হোসেনপুর (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি
০২:৫১ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বলিউডের অভিনেত্রী কারিনা কাপুর খান তৃতীয়বার মা হতে চলেছেন—সম্প্রতি এমন গুঞ্জন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত হওয়ার পর থেকেই এ ব্যাপারে আলোচনা শুরু হয়। তবে কারিনার ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে যে, এই খবরটি পুরোপুরি ভিত্তিহীন।
সমপ্রতি ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, কারিনা একটি গাড়ির দিকে তার দলের সদস্যদের সঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছেন। এ সময় দলের এক সদস্য সামনে ছাতা ধরার কারণে অভিনেত্রীর শরীরের কিছু অংশ স্পষ্টভাবে দেখা যায়নি।
নেটাগরিকদের এ ভিডিও দেখে একজনের দাবি, কারিনার পেট কিছুটা স্ফীত দেখা যাচ্ছে। এই থেকে শুরু হয় তৃতীয়বার মা হওয়ার গুজব।
কিন্তু কারিনার ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, এই খবরের কোনো সত্যতা নেই। ওই সূত্রের মতে, কারিনা অন্তঃসত্ত্বা নন এবং এই পুরো বিষয়টি একটি গুজব।
কারিনা ও সাইফ আলী খানের দুটি ছেলে রয়েছে—তৈমুর ও জেহ। সম্প্রতি তারা চারজন একসঙ্গে সমুদ্রসৈকতে ছুটি কাটিয়ে ফিরেছেন। ১৬ আগস্ট সাইফের জন্মদিন উপলক্ষে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ছুটি কাটানোর পর তার কিছু ছবি সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেছেন কারিনা।
এর আগে পরিবার পরিকল্পনা নিয়েও কারিনা আলোচনা করেছিলেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি মজা করে বলেছিলেন যে, সাইফের বয়সের সাথে সাথে একটি করে সন্তান হয়েছে। তাই তিনি ৬০ সালের কাছাকাছি সময়ে সাইফকে আর বাবা হতে দেবেন না বলেও জানান মজা করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার ওয়াহিদুর পাড়া এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে এক বর্ণাঢ্য জুলুস।
শনিবার (২১ আগস্ট) জুমার নামাজের পর ওয়াহিদুর পাড়া এলাকায় এই জুলুসের আয়োজন করা হয়। এই জুলুসে অংশগ্রহণ করেন স্থানীয় আলেম-উলামা, ধর্মপ্রাণ মুসল্লি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
জুলুসের নেতৃত্ব দেন ঐতিহ্যবাহী ধরমন্ডল গাউছিয়া দরবার শরীফের সুযোগ্য শাহজাদা নাঈম উদ্দিন দিলমোহন কাদেরী।
এ সময় অংশগ্রহণকারীরা পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি তাঁদের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করেন। জুলুসে দুরুদ-সালাম পাঠ করা হয় এবং বিভিন্ন ধর্মীয় স্লোগানে গোটা এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ওয়াহিদুর পাড়া নতুন জামে মসজিদের খতিবসহ স্থানীয় আলেম-উলামা ও ধর্মীয় ব্যক্তিবর্গ।
আয়োজকরা জানান, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আগমন উপলক্ষে তাঁর প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রকাশের পাশাপাশি মুসলিম সমাজে ভ্রাতৃত্ব, সম্প্রীতি ও শান্তির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই এই জুলুসের আয়োজন করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) যাত্রাবাড়ী থানার একটি অভিযানে ১৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
আজ ডিএমপির মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ থেকে প্রকাশিত একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, শুক্রবার যাত্রাবাড়ী থানার বিভিন্ন অপরাধ প্রবণ এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতদের নাম হলো- মো. নাঈম সিকদার, মো. রোহান, মো. আরিফ, মো. সোহেল, মো. সাব্বির রহমান, মো. কামরুল, মো. সোহান, মো. রনি, মো. সজিব, মো. হোসেন শেখ, শান্ত, মো. আকাশ, মো. আকরাম হোসেন, রিফাত, মো. ইমরান, মো. হৃদয় হোসেন, মো. জনি, মো. রেদোয়ান আহম্মেদ ও সাইফ।
পুলিশ জানিয়েছে যে, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডারউইন টেস্টে বল হাতে আগুন ঝরিয়েছিলেন হাসান মাহমুদ। আর এবার ম্যাকাইয়ের বাইশ গজে ইতিহাস লিখলেন শরিফুল ইসলাম।
অস্ট্রেলিয়া সফর বাংলাদেশের এই দুই তরুণ পেসারের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকলেও, দ্বিতীয় টেস্টে শরিফুল এমন এক অসাধ্য সাধন করেছেন। যা টেস্ট ক্রিকেটের সমৃদ্ধ ইতিহাসে আর কোনো ক্রিকেটার করে দেখাতে পারেননি!
ম্যাকাই টেস্টে টপ অর্ডার থেকে মিডল অর্ডার—সবাই যখন ড্রেসিংরুমে ফেরার তাড়নায় ব্যস্ত, তানজিদ হাসান থেকে শুরু করে মেহেদী হাসান মিরাজরা যখন একের পর এক ব্যর্থ, তখন একপ্রান্ত আগলে রেখেছিলেন শেষ ব্যাটার শরিফুল।
ব্যাট হাতে ১৯ বলে ৩ চারে করেছিলেন মাত্র ১৪ রান। টেস্ট ইতিহাসে ১১ নম্বরে নেমে দলের সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক হওয়ার ১৩তম ঘটনা ছিল এটি, বাংলাদেশের হয়ে যা দুই দশক আগে একবারই করে দেখিয়েছিলেন তালহা জুবায়ের।
তবে আসল রোমাঞ্চ তখনও বাকি ছিল। ব্যাটিং শেষে বল হাতে নিয়ে যা করলেন, তাতেই জন্ম হলো এক নতুন বিশ্বরেকর্ডের! ইনিংসের একাদশে নেমে দলের সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক হওয়ার পর একই ইনিংসে বল হাতে ফাইফার (৫ উইকেট) নেওয়ার অনন্য কীর্তি গড়ার একমাত্র নজির এখন শরিফুলের।
ফ্রেডেরিক স্পোফোর্থ, অ্যাস্টন অ্যাগার, কিংবা নাথান লায়নদের মতো ক্রিকেট কিংবদন্তিরা ১১ নম্বরে নেমে সর্বোচ্চ রান করলেও একই ম্যাচে বল হাতে পাঁচ উইকেট পাননি।
অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসে ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে শরিফুল সময় নেননি একেবারেই। নিজের প্রথম ওভারেই দুই বিপজ্জনক ব্যাটার ট্র্যাভিস হেড ও মার্নাস লাবুশেনকে ড্রেসিংরুমের পথ দেখান তিনি।
চা বিরতির পর দ্বিতীয় স্পেলে ফিরে জমে যাওয়া জুটি ভেঙে এলবিডব্লিউ করেন স্টিভ স্মিথকে।
এরপর যেন স্রেফ ঘূর্ণিঝড় বইয়ে দিলেন! মাত্র ৫ বলের ব্যবধানে বিউ ওয়েবস্টার ও অজি অধিনায়ক প্যাট কামিন্সকে সাজঘরে পাঠিয়ে তুলে নেন ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা ফাইফার। পরবর্তীতে মিচেল স্টার্ককেও নিজের শিকার বানিয়ে প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেট পকেটে পুরেন এই টাইগার স্পিডস্টার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ