বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৩৬ পি.এম
জাতীয় সংসদে ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) বিল-২০২৬’ পাস হয়েছে, যা বিদ্যমান ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নস অরডিন্যান্স’ রহিত করে নতুন আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে। এই নতুন আইনের মাধ্যমে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের জন্য সরাসরি আইনি ক্ষমতা লাভ করবে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিলটি উত্থাপন করেন। বিরোধী দলের সদস্যরা বিলটি জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব দেন। পরে এসব প্রস্তাব নিষ্পত্তি হওয়ার পর কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়।
পাস হওয়া বিলে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর একটি বিশেষায়িত ইউনিট হিসেবে গঠিত হবে এবং পরিচালিত হবে। এই ইউনিটের অধীনে স্পেশাল সিকিউরিটি অ্যান্ড প্রোটেকশন ব্যাটালিয়ন, পার্বত্য ব্যাটালিয়ন, বিমানবন্দর ব্যাটালিয়ন এবং সরকারের প্রয়োজন অনুযায়ী নির্ধারণ করা অন্য বিশেষ ব্যাটালিয়ন অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
নতুন আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হলো এপিবিএনকে নিজস্ব অধিক্ষেত্রে ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের জন্য প্রত্যক্ষ আইনগত ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এর ফলে, ফৌজদারি কার্যবিধি ও দেশের প্রচলিত অন্যান্য আইন মেনে অপরাধ সংঘটিত হওয়ার স্থলে প্রবেশ, তল্লাশি, আলামত ও মালামাল জব্দ এবং সন্দেহভাজন আসামিদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হবে এপিবিএনের সদস্যরা।
এছাড়া, এপিবিএনের প্রশাসনিক তথ্য ও সংবেদনশীল বিষয় সুরক্ষার জন্য বিলে বিশেষ বিধান রাখা হয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়া এপিবিএনের কোনও সদস্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কোনও ইলেকট্রনিক মিডিয়া বা সংবাদপত্রে বাহিনী-সংক্রান্ত তথ্য, দাপ্তরিক দলিল বা স্পর্শকাতর বিষয় প্রকাশ করতে পারবেন না। একইভাবে এসব তথ্য প্রকাশে কোনও ধরনের সহযোগিতা করা যাবে না।
নতুন আইন কার্যকর হলে এপিবিএনের দায়িত্ব ও আইনগত ক্ষমতার পরিধি আরও বিস্তৃত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ড. শফিকুর রহমান ডেপুটি স্পিকারকে উদ্দেশ্য করে প্রশ্ন করেছেন, "আমি কি এখন ঢাকার দুই আসনে দায়িত্ব পালন করব?"
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলাকালে তিনি এই মন্তব্য করেন, যখন বিরোধী দলীয় নেতা হিসেবে নিজ বক্তব্য প্রদান করছিলেন।
সংসদে ডেপুটি স্পিকার ব্যরিস্টার কায়সার কামাল বিরোধী দলের নেতাকে বক্তব্য দিতে বলার সময় উল্লেখ করেন, "মো. শফিকুর রহমান ঢাকা-১৮ বিরোধী দলীয় নেতা, আপনার সময় তিন মিনিট।" এ সময় বিরোধী দলীয় নেতার সংসদীয় আসন উল্লেখ করতে গিয়ে তিনি ভুল করেন। পরে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।
জামায়াত আমীর তার বক্তব্যে বলেন, "মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ, আমাকে আসন বদলে দেওয়ার জন্য। আমি কি এখন দুই আসনেই প্রতিনিধিত্ব করব ১৫ এবং ১৮?"
ডেপুটি স্পিকার এ সময় বলেন, "মাননীয় বিরোধী দলের নেতা এখানে বেসিক্যালি লিস্টে লেখা এসছে ঢাকা ১৮৮। আমি একটা ৮ বাদ দিয়ে ১৮-তে এসেছি। আমি দুঃখিত। লিস্টটা বোধহয় ওইখান থেকে দেওয়া হয়েছে, আপনাদের ওইখান থেকেই।"
পরবর্তীতে বিরোধী দলীয় নেতা আবারও তার বক্তব্য চালিয়ে যান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুর, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : গাজীপুরের নবাগত পুলিশ সুপার মো. জসিম উদ্দিন সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মাদক, কিশোর গ্যাং এবং গরু চুরির মতো বিভিন্ন অপরাধ দমনে পুলিশ ও সাংবাদিকদের সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, মাদক বা অপরাধ দমনে পুলিশের যথাযথ পদক্ষেপের পাশাপাশি পারিবারিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা অপরিহার্য।
জেলা পুলিশ কর্তৃক আয়োজিত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
আজ বৃহস্পতিবার জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত সভায় গাজীপুর সদর, কালিয়াকৈর, শ্রীপুর, কাপাসিয়া এবং কালীগঞ্জ উপজেলার সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন।
পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সমাজ ও রাষ্ট্রের সব পর্যায়ে মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ার আহ্বান জানান।
গাজীপুর একটি শিল্প ও জনবহুল জেলা, যেখানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা পুলিশের প্রধান অগ্রাধিকার। তিনি বলেন, অপরাধী যত প্রভাবশালীই হোক না কেন, তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। তথ্য আদান-প্রদান এবং পারস্পরিক আস্থার ভিত্তিতে পুলিশ ও গণমাধ্যম একযোগে কাজ করলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে।
সভায় সাংবাদিকরা জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধপ্রবণ এলাকার চিত্র এবং নানা সমস্যার কথা তুলে ধরলে পুলিশ সুপার তা নোট নেন এবং দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। সাধারণ মানুষকে দ্রুত তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহায়তা করার আহ্বানও জানানো হয়।
মতবিনিময় সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আশফাকুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিএসবি) মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক রেজা, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. আমিনুল ইসলামসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশ শিগগিরই একটি প্রতিনিধি দল শ্রীলঙ্কায় পাঠাবে, যা বাংলাদেশি আলু ও পেঁয়াজ রপ্তানির সম্ভাবনা যাচাই করবে এবং সম্ভাব্য ক্রেতা ও আমদানিকারকদের সঙ্গে বাণিজ্যিক যোগাযোগ স্থাপন করবে।
হংকংয়ে ১১তম ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড সামিট ২০২৬’-এর দ্বিতীয় দিনে বৃহস্পতিবার, বাংলাদেশের বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং শ্রীলঙ্কার বাণিজ্য, বাণিজ্যিক কার্যক্রম, খাদ্য নিরাপত্তা ও সমবায় উন্নয়নমন্ত্রী ওয়াসান্থা সামারাসিংহের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এ সিদ্ধান্তটি জানানো হয়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়।
প্রতিনিধি দলটি শ্রীলঙ্কায় আলু ও পেঁয়াজের বাজারের চাহিদা, স্থানীয় ও আমদানি মূল্য, আমদানির নিয়ম-কানুন, মান ও বাণিজ্যিক শর্ত যাচাই করার পরিকল্পনা করছে। এ ছাড়াও, স্থানীয় আমদানিকারক, ব্যবসায়ী এবং ফুড প্রসেসর্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে বাংলাদেশি পণ্যের সম্ভাব্য ক্রেতা, সরবরাহ ব্যবস্থা এবং নিয়মিত রপ্তানির সুযোগ চিহ্নিত করবে।
শ্রীলঙ্কার বাজারে বাংলাদেশি আলু-পেঁয়াজ প্রতিযোগিতামূলক দামে সরবরাহের জন্য পরিবহন, সংরক্ষণ ও গুদামজাতকরণের সুবিধার প্রয়োজনীয়তাও প্রতিনিধি দলটি পর্যালোচনা করবে।
বৈঠকে বাংলাদেশের মন্ত্রী উল্লেখ করেন, দেশে স্থানীয় চাহিদা মেটানোর পরও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ আলু ও পেঁয়াজ উদ্বৃত্ত থাকে। নতুন রপ্তানি বাজার তৈরি করা প্রয়োজন এই পণ্যের জন্য। তিনি জানান, বর্তমানে নতুন আলু কেজিপ্রতি ২৫ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে এবং প্রতিযোগিতামূলক দামের কারণে শ্রীলঙ্কার বাজারে বাংলাদেশি আলুর সম্ভাবনা রয়েছে।
শ্রীলঙ্কার মন্ত্রী বাংলাদেশ থেকে আলু ও পেঁয়াজ আমদানিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
দুই পক্ষ আশা করছে, প্রতিনিধি দলের বাজার যাচাই ও ব্যবসায়িক যোগাযোগের মাধ্যমে শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশের কৃষিপণ্যের জন্য নতুন রপ্তানি বাজার তৈরি হবে এবং কৃষকেরা উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পাওয়ার সুযোগ পাবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বৃহস্পতিবার গাজায় ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় একই পরিবারের চার সদস্য নিহত হয়েছে, এমন তথ্য দিয়েছে ফিলিস্তিনি হাসপাতাল ও নিরাপত্তা সূত্র।
বার্তা সংস্থা এএফপি’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
গাজা সিটির আল-শিফা হাসপাতালের একজন কর্মকর্তা জানান, উত্তর গাজা উপত্যকার বেইত লাহিয়া প্রজেক্ট এলাকায় একটি বাড়িতে ইসরাইলি হামলার ফলে আহমাদ পরিবারের চার সদস্যের মরদেহ খণ্ড-বিখণ্ড অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
নিহতদের মধ্যে দুই শিশু রয়েছে, যাদের বয়স যথাক্রমে ১২ বছর ও ৮ বছর।
এদিকে, এএফপি ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা জানায়, তারা ঘটনাটি সম্পর্কে যাচাই করে দেখছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ