে।'

সার্বিক পরিদর্শন কার্যক্রম শেষে, শুক্রবার সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত সার্জিও গোরের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দলটি ঢাকা উদ্দেশে কক্সবাজার ত্যাগ করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%